পোস্টগুলি

ভারতের প্রথম মঙ্গল অভিযান ‘মম’ চিরতরে বিদায় নিল, ইসরো কি বলছে

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নিঃশব্দে বিদায় জানাল মঙ্গলযান ভারতের।যাত্রা শুরুর প্রায় এক দশক পর অবশেষে শেষ হল মঙ্গল গ্রহে ভারতের প্রথম অভিযান। রবিবার (২ অক্টোবর) মার্স অরবিটার মিশন’ বা সংক্ষেপে মম এর প্রপেলান্ট বা জ্বালানি ফুরিয়ে গিয়েছে। লাল গ্রহের কক্ষপথে তার ব্যাটারিকে আর জাগিয়ে তোলা যাচ্ছে না। তাই মনে করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত মহাকাশযানটির যাত্রা শেষ হয়েছে।কাজেই লাল গ্রহকে প্রদক্ষিণকারী মহাকাশযানটিকে ফের বাঁচিয়ে তোলা যাবে কি না সেই বিষয়ে জল্পনা থেকেই গিয়েছে। সত্যিকি মম মঙ্গলযান নিঃশব্দে বিদায় নিল তবে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে ইসরোর এক সূত্র জানিয়েছে যে, ভারতীয় মঙ্গলযানটিতে আর কোনও জ্বালানি অবশিষ্ট নেই। স্যাটেলাইটের ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়েছে। এমনকি ইসরোর সঙ্গে মহাকাশযানটির সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছে ওই সূত্র। তাকে উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছে যে, সম্প্রতি একের পর এক গ্রহণ হয়েছে সাত থেকে সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরেল চলেছে একেকটি গ্রহণ। এদিকে, স্যাটেলাইটের ব্যাটারিটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছিল যাতে সেটি এক ঘন্টা চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত চলা গ্রহণ সহ্য করতে পারে। সেই সময়কাল পেরিয়ে যাওয়াতে ...

চাঁদেও আক্রমণ করেছিল পৃথিবীতে ডাইনোসরদের হত্যাকারী গ্রহাণু

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চিনের Chang’e-5 মহাকাশযান দ্বারা চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আনা নমুনাগুলি আমাদের প্রাকৃতিক উপগ্রহ সম্পর্কে একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করে চলেছে। এখন চাঁদে গ্রহাণুর কতটা প্রভাব পড়ছে তার প্রমাণ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় উল্কাপিন্ডের প্রভাবগুলির সঙ্গে অবিকল মিলে গিয়েছে।  কোথা থেকে এল সেই গ্রহাণু সবথেকে চাঞ্চল্যকর তথ্যের মধ্যে রয়েছ গ্রহাণুর হানাতেই পৃথিবীতে ডাইনোসরদের মৃত্যু হয়।পৃথিবীতে গ্রহাণুর প্রভাব কেবল একটি ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা গিয়েছিল এমনটা নয়। একাধিক ছোট ছোট প্রভাবের একটা সিরিজ় হয়ে যেতে পারে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। কার্টিন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা দুই বিলিয়ন বছর বয়সী মাইক্রোস্কোপিক কাচের জপমালা অধ্যয়ন করেছেন যা চাঁদের মাটিতে পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ সালে চিনা মহাকাশযান দ্বারা চাঁদের নমুনাগুলি পৃথিবীতে নিয়ে আসা হয়েছিল এবং গভীর বিশ্লেষণের জন্য পরবর্তীতে সেগুলি বিশ্ব বিজ্ঞান সম্প্রদায়ের সঙ্গে শেয়ারও করা হয়। গবেষকরা বলেছেন যে, মাইক্রোস্কোপিক কাচের পুঁতিগুলি ও উল্কাপিণ্ডের প্রভাবের তাপ ও চাপ থেকে তৈরি হয়েছিল এবং বিতরণের সময় তা...

এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ করল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা! ১৮০০ রেডিও সিগন্যাল পেল র্বিজ্ঞানীরা

ছবি
এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ থেকে রেডিও সিগন্যাল পাচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এক আধবার নয় ১৮৬৩টি সিগন্যাল পেয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তবে কি এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ফেললেন বিজ্ঞানীরা! অনেক বছর ধরে তারা গবেষণা করে আসছে। ভিনগ্রহীদের নিয়ে যে আগ্রহ তাঁদেরকে পৃথিবীতে আনতে গবেষণার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য এবার বিজ্ঞানীদের হাতে। রেডিও সিগন্যাল  ভিনগ্রহ  থেকে কিভাবে  আসছে এলিয়েনদের নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই পৃথিবীবাসীর। ভিনগ্রহীদের খোঁজে পৃথিবীর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কি না করেছেন। সমস্তরকম প্রচেষ্টা তাঁরা করে যাচ্ছেন এখনও। তার মধ্যেই খবর এলিয়েন দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা গিয়েছে।মহাকাশের এক কোণ থেকে  পৃথিবীতে বসে  এমন কিছু রেডিও সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছে যা থেকে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এ সংকেত  এলিয়েনদের । এলিয়েনদের নতুন ধরনের রেডিও সংকেতে  একেবারে নতুন ধরনের রেডিও সংকেত পেয়ে ভিনগ্রহীদের নিয়ে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। এই সংকেতগুলি রেকর্ড করা হয়েছে। এই সংকেতগুলি ফাস্ট রেডিও বার্স্ট থেকে আলাদা। যেখান থেকে এই সংকেত আসছে সেখানে রেডি...

চীনোও এবার মহাকাশে পর্যটকদের নিয়ে যাবে, এলন মাস্ক-বেজোসদের মতো

ছবি
বেজোস-মাস্কদের মতো পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাবে চিন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আমেরিকার জেফ বেজোস বা এলন মাস্কদের মতোই মহাকাশ পর্যটনের দৌড়ে ঢুকতে চায় চিন সরকার। আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যটকদের মহাকাশের সফরে নিয়ে যাওয়াই চিনের লক্ষ্য।চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনের রিপোর্টে দাবি। পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যেতে চায় চিন ২০২৫ সালের মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য মহাকাশে ঘোরাফেরার বন্দোবস্ত করতে চায় চীন সরকার। বেজিংয়ের রকেট সংস্থা সিএএস স্পেসের এক বিজ্ঞানী ইয়াং ইকিয়াং জানিয়েছেন যে, তিন ভাবে মহাকাশ সফরের কথা চিন্তা ভাবনা করছেন তাঁরা। যদিও সেগুলি কী কী, তা খোলসা করেননি তিনি। তবে বেজোসের ব্লু অরিজিন নামের সংস্থার মতোই পর্যটকদের পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় কারম্যান লাইনের কাছে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। ব্লু অরিজিনের হাত ধরে মহাকাশ পর্যটন ব্যবসার সামনের সারিতে রয়েছেন অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজোস। চলতি বছরে তাঁর সংস্থার তরফে পর্যটকদের তিন বার মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেজোস ছাড়াও ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসনের সংস্থাও এই দৌড়ে নেমে পড়েছে। ব্র্যানসনের সংস্থা ভার্জিন গ্যালাকটিকের রকেট অবশ্য পর্...

গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে সক্ষম ডার্ট! পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসার এই মহাকাশযান

ছবি
নাসার মহাকাশযান  ডার্ট  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে ঘুরতে থাকা বিশাল এক গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়েছে নাসার মহাকাশযান ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট, সংক্ষেপে ডার্ট। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা যে কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার সফল পরীক্ষা হল মঙ্গলবার রাতে। ডার্ট ধাক্কা মারল বিশাল গ্রহাণুকে নাসার ডার্ট যে গ্রহাণুটিকে ধাক্কা মেরেছে তার নাম ডাইমরফোস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে , প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া এই গ্রহাণু আকারে আস্ত একটি ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো। মহাকাশে প্রায়ই এমন গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। কখনও কখনও নীল গ্রহের একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায় সেগুলি। যে কোনও মুহূর্তে এই সব মহাজাগতিক বস্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। তা এড়াতেই ডার্ট বানিয়েছেন নাসার গবেষকরা। জানা গিয়েছে যে, এই ডাইমরফোস থেকে আপাত ভাবে পৃথিবীর কোনও বিপদের সম্ভাবনা ছিল না। তার উপর কেবল পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে ডার্ট। এটি পৃথিবী থেকে এক কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ডাইমরফোস প্রদক্ষিণ করছে ডিডাইমোস নামের আরও ...

৫৯ বছর পর পৃথিবীর অনেকটা কাছে এল বৃহস্পতি, এমনটা আর ১০৭ বছরে হবে না

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সর্বক্ষণ স্রেফ আকাশের দিকে চোখ রাখলেও বোধহয় সূক্ষ্ণ থেকে সূক্ষ্মতর মহাজাগতিক ঘটনার অনেক কিছুই অজানা থেকে যায়। তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের চোখ ফাঁকি দেওয়া এত সহজ নয়। মহালয়ার পর শরতের আকাশে যে একে অপরের সবচেয়ে কাছে চলে এসেছে পৃথিবী ও বৃহস্পতি তা ঠিক টের পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে  নাগাদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছে গুরুগ্রহ। মহাকাশে চোখ তাকালে দেখা যাবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেখা যাবে এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির আকার আয়তন বেশি হওয়ায় গতি কম। সূর্যকে একবার পাক খেতে সময় লাগে ১১ বছর। উপগ্রহের সংখ্যা ৫৩। বৃহস্পতি আর পৃথিবীর দূরত্ব ৫৯ কোটি ৬ লক্ষ ২৯ হাজার ২৪৮ কিলোমিটার। গুরুগ্রহকে রাতের আকাশে কিন্তু খালি চোখেই দেখা যায়। এবার তা আরও কাছ থেকে আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।এভাবে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর সঙ্গে একই অক্ষরেখায় আসাটা যথেষ্ট বিরল ঘটনা।  আরও পড়ুন:  দুই গ্রহে বেঁচে থাকতে পারবে মানুষ! পৃথিবী ছাড়াও অবাক করা দাবি বিজ্ঞানীদের ৫৯ বছর পর এমন দৃশ্যের সাক্ষী রইল মহাবিশ্ব। হিসেবনিকেশ করে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন য...

নেপচুনের আসল স্পষ্ট ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ, ৩০ বছর পর ধরা পড়ল বলয়ও

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নেপচুনের এক গুচ্ছ ছবি তুলে পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। গত ৩০ বছরে সৌরজগতের শেষ গ্রহটির এত সুস্পষ্ট ও ঝকঝকে ছবি আর পাওয়া যায়নি। জেমস ওয়েবের তুলা এই নতুন ছবিগুলি নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই।  নেপচুনের আসল স্পষ্ট ছবি ধরা পড়ল বলয়ও পৃথিবী থেকে নেপচুনের দূরত্ব ৪৩০ কোটি কিলোমিটার। পুরু বরফের চাদরে মোড়া গ্রহটিতে নতুন করে আলোকপাত করেছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। টেলিস্কোপের ছবিগুলিতে নেপচুনের বলয়গুলি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে। নেপচুনের বলয় সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেক দিনের। কিন্তু উপযুক্ত প্রযুক্তির অভাবে এত দূরের গ্রহের চার দিকের বলয় ভাল ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস ১৯৮৯ সালে নাসার ভয়েজার ২ মহাকাশযানের তোলা ছবিতে শেষ বার দেখা গিয়েছিল নেপচুনের বলয়। তার পর থেকে আর এই বলয়ের দেখা পাননি গবেষকরা। জেমস ওয়েবের ছবি ঘিরে তাই তাঁদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, তিন দশক আগে নেপচুনের বলয়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল তা ছিল খুবই অস্...