পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধেয়ে আসছে ‘সিটি কিলার’ গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে! বিপদের আশঙ্কা কতটা?

ছবি
সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিপদের আশঙ্কা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদ এবং শুক্রগ্রহের কাছাকাছি চলে আসছে সিটি কিলার নামের এক গ্রহানু। তার ফলে, শুক্রসন্ধ্যায় মহাকাশে ব্ল্যাকবোর্ডে আচমকা তৈরি হল একটি উল্টে যাওয়া চন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি এমনই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব।  কবে সিটি কিলার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে একটি গ্রহাণু যার পোশাকি নাম ২০২৩ ডিজেড-২। যদিও ওই গ্রহাণুকে ডাকা হচ্ছে সিটি কিলার’ নামেই। এমনটাই জানাচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি।মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে এই যে, ওই গ্রহাণুর আয়তন ৪০-১০০ মিটারের মতো।  আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? যা পৃথিবীর যে কোনও একটি শহরকে ধ্বংস করার পক্ষে যথেষ্ট ক্ষমতাসম্পন্ন। তবে এই দফায় মহাকাশবিদদের মতে, ওই গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষ হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাঁরা জানাচ্ছেন যে, সিটি কিলার উড়ে যাবে চাঁদ এবং পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে এক লক্ষ ৬৮ হাজার কিলোমিটার দূর দিয়ে উড়ে ...

হঠাৎ চাঁদের নীচে এক আলোর বিন্দু, রমজান শুরুতে পশ্চিম আকাশে অবাক করা দৃশ্য

ছবি
চাঁদের নীচে আলোর বিন্দুে মিল শুক্র গ্রহের দৃশ্য ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শুক্রবার সন্ধ্যাতে এক অদ্ভুত দৃশ্যের সাক্ষী হল পৃথিবীর মানুষ। সূর্য ডুবতেই দেখা গেল সেই দৃশ্য। পশ্চিম আকাশে উঠেছে রমজান মাসের সরু এক ফালি চাঁদ। আর তার গায়ে এক আলোর বিন্দু। এমন দৃশ্য আগে কবে বা কখন দেখা গিয়েছে তা মনে করতে পারছেন না অনেকেই। চাঁদের নীচে কিসের আলোর বিন্দু! এটি গ্রহ না অন্যকিছু সন্ধ্যাতে প্রায় ৬ টা পর্যন্ত সেই আলোর বিন্দু একেবারে চাঁদের কাছেই অবস্থান করছিল। পরে দেখা যায় আস্তে আস্তে সেই বিন্দু চাঁদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তা দেখে এদিন থমকে যান পথ চলতি মানুষ। কলকাতা বাংলাদেশ সহ রাজ্যের প্রায় সব জায়গা থেকেই সেই দৃশ্য দেখা গিয়েছে । কলকাতার ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোনমি স্পেস অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সের ডিরেক্টর দেবী প্রসাদ দুয়ারী জানিয়েছেন যে, আসলে চাঁদের কাছে যে উজ্জ্বল বিন্দু দেখা যাচ্ছে তা হল শুক্রগ্রহ। পৃথিবীর নিরিখে মনে হচ্ছে যেন শুক্রের কাছে চলে এসেছে চাঁদ তিনি জানিয়েছেন যে, এ দিন কলকাতার স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টা  থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত যে অবস্থানে ছিল শুক্রগ্রহ তা দেখে মনে হচ্ছিল য...

দেশে তৈরি যানে নভশ্চরদের মহাকাশে পাঠাবে ভারত! দুর্ঘটনা থেকেও বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি

ছবি
 ইসরোর নতুন প্রযুক্তি গগনযান মিশন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল রাশিয়ার মহাকাশযানে চেপে মহাশূন্যের উদ্দেশে রওনা দিয়ে নজির গড়েছিলেন ভারতীয় মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা। তিনিই ছিলেন প্রথম ভারতীয় নভশ্চর। ৩৪ বছর পর ফের নজির গড়ার পথে ভারত।  দুর্ঘটনা থেকে কিভাবে বাঁচাবে ইসরোর প্রযুক্তি এবার দেশে তৈরি মহাকাশযানে চাপিয়ে ভারতীয় মহাকাশচারীদের মহাকাশে পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো। নাম দেওয়া হয়েছে গগনযান মিশন। শুধু মহাকাশে পাঠানোই নয় ভারতীয় মহাকাশচারী কল্পনা চাওলার পরিণতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় মহাকাশচারীদের কী ভাবে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে হবে সেই ব্যবস্থাও ইসরো করে ফেলেছে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশে কোনও দুর্ঘটনার হাত থেকে ভারতীয় মহাকাশচারীদের বাঁচাতে ক্রু এস্কেপ সিস্টেম বা সিইএস এর উপর ভরসা রাখছে ইসরো। মহাকাশে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশে তৈরি এই উন্নত প্রযুক্তিই দেশের মহাকাশযাত্রীদের প্রাণ রক্ষা করবে বলে দাবি ইসরোর।ক্রু এস্কেপ সিস্টেমএকটি ফাইটার জেটের চালক আসনের মতো কাজ করে। যেখানে এক জন চালক যে কোনও পরিস্থিতিতে জেট থেকে ...

চাঁদের মাটিতে মহাকাশচারীরা কি ধরণের পোশাক পড়বে? তার ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
চাঁদের পোশাক ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে নাসা। কোন পোশাক পরে চাঁদে পাড়ি দেবেন মহাকাশচারীরা সম্প্রতি তার ঝলক দেখাল এবার নাসা।মহাকাশচারীদের চাঁদে যাওয়ার জন্য যে পোশাক তৈরি করেছে অ্যাক্সিওম স্পেস নামক একটি সংস্থা। তা পরে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে মহাকাশচারীরা এমনই দাবি করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। চাঁদে যাওয়ার পোশাক কেমন হবে? নাসার তরফে জানানো হয়েছে যে, পোশাকটির আসল ঝলক দেখানো হয়েছে বটে তবে মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য ভিন্ন রঙের পোশাক দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। মহাকাশচারীরা চাঁদে দীর্ঘ সময় কী ভাবে কাটানো যায় সেই পরীক্ষা করতেই আর্টিমিস ৩ মিশন নিয়ে এ বার চাঁদে যাবেন। নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন এক বিবৃতিতে বলেন যে, অ্যাক্সিওমের পরবর্তী প্রজন্মের স্পেসস্যুটগুলি শুধুমাত্র মহিলাদের চাঁদে হাঁটতে সাহায্যের জন্যেই নয়, চাঁদে যাওয়ার ক্ষেত্রে মহাকাশচারীদের সুযোগ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে এই পোশাকটি।স্পেসস্যুটগুলির নাম দেওয়া হয়ছে অ্যাক্সিওম একস্ট্রাভেহকুলার মোবিলিটি ইউনিট বা এক্সিমু।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে...

পৃথিবীকে সঙ্কটে ফেলছে কোন দেশগুলো? স্যাটেলাইট থেকে বের করে ফেলল NASA

ছবি
র্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলি  এমনি চিত্র। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  কার্বন নিঃসরণকে কেন্দ্র করে একের পর এক সতর্কবার্তা দিয়ে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু তাতেও কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য় করা যাচ্ছে না। বরং মানুষ যত উন্নয়নশীল হয়ে উঠছে সেই সঙ্গে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পুরো পৃথিবী। বর্তমানে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন সারা বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে একমাত্র বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে। কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে সব দেশই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।  কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ এখনও অবধি নেওয়া হয়নি বললেই চলে। আর গবেষকরা বহুদিন ধরেই কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে অনেক গবেষণা করে চলেছেন। বর্তমানে এক নতুন গবেষণায় মারাক্ত ফলাফল এসছে।  পৃথিবীকে যে দেশগুলো বিপদে ফেলছে নাসার পর্যবেক্ষকরা স্য়াটালাইটের সাহায্যে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন নিয়ে পরীক্ষা করেছেন। আর তারপর তারা গবেষণা সংক্রান্ত একটি মানচিত্র সামনে এনেছেন। এতে সেসব দেশকে সবুজ রঙে দেখানো হয়েছে। সেই সব দেশগুলির কার্বন নিঃসরণ কম। গাঢ় ...

এবার 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন? শত চেষ্টা করেও পৃথিবীর কাছে থাকছে না চাঁদ

ছবি
পৃথিবী থেকে চাঁদ ক্রমশ সরে যাচ্ছে ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। এবার হয়তো আর ২৪ ঘণ্টায় এক দিন সম্পূর্ণ হবে না। ভাবছেন সে আবার কেমন কথা! সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে রাতে শুতে যাওয়া পর্যন্ত আপনি কখনও বুঝতে পারেন না। যে, দিনের দৈর্ঘ্য ক্রমাগত বাড়ছে। বোঝার কথাও নয়, সারাদিন এমনভাবে ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কেটে যায় যে, কতক্ষণ দিন আছে সেটাই বোঝা দায় হয়ে যায়।  কেন 25 ঘণ্টায় হবে এক দিন তবে জেনে রাখুন পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য় একটু একটু করে বেড়েই চলেছে। অর্থাৎ এমনটা ধরা যেতেই পারে যে, দিনের দৈর্ঘ্য় ২৪ ঘণ্টার জায়গায় ২৫ ঘণ্টা হতে হয়তো বেশি দিন বাকি নেই। চাইলে আপনি একবার খেয়াল করে দেখতেই পারেন ।যে, কতক্ষণ দিন থাকছে তবে তা ঘড়ি দেখে বোঝা সম্ভব নয়। তবে বিজ্ঞানীরা কিন্তু তাঁদের গবেষণা জারি রেখেছিলেন। আর তার ফলাফল সামনে আসতেই তাঁরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।  বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে দিনের দৈর্ঘ্য ছিল ১৩ ঘণ্টারও কম। কিন্তু বর্তমানে তা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। আর এর কারণ হল চাঁদ । ধীরে ধীরে চাঁদ আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়্যাল হলওয...

একটি ‘উপগ্রহ’ ধ্বংস করতে চলেছে ইসরো, কেন এমন সিদ্ধান্ত ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার

ছবি
ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে একটি মহাকাশযান ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরো একটি উপগ্রহ ধ্বংস করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সম্প্রতি ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে একটি মহাকাশযান পাঠিয়েছিল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিচালনার জন্য। সেই মহাকাশযানটিই তারা বিধ্বস্ত করতে চলেছে। কেন উপগ্রহ ধ্বংস করতে চায় ইসরো ইসরো লো আর্থ অরবিট থেকে ওই স্যাটেলাইটটিকে বিধ্বস্ত করবে। মেঘা ট্রপিক্স ওয়ান বা এমটি১ ৭ মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করবে। বি্জ্ঞানীরা মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ প্রশমনের জন্য এবং লোয়ার আর্থ অরবিট বা পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথকে আরও টেকসই করার জন্য গবেষণা ও বিশ্লেষণ করছেন। সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো ও ফরাসি মহাকাশ সংস্থা সিএনইএস যৌথভাবে এই মহাকাশযান পাঠিয়েছিল ২০১১ সালের অক্টোবরে।  তিন বছরের মিশন লাইফে মহাকাশযানটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মহাকাশে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছে। বহু মূল্যবান ডেটা সরবরাহ করেছে। এই মহাকাশযানটি তার পরিষেবা প্রদানকালীন আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক জলবায়ু...

মহাকাশচারীরা মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন! তা দেখালো এবার চীন

ছবি
 চীনের মহাকাশস্টেশনে থাকা মহাকাশচারীর চুল কাটার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আজকে আপনাদের জানাবো মহাকাশচারীরা তাঁদের মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন নয়, চীনের যে মহাকাশ স্টেশন রয়েছে তার থেকে অসাধারণ সুন্দর একটি ছবি প্রকাশ করেছে চীন।ছবিটিতে দেখা যায় আন্তর্জাতিক মহাকাশস্টেশনে থাকা মহাকাশচারীরা কিভাবে তাদের চুল কাটেন।  মহাকাশস্টেশনে কিভাবে চুল কাটেন মহাকাশচারীরা এবার চীন প্রচার করল যে, তাদের মহাকাশ স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীরা কিভাবে চুল কাটেন। সাধারণত আমরা যখন সেলুনে গিয়ে চুল কাটি তখন সাধারণভাবেই যারা রয়েছেন বা থাকেন তারা আমাদের চুল কাটে কাচি এবং টিউমার ব্যবহার করেন। তবে টিউমার কিন্তু সেরকম স্পেশাল কিছু নয়।  আরও পড়ুন:  গ্রহ গুলো গোলাকার হয় কেন! পৃথিবী সহ ব্রহ্মাণ্ডের সবগ্রহই গোলাকার এর কারণ কি? এখানে অবশ্যই টিউমার স্পেশাল যা তারা ব্যবহার করেন। এখানে একেবারেই কাচি বা বেলেট ব্যবহার করা হয় না ।কারণ এটা ৫০০ কিলোমিটার উপরে আর এখানে মানুষ সহ ভেসে বেড়ায সব কিছু। মানুষ কিন্তু ভেসে ভেসে এই কাজগুলো করেন থাকেন।তাই এখানে টিউমার অব...