পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গুগল ক্রোম ছাড়াও আছে দ্রুতগতিসম্পন্ন ৫ ব্রাউজার

ছবি
গুগল ক্রোম ছাড়াও আছে দ্রুতগতিসম্পন্ন ৫ ব্রাউজার ছবি। ১।ভিভালদি ব্রাউজার হ্যালো বন্ধুরা মোবাইল এবং ডেস্কটপে বহুল ব্যবহৃত ব্রাউজার ভিভালদি। অপেরা ব্রাউজারের ডেভেলপাররা এই ব্রাউজার তৈরি করেছেন। ভিভালদি ব্রাউজারে রয়েছে স্ক্রিনশট টুল। ব্যবহারকারীরা সহজেই ডেটা খুঁজে পায় এখানে। প্রথমে এর অপারেটিং সিস্টেম ছিলো উইন্ডোজ-৭ এবং পরে ওএক্স-১০ সংযোজিত হয়। বর্তমানে লিনাক্স ও অ্যান্ড্রইড ব্যবহৃত হচ্ছে। ২।মাইক্রোসফট এডজ মাইক্রোসফ করপোরেশন কর্তৃক তৈরি ব্রাউজার মাইক্রোসফট এডজ। এটি এমন একটি ব্রাউজার যা অনেকগুলো সফটওয়্যারের সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে। ২০১৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ-১০ এবং এক্সবক্স-১ প্রকাশ করা হয়। এরপর ২০১৭ সালে অ্যান্ড্রইড এবং আইফোন ২০১৯ সালে ম্যাক এবং ২০২০ সালের অক্টোবর লিনাক্স সফটওয়্যার প্রকাশ করা হয়। ব্রাউজারটিতে সহজেই ডেটা দেখা যায়। এতে সি প্লাস প্লাস এবং সি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহৃত হয়। ৩।ব্রেভ ওয়েব ব্রাউজার গুগল ক্রোমের সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে ব্রেভ ওয়েব ব্রাউজারের। তবে গুগল ক্রোমের চেয়ে তিনগুণ বেশি গতিসম্পন্ন এই ব্রাউজার। ব্রেভ ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ইঞ্জিনের ভিত্তিতে। এতে যেসব প্রোগ্রামি...

চাঁদে আছড়ে পড়তে পারে চার টন ওজনের রকেট, ধাক্কা লাগতে পারে চন্দ্রযানের সঙ্গে

ছবি
  ধাক্কা লাগতে পারে চাঁদের এই স্থানে ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চাঁদের উল্টোপিঠে আছড়ে পড়তে পারে ৩ থেকে ৪ টন ওজনের ১৫ মিটার লম্বা রকেট। এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স এর ফ্যালকন রকেট বুস্টার এটি। ইউএস ডিপ স্পেস ক্লাইমেট অবসারভেটরি ডিএসসিওভিআর কে মহাকাশে পৌঁছনোর জন্য ২০১৫ সালে এটির উৎক্ষেপণ হয়।সেই থেকে চাঁদ ও পৃথিবীর পরিমণ্ডলে এটি ভেসে বেড়িয়েছে।এখানেই আশঙ্কা থাকছে ভারতীয় মহাকাশযান ‘চন্দ্রযান এর জন্য। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের অনুমান চাঁদে আছড়ে পড়ার আগে ফ্যালকন ৯ রকেটটির ভগ্নাংশ ধাক্কা খেতে পারে চন্দ্রযান বা নাসার লুনার রিকনেস্যান্স অরিবিটারের সঙ্গে।এই দু’টি মহাকাশযান চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করছে। ফ্যালকন ৯-এর কোনও অংশের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে বড় ক্ষতি হতে পারে।ভারতীয় ও আমেরিকান যান দু’টির।আমেরিকার গবেষক বিল গ্রে চাঁদের সঙ্গে স্পেস এক্স ফ্যালকনের এই সম্ভাব্য সংঘর্ষের কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন। তাঁর অঙ্ক অনুযায়ী চাঁদের নিরক্ষরেখার থেকে সমান্য উত্তরে ৪ মার্চ সকাল সাতটা ছাব্বিশে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়তে পারে ওই রকেট।বিলের বক্তব্য সংঘর্ষ সম্পর্ক...

ছায়াপথে মিলল রহস্যময় আগন্তুকের সন্ধান, ঘড়ি ধরে ১৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড অন্তর অন্তর সংকেত

ছবি
আবিষ্কৃত এক রহস্যময় বস্তু ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  ওই মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কী সংগীত ভেসে আসে। ছায়াপথের সুদূর কোণে সদ্য আবিষ্কৃত এক রহস্যময় বস্তু। একেবারে ঘড়ি ধরে ১৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড অন্তর সংকেত পাঠাচ্ছে সে। স্বাভাবিক ভাবেই এমন এক আবিষ্কার ঘিরে শোরগোল বিজ্ঞানী মহলে । সম্প্রতি একটি ইংরাজি ছবি সাড়া ফেলেছিল। ডোন্ট লুক আপ। সেই ছবিতে এক পিএইচডি পড়ুয়া আচমকাই আবিষ্কার করে ফেলেন এমন এক ধূমকেতু যা নাকি বছরখানেকের মধ্যে আছড়ে পড়বে পৃথিবীর বুকে। আশ্চর্যজনক ভাবে এই অদ্ভুত বস্তুটিকে খুঁজে পেয়েছেন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। যিনি তাঁর স্নাতক স্তরের একটি থিসিস লেখার সময়ই আকস্মিক ভাবেই ওই বস্তুটিকে আবিষ্কার করেন। ওই আবিষ্কারের পরে স্বাভাবিক ভাবেই সাড়া পড়ে গিয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী নাতাশা হার্লে ওয়াকার জানিয়েছেন প্রতি ঘণ্টায় তিনবার তেজস্ক্রিয় শক্তির বিপুল বিস্ফোরণ প্রত্যক্ষ করেছেন তাঁরা। আরও পড়ুন:  হিরোশিমা চেয়ে ১০০ গুণ বেশি ভয়ংকর টোঙ্গার অগ্ন্যুৎপাত,দেখাল নাসার উপগ্রহ চিত্র কেন ওই বস্তুকে রহস্যময় বলে মনে তাঁদের?এপ্রসঙ্গে নাতাশার বক্তব্য একজন জ্যোতির্বিদ হিসেবে বল...

হিরোশিমা চেয়ে ১০০ গুণ বেশি ভয়ংকর টোঙ্গার অগ্ন্যুৎপাত,দেখাল নাসার উপগ্রহ চিত্র

ছবি
নাসার উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সামনে এল সেই  চিত্র ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  দীর্ঘদিন লাভা জমে জমে একদিন আচমকা অগ্ন্যুৎপাত। তার জেরে সুনামি টলমল গোটা দ্বীপ চরম বিপর্যয়। দিন দশেক আগে ঠিক এমনই পরিস্থিতি হয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ টোঙ্গার। বিশ্বের একাংশের সঙ্গে বেশ কয়েকদিন সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ছিল এই দ্বীপপুঞ্জের। সেই ধাক্কা সামলানোর পরও ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা এত অগ্ন্যৎপাত ও সুনামির সঠিক উৎস খুঁজে না পাওয়ায় আক্ষেপ করছিলেন। তবে নাসার উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সামনে এল সেই বিপর্যয়ের ভয়াবহতা যা আমাদের আন্দাজের তুলনায় ঢের ঢের বেশি। টোঙ্গা অগ্ন্যুৎপাতে ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন হিরোশিমায় পারমাণবিক বিস্ফোরণে যে পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়েছিল তার চেয়ে ১০০ গুণ বেশি শক্তি তৈরি হয়েছে এই অগ্ন্যুৎপাতে ।  গত ১৫ জানুয়ারি উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছিল প্রশান্ত মহাসাগর লাগোয়া ছোট্ট দ্বীপদেশের ভয়াবহ ছবি। দেখা গিয়েছিল দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে গর্ভে থাকা হাঙ্গা টোঙ্গা হাঙ্গা হোপাই নামে আগ্নেয়গিরি জেগে উঠেছে। শুরু হয় অগ্ন্যুৎপাত। এলাকা ঢেকে যায় কালো ছাই ও ধোঁয়ায়। এই লাভা উদগীরণের জেরে ...

১৫ লক্ষ কিমি পাড়ি মহাকাশ দূরবিন জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
১৫ লক্ষ কিমি পাড়ি মহাকাশ দূরবিন জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  রওনা দিয়েছিলে গত বড় দিনে। এক মাসে পৃথিবী থেকে ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে পৌঁছে গেল মহাকাশ-দূরবিন জেমস ওয়েব। গন্তব্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে সে। এ বার সন্তর্পণে ছোটখাটো তিনটি মোচড় মিড কোর্স কারেকশনস বা এমসিসি দিতে হবে তার চলনে। এমসিসি-১এ, এমসিসি-১বি, এমসিসি-২। তাতেই দ্বিতীয় ল্যাগরেঞ্জ পয়েন্ট (এল২) নামে বিশেষ একটি কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া হবে জেমস ওয়েবকে। যেখান থেকে সে ইনফ্রারেড রশ্মি পর্যবেক্ষণ করবে। জানার চেষ্টা করবে বিগ ব্যাং-এর সময়ের, অর্থাৎ এই মহাবিশ্বের জন্মলগ্নের কথা। কাজটি সহজ নয়। ইনফ্রারেড তথা অবলোহিত রশ্মি কার্যত তাপরশ্মি। ফলে নিজেকে ঠান্ডা রেখে কাজ করতে হবে জেমস ওয়েবকে। ফ্রেঞ্চ গিয়ানায় ইউরোপের মহাকাশ বন্দর থেকে এরিয়ান-৫ রকেটে চেপে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে গরম হয়ে রয়েছে দূরবিনটি। সেটিকে প্রথমে ঠান্ডা করতে হবে। এর পর সূর্যের তাপ থেকে বাঁচাতে হবে এটিকে। এ ক্ষেত্রে কৌশলটি হল জেমস ওয়েব এমন ভাবে সূর্যকে পাক খাবে যাতে সব সময়েই পৃথিবী ও চাঁদ থাকে মাঝে। এ ভাবে পৃথিবীর অন্ধকার পাশে থেকে সূর্য থেকে লুকিয়ে চলবে জেমস ওয়ে...

সৌরশিখার ঝাপটায় ভারত মহাসাগরে রেডিও ব্ল্যাকআউট! সতর্ক করল নাসা

ছবি
ভারত মহাসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে শর্টওয়েভ রেডিও ব্ল্যাকআউট ছবি । হ্যালো বন্ধুরা   ভারত মহাসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে শর্টওয়েভ রেডিও ব্ল্যাকআউট। সৌজন্যে সূর্য ! আরও ঠিক ভাবে বললে সৌরশিখার ঝাপট। যার ধাক্কাতেই সৃষ্টি হল মৃদু ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের। ফলে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির রেডিও তরঙ্গয় প্রভাব পড়বে। এমনটাই জানাচ্ছে মহাকাশ সম্পর্কিত ওয়েবসাইট স্পেসওয়েদার ডট কম। জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা  নাসার সোলার ডায়নামিক্স অবজার্ভেটরি সূর্যের শরীরে এক সানস্পট লক্ষ করে। দেখা যায় সেখান থেকে বিপুল সৌরশিখা ঝাপটা মারছে। এর ফলেই ভারত মহাসাগরের উপরে তৈরি হয়েছে শর্টওয়েভ রেডিও ব্ল্যাকআউট। কী হবে এর ফলে? বিমান চালক নাবিক ও হ্যাম রেডিও অপারেটররা ওই অঞ্চলে ৩০ মেগা হার্ৎজের কম তরঙ্গের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক চলন লক্ষ করবেন। সোলার ফ্লেয়ার বা সৌরশিখা ঠিক কী যখন বিপুল পরিমাণে এনার্জি চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আচমকাই মুক্তি পায় তখন ঘটে বিপুল বিস্ফোরণ। সেই আকস্মিক ও বিরাট বিস্ফোরণের ফলে প্রচুর পরিমাণে তেজস্ক্রিয়তার সৃষ্টি হয়। যা সূর্যের শরীর থেকে বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে ব্রহ্মাণ্ডের নানা প্রান্তে। সাধারণত তি...

দু’বছরের মধ্যেই মহাকাশে চালু ফিল্ম স্টুডিয়ো, বানানো হচ্ছে স্পোর্টস এরিনাও

ছবি
এই সেই অ্যাক্সিয়ম মডিউল যার ভিতরে থাকবে মহাকাশের ফিল্ম স্টুডিয়ো আর স্পোর্টস এরিনা ছবি ।  হ্যালো বন্ধুরা  দু’-এক দিনের জন্য মহাকাশে গিয়ে শুধুই কোনও চলচ্চিত্রের শ্যুটিং নয়। মহাকাশে এ বার পাকাপাকি ভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র ডকুমেন্টারি ও টেলিভিশন সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ের স্টুডিয়ো। গড়ে তোলা হচ্ছে খেলাধুলোর জন্য বিশাল স্পোর্টস এরিনাও। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে দিনে ১৫ থেকে ১৬ বার প্রদক্ষিণ করা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই গড়ে তোলা হচ্ছে এই ফিল্ম স্টুডিয়ো ও স্পোর্টস এরিনা।মহাকাশের পটভূমিতে বানানো অভিনেতা ও পরিচালক  এবং  প্রযোজক টম ক্রুজের চলচ্চিত্রের সহ প্রযোজক সংস্থা স্পেস এন্টারটেনমেন্ট এন্টারপ্রাইজ এসইই বানাচ্ছে । মহাকাশ স্টেশনের প্রথম ফিল্ম স্টুডিয়ো ও স্পোর্টস এরিনা। এসইই-র তরফ‌ বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে পৃথিবীতেই বানানো হবে মহাকাশের সেই ফিল্ম স্টুডিয়ো আর স্পোর্টস এরিনা। দুটিকে বসানো হবে একটি মডিউলে। যার নাম এসইই-১। তার পর সেই মডিউলটিকে মহাকাশযানে চাপিয়ে পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। এসইই-১ মডিউলটি মহাকাশ স্টেশনের বাণ...

গিলে নেওয়ার বদলে তারার জন্ম দিচ্ছে ব্ল্যাক হোল! আশ্চর্য দৃশ্য দেখাল হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
গিলে নেওয়ার বদলে তারার জন্ম দিচ্ছে ব্ল্যাক হোল ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  ব্ল্যাক হোল। মহাকাশের এক অতিকায় রাক্ষস। যার হাঁমুখ গিলে খায় সব কিছু। এক কণা আলোর পর্যন্ত নিষ্কৃতি নেই। মহাজাগতিক এক মনস্টারের তকমা এভাবেই এতকাল পেয়ে এসেছে কৃষ্ণ গহ্বর। কিন্তু সম্প্রতি এমনই এক দৃশ্যের সাক্ষী হল নাসা যা থেকে এতদিনে চেনা ধারণায় ফাটল ধরল। গত তিরিশ বছর ধরে মহাকাশে একের পর এক আশ্চর্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মহাশূন্য সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের পরিধিকে ক্রমশ বিস্তৃত করতে সাহায্য করেছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। এবার সেই বৃদ্ধ হাবল  স্পেস টেলিস্কোপ  মহাকাশে নজরদারি চালানোর সময় প্রত্যক্ষ করল এমন এক ব্ল্যাক হোল কে যে জন্ম দিচ্ছে নক্ষত্রদের । অর্থাৎ নক্ষত্র পেলেই গিলে ফেলার যে বদনাম এতদিন বয়ে এসেছে ব্ল্যাক হোল এই দৃশ্য তারই এক উলট পুরাণ। যা ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে এক নতুন ধারণা দিল।পৃথিবী থেকে ৩ কোটি আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে এক ছায়াপথ হেনিজে ২-১০। আকারে সে বামন। সেই ছায়াপথেই রয়েছে তারাদের এক নার্সারি। অর্থাৎ সেখানে জন্ম নেয় তারারা। আর সেই তারারা জন্ম নিচ্ছে এক ব্ল্যাক হোল থেকে। দেখা গিয়েছে উগরে নেওয়া বদলে ওই ব্ল্যাক...

হৃদয়ের উষ্ণতা দ্রুত হারাচ্ছে পৃথিবী, নিষ্প্রাণ হয়ে পড়বে মঙ্গলের মতোই দাবি গবেষকদের।Earth

ছবি
পৃথিবী নিষ্প্রাণ হয়ে পড়বে মঙ্গলের মতোই দাবি গবেষকদের ফাইল ছবি । হ্যালো বন্ধুরা সর্বনাশের দিন দ্রুত ঘনিয়ে আসছে! হৃদয়ের উষ্ণতা খুব দ্রুত হারাচ্ছে পৃথিবী। কমে আসছে এই নীলাভ গ্রহের হৃদস্পন্দন। দ্রুত হারে এর ফলে পৃথিবীর পক্ষে আর বাসযোগ্য হয়ে থাকা সম্ভব হবে না । খুব বেশি দিন চৌম্বক ক্ষেত্র আর বায়ুমণ্ডল হারিয়ে পৃথিবীও হয়ে পড়বে লাল গ্রহ মঙ্গল আর সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধের মতোই নিষ্প্রাণ। প্রাণের টিকে থাকার পক্ষে অযোগ্য। একেবারেই অ-বাসযোগ্য।সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই উদ্বেগজনক খবর দিয়েছে। আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটরি সায়েন্স লেটার্স-এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা আর্থ অ্যান্ড প্ল্যানেটরি সায়েন্স লেটার্স-এ। ভূপৃষ্ঠের নীচে পৃথিবীর অন্দরের মূলত দু’টি স্তর রয়েছে। একটির নাম ম্যান্টল। অন্যটি কোর। এই দু’টি স্তরেরই ভিতর ও বাইরে দু’টি উপস্তর রয়েছে। পৃথিবীর একেবারে অন্দরে (যাকে পৃথিবীর হৃদয়ও বলা যায়) । কোর-এ রয়েছে অসম্ভব উষ্ণ গলিত ধাতুর স্রোত। সেই স্রোতের পরিচলনই পৃথিবীর হৃদস্পন্দন। হৃদপিণ্ডের লাব-ডুব। কিন্তু গবেষকরা দেখেছেন সেই অত্যন্ত উষ্ণ গলানো ধাতুর স্রোত খুব দ্রুত...

পৃথিবীতে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির পর্ব, হুঁশিয়ারি গবেষণায়

ছবি
গত ৭০০ বছরে পৃথিবীর তাবৎ জীববৈচিত্র্যের অনেক বেশি সংখ্যক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।আর আসছে আসবে নয়। ভয়ঙ্কর সর্বনাশের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে পৃথিবীতে। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাণের গণবিলুপ্তির সময়।সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে ক্রেটাসিয়াস যুগের পর প্রাণের গণহারে বিলুপ্তির ষষ্ঠ পর্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে । খুব কম করে হলেও ৭০০ বছর আগে। ১৫০০ শতাব্দী থেকেই। গণবিলুপ্তির পর্ব পৃথিবীর চেনা জানা ২০ লক্ষ প্রাণী ও উদ্ভিদের সাড়ে সাত থেকে ১৩ শতাংশই ইতিমধ্যেই গণহারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। পৃথিবী থেকে হারিয়ে গিয়েছে চিরতরে। যে ভাবে হারিয়ে গিয়েছে ডাইনোসররা। হারিয়ে গিয়েছে আরও অসংখ্য প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী ও উদ্ভিদ। যে হারে স্তন্যপায়ী পাখি ও উভচররা হারিয়ে যাচ্ছে তাদের চেয়ে অনেক বেশি হারে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে । পৃথিবীর অমেরুদণ্ডী প্রাণী। যারা পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের মোট প্রাণীর ৯৭ শতাংশ। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান গবেষণা প...

২৪ ঘণ্টার গ্রীষ্ম, শীতকাল ফুরোয় ৪৮ ঘণ্টায়! অবাক করা ভিন্গ্র‌হের হদিশ নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ

ছবি
 ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি ফা ইল ছবি । হ্যালো বন্ধুরা গ্রীষ্মকালের আয়ু মাত্র ২৪ ঘণ্টার! আর মেরেকেট ৪৮ ঘণ্টার শীতকাল! পার্থিব তিন দিয়েই ফুরিয়ে যায় বছর এই ভিন্‌গ্রহের মুলুকে।এমন অদ্ভুত একটি ভিন্‌গ্রহের হদিশ দিল নাসার স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ। ভিন্‌গ্রহটির নাম এক্সও-৩বি। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে । আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নাল এ আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বৈঠকে এই ভিন্‌গ্রহটিকে নিয়ে আলোচনাও হয়েছে সবিস্তারে। কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লিসা ড্যাং জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা গিয়েছে এই ভিন্‌গ্রহে শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মের তাপমাত্রা কয়েকশো ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। নক্ষত্রটির খুব কাছে আছে বলে বিকিরণে জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে যায় গ্রহটি গ্রীষ্মকালে।শুধু তা-ই নয় আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহ বৃহস্পতির পৌনে ১২ গুণ ভরের এই ভিন্‌গ্রহটি আকারেও দানবাকৃতি। বৃহস্পতির ব্যাসার্ধের ১ হাজার ২১৭ গুণ এই ভিন্‌গ্রহের ব্যাসার্ধ। গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ভিন্‌গ্রহের শীতকাল আর গ্রীষ্ম এই দু’টি ঋতুও পৃথিবীর মতো নয়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ঋতু আসে যায় নিজের ক...

এবার পৃথিবীর বুকেই চন্দ্রপৃষ্ঠের পরিবেশে, কৃত্রিম চাঁদ, তৈরি করছে চিন

ছবি
এবার নকল চাঁদ বানাচ্ছে চীন ছবি । হ্যালো বন্ধুরা মহাকাশে লোকানো আছে সৃষ্টির রহস্য! ফলে সূর্য-চাঁদ-তারা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই মানুষের। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা  দিন-রাত এক করে নতুন নতুন গবষণায় ব্যস্ত। যেমন চিনের  মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বছর চারেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা কৃত্রিম চাঁদ  তৈরির প্রকল্পে হাত দিয়েছেন। সেই চাঁদ মহাকাশে স্থাপন করা হবে। যা অমাবস্যাতেও আলোকিত করবে পৃথিবীকে। এবারও সেই চিনের বিজ্ঞানীরাই জানালেন তাঁরা পৃথিবীর বুকে হুবহু চাঁদের পরিবেশ তৈরি করতে চলেছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবার ঘটতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য নকল চন্দ্রপৃষ্ঠ হবে হুবহু আসল চাঁদের মতোই। চাঁদের মাটিতে যতটুকু অভিকর্ষ থাকে ততটুকুই থাকবে সেখানে। অর্থাৎ সেখানে পৌঁছলে মানুষ ভাবতে বাধ্য হবে যে সে মহাকাশ যাত্রা করে দূর আকাশের চাঁদেই পৌঁছে গিয়েছে। তবে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নকল চাঁদ মোটেই সাধারণের বিনোদনের জন্য তৈরি কোনও ট্যুরিস্ট স্পট নয়। এভাবে পৃথিবীর মাটিতে চাঁদের পরিবেশ তৈরি করার ভাবনা শুধুমাত্র মহাকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণাকে গতি দেওয়ার জন্যে। জানা গিয়েছে এরপর থেকে চিনের চন্দ্র অভিযান প্রকল্পের মহা...

নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে

ছবি
নেপচুনের চেয়ে বড় ভিনগ্রহ থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল জলীয় বাস্পের ধোঁয়া ছড়িয়েছে মহাকাশে ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  পৃথিবী থেকে মাত্র ১৫০ আলোকবর্ষ দূরে থাকা ভিনগ্রহটি আকারে এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের চেয়েও বড়।জল আছে বোঝা গেল। তা সে তরল অবস্থায় থাকুক বা না থাকুক ।আছে জলীয় বাস্প হয়ে এই ভিনগ্রহে। আছে কি প্রাণও?সৌরমণ্ডলের বাইরে এমন একটি ভিনগ্রহের হদিশ মিলল যার বায়ুমণ্ডলে রয়েছে জলীয় বাস্প। ফুটন্ত জলের কেটলি থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়ার মতো সেই জলীয় বাস্প ছড়িয়ে পড়ছে মহাকাশে। তার নাম টিওআই ৬৭৪বি। গত বছর এটির আবিষ্কার হয়েছিল। এ বার তার বায়ুমণ্ডলে হদিশ মিলল জলীয় বাস্পের। যা ধরা পড়ল নাসা-র ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট (টেস) এ। গত বছর টেস-এর নজরেই প্রথম ধরা দেয় এই ভিনগ্রহটি।সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ পর্যায় পেরিয়ে প্রকাশিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল এ। তার আগে গবেষণাপত্রটিকে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে । আরও পড়ুন:  বুধ গ্রহের আয়তন কত? গবেষকরা জানিয়েছেন এই সৌরমণ্ডলের গ্রহ নেপচুনের আকারের এই ভিনগ্রহটি যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ...

এই প্রথম! সৌরজগতে অদ্ভুতদর্শন গ্রহের হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞান মহল

ছবি
WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ছবি। হ্যালো বন্ধুরা গ্রহ বলতে আমাদের ধারণা অনুযায়ী সাধারণত গোল আকৃতির কিংবা উপবৃত্তাকার ।যেমনটা আমাদের এই পৃথিবী । কিন্তু এইবার মহাকাশের গায়ে টেলিস্কোপ এর চোখ দিয়ে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন এক অদ্ভুত দেখতে একটি গ্রহ ।যা দেখে বিস্মিত হয়েছেন তারাও বলা হচ্ছে, এই প্রথম সৌরজগতের এমন কোন গ্রহের সন্ধান মিলল । যা কিনা অনেকটাই হেব্রে খেবরোও আকারে ।বা Deformed Planet । শুধু তাই নয় এর গঠনের বৈশিষ্ট্য এবং জন্মের কাহিনী ও অন্যদের তুলনায় ভিন্ন ।Astronomer  মধ্যে এই গ্রহ সম্পর্কে তথ্য অনেক নতুন ধারণার জন্ম দিতে চলেছে । WASP-103বি আবিষ্কৃত এই গ্রহটির নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা ।কারণ যে নক্ষত্র খুব কাছ দিয়ে এই গ্রহটি পাক খাচ্ছে তার নাম WASP-103বি ।তাই সত্নান সুবিধার জন্য এই নামকরণ ।সাধারণত মহাকাশে এই ভাবেই সামঞ্জস্য রেখেই নামকরণ করা হয়ে থাকে । WASP-103 সূর্যের থেকে ১.৭ গুন বড় ।এবং তাপমাত্রা আমাদের সূর্যের থেকে অন্তত ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস বেশি হবে । আর এর খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে এই নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি ।...

মিল্কিওয়ের কোথায় আছে ভিনগ্রহীরা ?

ছবি
কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে ছবি । প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধানে মানুষ আমাদের সৌর মন্ডল এবং তার বাইরে দূর মহাকাশে নজরে কি আসছে । মিল্কিওয়ের ছায়াপথের কোথায় হতে পারে ওই সমস্ত ভিনগ্রহীদের খোজ । তা নিয়ে চলছে গবেষণার আর  এবার পথ দেখালেন বিজ্ঞানীরা । হ্যাঁ বন্ধুরা, খুব দূরে নয় আমাদের ব্রহ্মান্ডে আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে রয়েছে ভিনগ্রহীরা ।ছায়াপথের কেন্দ্রস্থলের আশেপাশেই ভিনগ্রহীদের এমন বহু সভ্যতা থাকতে পারে । ভিনগ্রহীরা যে সভ্যতা গুলো প্রযুক্তির দিক থেকে আমাদের এই মানব সভ্যতার থেকেও অনেক গুন এগিয়ে । মার্কিন অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি বা ESA একটি গবেষণা পত্রে প্রকাশীত এই খবর দিয়েছেন ।মিল্কিওয়ের ছায়াপথে ভিনগ্রহীদের সভ্যতাগুলোর সভাব্য ঠিকানা খুঁজে বের করতে বিভিন্ন টেলিস্কোপ ও উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ।মহাকাশে পাঠানো তথ্যের  ভিত্তিতে কম্পিউটার সিমুলেশন করেছিলেন আমেরিকার পেন্সিল স্টেট ইউনিভার্সিটির এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্ট অধিকর্তা ও তার সহযোগী বিজ্ঞানীরা । গবেষণা থেকে  ...

আরও এক ধাপ এগোল ইসরো-র গগনযান, রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের পরীক্ষা সফল

ছবি
ইঞ্জিনের পরীক্ষা  ৭২০ সেকেন্ড বা ১২ মিনিটের জন্য । ছবি হ্যালো বন্ধুরা উৎক্ষেপণের আগে আরও একটি মাইলফলক পেরিয়ে গেল ভারতের মহাকাশচারী পাঠানোর প্রথম অভিযান গগনযান।গগনযান এর রকেটের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল ইসরো। ৭২০ সেকেন্ড বা ১২ মিনিটের জন্য। এত বেশি সময় ধরে গগনযান অভিযানের রকেটের ইঞ্জিনের পরীক্ষা ইসরো এর আগে করেনি। ভারত গগনযান অভিযানে তিন জন নভশ্চরকে পাঠাবে মহাকাশে।ইসরো-র তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে ।  তামিলনাড়ুর মহেন্দ্রগিরিতে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রোপালসন কমপ্লেক্স (আইপিআরসি) থেকে এই সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ৭২০ সেকেন্ড ধরে। ইসরো পরে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে গগনযান অভিযানের জন্য যে যে লক্ষ্য নিয়ে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন বানানো হয়েছে এ বারের পরীক্ষায় সেই সবকটি লক্ষ্যেই নিখুঁত ভাবে পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে। ইঞ্জিন খুব ভাল কাজ করেছে আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় প্রায় ১২ মিনিট ধরে । আরও পড়ুন:  স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত ইসরো-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে এই সফল পরীক্ষা গগনযান অভিযানের বাস্তবায়নের পথে একটি মাইলফলক হয়ে থাকল। দেশের প্রথম মহ...

ইসরো-র নতুন চেয়ারম্যান হলেন রকেটবিজ্ঞানী এস সোমনাথ

ছবি
এস সোমনাথ ছবি । হ্যালো বন্ধুরা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর নতুন চেয়ারম্যান হলেন দেশের প্রথম সারির রকেটবিজ্ঞানী এস সোমনাথ। ইসরো-র চন্দ্রযান-২ অভিযানের রকেট উৎক্ষেপণ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেওয়া সোমনাথকে কেন্দ্রীয় মহাকাশবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব ও দেশের মহাকাশ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়েছে । তিন বছরের জন্য । সোমনাথের নতুন দায়িত্বের খবর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৮ র জানুয়ারি থেকে ইসরো-র ‘বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি)এর অধিকর্তা সোমনাথ ইসরো চেয়ারম্যান কে শিবনের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট জিএসএলভি-মার্ক-৩ এবং তার আগের প্রজন্মের রকেট পোলার লঞ্চ স্যাটেলাইট ভেহিকল্‌স (পিএসলএলভি) তৈরির অন্যতম কাণ্ডারি সোমনাথের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে । ইসরো-র বিভিন্ন মহাকাশ অভিযানে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট ছোট উপগ্রহকে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানোর ক্ষেত্রে পিএসএলভি এই মুহূর্তে অন্যতম সেরা হাতিয়ার। কেরলের কোল্লামে টিকেএম কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়ার পর সোমনাথ এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করেন । আরও পড়ুন:  না...

স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত

ছবি
পৃথিবীর কক্ষপথে ৭৫ উপগ্রহ পাঠাচ্ছে ভারত ছবি । হ্যালো বন্ধুরা ৭৫ বছরে ৭৫টি পৃথিবীর কক্ষপথে যাচ্ছে একই সঙ্গে। একটিমাত্র উৎক্ষেপণেই। ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে এ বছর একই সঙ্গে ৭৫টি উপগ্রহ পাঠানো হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথে। দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত গতির আরও দক্ষ করে তুলতে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতেও ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সুবিধা পৌঁছে দিতে। ইসরো সূত্রে বুধবার এই খবর দেওয়া হয়েছে। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ইউনিটিস্যাট। যার প্রথম অভিনবত্ব এই ৭৫টি কৃত্রিম উপগ্রহই বানানো হয়েছে ভারতের মাটিতে। আপাদমস্তক ভারতীয় সরঞ্জাম দিয়ে। দ্বিতীয় অভিনবত্ব, এই ৭৫টি উপগ্রহ বানিয়েছেন অন্তত এক হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। যাঁদের কেউ কেউ যুক্ত রয়েছেন চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয় বা কানপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি কানপুর)-র সঙ্গে।  কেউ কেউ আবার আইআইটি বম্বে-সহ দেশের আরও ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এমনকি কয়েকটি স্কুলের সঙ্গেও যুক্ত।অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য মহাকাশ থেকে দেশের ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তার মাধ্যমে ইন্টারনেটের সব রকমের সুযোগসুবিধা (ইন্টারনেট অব থিংস অথবা আইওটি) দুর...

চীনের কৃত্রিম সূর্য ও চীনের সূর্য আবিষ্কার

ছবি
চীন যেভাবে সূর্য আবিষ্কার করল ছবি । হ্যালো বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো কৃত্রিম সূর্য বানালো চীন । নকল কখনও আসলকে টেক্কা দিতে পারে না। এমনটাই বলেন সকলে। কিন্তু সব সময়ই কি তা হয়? অন্তত চিনের কৃত্রিম সূর্য সেই ধারণাকে যে চুরমার করে দিয়েছে তা বলাই যায়। সূর্যের  কেন্দ্রের উষ্ণতা যেখানে দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে চিনের  এই কৃত্রিম সূর্য  উৎপন্ন করতে পেরেছে ১২ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস । অর্থাৎ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার ৮ গুণ । তবে তা প্রায় ১০১ সেকেন্ডের জন্য হয় । অল্প সময়ের জন্য হলেও এই সাফল্য চমকে দিয়েছে সারা পৃথিবীর বিজ্ঞান‌ীদের । কেবল ওই তাপমাত্রাই নয় । তাকেও টপকে গিয়েছে পৃথিবীর বুকে অবস্থানকারী এই সূর্য। তবে তা আরও অল্প সময়ের জন্য। মাত্র ২০ সেকেন্ডের জন্য ১৬ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে সক্ষম হয়েছে এই নকল সূর্য। আপাতত তাই আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য এই ধরনের তাপমাত্রা উৎপন্ন করাই লক্ষ্য বিজ্ঞানীদের।সূর্যের অভ্যন্তরে লাগাতার নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় হাইড্রোজেন থেকে হিলিয়াম উৎপন্ন হয়। এই প্রক্রিয়াতেই উৎপন্ন হয় ওই বিপুল তাপশক্তি। সেই পদ্ধতিকেই কাজে লাগিয়েই ...

কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়?

ছবি
পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায় ছবি । আজকের পোষ্টা একটু কাল্পনিক অতএব আশা করব আপনারা কাল্পনিকভাবে এই পোষ্টি পড়বেন । তবে কাল্পনিক হলেও আমরা সায়েন্সের থিওরী দিয়ে জানার চেষ্টা করবো । কি হতে পারে যদি পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল নিমেষের মধ্যে শুকিয়ে যায়? কি হবে যদি কোন রহস্যময় পোর্টালকে ব্যবহার করে আমরা পৃথিবীর সমস্ত সমুদ্রের জল কে শুকিয়ে দিতে পারি ? এই বিশাল জলরাশি শুকাতে কত সময় লাগতে পারে্? কয়েক বছর নাকি কয়েক দশক না লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যেতে পারে? এরপর একই কোন প্রাণী পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে কিন্তু রাতারাতি নিমেষের মধ্যে হয়ে গেলে কি হতে পারে?  সমুদ্রের জল ভূপৃষ্টে প্রায় ৭০ ভাগ জায়গায় সমুদ্র দখল করে আছে ।কিন্তু তার মানে কতটা জল আপনি কি কল্পনা করতে পারছেন । আপনি যদি এই সমস্ত জলকে অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুলে ভর্তি করা শুরু করেন । তাহলে আপনার এই ৫৩৫,২০০,০০০,০০০,০০০ এতগুলো অলিম্পিক সাইজের সুইমিংপুল লাগবে । আমরা যদি বাস্কেট বল কোর্টর সাইজের পোর্টাল খুলি তাহলে লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যাবে সমুদ্র জল শুকাতে । কিন্তু কি হবে যদি  আমরা   এমন কোন...

সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্রে বিস্ফোরণ! ছবি দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

ছবি
সূর্যের চেয়েও ১০ গুণ ভারী নক্ষত্র ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  এ এক মহাজাগতিক বিস্ময়! এই প্রথমবার বিজ্ঞানীরা চাক্ষুষ করলেন মহাকাশে ঘটে চলা সেই ঘটনা যা যুগের পর যুগ ধরে ঘটে চলেছে তার আপন নিয়মে। আর তার ছবি দেখেই বিস্মিয়ের শেষ নেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। সূর্যের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বড় একটি নক্ষত্র ক্রমশ সংকোচন-প্রসারণের টানাটানির লড়াইয়ে নিজেই নিজেকে ধ্বংস করে এগিয়ে গেল পরবর্তী পর্যায় সুপারনোভার দিকে। বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ধৈর্য ধরে যৌথ পর্যবেক্ষণের পর এই ছবি চাক্ষুষ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এবার নক্ষত্রটির নতুন দশা অর্থাৎ সুপারনোভার  গঠনের পদ্ধতিটিও তাঁরা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছেন বলে খবর। বিজ্ঞান বলে মহাকাশে ভারী নক্ষত্রগুলির এটাই ভবিতব্য। নিজেদের ভারে আর নিজেরাই অবস্থানে থাকতে পারে না। তখন প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এগিয়ে নতুন পর্যায়েরল দিকে। তখন তারা ক্রমশ সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে পরিণত হয় সুপারনোভায়। যুগ যুগ ধরে মহাশূন্যে তারাদের এভাবেই মৃত্যু এবং পুনর্জন্ম হচ্ছে। বিজ্ঞানের পড়ুয়ামাত্রই এই তত্ত্ব জানা। কিন্তু স্বচক্ষে এই ভাড়াগড়ার খেলা দেখার তো কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তবে...