পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাংলাদেশে ই-সিম, ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

ছবি
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ই-সিম ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন দেশে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব ফোর জি  ই-সিম চালু করেছে। আগামী মাস থেকে এই ই-সিম বাজারে পাওয়া যাবে। গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা ফোর জি ই-সিম সমর্থন করে এমন ডিভাইসে প্লাস্টিক সিম কার্ড ছাড়াই সংযোগের সম্পূর্ণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবে। গ্রামীনফোন ই সিম গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন যে, এ ধরনের উন্নত ও পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রণী হিসেবে এ যাত্রায় যুক্ত হতে আমরা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই।গ্রামীণফোন জানায়, 4G ই-সিম সংযোগ পেতে হলে ক্রেতাদের 4G ই-সিম সমর্থন করে এমন ডিভাইস নিয়ে গ্রামীণফোনের এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার ঢাকা ও চট্টগ্রাম এবং নির্ধারিত গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে 4G ই-সিমের জন্য অনুরোধ করতে হবে। আরও পড়ুন:  বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিপদে কারন সূর্যের তাপে মার্চে সম্প্রচারে বিঘ্ন ই সিমের সুবিধা সিম কেনার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রামীণফোনের অনলাইন শপের মাধ্যমেও ...

চাঁদে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা মার্কিন বিজ্ঞানীদের! গোপন তথ্য ফাঁশ

ছবি
চাঁদে পরমাণু বিস্ফোরণের প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সবুজ প্রকৃতি আর মানুষের দূরত্ব বাড়ছে, একদিকে সবুজের ধ্বংস আবার অন্যদিকে প্রযুক্তির উন্নতি। যা ডেকে আনছে মরণ দূষণ। ফলাফল বদলে যাওয়া চরম জলবায়ু। এতেও যে আত্মহত্যাপ্রবণ সভ্য মানুষের কিছু যায় আসে না। তা নতুন করে প্রমাণিত হল সম্প্রতি প্রকাশিত আমেরিকার একটি গোয়েন্দা রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট বলছে যে, একাধিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পাশাপাশি চাঁদে পরমাণু বিস্ফোরণের  ছক ছিল মার্কিন বিজ্ঞানীদের। যদিও সেই পরিকল্পনা মাঝপথে ভেস্তে যায়।কিন্তু চাঁদে পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের কথা ভেবেছিল কেন বিজ্ঞানীরা! যে কারণে চাঁদে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা মার্কিন বিজ্ঞানীদের আসলে এই মিশনটিও ছিল আমেরিকার মুন মিশনের অন্তর্গত। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয় অ্যাডভান্সড অ্যারোস্পেস থ্রেট আইডেন্টিফিকেশন প্রোগ্রাম । এমন কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই মিশনে যা প্রকৃত প্রস্তাবে অবিশ্বাস্য। বেশ কিছু আধুনিক প্রযুক্তির পরীক্ষা নিরীক্ষার ভাবনা ছিল প্রথমত। যার অন্যতম ইনভিজিবিলিটি ক্লোক  অ্যান্টিগ্র্যাভিটি ডিভাইস  ট্রাভার্সেবল ওর্মহোলস এবং পা...

চাঁদ কেন ‘দু’মুখো, রহস্য ভেদ করলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
 চাঁদের ‘দু’মুখোর প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  কত কাছে তবু কত দূরে মনে হয়। চাঁদের  কথা ভাবতে বসলে তেমনই মনে হয় বিজ্ঞানীদের। আসলে পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী চাঁদ। তবু আজও এই উপগ্রহের বহু রহস্যই ভেদ করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে একটি সুখবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা। জানিয়ে দিলেন যে, চাঁদের দুই পিঠের বৈপরীত্যের কারণ কী, এই বহু দিনের জটিল ধাঁধার সমাধান করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের দু মুখো হয়ার কারণ সম্প্রতি একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে,সায়েন্স অ্যাডভান্সেস নামের একটি জার্নালে। সেখানে গবেষকরা জানিয়েছেন যে, কীভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে ঘটা এক মহাজাগতিক ঘটনায় এই পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। ঠিক কী হয়েছিল তখন? আজ থেকে ৪৩০ কোটি বছর আগে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল একটি অতিকায় গ্রহাণু। সেই বিস্ফোরণ ছিল বিপুল। আর সেই বিস্ফোরণের ধাক্কাতেই বদলে যায় চাঁদের অস্তিত্ব। এর ফলে চাঁদের দুই অর্ধের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পৃথিবী থেকে যে অংশটি দৃশ্যমান সেদিকে এখনও চিহ্ন রয়েছে লাভা উদগীরণের। অন্য প্রান্তটিতে রয়েছে বহু গহ্বর। এবং সেখানে লাভা উদগীরণের কোনও চিহ্নমাত্র নেই। আরও পড়ু...

এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছেন বিজ্ঞানীদের একাংশ

ছবি
এলিয়েনদের হামলার ভয় পাচ্ছে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের চৌহদ্দির বাইরে অন্য সভ্যতার খোঁজ করতে উঠে পড়ে লেগেছে নাসা। কিন্তু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা যে, নাসার এই অতি কৌতূহল পৃথিবীর জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা ভিনগ্রহীদের সন্ধানে বহির্বিশ্বে সাংকেতিক আমন্ত্রণবার্তা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাসা। খুব শীঘ্রই সেই বার্তা পৌঁছে যাবে ছায়াপথের বিশেষ বিশেষ অংশে। ভিনগ্রহী বিষয়ক গবেষকদের একাংশের দৃঢ় ধারণা। নাসার এই সাহসী পদক্ষেপ পৃথিবীকে বড় ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতেও পারে। এলিয়েনদের যেভাবে বার্তা পাঠানো হবে বহির্বিশ্ব অর্থাৎ সৌরজগতের বাইরের ছায়াপথে যে আরও নক্ষত্রমণ্ডল রয়েছে এবং সেই সব অন্য নক্ষত্রের অন্য কোনও গ্রহে যে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী থাকতে পারে। তা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সন্দেহ নিরসনে এ বার তাঁরা ঠিক করেছেন। বহির্বিশ্বে পৃথিবীর তরফে একটি সাংকেতিক বার্তা পাঠানো হবে। যাতে পৃথিবীর ঠিকানার পাশাপাশি জানানো থাকবে পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও। থাকবে মহিলা এবং পুরুষের ছবিও সৌরজগতের...

মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পা! নাসার ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনের পায়ের ছাপ ছবি। মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে ভিনগ্রহের প্রাণীর পায়ের ছাপ সেই ছবিই তুলেছে নাসা । সম্প্রতি লাল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। সেই ছবি দেখেই এলিয়েন নিয়ে কৌতূহলি নেটিজেন এমন প্রশ্ন তুলল। পাশাপাশি ছবি দেখে মুগ্ধ তারা। ফলে ইতিমধ্যে ওই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।কিন্তু হঠাৎ মঙ্গলের ছবি দেখে এলিয়েনের কথা মনে পড়ল কেন ! কারণ আছে। বিখ্যাত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা যে ছবি প্রকাশ্যে এনেছে, মার্স রিকনেসান্স অরবিটার থেকে তোলা সেই হাই রিজলিউশন ছবির বৈশিষ্টই আসল কারণ। ছবিটি আসলে ভিন গ্রহের ভূপৃষ্ঠের একটি গোলাকার গর্ত। গোল অবশ্য খানিক বাঁকাচোরা। তারচেয়ে বড় কথা যে, বড় গর্তের ভিতর অসংখ্য পায়ের আঙুলের মতো রেখা রয়েছে। সেই হলুদাভ দাগের সঙ্গে মানুষের পায়ের আঙুলের কোনও মিল নেই। কারণ তা ভিষণই এলোমেলো। এই ছবি নিয়েই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে । আরও পড়ুন:  পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে নাসা ...

পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছে বেহেমথ ধূমকেতু, ঘণ্টায় ৩৫ হাজার কিমি বেগে

ছবি
 বেহেমথ ধূমকেতু ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ধূমকেতু মহাকাশের আশ্চর্য এই অতিথিকে নিয়ে মহাকাশপ্রেমীদের কৌতূহলের শেষ নেই। কিন্তু এতদিন ধূমকেতুর দৈর্ঘ্য সম্পর্কে এতদিন যা ধারণা ছিল। তা ভেঙে দিয়েছে নাসার নতুন আবিষ্কার। হাবল টেলিস্কোপ জানিয়ে দিল যে, মহাকাশের বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। এর নাম C/2014 UN271 ওরফে বেহেমথ।  বেহেমথ সবচেয়ে বড় ধূমকেতু  যা সাধারণ ধূমকেতুর যে দৈর্ঘ্য, তার থেকে প্রায় ৫০ গুণ বেশি। প্রায় ৩৫ হাজার কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে সেটিকে ছুটে আসতে দেখা গিয়েছে সৌরজগতের সীমানা থেকে।কেবল দৈর্ঘ্য় নয়, ধূমকেতুটির ভরও চমকে দেওয়ার মতো। এর ভর প্রায় ৫০০ লক্ষ কোটি টন। এটিও এতদিন আবিষ্কৃত ধূমকেতুদের থেকে বহু গুণ বেশি ভারী। স্বাভাবিক ভাবেই এমন অতিকায় ধূমকেতুকে দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। ২০০২ সালে দেখা গিয়েছিল C/2002 VQ94 নামের এক ধূমকেতু। সেটিই ছিল এতদিন পর্যন্ত চেনা ধূমকেতুদের মধ্যে সবথেকে দীর্ঘ। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। তবে বেহেমথ নামের ধূমকেতুটিকে প্রথমবার দেখা গিয়েছিল ২০১০ সালে। সেই সময় সূর্যের থেকে এর দূরত্ব ছিল ...

বেহেমথ বৃহত্তম ধূমকেতু মাপল নাসা, এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে

ছবি
বেহেমথ বৃহত্তম ধূমকেতু মাপল নাসা, এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  নাসা জানিয়েছে যে, সাধারণ ভাবে এতদিন যে সব ধূমকেতু দেখা গিয়েছে বেহেমথের নিউক্লিয়াস তার থেকে আকারে অন্তত ৫০ গুণ বেশি বড়।নাসার হাবল টেলিস্কোপ জানিয়েছে যে, মহাকাশে বৃহত্তম ধূমকেতুর মূল অংশটির ব্যাস প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। বেহেমথ ধূমকেতু নাম তার বেহেমথ। নাসা এর খোঁজ পেয়েছিল ২০১০ সালেই। তবে চেহারার হদিশ পেতে লেগে গেল আরও ১২ বছর। নাসা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়েছে যে, এ যাবৎ যত ধূমকেতু দেখেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা তার মধ্যে এটিই নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড়। বেহেমথ ধূমকেতু কত বড়? সাধারণত ধূমকেতুকে দেখতে হয় লম্বাটে। মূল অংশের পিছনে গ্যাসের লম্বা আস্তরণ থাকে। সূর্যের যত কাছে আসে ধূমকেতু  ততই সূর্যের তাপে বিস্তৃত হতে থাকে গ্যাসের আস্তরণ।নাসার হাবল টেলিস্কোপ বেহেমথের গ্যাসের আস্তরণের  ধূমকেতুর  ভিতর থেকে  মূল অংশ বা নিউক্লিয়াসের মাপজোক করেছে। নাসা জানিয়েছে যে, সাধারণ ভাবে এতদিন যে সব ধূমকেতু দেখা গিয়েছে বেহেমথের নিউক্লিয়াস তার থেকে আকারে অন্তত ৫০ গুণ বেশি বড়। এর ভর প্রায় ৫০০ ...

বিরল দৃশ্য! কাছাকাছি আসবে মঙ্গল, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি দেখা যাবে ২০২২লেই

ছবি
মঙ্গল, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি দেখা যাবে এক সঙ্গে প্রতীক ছবি।  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  রাতের আকাশ যেন এক জাদুকরের মঞ্চ। মাঝেমধ্যেই সেখানে দুর্দান্ত সব মহাজাগতিক দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হন মহাকাশপ্রেমীরা। এবার তাঁদের জন্য নতুন সুখবর। এই বছরে একই রেখায় পাশাপাশি দেখা যাবে সৌরজগতের চার গ্রহকে । মঙ্গল, শুক্র , বৃহস্পতি ও শনিকে। দেখা যাবে মঙ্গল, শুক্র, বৃহস্পতি, শনিকে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, এর আগে ২০২০ সালে বৃহস্পতি ও শনিকে কাছাকাছি দেখা গিয়েছিল। এবার তারা অতটা কাছাকাছি না এলেও ভোরের আকাশে পাশাপাশিই দেখা যাবে দুই গ্রহকে। যদিও মহাশূন্যে তাদের মধ্যে দূরত্ব কোটি কোটি কিলোমিটার । তবুও পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হবে সেগুলি পাশাপাশিই রয়েছে। এপ্রিলের গোড়া থেকেই শুক্র, শনি ও মঙ্গলকে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৬ ডিগ্রি তফাতে। পরে যত সময় এগিয়েছে আরও কাছাকাছি এসেছে শনি ও মঙ্গল। তবে এরপর থেকে তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। কিন্তু আসল আকর্ষণ অপেক্ষা করে রয়েছে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহের জন্য। এপ্রিলের শেষে এই চার গ্রহকেই দেখা যাবে কাছাকাছি। যা এক বিরল অবস্থান মনে করছে বিজ্ঞানীরা । আরও পড়ুন:  বৃহ...

বৃহস্পতির জমজের সন্ধান, ১৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে কে২-২০১৬

ছবি
১৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরে কে২-২০১৬ প্রতীক ছবি। বৃহস্পতি গ্রহের জমজ ভা ই  ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বৃহস্পতি গ্রহের জমজের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে ১৭ হাজার আলোকবর্ষ দূরের একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণরত এই গ্রহের ভরও অনেকটাই বৃহস্পতির সমান। প্রতিবেদন অনুসারে, গ্রহটির নাম দেয়া হয়েছে কে২-২০১৬-বিএলজি-০০০৫এলবি। বৃহস্পতি গ্রহের ১.১ গুণ ভরসম্পন্ন এই গ্রহটি যে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে ।সেই নক্ষত্রের ভর সূর্যের ৬০ শতাংশ। এছাড়া সূর্য থেকে বৃহস্পতির যে দূরত্ব প্রায় একই দূরত্ব রেখে জমজ গ্রহটিও অতিক্রম করছে তার নক্ষত্রকে। বৃহস্পতি থেকে সূর্যের দূরত্ব যেখানে ৪৬২ মিলিয়ন মাইল। কে২-২০১৬-বিএলজি-০০০৫এলবি থেকে তার নক্ষত্রের দূরত্ব ৪২০ মিলিয়ন মাইল। আরও পড়ুন:  এলিয়ানের সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা! দাবি করল মার্কিন এক মহিলা আলবার্ট আইনস্টাইনের বিখ্যাত আপেক্ষিক তত্ত্ব ও গ্র্যাভিটেশনাল মাইক্রোলেন্সিং নামক পদ্ধতি ব্যবহার করে নতুন গ্রহটির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জমজ গ্রহ নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গবেষণাটি রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সাময়িকী মান্...

এলিয়ানের সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা! দাবি করল মার্কিন এক মহিলা

ছবি
অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ভিনগ্রহে কি প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর সেই কবে থেকে খুঁজে চলেছে মানুষ। আজও নিশ্চিত কোনও উত্তর মেলেনি। এর মধ্যেই এক আজব দাবি করতে দেখা গেল এক মার্কিন  মহিলাকে। তাঁর দাবি যে, ভিনগ্রহের এক প্রাণীর এলিয়ানের সঙ্গে তিনি নাকি যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলেন। আর তারই ফলশ্রুতি অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলেন তিনি। আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই আজব এক ঘটনার কথা। ভিনগ্রহীর সঙ্গে সঙ্গম, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ওই রিপোর্টে প্যারানর্মাল তথা অনুযাই অতীন্দ্রিয় অভিজ্ঞতার শরিক হওয়ার দাবি করা নানা ব্যক্তির কথা রয়েছে। সেখানেই জায়গা পেয়েছে ওই মহিলার দাবিও। এই ধরনের অভিজ্ঞতা যাঁদের হয়েছে তাঁদের স্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব পড়েছে সেটা নিয়েই আলোচনা রয়েছে ওই রিপোর্টে। আসলে এই রিপোর্ট হল ইউএফও সংক্রান্ত দেড় হাজার পাতার একটি নথির অংশ। ওই রিপোর্টে রয়েছে ৪২টি মেডিক্যাল ফাইল। পাশাপাশি ভিনগ্রহীদের সঙ্গে মোলাকাতের ৩০০টি অপ্রকাশিত ঘটনাও রয়েছে। আরও পড়ুন:  রহস্যময় দুটি গ্রহ, বৃষ্টি হলে জল নয় বদলে রয়েছে পাথর কয়েক...

রহস্যময় দুটি গ্রহ, বৃষ্টি হলে জল নয় বদলে রয়েছে পাথর

ছবি
রহস্যময় গ্রহ,বৃষ্টি বদলে পাথর হয় ছবি। দুটি ভিন্ন গ্রহের বায়ুমণ্ডল ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথে রহস্যজনক সব গ্রহের সন্ধান দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে হাব্বল স্পেস টেলিস্কোপ ।নাসার এই টেলিস্কোপ একটি ফ্লায়িং অবজারভেটরি। আর এবার সেই হাব্বল টেলিস্কোপ এখন দুটি ভিন্ন গ্রহের বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণে ব্যস্ত রয়েছে। এই দুই গ্রহ অনেকাংশেই বৃহস্পতির মতো। তবে এই দুই গ্রহ তাদের হোস্ট বা পেরেন্ট স্টার অর্থাৎ মূল নক্ষত্রের এতটাই কাছে রয়েছে যে প্রতিনিয়ত অত্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে হচ্ছে।  ফলে এই দুই গ্রহের তাপমাত্রাও এতটাই বেশি যে অনায়াসে গলিয়ে দিতে পারে টাইটেনিয়ামের মতো শক্তিশালী ধাতু। এই দুই গ্রহের মধ্যে একটিতে রয়েছে রেনিং ভ্যাপোরাইজড রক। অন্যটির বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে সরাসরি হোস্ট স্টার থেকে এসে পড়ছে তীব্র অতিবেগুনি রশ্মি বা আলট্রা ভায়োলেট রেডিয়েশন। এই দুই গ্রহ পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা যে রহস্যময় জগতের সন্ধান পেয়েছেন তার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে দুটো আলাদা গবেষণাপত্রে। এর মাধ্যমে আমাদের ছায়াপথের বহু দূরবর্তী অংশে ঘটে চলা বৈচিত্র...

সাবধান! আজ পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় বা সৌরঝড়

ছবি
পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় বা সৌরঝড় প্রতীক ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আজ বা আগামিকাল পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে একটি ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়। এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার। যা মহাকাশ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে থাকে। এনওএএয়ের তরফে জানানো হয়েছে যে, ফিলামেন্ট সৌরপৃষ্ঠের উপর অত্যন্ত ঘন এবং শীতল আয়োনাইজড গ্যাসের মেঘ হল সোলার ফিলামেন্ট। যা বিপরীত চৌম্বকীয়ক্ষেত্রের মধ্যে থাকে। বিস্ফোরণ ফলে যে করোনাল মাস ইজেকশন বা সূর্যের চৌম্বকক্ষেত্রে প্রচুর শক্তি আছে। কখনও কখনও প্রবল বিস্ফোরণ হয়। যা পরমাণু বোমার মতো হয়। সেখান থেকে যে শক্তি বেরিয়ে আসে সেটাই হল করোনাল মাস ইজেকশন। আসার কথা ছিল তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ৬ এবং ৭ এপ্রিল একটি ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় বা সৌরঝড় হতে পারে। তবে সেই ঝড়ের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের জন্য কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। ঝড়টিকে জি১ বা ছোটোখাটো শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। ভূ-চৌম্বকীয় বা সৌরঝড়ের প্রভাব পৃথিবীর মেরুজ্যোতির উপর প্রভাব পড়ার পাশাপাশি পৃথিবীর বিদ্য...

এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন ছবি মহাকাশে পাঠাবে নাসা!

ছবি
এলিয়েনদের খুঁজতে মানুষের নগ্ন প্রতীক ছবি। এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, এলিয়েন অর্থাৎ ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করতে এবার নাকি মহাকাশে মানুষের নগ্ন ছবি পাঠাবে নাসা। মার্কিন স্পেস এজেন্সির এই অদ্ভুত কর্মকাণ্ডের সম্পর্কে সদ্যই জানা গিয়েছে। এলিয়েন বা ভিনগ্রহীদের নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল বরাবরই তুঙ্গে। এই এলিয়েনদের নিয়ে সিনেমাও তৈরি হয়েছে বেশ কিছু। ভিনগ্রহে আদৌ কারও বাস রয়েছে কিনা তা জানতে অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই গবেষণা  পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্যই এবার মহাকাশে মানুষদের নগ্ন চিত্র পাঠাতে চলেছেন নাসার বৈজ্ঞানিকরা। এই ছবির মাধ্যমে ভিনগ্রহের বাসিন্দাদের আকর্ষণ করাই হল মূল লক্ষ্য। প্রায় ১৫০ বছর ধরে এলিয়েনদের খোঁজ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও সাফল্য আসেননি। তাই এবার কিছুটা নতুন পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়তো আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই রয়েছে বুদ্ধিমান এলিয়েনরা। আর তাদের আকৃষ্ট করতেই মানুষের নগ্ন ছবি পাঠানো হবে মহাকাশে। ভিনগ্রহের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে থাকা ভিনগ্রহের জীবদের সঙ্গে অনেক...

লক্ষ বছর পথ ঘুরে পৃথিবীর কাছাকাছি আসছে, এক মহাজাগতিক প্যানস্টার্স ধূমকেতু

ছবি
এক মহাজাগতিক প্যানস্টার্স ধূমকেতু প্রতীকী ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এই সৌরমণ্ডলে ঢোকার কয়েক লক্ষ বছর পর এই প্রথম পৃথিবীর কাছাকাছি আসছে এক মহাজাগতিক আগন্তুক। আর এক মাস পর।পৃথিবীর কাছাকাছি সে আসছে শেষবারের মতোও। কারণ, সূর্যের জোরালো অভিকর্ষ বলের টানে তার আত্মাহুতি দেওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে জোরালো। যদি তা শেষ পর্যন্ত নাও হয় তা হলেও এ বারের মতো সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এই মহাজাগতিক আগন্তুক আবার ফিরে যাবে সেখানে যেখান থেকে বেরিয়ে সে এই সৌরমণ্ডল পরিক্রমা শুরু করেছিল। তার পর আর সে ফিরেও আসবে না এই সৌরমণ্ডলে। থেকে যাবে আন্তর্নক্ষত্র মাধ্যমে ইন্টারস্টেলার স্পেসে। প্যানস্টার্স ধূমকেতু  এই মহাজাগতিক আগন্তুক আদতে একটি ধূমকেতু। কয়েক লক্ষ বছর ধরে এই সৌরমণ্ডল পরিক্রমা করলেও জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নজরে যা প্রথম ধরা দিয়েছিল গত বছরের জুলাইয়ে।এর গতিপথ পরীক্ষা করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, সৌরমণ্ডলকে চার পাশ থেকে ঘিরে রেখেছে গোলকের আকারে বরফের যে মহাসাম্রাজ্য। সেই ওরট ক্লাউড থেকে বেরিয়েই কয়েক লক্ষ বছর আগে এই মহাজাগতিক আগন্তুক ঢুকে পড়েছিল সৌরমণ্ডলে। তার পর সে কয়েক লক্ষ বছ...

চাঁদের দেশের ইতিহাস , The history of the moon

ছবি
তারা মনে করত যে, চাঁদ প্রত্যেক রাত্রি মরে ছায়ার জগতে চলে যায় ছবি। চাঁদের ইতিহাস বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ   ইতিহাস প্রাচীনকালে সংস্কৃতি ছিল বিরল, বেশির ভাগ মানুষেরই নির্দিষ্ট কোনো বাসস্থান ছিল না। তারা মনে করত যে, চাঁদ প্রত্যেক রাত্রি মরে ছায়ার জগতে চলে যায়। অন্যান্য সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করত যে চাঁদ সূর্যকে পিছু করছে।পিথাগোরাসের সময়, চাঁদকে একটি গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। মধ্যযুগে কিছু মানুষ বিশ্বাস করত যে চাঁদ হয়তো একটি নির্ভুলভাবে মসৃণ গোলক যা অ্যারিস্টটলের তত্ত্ব সমর্থন করত।এবং অন্যান্যরা মনে করত সেখানে সাগর আছে। ১৬০৯ সালে গ্যালিলিও যখন তাঁর দূরবীক্ষণ চাঁদের দিকে ধরলেন তিনি দেখলেন যে চাঁদের উপরিতল মসৃণ ছিল না। তা ক্ষুদ্র কালো রেখা, উপত্যকা, পর্বত এবং খাদের গঠিত হয়। সেই মুহূর্ত থেকে তিনি অনুভব করতে শুরু করেন যে এটি পৃথিবীর মতোই একটি কঠিন গলিত পদার্থ ছিল যা পরে এই রূপ নেয়। ১৯২০ সালেও মনে করত যে, চাঁদের শ্বাস গ্রহণের উপযোগী বায়ুমণ্ডল আছে (অথবা ঐ সময় বিজ্ঞানের কাল্পনিক বানোয়াট গল্প বলত) এবং কিছু জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি ক্ষুদ্র বায়ু স্তরের উ...

বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান, আছে প্রচুর অক্সিজেন ও বড় বড় মহাসাগর

ছবি
বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এই সৌরমণ্ডলে যে আমরা একা নই প্রাণ থাকতে পারে অন্যত্রও, সেই সম্ভাবনা আরও জোরালো হল।বিশেষ করে তা আরও জোরালো হয়ে উঠল বৃহস্পতির একটি চাঁদ ইউরোপায়। বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান প্রতীকী ছবি। ইউরোপায় প্রাণ ও জলের সন্ধান একটি সাম্প্রতিক গবেষণা জানাল যে, পৃথিবীর মহাসাগরগুলিতে যতটা জল আছে তার চেয়ে ঢের বেশি আছে বৃহস্পতির অনেকগুলি চাঁদের একটি ইউরোপায়। তরল জলের সেই মহাসাগরগুলি রয়েছে ইউরোপার পুরু বরফে মোড়া পিঠের নীচে। প্রাণের সৃষ্টি ও বিকাশের জন্য যে রাসায়নিক উপাদানগুলির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি সেগুলিও রয়েছে ইউরোপার অতলান্ত মহাসাগরে। এমনকি প্রাণের আর একটি প্রধান উপাদান অক্সিজেনও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে ইউরোপার বরফে মোড়া পিঠে। যাকে টেনে বরফের নীচে নিয়ে গিয়ে তরল জলের মহাসাগরে মেশাচ্ছে ইউরোপাই। তার অভিনব কলাকৌশলে। যার ফলে পুরু বরফে মোড়া পিঠের উপরে জমা অক্সিজেনের ৮৬ শতাংশই পৌঁছে যাচ্ছে ইউরোপার অন্তরে থাকা অতলান্ত জলের মহাসাগরগুলিতে।গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ।  প্রাণের সন্ধানে...

মঙ্গল গ্রহে শব্দ তরঙ্গের গতি পৃথিবীর তুলনায় কম,জানাল নাসা

ছবি
মঙ্গল গ্রহে শব্দ তরঙ্গের গতি পৃথিবীর তুলনায় কম ছবি। শব্দ রেকর্ড মঙ্গলগ্রহে অভিযান চালাচ্ছে নাসার পাঠানো রোভার পারসিভের‍্যান্স। লালগ্রহের পৃষ্ঠদেশে নাসার মার্স রোভার পারসিভের‍্যান্স অনেক ধরনের শব্দ রেকর্ড করেছে। আর সেই বিভিন্ন শব্দ ভালভাবে খতিয়ে দেখার পর বৈজ্ঞানিকরা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, মঙ্গলগ্রহে শব্দ তরঙ্গ ভিন্ন ভাবে কাজ করে। তাঁদের গবেষণায় উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে, পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলগ্রহে শব্দ অনেক ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়।এখানে শব্দ তরঙ্গের কথাই বলা হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে, পৃথিবীতে যে গতিতে শব্দ তরঙ্গ ধাবিত হয় তার থেকে কম গতিতে মঙ্গলের বুকে প্রবাহিত হয় শব্দ তরঙ্গ। মূলত বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের উপর শব্দ তরঙ্গ প্রবাহের গতি নির্ভর করে। মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলীয় স্তর পৃথিবীর তুলনায় অনেক পাতলা। আর সেই কারণেই পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলগ্রহে শব্দ তরঙ্গ প্রবাহের গতি কম। আমাদের পৃথিবীতে শব্দ তরঙ্গ প্রতি সেকেন্ডে ৩৪৩ মিটার গতিতে প্রবাহিত হয়। তবে গভীর জলে শব্দ তরঙ্গ প্রবাহের এই গতি প্রতি সেকেন্ডে ১৪৮০ মিটার হয়ে যায়। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষ...

এবার মহাকাশে মাংস উৎপাদন করবে ইউরোপ!

ছবি
এবার মহাকাশে মাংস উৎপাদন করবে ইউরোপ ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  পৃথিবী থেকে মহাকাশে মাংস নিয়ে যাওয়া নয় | ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবার মহাকাশে মাংস উৎপাদনের চিন্তাভাবনা করছেন। খাসি নাকি মুরগি কার মাংস সেখানে উৎপাদিত হবে তাই ভাবছেন তো? আসলে বিজ্ঞানীরা চাইছেন কালচার্ড মিট তৈরি করতে । যা পৃথিবীর ল্যাবে তৈরি হবে এবং মহাকাশে অনেক দিন পর্যন্ত থেকে যাবে। মহাকাশে কিভাবে মাংস উৎপাদন করবে বিজ্ঞানীরা মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতি আগেকার ছোট বড়ো অনেক সমস্যার সমাধান করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। উত্তর খুঁজবে অনেক অজানা প্রশ্নেরও। কিন্তু সেই মহাকাশে বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিন ধরে থেকে রিসার্চ করার জন্য একটা বিষয়ই যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখা দিয়েছে তা হল খাদ্য। মহাকাশ বলে যে বিজ্ঞানীদের খিদে পাবে না এমন ব্যাপার তো আর নয়। তার থেকেও বড় কথা হল মহাকাশের আরও বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জগুলি অ্যাক্সেপ্ট করতে বিজ্ঞানীদের আরও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দাবারের উপরে ফোকাস করতে হবে। খাদ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে মাংস। আর সেই মাংস দীর্ঘদিন ধরে টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থাও ...