পোস্টগুলি

বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় উপগ্রহের নাম কি

ছবি
বৃহস্পতির সবচেয়ে বড় গ্যানিমিড উপগ্রহের ছবি। বৃহস্পতি গ্রহের প্রাকৃতিক উপগ্রহ বৃহস্পতি গ্রহের বর্তমান ৯৫টি প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে।এগুলির মধ্যে বৃহত্তম চারটি উপগ্রহ গ্যালিলিয়ান চাঁদ নামে পরিচিত। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি ও সাইমন মরিয়াস পৃথক পৃথক ভাবে এগুলি আবিষ্কার করেন। এই উপগ্রহগুলিই আবিষ্কৃত প্রথম মহাজাগতিক বস্তু, যেগুলি পৃথিবী বা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে না। ১৯শ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে অনেকগুলি ক্ষুদ্রতর বার্হস্পত্য চাঁদ আবিষ্কৃত হয়েছে। এগুলির নামকরণ করা হয়েছে রোমান দেবতা জুপিটার অথবা তার গ্রিক রূপ জিউসের প্রেমিক প্রেমিকা বা কন্যাদের নামানুসারে। বৃহস্পতিকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিণরত বৃহত্তম ও সর্বাপেক্ষা অধিক ভরযুক্ত বস্তুগুলি হল এই গ্যালিলিয়ান চাঁদ চারটি। অন্যান্য জ্ঞাত ৭৫টি চাঁদ ও বলয়গুলির একত্রিত ভর এই গ্রহটিকে প্রদক্ষিণরত বস্তুগুলির সামগ্রিক ভরের ০.০০৩% মাত্র। আরও পড়ু ন:  বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত? বৃহস্পতির প্রাকৃতিক উপগ্রহগুলির মধ্যে আটটি নিয়মিত প্রাকৃতিক উপগ্রহ। এগুলি অনুগামী গতিতে প্রায় বৃত্তাকার কক্ষে বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করছে। গ্রহীয় ভরের কারণে গ্যালিলিয়ান চাঁদগু...

বৃহস্পতি গ্রহের আয়তন কত?

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বৃহস্পতি গ্রহ (ইংরেজি নাম Jupiter (জূপিটার্‌, আ-ধ্ব-বˈdʒu:.pɪ.tə(ɹ))।সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পঞ্চম এবং আকার আয়তনের দিক দিয়ে সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। বৃহস্পতি ব্যতীত সৌর জগতের বাকি সবগুলো গ্রহের ভরকে একত্র করলে বৃহস্পতির ভর তা থেকে আড়াই গুণ বেশি হবে। বৃহস্পতিসহ আরও তিনটি গ্রহ অর্থাৎ শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনকে একসাথে গ্যাস দানব বলা হয়। এই চারটির অপর জনপ্রিয় নাম হচ্ছে জোভিয়ান গ্রহ। জোভিয়ান শব্দটি জুপিটার শব্দের বিশেষণ রুপ। জুপিটারের গ্রিক প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় জিউস। এই জিউস থেকেই জেনো- মূলটি উৎপত্তি লাভ করেছে।  এই মূল দ্বারা বেশ কিছু জুপিটার তথা বৃহস্পতি গ্রহ সংশ্লিষ্ট শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। যেমন: জেনোগ্রাফিক। পৃথিবী থেকে দেখলে বৃহস্পতির আপাত মান পাওয়া যায় ২.৮। এটি পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান তৃতীয় উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। কেবল চাঁদ এবং শুক্র গ্রহের উজ্জ্বলতা এর থেকে বেশি। অবশ্য কক্ষপথের কিছু বিন্দুতে মঙ্গল গ্রহের উজ্জ্বলতা বৃহস্পতির চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। সুপ্রাচীনকাল থেকেই গ্রহটি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষীদের কাছে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন সংস্কৃত...

সৌরজগৎ কি নিয়ে গঠিত?

ছবি
সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত তার ছবি।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগৎ মূলত মহাকাশের গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, গ্রহাণুপুঞ্জ, গ্যালাক্সি, ধূলিকণা ও গ্যাস ইত্যাদি নিয়ে গঠিত একটি সৌর ব্যবস্থা। সৌরজগৎ মুলত ৮ গ্রহ, ১৬৬ উপগ্রহ ও অসংখ্য গ্রহাণুপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎের প্রত্যেকটি গ্রহ ও উপগ্রহ  সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সৌরজগৎ হল সূর্য ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সূর্য-প্রদক্ষিণকারী তথা পরস্পরের প্রতি অভিকর্ষজ টানে আবদ্ধ মহাজাগতিক বস্তুগুলিকে নিয়ে গড়া একটি ব্যবস্থা। আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রস্থল থেকে ২৬,০০০ আলোকবর্ষ দূরে কালপুরুষ বাহুতে এই গ্রহ ব্যবস্থাটি অবস্থিত। সৌরজগৎ যা কিছু নিয়ে গঠিত সৌরজগৎ সূর্য নামের একটি মাঝারী আকারের নক্ষত্র ও এর চারপাশে ঘুরতে থাকা ৮টি গ্রহ, এদের উপগ্রহ, বামন গ্রহ, উল্কা, গ্রহাণু, ধুমকেতু ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। সৌরজগৎ এর সৌর বা Solar System এর Sol এর অর্থ সূর্য, যা প্রাচীন রোমান ভাষা থেকে আগত। অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জগতই হচ্ছে সৌরজগৎ বা সোলার সিস্টেম। যথাঃ ১।  গ্রহ সমুহঃ সৌরজগতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে মোট আটটি গ্রহ। গ্রহ গুলো হল...

শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু, পাথর ও মূল আসলে কি?

ছবি
শনি গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   পৃথিবীতে   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রত্ন হল হিরে,পোখরাজ, রুবি, নীলকান্তমণি এবং পান্না। নীলা পাথর হল শনি গ্রহের প্রতিনিধি বা Neelam Stone রত্ন। যেটিকে অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়। রত্নশাস্ত্র অনুসারে, নীলা হল শনির প্রধান রত্ন। এই পাথরের নীল রঙের কারণে একে নীলা বলা হয়। শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হলো লোহা (Iron)। এটি একটি অস্তবিদ্যুত ধাতু এবং মৌল্যবান একটি মেটাল হিসেবে পরিচিত। লোহা মুখ্যভাবে শনি গ্রহের প্রতিকার ধাতু হিসেবে পরিচিত হয়েছে কারণ এটি শনি গ্রহের একটি কৃষ্টি হিসেবে পরিচিত হয়েছে এবং তার উচ্চ চোম্বক ক্ষেত্র রয়েছে যা লোহার বা ইয়ন প্রতি পর্যায়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম। এটি পৃথিবীতে পাওয়া যায় এবং এর উপকারিতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রকাশ পায়, যেমন মেটালার্জি, নির্মাণ, পরিবহন, ইলেকট্রনিক্স, ইত্যাদি। লোহা একটি পোষক উপাদান হিসেবে পরিচিত এবং মানব শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। শনি গ্রহ হলো একটি শীতল গ্রহ এবং লোহা এটির উপারোক্ষ প্রতিকার হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আরও পড়ু ন: কালপুরুষ নক্ষত...

মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং কি?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের আকাশের রং ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ এবং বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।ইংরেজি ভাষায় মঙ্গল গ্রহ রোমান পুরাণের যুদ্ধদেবতা মার্সের নাম বহন করে এবং প্রায়শই এই গ্রহটিকে লাল গ্রহ নামে অভিহিত করা হয়। এর জন্য দায়ী এই গ্রহের পৃষ্ঠতলে ফেরিক অক্সাইডের আধিক্য, যার ফলে গ্রহটিকে লালচে রঙের দেখায় এবং খালি চোখে দৃশ্যমান মহাজাগতিক বস্তুগুলির মধ্যে এই গ্রহটিকে স্বতন্ত্রভাবে দর্শনীয় করে তোলে। মঙ্গল গ্রহের আকাশ পৃথিবীর রাতের আকাশে মঙ্গল গ্রহ থাকলে আনাড়ি চোখও একে সহজেই চিনে ফেলে। এমন লাল আর কিছুই যে নেই রাতের আকাশে! বেটলজিউস, অ্যান্টারিস নক্ষত্ররাও লাল। তবে মঙ্গলের কাছে কিছুই নয়। কিন্তু মঙ্গল সব সময় একই রকম উজ্জ্বল থাকে না। একসময় উজ্জ্বল হতে হতে পৃথিবীর আকাশে সব নক্ষত্রের চেয়েও উজ্জ্বল হয়ে যায়। রাতের আকাশে এর চেয়ে বেশি উজ্জ্বল থাকে শুধু চাঁদ আর শুক্র। সাধারণত মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠের রং লালচে। আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে এই লালচে রং আকাশে এর রুপ নেয় গোলাপি। আরও পড়ু ন: সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি? সূর্যের কাছাকাছি নীল রঙটি জলের বরফ...

সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি ও কি কি তার প্রতিক ছবি। প্রাকৃতিক উপগ্রহ  আজ আপনাদের জানাব   সৌরজগতের  মোট   প্রাকৃতিক উপগ্রহ কয়টি।প্রাকৃতিক উপগ্রহএকটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা মহাকাশীয় বস্তু যা কোনো একটি গ্রহ বা তার থেকে বড় অন্য কোন বস্তুকে কেন্দ্রকে করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান থাকে এবং অবশ্যই যা মানব সৃষ্ট নয়। এ ধরনের বস্তুকে সাধারণত বা মাঝেমাঝেই চন্দ্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই সংজ্ঞাটির উপর ভিত্তি করে একটি তারা চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান কোন গ্রহ বা কোন ছায়াপথের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান কোন তারাকেও এই শ্রেণিতে ফেলা যায়। অবশ্য এই ব্যবহারটি সচরাচর করা হয় না সকল ক্ষেত্রেই কোন গ্রহ, বামন গ্রহ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এর সাথে প্রাকৃতিকভাবে বিরাজমান বস্তুগুলোকে প্রাকৃতিক উপগ্রহ বলা হয়ে থাকে। আরও পড়ু ন: তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ উপগ্রহে সৃষ্টি র্জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা যে, গ্রহের জন্মের সময় একএকটি নক্ষত্র কে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হতো। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহে রূপান্তরিত হয়। আ...

বুধের উপগ্রহ কয়টি! আয়তন,প্রভাব ও এর কাজ কি?

ছবি
বুধের উপগ্রহ বুধ গ্রহ যার ইংরেজি নাম Mercury মার্কারি। সৌরজগতের প্রথম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। এটি সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ। এর কোনো উপগ্রহ নাই।এটি সূর্যকে প্রতি ৮৮ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এর উজ্জ্বলতার আপাত মান -২.৬ থেকে +৫.৭ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একে পৃথিবী থেকে সহজে দেখা যায় না। কারণ সূর্যের সাথে এর বৃহত্তম কৌণিক পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ২৮.৩ ডিগ্রী। কেবল সকাল ও সন্ধ্যার ক্ষীণ আলোয় এটি দৃশ্যমান হয়। বুধ গ্রহ সম্বন্ধে সংগৃহীত তথ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম। বুধ অভিমুখী নভোযান মেরিনার ১০ ১৯৭৪ - ১৯৭৫ সালে অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল এবং মেসেঞ্জার ২০০৪ - ২০১৫ সালে ৪০০০ বার অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছিল। বুধ এর আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার বুধ গ্রহে আয়তন ৭ কোটি ৪৭ লক্ষ ৯৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার। পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। আরও পড়ু ন: বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি? বুধ গ্রহের প্রভাব বুধ একটি শুভ গ্রহ এটি অশুভ পরিস্থিতি তৈরি করলে নেতিবাচক ফলাফলও দেয়। কুণ্ডলীতে বুধের অবস্থান খারাপ হলে ত্বক সংক্রান্ত ব্যাধি দেখা দেয় এবং ...