পোস্টগুলি

জুন, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মঙ্গল গ্রহে প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র তৈরি করল চীন, দাবি তিয়ানওয়েন-১ এর

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গল গ্রহের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির দাবি করল চিন। চিনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।  চীন তৈরি করল মঙ্গল গ্রহে পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ) জানিয়েছে যে, তাদের পাঠানো মহাকাশযান তিয়ানওয়েন-১ পূর্বনির্দিষ্ট কক্ষপথে ১,৩০০ বার লাল গ্রহকে পরিক্রমা করে ওই নিখুঁত মানচিত্র তৈরি করেছে।২০২০ সালের জুলাই মাসে পৃথিবী থেকে প্রায় দশ কোটি কিলোমিটার  মঙ্গল গ্রহের  দূরবর্তী উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল চিনা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের তৈরি তিয়ানওয়েন-১।  আরও পড়ুন:   গুগল ক্রোমের নতুন লোগো এসেছে চিনের দক্ষিণ উপকূলের হায়নান দ্বীপ থেকে লং মার্চ-৫’ রকেটে চেপে মহাকাশযাত্রা শুরুর সাত মাস পর। ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারির শেষে `তিয়ানওয়েন-১’ মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছয়। এর পর মহাকাশযান থেকে একটি ল্যান্ডার ও একটি রোভার লাল গ্রহের ইউটোপিয়া অঞ্চলে অবতরণ করেছিল।মঙ্গলপৃষ্ঠের মাটি-পাথর ও বরফের নমুনা সংগ্রহের পাশাপাশি বার বার গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে চলে ছবি তোলার কাজ। এর মধ্যে ছিল ৪,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ গিরিখাত ভ্যালেস মেরি...

মহাকাশ স্টেশনে ভিজে গামছা মুড়লে কি হবে?

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আইএসএস মানে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন বাংলায় আমরা যাকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বলি থাকি। মহাকাশের যে কোনো রহস্য মানব জাতিকে সবসময় মুগ্ধ করে এসেছে। দিন যত এগিয়েছে প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই সব রহস্য সাধারণ মানুষের বোধগম্য হচ্ছে আরও সহজভাবে। তবে সম্প্রতি কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির নভোচারীদের শেয়ার করা একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছে। মহাকাশ স্টেশনে ভিজে তোয়ালে মুড়লে যা হয় মূলত, ২০১৩ সালের ভিডিও নতুন করে আবারো হয়েছে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে, মহাকাশে ভিজে তোয়ালে বা মূড়লে ঠিক কি অবস্থা হয়।এই ছবিতে মহাকাশচারী দেখিয়েছেন যে ভেজা তোয়ালে মহাকাশে কি পরিস্থিতি হতে পারে। মিস্টার হেটফিল্ড তোয়াল মুড়িয়ে দিচ্ছেন। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অভাবে ভেজা তোয়ালে মোড়ানোর পরে জল মাটিতে পড়ার পরিবর্তে তার চারপাশে একটি নলাকার গঠন করেছে। মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় একটি ভেজা তোয়ালে মরলে এমন অবাক কাণ্ড ঘটে।  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মহাকাশচারী হেটফিল্ড দ্বারা সঞ্চালিত পরীক্ষাটি নভা স্কোটিয়া হাই স্কুলের ছাত্ররা ডিজাইন করেছিল। য...

অবশেষে চাঁদের বয়স জানা গেল

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এতদিন চাঁদের বয়স নিয়ে যে ধারণা ছিল তা ভ্রান্ত বরং নতুন গবেষণা বলছে চাঁদ আরও অনেক বেশি পুরনো। চাঁদ থেকে মাটি ও পাথর আনা হয়েছিল। তা পরীক্ষা করেই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের বয়স কত চাঁদের বয়স এতদিন যা জানা ছিল।তা হল পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহটির তার চেয়ে ১৪০ মিলিয়ন বছর আগেই জন্ম হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ এতদিন চাঁদের বয়স নিয়ে যে ধারণা ছিল তা ভ্রান্ত! বরং নতুন গবেষণা বলছে চাঁদ আরও অনেক বেশি পুরনো। চাঁদের সঠিক বয়স ৪.৫১ বিলিয়ন বছর। চাঁদের গা থেকে অ্যাপোলো ১৪ মিশনে কিছুটা মাটি ও পাথর তুলে আনা হয়েছিল। সেই মাটি ও পাথর পরীক্ষা করে তাতে জিরকন নামে একটি খনিজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সেই ধাতু পরীক্ষা করেই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:   চাঁদে জল খুঁজে পেল চিনের ChangE-5, উৎস কোথায়? চাঁদ কীভাবে সৃষ্টি হল  কীভাবে চাঁদ সৃষ্টি হল তারও একটি সন্ধান দিয়েছেন তাঁরা। সৌরজগত তৈরি হওয়ার মাত্র ৬০ মিলিয়ন বছর পর একদিন তখনকার পৃথিবীর সঙ্গে থাইয়া নামে একটি গ্রহ জাতীয় বস্তুর ভয়ংকর সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষই হল আমাদের প্রিয়...

মহাকাশ স্টেশনে কি মহাকাশচারী কাঁদাতে পারে! বা কাঁদলে কি হয়

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আমরা একটা অসাধারণ  তথ্য  নিয়ে আসলাম । বিষয়টা হচ্ছে আপনি কি মহাকাশে কাঁটতে পারবেন! মানে চোখের জল ফেলতে পারবেন? মহাকাশচারী কিসএসফিল্ড বেশ কয়েকদিন আগে এই বিষয়টা নিয়ে একটা অসাধারণ ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।তা জানাব আজকে। মহাকাশ স্টেশনে কি কাঁদা যায়  কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির একজন মহাকাশচারী বলা যেতে পারে ESA অন্তর্ভুক্ত ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির অন্তর্ভুক্ত।তিনি একটি জলে যে ব্যগ থাকে তার থেকে নিজের চোখে জল ঢাললে। এবং জল ঢেলে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে, কোন মানুষ যদি বা কোন মহাকাশচারী আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাঁদে তাহলে তার চোখের জলটা কি রকম থাকবে।  আরও পড়ুন:   এবার মহাকাশে মাংস উৎপাদন করবে ইউরোপ! ছবিতে দেখা যায় চোখ থেকে কিন্তু জল পরছে না ।চোখের কাছে এই সেই জল জমে রয়েছে অসাধারণ দৃশ্য এটি উনি আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। এবং আরো বেশ কিছুটা জল ঢেলে তিনি দেখালেন ।যে, না এটি একেবারেই পড়বেনা মহাকাশ স্টেশনে ।তবে কিছুটা হয়তো ছিটকে গেল এদিক ওদিক তবে চোখের জল একেবারেই পড়বে না নিচে।চোখে...

চাঁদে জল খুঁজে পেল চিনের Chang'E-5, উৎস কোথায়?

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদে জল পাওয়া গিয়েছে। তবে পৃথিবীর মতো সেখানকার জলের স্রোতে নেই। এটি অন্ধকার অংশে থাকা গর্তগুলোতে জমাট বরফ এর মধ্যে অথবা হাইড্রেটেড পাথরে রয়েছে। এটি ভারতের চন্দ্রযান ওয়ান এবং আমেরিকার এল আর ও(LRO) দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছিল আগেই। চাঁদে জল এর উৎস কোথায়  কিন্তু এখনও চীনের চেংগি ফাইভের লুনার ল্যান্ডার জলের সন্ধান পেয়েছে ।এর পাশাপাশি এর উৎসও খুঁজে পেয়েছে তারা। বেশিরভাগ জল   চাঁদে ভিতরে রয়েছে।ন্যাচার কমিউনিকেশন জার্নালে চীন এই আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেছে।চীনের চেংগি ফাইভের লুনার ল্যান্ডার হলো প্রথম গবেষণাগারটি চাঁদে থাকাকালীন আবিষ্কার করেছে। চন্দ্রযান ওয়ান বা LRO চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করার সময় জল আবিষ্কার করেছিল। অন্যদিকে চেংগি ফাইভের লুনার ল্যান্ডার চাঁদের সেই জায়গায় রয়েছে যেখানে আজ পর্যন্ত কোন ল্যান্ড বা রোভার কিন্তু যায়নি।চেংগি ফাইভ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী চাঁদের জল হাইড্রোক্সিল গ্রুপ এর আকারে রয়েছে। অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণু নিজেদের মধ্যে আটকে রয়েছে। এটি জলের জন্য ...

খুব খিদে! প্রতি সেকেন্ডে এক একটি পৃথিবী গিলে খাচ্ছে ব্ল্যাক হোল, নতুন আবিষ্কারে বিস্ময়

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এক পৃথিবী খিদে, মহাবিশ্বে নতুন কৃষ্ণগহ্বরের বা Black Hole হদিশ পেয়ে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। প্রবল ক্ষুধা তার। কয়েকশো কোটি বছর ধরে ব্ল্যাক হোলটি একটু একটু করে বাড়তে বাড়তে এখন তার বৃদ্ধির হার ব্যাপক। অঙ্কের হিসেবনিকেশ বলছে যে, একেক সেকেন্ডে ওই কৃষ্ণগহ্বরটি গিলে খাচ্ছে এক পৃথিবী সমান আলো। এতই তার খিদে। প্রবল খিদে পৃথিবী গিলে খাচ্ছে ব্ল্যাক হোল অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, এটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।সম্প্রতি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ অস্ট্রেলিয়ার তরফে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতেই উল্লেখ যে, আমাদের সৌরজগতের চেয়ে ৭ হাজার গুন বড় সেই কৃষ্ণগহ্বরটি। স্কাইম্যাপার সাদার্ন সার্ভে বা SMSS নামে যন্ত্রের মাধ্যমে এই ব্ল্যাক হোল থেকে রঙের ছটাও দেখা গিয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে সেই প্রতিবেদনে। প্রায় ৯০০ কোটি বছরের পুরনো ব্ল্যাক হোলটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে চমকে উঠছেন বিজ্ঞানীরা।  আরও পড়ুন:   গিলে নেওয়ার বদলে তারার জন্ম দিচ্ছে ব্ল্যাক হোল! আশ্চর্য দৃশ্য দেখাল হাবল টেলিস্কোপ বলছেন তার খিদে এত বেশি যে একেক সেকেন্ডে...

হাবল টেলিস্কোপ কিভাবে কাজ করে

ছবি
হাবল টেলিস্কোপ কি ও এর কাজ হাবল টেলিস্কোপের নামকরণ ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিজ্ঞানী এ্যাডউইন পি. হাব্‌লই (১৮৮৯-১৯৫৩) প্রথম, মহাজাগতিক বস্তুসমূহের ব্লু-শিফ্‌ট আর রেড-শিফ্‌ট দেখিয়ে প্রমাণ করতে সক্ষম হন। যে, এই মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল আর প্রতিটি বস্তু একটা আরেকটা থেকে ক্রমশই দূরে সরে যাচ্ছে। আর এই প্রমাণের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তিতে মহাবিষ্ফোরণ তত্ত্বের প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তাই এই বিজ্ঞানীকে সম্মান জানিয়ে হাবল টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়। হাবল টেলিস্কোপ সংস্থাপন বিশাল এই টেলিস্কোপটি নির্মাণ শেষ হলে ১৯৯০ সালের ২৪ এপ্রিল শাটল মিশন এস টি এস-৩১ দ্বারা স্পেস শাটল ডিসকভারি দিয়ে এটিকে পাঠানো হয়। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের বাইরে এর কক্ষপথে।পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৫৯৬ কিলোমিটার উঁচুতে এর কক্ষপথে স্থান হয় টেলিস্কোপটির। তারপর সক্রীয় করা হয় একে। হাবল টেলিস্কোপ নিয়ন্ত্রণ হাবল টেলিস্কোপের নিয়ন্ত্রণ করা হয় আমাদের পৃথিবী থেকে। এটি একটি প্রতিফলন টেলিস্কোপ আয়নার প্রতিফলনে সে দূরবর্তি বস্তুর তথ্য ধারণ করতে সক্ষম। সঠিক ভাবে বললে হাবল মূলত ক্যাসেগ্রেইন রিফ্লেক্টর ঘরানার টেলিস্কোপ। ১৯৯৯ খ...

পৃথিবীর খুব কাছে সবচেয়ে বড় ধূমকেতু, চমকে গিয়েছে Nasa

ছবি
 সবচেয়ে বড় বারনারডিনেলি-বার্নস্টাইন ধূমকেতুর ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ২০১৪ সালে বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করেছিলেন বারনারডিনেলি-বার্নস্টাইন ধূমকেতু। জানা গিয়েছে যে, আমাদের সোলার সিস্টেমের মধ্যে এটি হল সবথেকে বড় ধূমকেতু।নাসার হাবল টেলিস্কোপ লক্ষ্য করে দেখছে। যে, এই ধূমকেতু অর্থাৎ বারনারডিনেলি-বার্নস্টাইন অবস্থান করছে আমাদের খুব কাছে। সেটিকে দেখা গিয়েছে রোড আইল্যান্ডের ১২০ কিমি অর্থাৎ ৭৫ মাইল দূরে। সবচেয়ে বড় ধূমকেতুতে কি কি খুজেঁ পেলেন বিজ্ঞানীরা  লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাস্ট্রোনমার ডেভিড জেইউট একটি স্টাডিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। ডেভিড জেইউট এবং তাঁর টিম এই ধূমকেতুর বিভিন্ন ধরনের ছবিও প্রকাশ করেছেন।এক্ষেত্রে তাঁরা ব্যবহার করেছেন হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। সেখানেই সোলার সিস্টেমের সবথেকে বড় ধূমকেতুর সাইজ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জানা গিয়েছে।নাসার তরফে জানানো হয়েছে যে, সূর্যের কক্ষপথে থাকা ধূমকেতু হল সাধারণত কসমিক স্নোবলের মতো। যার মধ্যে রয়েছে ফ্রোজেন গ্যাস, রক এবং ডাস্ট। এটি যখন ফ্রোজেন অবস্থায় থাকে তখন এর সাইজ হয় একটি ছোট শহরের মতো। এট...

পৃথিবীতে ছোট পাহাড়ে দেখা যাবে দুটো সূর্য!

ছবি
ছবি: সংগৃহীত । ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,   ফ্রান্সের দক্ষিণ পূর্বের প্রোভেন্স অঞ্চলের একটি ছোট পাহাড় থেকে আপনি দুটো সূর্য দেখতে পারেন। একটি সূর্য সাড়ে চার বিলিয়ন বছর ধরে উদিত হয়ে পৃথিবীকে শক্তি জুগিয়ে দিনের শেষে অস্ত যাচ্ছে। অন্যটি নির্মিত হচ্ছে হাজারো প্রতিভাবান মস্তিষ্ক ও হাতের দ্বারা বিকশিত হচ্ছে ধীরে ধীরে। সত্যিকারের সূর্যের শেষ রশ্মিগুলো ছড়িয়ে দেয় মায়াবি আভা। আর একটি বিশাল নির্মাণ সাইটে তৈরি হতে যাওয়া সূর্য হয়তো মানব ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অস্তিত্বের সঙ্কটের সমাধান করতে পারবে। পৃথিবীতে তৈরি হচ্ছে সূর্য সিএনএনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, সেন্ট পল লা ডুরেন্সের ছোট্ট এলাকায় ৩৫টি দেশের বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক ফিউশন ঘটানোর চেষ্টা এবং সেই কাজে দক্ষতা অর্জনের জন্য একত্রিত হয়েছেন। আর এই প্রক্রিয়াটি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে সূর্য এবং সমস্ত নক্ষত্রে। তবে পৃথিবীর বুকে ঠিক কিছু ঘটানো দারুণ কঠিন।ফিউশন কার্যত একটি সীমাহীন শক্তির যোগান দেয়। যা জীবাশ্ম জ্বালানির অনেকটাই বিপরীত। কারণ, এতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের হার শূন্য। সেই সাথে পামাণবিক ফিউশনে তৈরি হয় না কোনো তেজস্ক্...

এবার গ্রহাণুর বুকে মিলল প্রাণের উপাদান, দাবি জাপানের বিজ্ঞানীদের

ছবি
গ্রহাণুর বুকে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি খুঁজে পেলেন জাপানি গবেষকরা।ছবি গ্রহাণুতে প্রাণের উপাদান ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এই প্রথম মহাকাশে এক গ্রহাণুর বুকে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি খুঁজে পেলেন জাপানি গবেষকরা। প্রাণের মূল উপাদান অ্যামাইনো অ্যাসিডের ২০টি প্রকারভেদের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। রয়ুগু নামে ওই গ্রহাণু ফেরত মহাকাশযান হায়াবুসা ২ ওই উপাদান সংগ্রহ করেছে। ওই গ্রহাণুতে অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি বিজ্ঞানীদের একদিনের একটি দাবি সত্য বলে প্রমাণ করল। তা হল যে, গ্রহাণুতে জৈবিক বস্তু থাকতে পারে। পৃথিবীর বাইরে অ্যামাইনো অ্যাসিড সেই বস্তু যা প্রোটিন তৈরি করে। প্রোটিন প্রাণের অপরিহার্য উপাদান। কারণ অ্যামাইনো অ্যাসিড যেমন খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদন করতে সাহায্য করে ঠিক তেমনই দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কলা মেরামতে এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে। জাপানের বিজ্ঞানীদের তথ্য দেহের শক্তির প্রধান উৎসও বলা যায়। ২০ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতি প্রমাণ করে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ত্ব থাকা অস্বাভাবিক নয়।তবে ওই গ্রহাণুটি বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তাকে বিজ্ঞানীরা প্রা...

চীন তৈরি করল চাঁদের ম্যাপ, দেখে নিন কোথায় কী আছে?

ছবি
চীন তৈরি করল চাঁদের ম্যাপ,কোথায় কী আছে ছবি। চীন যেভাবে তৈরি করল চাঁদের ম্যাপ  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  পৃথিবীর মানচিত্র অনেক দেখেছেন, কিন্তু আপনি কি কখনো চাঁদের বিস্তারিত মানচিত্র দেখেছেন! চীনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সিএসএন-এ মানে চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন চাঁদের সবচেয়ে বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করে ফেলল । চাঁদের সমস্ত গত এবং আকার  এ ই মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাও সঠিক অবস্থানের সঙ্গে এই মানচিত্রের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে আরো ভালো উপায় চাঁদ নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন। এটি  চাঁদে যাওয়া মহাকাশচারী রোভার এবং প্রতিবেশী উপগ্রহের অবতরণে সহায়তা করবেন। এর আগে ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে ইউএসজিএস তাদের অ্যাস্ট্রোলজি সায়েন্স সেন্টার দুই হাজার কুড়ি সালের চাঁদের একটি  মানচিত্র তৈরি করেছিল। তখন সেই মানচিত্রটি কে বলা হচ্ছিল সবচেয়ে বিস্তারিত মানচিত্র চাঁদের ।মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং লুনিার প্লানেটারি ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এই কাজে সাহায্য করেছিলেন । আরও পড়ুন:  এবার খালি চোখে পাঁচটি গ্রহ দেখা যাবে একই...

এবার খালি চোখে পাঁচটি গ্রহ দেখা যাবে একই সরলরেখায়, বিরল দৃশ্য

ছবি
এবার খালি চোখে পাঁচটি গ্রহ দেখা যাবে একই সরলরেখায় ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,   প্রতিনিয়ত মহাকাশে চলছে নানা রকম ঘটনা। চাঁদের পাশে এক সারিতে আসতে চলেছে মহাকাশের পাঁচটি গ্রহ। আকর্ষণীয় মহাজাগতিক দৃশ্য খালি চোখে দেখতে পান না সাধারণ মানুষ। তবে এক্ষেত্রে সেই সমস্যা নেই। পাঁচটা গ্রহের একই সরলরেখায় অবস্থান এবার খালি চোখেই স্পষ্টভাবে দেখার সুযোগ পাবেন।একই সরলরেখায় আসবে পাঁচটি গ্রহ। চলতি মাসেই অর্থাৎ এই জুন মাসেই দেখা যাবে এই বিরল দৃশ্য।  জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, খালি চোখেই এই দৃশ্য দেখতে পাবেন আগ্রহীরা। জানা গেছে এই পাঁচটি গ্রহই সূর্যের থেকে যেভাবে স্বাভাবিক নিয়মে বিন্যস্ত থাকে সেভাবেই থাকবে।বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি এই পাঁচটি গ্রহ একই সরলরেখায় আসবে। এই পাঁচটি গ্রহের এক সরলরেখায় অবস্থান খালি চোখেই দেখা যাবে পূর্ব দিগন্তের কাছে। সূর্যোদয়ের ঠিক আগেই এই দৃশ্য দেখা যাবে।  কারণ তারপর ক্রমশ এই বিরল দৃশ্য অস্পষ্ট ফিকে হতে শুরু করবে। যারা উত্তর গোলার্ধের বাসিন্দা তাঁরা পূর্ব রবং দক্ষিণ দিকে এই গ্রহগুলির বিন্যাস দেখতে পাবেন।আর যাঁরা দক্ষিণ গোলার্ধে ...

পৃথিবীতে ৪৫ বছর আগে সংকেত পাঠিয়েছিল এলিয়েনরা! রহস্যজনক তথ্য এল সামনে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ থেকে প্রায় অর্ধশতক আগে অর্থাৎ ১৯৭৭ সালের ১৫ আগস্ট মহাজাগতিক বিশ্ব থেকে একটি এলিয়েন বার্তা এসে পৌঁছায় পৃথিবীতে। ঘটনা জুড়ে বেশ হইচই পড়ে যায় সেই সময়। পরবর্তীকালে অবশ্য জানা গিয়েছিল, ওই বার্তাটি মাত্র ৭২ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। তবে এই বার্তা ধরা পড়ে বিগ ইয়ার রেডিও টেলিস্কোপে। আর বার্তা পাওয়ার পরই একদম হুলস্থূল কান্ড ঘটে যায় বিজ্ঞানীমহলে। এরপর সারা পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানী সেই বার্তার উৎস স্থলের সন্ধানে আগ্রহী হয়ে পড়েন। ৪৫ বছর আগে পৃথিবীতে সংকেত এরপর কেটে গিয়েছে ৪৫ টা বছর। দীর্ঘ এই সময়ে মহাজাগতিক বার্তার ওপর গভীর গবেষণা চলে সারা পৃথিবী জুড়ে। তবে এতদিনে নাকি তারা জানতে পেরেছেন সেই বার্তার উৎসস্থল। এমনকি ওই বার্তাকে চিহ্নিতও করেছেন তারা! অদ্ভুত সেই সিগন্যালকে “Wow” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তারা। এমনকি ওই বার্তাটির ফ্রিকোয়েন্সিও খুঁজে বের করতে পেরেছেন বলে খবর। বিজ্ঞানী মহলের অবশ্য দাবি করেন যে, এই সৌরজগতের থেকে নয় এই বার্তার আগমন ঘটেছে দূরের কোনো নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে। এছাড়া এই সংক্রান্ত গবেষণাও শুরু হয়ে যায় পুরোদমে।  জা...