পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বর্তমানে বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি?

ছবি
পাঁচটি বামন  গ্রহের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটি বামন গ্রহ ইংরেজি নাম: Dwarf planet হল এমন একটি গ্রহীয় ভরযুক্ত বস্তু যা গ্রহগুলির মতো মহাকাশে সেটির অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে না। আবার তারা একটি প্রাকৃতিক উপগ্রহও নয়। অর্থাৎ বামন গ্রহগুলি সূর্যকে প্রত্যক্ষভাবে প্রদক্ষিণ করে এবং নির্দিষ্ট আকার পাওয়ার জন্য এগুলির ভর যথেষ্টই রয়েছে। এগুলির অভিকর্ষ একটি উদ্স্থিতি সাম্যাবস্থামূলক আকার বজায় রাখার পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু নিজ কক্ষপথ থেকে এটি সমরূপ বস্তুগুলিকে পরিষ্কার করে দিতে পারে না। বামন গ্রহের সংখ্যা কয়টি বামন গ্রহের আদি নিদর্শন হল প্লুটো।গ্রহ ভূতত্ত্ববিদদের কাছে বামন গ্রহ সম্পর্কে আগ্রের বিষয়টি হল এই যে, সম্ভবত পার্থক্যীকৃত ও ভূতাত্ত্বিকভাবে সক্রিয় বস্তু এই বামন গ্রহগুলিতে গ্রহীয় ভূতত্ত্বের বৈশিষ্ট্যগুলি পরিস্ফুট হলেও হতে পারে। ২০১৫ সালে প্লুটোয় নিউ হোরাইজনস অভিযানের মাধ্যমে এমন প্রত্যাশারই জন্ম হয়েছে।গ্রহ নয় কারণ এগুলো কোনো সাধারণ গ্রহ থেকেই আকারে ছোট। আবার উপগ্রহও নয় কারণ এগুলো কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে না। এগুলোকেই বলা হয় বামন গ্রহ। এ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ...

প্লুটোর আসল ছবি শেয়ার করল নাসা, সত্যিকারে বামন গ্রহের রং কেমন?

ছবি
প্লুটোর গ্রহের আসল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে। প্লুটো থেকে প্রায় ২২,০২৫ মাইল  দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ। প্লুটো গ্রহের আসল ছবি দেখতে কেমন প্লুটোর গ্রহের পরিচিতি হয়েছিল সৌরজগতের নবম গ্রহ হিসেবে। কিন্তু ২০০৬ সালে সেই গ্রহকেই বামন গ্রহে নামিয়ে দেওয়া হয়। তার কারণ হল আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা ইউনিয়ন (IAU) দ্বারা বিবেচিত একটি পূর্ণ আকারের গ্রহের সমস্ত মানদণ্ড পূরণ করতে অক্ষম হয় গ্রহটি। তবে নাসা এবার প্লুটোর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছে। ওই ক্লোজ় আপে ধরা পড়েছে প্লুটোর সত্যিকারের রং। নিউ হরাইজ়ন মহাকাশযান দ্বারা এই ছবিটি তোলা হয়েছে।  প্লুটো থেকে ২২,০২৫ মাইল  (৩৩,৪৪৫ কিমি) দূরত্বে তোলা ছবিটি তার হার্ট দেখিয়েছে। যা নাইট্রোজেন এবং মিথেন দিয়ে তৈরি একটি বিশাল হিমবাহ।নাসা এই ছবি শেয়ার করে বলছে যে, প্লুটোর তলে রয়েছে অজস্র ফাটল গর্ত ট্যান পড়েছে। সামগ্রিক ভ...

লঞ্চ হয়ে গেল ওসিয়ানস্যাট ৩ ও আট ন্যানোস্যাটেলাইট, বড় চমক দেখাল ইসরো

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  শনিবার বছরের শেষ পিএসএলভি মিশন পরিচালনা করল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বা ইসরো।২৬ নভেম্বর মহাকাশ সংস্থাটি আর্থ অবজ়ার্ভেশন স্যাটেলাইট 06 (EOS 06) এবং আটটি ন্যানোস্যাটেলাইট লঞ্চ করেছে। এই আট ন্যানোস্যাটেলাইটের মধ্যে রয়েছে ভুটানের জন্য (INS-2B) ইসরো ন্যানো স্যাটেলাইট-2। আনন্দ অ্যাস্ট্রোকাস্ট (চারটি স্যাটেলাইট) এবং দুটি থাইবোল্ট স্যাটেলাইট। ইসরোর বড় চমক ৩টি ন্যানোস্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ  আসন্ন ফ্লাইটটি বিক্রম এস হায়দরাবাদ ভিত্তিক স্কাইরুট অ্যারোস্পেস থেকে একটি সাব অরবিটাল লঞ্চ ভেহিকেল লঞ্চের হিল।যা বেসরকারি সংস্থা দ্বারা নির্মিত কোম্পানির প্রথম রকেট। গত ১৮ নভেম্বর দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট বিক্রম এস লঞ্চ করা হয়েছিল। ইসরো জানিয়েছে যে, পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (PSLV-C54) শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সকাল ১১ টা ৫৬ মিনিটে উপগ্রহগুলি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তৃতীয় প্রজন্মের স্যাটেলাইটের হল EOS-6  ওসিয়ানস্যাট সিরিজ়।এটি Oceansat-2 মহাকাশযানের জন্য বর্ধিত পেলোড স্পেসিফিকেশনের পাশাপাশি অ্যাপ্লিকেশন এলাকাগুলির জন্য ধারাবাহিকতা পরিষেব...

চাঁদের আকাশ থেকে ওরিয়ন পৃথিবীর নীল বলের ছবি তুলে পা‌ঠাল নাসা

ছবি
পৃথিবীর নীল বলের ছবি তুল ওরিয়ন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদে পৌঁছল নাসার আর্টেমিস-১। চন্দ্রযান ওরিয়ন চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে। চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ৮০ মাইল উচ্চতায় অবস্থান করছে নাসার ওরিয়ন।গত সপ্তাহে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল আর্টেমিস-১। তার সফল উৎক্ষেপণ হয় বুধবার। নাসা সূত্রে খবর চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছে গিয়েছে ওরিয়ন। তার গতিবেগ ঘণ্টায় ৫ হাজার ১০২ মাইল। মিশন আর্টেমিস-১ প্রত্যাশাতীত ভাবে সফল হয়েছে বলে দাবি আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার। চাঁদের আকাশ থেকে পৃথিবীর নীল বলের ছবি চাঁদে গিয়ে সেখান থেকে পৃথিবীর ছবি তুলে পাঠিয়েছে ওরিয়ন। সেই ছবি নাসার তরফে উৎসাহীদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। ওরিয়নের তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে যে, আকাশে নীল গোল বলের মতো অবস্থান করছে পৃথিবী। তাতে কোনও ঔজ্জ্বল্য নেই। ২ লক্ষ ৩০ হাজার মাইল দূর থেকে পৃথিবীর ছবি দেখে আল্পুত অনেকেই।এর আগে চাঁদের পথে ওরিয়নের অবস্থানের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছিল নাসা। সেখানে দেখা গিয়েছে আমেরিকার মহাকাশযানটি কী ভাবে মহাশূন্যের গাঢ় নিকষ অন্ধকার ভেদ করে পৃথিবীর এক মাত্র উপগ্রহের দিকে এগিয়ে চলেছে। আর্টেমিস’ মিশনের...

সমুদ্র সৈকতে ভেসে এল সবুজ এলিয়েন, আসলে কি এলিয়েন না অন্য কিছু?

ছবি
স্কটল্যান্ডের পাওয়া গেল সবুজ এলিয়েন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অদ্ভুত রং তার দেখতেও বড় উদ্ভট। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের এক বস্তু উদ্ধার হয়েছে স্কটল্যান্ডের একটি সমুদ্রতট থেকে। যিনি এই প্রাণীটিকে প্রথম লক্ষ্য করেন তিনি ভেবেছিলেন এটি একটি ভিনগ্রহী। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৩ বছরের মাইক আরনট গত সোমবার এডিনবার্গের পোর্টোবেলো সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় প্রাণীটিকে একবার দেখা মাত্রই হোঁচট খান।  সবুজ এলিয়েন কোথায় দেখা গেল   প্রথমে তিনি এই প্রাণীটিকে শ্যাওলা আচ্ছাদিত পাইনকোন ভেবেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি খেয়াল করেন যে, প্রাণীটি জীবিত।অবাক প্রাণীটি সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের কাছে মিস্টার আরনট বলেছেন যে, আমি অদ্ভুত সূঁচ দিয়ে সজ্জিত এই ফ্লুরোসেন্ট সবুজ জিনিসটি দেখতে পেয়েছিলাম। এটি যে আসলে কী সে সম্পর্কে আমার কোনও ধারণা ছিল না। অবাক বস্তুটির উজ্জ্বল সবুজ এবং সোনালি রং আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।  আমি বস্তুটিকে উল্টে দেখলাম এর অনেকগুলি ছোট পা রয়েছে। এরকম প্রাণী আমি আগে কখনও দেখিনি। আমার মনে হয়েছিল এটি ভিনগ্রহী হতে পারে। আবার এই ভাবনারও উদয় হয়েছিল যে, গভীর সমুদ্রের কোন...

Asteroid 2022 WD গ্রহাণু, পৃথিবীর বুকে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় 23852 কিমি গতি বেগে

ছবি
Asteroid 2022 WD গ্রহাণু ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  প্রায় প্রতি সপ্তাহেই এক প্রকার নিয়ম করে পৃথিবীর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যাচ্ছে দ্রুতগামী গ্রহাণু। এর মধ্যেই আবার খবর এল ভয়ানক গতিতে একটি বিশালাকার স্পেস রক পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে চলতি সপ্তাহেই। খুব সম্ভবত পৃথিবীতে খতরনাক সেই অ্যাস্টারয়েড ধেয়ে আসতে পারে। নাসা জানাচ্ছে যে, ওই গ্রহাণুর গতিবেগ ২৩৮৫২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।  গ্রহাণু Asteroid 2022 WD পৃথিবীর খুব কাছাকাছি পৃথিবীর ইতিহাসে বড় বড় ঘটনা ও দুর্ঘটনার মূলে ছিল এই গ্রহাণুরা এবং ভয়ঙ্কর ভাবে পৃথিবীর উপরে তাদের আছড়ে পড়া। চেলিয়াবিন্স্ক বিপর্যয় থেকে শুরু করে ডাইনোসরের বিলুপ্তির কারণও ছিল এই গ্রহাণুরাই। যখনই তারা পৃথিবীর উপরে আছড়ে পড়েছে তখনই জীবনকে প্রভাবিত করেছে।নাসা সব সময়ই এই গ্রহাণুগুলিকে পর্যবেক্ষণ করছে। প্যানস্টার্স ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে এবং নিওওয়াইজ় টেলিস্কোপ দ্বারা সংগৃহীত ডেটা অধ্যয়ন করে এই গ্রহাণুগুলির উপর নজর রাখে নাসা।  এই প্রযুক্তিগুলির কিছু মহাকাশে থাকলেও কিছু আবার পৃথিবী থেকেও নিয়ন্ত্রিত হয়।নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কো-অর্ডিনেশন অফিস এই গ্রহ...

তারার জন্ম হয় মহাকাশে কীভাবে! তার ছবি তুলে দেখাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
মহাকাশে কীভাবে তারার জন্ম হয় তার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশের আরও একটি অত্যাশ্চর্য ছবি তুলে এনেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। নাসার ওয়েব টেলিস্কোপের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একটি নতুন ছবি শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, এটি একটি তারার জন্মের সময়কালের ছবি। পোশাকি ভাষায় এই তারাদের প্রোটোস্টার বলা হয়।  মহাকাশে কীভাবে নক্ষত্র জন্ম হয় মহাকাশবিজ্ঞানী মহল বলছে যে, তারার জন্মের এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি।নক্ষত্রটির নাম L1527  যা ধুলোর মেঘে ঘেরা। এই মেঘগুলি শুধুমাত্র ইনফ্রারেড আলোতে দেখা যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে তা নক্ষত্রটি কেন্দ্রে রয়েছে এবং এর গঠনের সময় গ্যাস এবং ধুলো বের হচ্ছে।নাসা বলেছে যে, এই নক্ষত্রটি দেখতে অনেকটা বালিঘড়ির মতো। জেমস ওয়েব তার ইনফ্রারেড ক্যামেরা দিয়ে দেখেছে।  এটি থেকে কমলা এবং নীল আলো বের হচ্ছে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি জানিয়েছে যে, এই তারকার এমন ছবি আগে কখনও দেখা যায়নি। গ্যাস এবং ধূলিকণার ঘূর্ণায়মান ডিস্কের কারণে এই নক্ষত্রটি তখনও অন্ধকার জগত ছিল। নাসার এক বিবৃতিতে তা বলা হয়েছে। নীল অংশটি সবচেয়ে পাতলা ধুলো। কমলা আলোতে ধুলো সবচেয়...

সৌর ঝড় কত বছর অন্তর হয়

ছবি
সৌর ঝড় ১ ছবি। সৌরঝড় কী? যখন সূর্য সৌর শিখা এবং করোনাল ভর নির্গমনের আকারে পদার্থ বা শক্তি নির্গত করে তখন বৈদ্যুতিক চার্জ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের একটি প্রবাহ মহাকাশে বাইরের দিকে নিক্ষেপিত হয়। এই মহাজাগতিক ঘটনাকেই বিজ্ঞানীরা সৌরঝড় আখ্যা দিয়ে থাকেন।  সোলার স্ট্রিম প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩ মিলিয়ন মাইল বেগে ভ্রমণ করতে পারে। সৌভাগ্যবশত পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এই মহাজাগতিক ঘটনা শোষণ করে নিরে সূক্ষ্ম। তা খুব কম শক্তি মাটি পর্যন্ত পৌঁছয়। তাই সৌরঝড়ের শক্তি বেশি হলে তা পৃথিবীতে ধ্বংসলীলা চালাতে পারে। সৌর ঝড় কত বছর পর পর হয় নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন সহযোগী প্রধান জ্যোতির্বিদ্যা অ্যালেক্সা হ্যালফোর্ড বলেছেন যে, প্রত্যেক ১১ বছর অন্তর পৃথিবী সূর্যের সবথেকে কাছে চলে যায়। সেই সময়েই এই ঘটনা ঘটতে পারে। এই সময় আরও একটি সৌর শিখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় আমাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং পদ্ধতিগুলি কতটা সফলভাবে সৌর কণার ঢেউ প্রতিরোধ করতে পারে তা মূল্যায়ন করার একটি সুযোগ পাওয়া যাবে। সৌর ঝড় সম্পকে জানা অজানা সূর্য যখন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণের সাথে অগ্ন্যুৎপাত করে তখন এটি একটি সৌর বিস্তার হিসাবে ...

সৌরপৃষ্ঠে বিরাট সাপ! ৩৮০,০০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগে চলাফেরা করছে

ছবি
সৌরপৃষ্ঠে বিরাট সাপ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যের পৃষ্ঠে যদি একটা সাপ চলাফেরা করে কেমন লাগে। গত ৫ সেপ্টেম্বর ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সোলার অরবিটার তেমনই একটা ছবি তুলে এনেছে। যা দেখে আপনার মনে হবে যেন সৌরপৃষ্ঠে একটা সাপ চলাফেরা করছে। সাপ এখানে সত্যিকারের সাপ নয়, এখানে সাপ অপেক্ষাকৃত শীতল বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের একটি টিউব। যা সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্রের একটি দীর্ঘ ফিলামেন্ট বরাবর অনুসরণ করে। সত্যি কি সৌরপৃষ্ঠে বিরাট সাপ দেখা গেল এই শীতল প্লাজ়মা টিউবটি আশপাশের গরম প্লাজ়মার চৌম্বকীয় ক্ষেত্রগুলিতে স্থগিত ছিল। প্লাজ়মা গ্যাসকে এমন পরিমাণে উত্তপ্ত করা হয় যে, গ্যাসের পরমাণুর ইলেকট্রনগুলি হারিয়ে যায়।এই ইলেকট্রনগুলি পরমাণুকে বৈদ্যুতিক চার্জ দেয়। যার ফলে তারা চৌম্বকক্ষেত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যেহেতু সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১,০০০,০০০ °C এর বেশি তাই সৌর বায়ুমণ্ডলের সমস্ত গ্যাস আসলে প্লাজ়মাই। সৌর অরবিটার মহাকাশযান দ্বারা সূর্যের উপর যে বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা গিয়েছে তা থেকে ওই সাপ তথা টিউবটি সম্পর্কে একাধিক তথ্য মিলেছে। এটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সাপটি একটি বড় অগ্ন্যুৎপাতের পূর্...

চাঁদে যাচ্ছে মানুষ! নাসার আর্টেমিস ১ এর সফল উৎক্ষেপণ হল

ছবি
নাসার আর্টেমিস ১ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসার আর্টেমিস ১ মিশনের সফল উৎক্ষেপণ। চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ওরিয়ন। চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে আমেরিকার এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। তার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হল বুধবার। নাসার আর্টেমিস ১ চাঁদে সফল উৎক্ষেপণ নাসার চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন সম্পন্ন হবে মোট ৩টি ধাপে। যার প্রথম ধাপ আর্টেমিস ১। এটি যাত্রীবিহীন অভিযান। যার মূল লক্ষ্য হল যে, চাঁদের মাটিতে নামার জন্য সম্ভাব্য ল্যান্ডিং সাইট’গুলি চিহ্নিত করা।একই পরীক্ষা হবে মিশনের দ্বিতীয় ধাপেও। তা সফল হলে তৃতীয় ধাপের অভিযানে চাঁদে পাড়ি দেবে মানুষ। ৫০ বছর পর পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে ফের মানুষ পাঠানোর জন্য উদ্যোগী হয়েছে নাসা। এর আগে আর্টেমিস ১ এর উৎক্ষেপণ বারবার বিলম্বিত হয়েছে। গত ২৯ অগস্ট এই উৎক্ষেপণের দিন ধার্য করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে কাউন্ট ডাউন শুরুও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে তা থামিয়ে দিতে হয়। রকেটের তরল হাইড্রোজেনের লাইনে ছিদ্র ধরা পড়ে শেষ মুহূর্তে। বহু চেষ্টা করেও সমস্যার সমাধান করা যায়নি। অভিযান বাতিল করতে বাধ্য হয় নাসা। আরও পড়ুন:  চাঁদের জন্ম...

বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ গলতে-গলতে বিলুপ্তির পথে, ছবি প্রকাশ করল নাসা

ছবি
বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ খন্ড, নাসার তরফে শেয়ার করা সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবীর বৃহত্তম বরফের গলন শুরু হতে হতে তা এক্কেবারে শে পর্যায়ে এসে পৌঁছে গিয়েছে। সেই বিশালাকার বরফের বিলুপ্তির দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার একটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা।  বিশ্বের সবথেকে বড় বরফ  খন্ড আন্টার্কটিকার A-76A হল শেষ অবশিষ্ট অংশ। যা একসময় বৃহত্তম বরফের টুকরোগুলির মধ্যে একটি ছিল। শীঘ্রই এটি শেষ হতে চলেছে বলে নাসার তরফে জানানো হয়েছে। আমেরিকার ন্যাশনাল আইস সেন্টারের তরফে বলা হয়েছে যে, এই আইসবার্গটি ১৩৫ কিমি লম্বা এবং ২৬ কিমি চওড়া। এটি লন্ডনের মোট আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ।বিরাট ওই বরফ চাঁই রোড আইল্যান্ডের আকারের পর্বত A-76 এর বৃহত্তম অংশ। আগে এটিকে সবচেয়ে বড় আইসবার্গ বলে মনে করা হতো। ২০২১ সালের মে মাসে এই অংশটি অ্যান্টার্কটিকার রনে আইস শেল্ফের পশ্চিম ভাগ থেকে ভেঙে যায়।  এরপর সেটি তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলি ছিল 76A, 76B এবং 76C। আইসবার্গ নম্বর 76A এই খণ্ডগুলির মধ্যে বৃহত্তম। এই বিশাল বরফের টুকরোটি গত এক বছর ধরে আন্টার্কটিকার কাছে ধীরে ধীরে ভাসছিল ব...

রহস্যময় বহু পুরনো এক সৌরজগতের সন্ধান পেলেন এবার বিজ্ঞানীরা

ছবি
বহু পুরনো এক সৌরজগতের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এবার বিজ্ঞানীরা মহাকাশে একটি প্রাচীন সৌরজগতের সন্ধান পেয়েছেন। যা আমাদের এই মহাজাগতিক দুনিয়ার থেকে অনেকটাই আলাদা।প্রায় ৯০ আলোকবর্ষ দূরে গবেষকরা একটি ১০ ​​বিলিয়ন বছরেরও বেশি পুরনো সাদা বামন নক্ষত্রকে দেখেছেন । যা সূর্যেরই মতো একটি মৃত নক্ষত্রের অবশিষ্ট উষ্ণ অংশ। সেটি গ্রহের ভাঙা টুকরোগুলির সমষ্টি দ্বারা বেষ্টিত। যাকে প্ল্যানেটসিমাল বলা হয়। এই অস্পষ্ট তারকাটির সৃষ্টিও হয়েছে ওই টুকরো টুকরো বস্তুগুলি দ্বারা।  বহু পুরনো সৌরজগতে কি কি রয়েছে আমাদের চারপাশের থেকে অনেক আলাদা এই সৌরজগতটি। এটি দুটি উপাদন রয়েছে লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের দ্বারা ভরপুর। কিন্তু আমাদের সৌরজগতের কোনও গ্রহেরই গঠন এমন নয়।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের আদি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে এই প্রাচীনতম সৌরজগত কেন এতটা আলাদা ছিল? লিথিয়াম এবং পটাশিয়ামের মতো বিরল উপকরণগুলি কীভাবেই সমৃদ্ধ এই সৌরজগত? ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ছাত্র অ্যাবিগেইল এলমস যিনি সাদা বামন গ্রহ বলেছেন।  এই সৌরজগৎ পুরনো। অর্থাৎ শ্বেত বামন (যাকে WDJ2147-4035 বলা হয়) এবং তার আশপাশের সৌরজ...

গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ ব্যাঙ ১০ জন মানুষকে মুহুতে শেষ করে দিতে পারে, দাবি গবেষকদের

ছবি
গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ ব্যাঙ ছবি ১। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত প্রাণীর বসবাস এই পৃথিবীতে। বিষধর সাপের কথা আমরা শুনেছি  দেখেওছি।আপনারা কি বিষাক্ত ব্যাঙের কথা কখনও শুনেছেন? হ্যাঁ পৃথিবীতে এমনই এক প্রজাতির ব্যাঙ রয়েছে যা দেখতে খুব সুন্দর হলেও, সেই সৌন্দর্যই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে যে কোনও সময়।  বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত ব্যাঙ কোনটি? এই ব্যাঙগুলিকে বলা হয় গোল্ডেন পয়জ়ন ফ্রগ। সাধারণত এরা দুই ইঞ্চির বা তার থেকে সামান্য কিছুটা বড় বা ছোট হয়। কিন্তু মারাত্মক দিকটি হল,তাদের মধ্যে দশটি বড় মানুষকে মেরে ফেলার মতো যথেষ্ট বিষ রয়েছে। কলম্বিয়ার শিকারী মানুষজন বহু শতাব্দী ধরে এই ধরনের ব্যাঙের বিষ ব্যবহার করে শিকার ধরে থাকে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের রিপোর্ট অনুযায়ী এই ব্যাঙগুলি কেন এতটা বিষাক্ত হয় সে বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। তবে এদের বিষ মূলত গাছপালা এবং বিষাক্ত পোকামাকড় থেকে আসে বলে মনে করা হয়। তার কারণ হল এই ধরনের জায়গাগুলি থেকে অন্যত্র কোথাও পালিত হয় এমন ব্যাঙগুলির শরীরে বিষ থাকে না। এই ব্যাঙ এতটাই বিষাক্ত যে, এটিকে স্পর্শ করলেই মৃত্যু হতে পারে।  চিকিৎসা গবেষণার...

এই প্রথম বেসরকারি সেক্টর রকেট বিক্রম-এস লঞ্চ করছে ভারত

ছবি
রকেট বিক্রম-এস । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  স্কাইরুট অ্যারোস্পেস মহাকাশে দেশের প্রথম ব্যক্তিগতভাবে ডেভেলপ করা রকেটটি উত্তোলন করতে প্রস্তুত। প্রারম্ভ মিশনটি নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিক্রম এস লঞ্চ ভেহিকলের সঙ্গে একটি প্রদর্শনী ফ্লাইটে চালু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  মিশনটি যে ঐতিহাসিক হতে চলেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ দেশে রকেটগুলি এখনও পর্যন্ত পাবলিক সেক্টরের ডোমেইন ছিল। যা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মহাকাশ মিশনের উন্নয়ন নকশা এবং উৎক্ষেপণের নেতৃত্ব দেয়।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, মিশনটি নভেম্বরের মধ্যে চালু করা যেতে পারে।  যদিও তারা এখনও চূড়ান্ত লঞ্চের তারিখ সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত বার্তা দেয়নি। কোম্পানি ইতিমধ্যেই IN-SPACe থেকে একটি প্রযুক্তিগত উৎক্ষেপণের ছাড়পত্র পেয়েছে। যা স্পেস-টেক প্লেয়ারদের প্রচার ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশের নোডাল সংস্থা।স্কাইরুট ইতিমধ্যেই বিক্রম রকেটের তিনটি রূপ তৈরি করছে। যেখানে বিক্রম-১ লো আর্থ অরবিটে ৪৮০ কিলোগ্রাম পেলোড বহন করতে পারে।  বিক্রম- II ৫৯৫ কিলোগ্রাম কার্গো নিয়ে উঠতে পারবে। এদিকে, Vikram-III ৮১৫ kg থেকে ৫০০ km লো ইনক্ল...

সূর্যের থেকে ৫৩০ গুণ বড় নক্ষত্রটি বিস্ফোরণ, দেখাল ১১ বিলিয়ন বছর পিছিয়ে গিয়ে হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
৫৩০ গুণ বড় নক্ষত্রটি বিস্ফোরণ । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অনন্য নজির সৃষ্টি করল নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ। দূর দূরান্তের সুপারনোভার বিভিন্ন মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করেছে স্পেস টেলিস্কোপটি। মহাবিশ্ব তখন তার শৈশবে। ১১ বিলিয়ন বছর আগে বিরাট তারার বিস্ফোরণ হয়। এখন টেলিস্কোপটি সেই ১১ বিলিয়ন বছরে পিছিয়ে গিয়ে ওই বিরাট তারার বিস্ফোরণ অর্থাৎ সুপারনোভা অবস্থার আগের মুহূর্তের ছবি তুলে এনেছে।  ১১ বিলিয়ন বছর পিছিয়ে গিয়ে হাবল টেলিস্কোপ কি দেখাল নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের চেয়ে ৫৩০ গুণ বড় ছিল। একটি বিপর্যয়কর বিস্ফোরণে তার বাইরের গ্যাসের স্তরগুলিকে আশপাশের মহাজাগতিকতায় উড়িয়ে দিয়েছিল। এই ঘটনাটিকেই সুপারনোভা বলা হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা শক্তিশালী স্পেস অবজ়ারভেটরি ব্যবহার করে বিস্ফোরণের নক্ষত্রটির চূর্ণ বিচূর্ণ হওয়া অবস্থার ছবি তুলে ধরেছে। একটি সুপারনোভা খুব প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা যেতে পারে। কারণ সেই পর্যায়টি সত্যিই ছোট। এটি শুধুমাত্র কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনের জন্য স্থায়ী হয় এবং সুপারনোভা সনাক্ত করার কাজটি খুবই দুষ্কর। একই এক্সপোজারে আমরা চিত্রগুলির একটি ক্রম দেখতে সক্ষম হয়েছ...

মহাকাশে প্রজনন কি সম্ভব? বাঁদর ও মাছ পাঠিয়ে পরীক্ষা করতে চলেছে চিন

ছবি
মহাকাশে বাঁদরে প্রজনন । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের কাজটি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে চিন। এখন বিজ্ঞানীরা শূন্য মাধ্যাকর্ষণে জীবন বিজ্ঞান গবেষণা করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। যা তিয়াংগং থেকেই নেতৃত্ব দিতে চলেছেন একদল মহাকাশচারী। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মহাকাশে প্রজনন পরীক্ষা করার জন্য বানর উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে চিন।  মহাকাশে কি কি পাঠিয়ে প্রজনন বৃদ্ধি করতে চায় চিন চিনের তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে মাইক্রোগ্র্যাভিটি নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামগুলির ব্যবস্থাপনাও করবে এই সংস্থা। চিন এই প্রজেক্টের নেতৃত্ব দিচ্ছে বেজিংয়ের চাইনিজ় অকাদেমি অফ সায়েন্সেস। চলতি বছরের শুরুতেই ডক করা মহাকাশ স্টেশনের ওয়েনটিয়ান মডিউলেই এই পরীক্ষাটি পরিচালিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইঁদুর এবং ম্যাকাকগুলিকে নিয়েও কিছু গবেষণা করা হবে। যেখানে তারা কীভাবে মহাকাশে বড় হতে পারে তা ধরা পড়বে। এই পরীক্ষাগুলি মাইক্রোগ্র্যাভিটি এবং অন্যান্য মহাকাশ পরিবেশের সঙ্গে একটি জীবের অভিযোজন সম্পর্কে তা আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে। বলছেন চাইনিজ অকাদ...

এক সময় মঙ্গলে বিরাট সমুদ্র ছিল, তার প্রমাণ খুঁজে পেলেন গবেষকরা

ছবি
মঙ্গলে গ্রহে এক সময় বিরাট সমুদ্র ছিল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে এক সময় বেশ বড় একটি সমুদ্র ছিল তার প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা। একদল গবেষক মঙ্গলে একটি বিশাল সমুদ্রের প্রমাণ পেয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন যে, ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে লাল গ্রহের পৃষ্ঠে ওই সমুদ্রের অস্তিত্ব ছিল। পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা প্রতিষ্ঠানের একটি প্রেস রিলিজ় অনুসারে টপোগ্রাফির একটি সেট প্রকাশ করেছেন।  মঙ্গলে সমুদ্র কিভাবে খুঁজে পেলেন গবেষকরা তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, মানচিত্রগুলি একটি আদর্শ দৃশ্য সাজেস্ট করছে। যেখান থেকে বোঝা গিয়েছে গ্রহটি একবার বর্ধিত উষ্ণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অনুভব করেছিল। আর্দ্র জলবায়ু আজও বিদ্যমান। যথেষ্ট কঠোর হিমায়িত শুষ্ক এবং সে দিনের সেই পরিস্থিতিতেও এমনই জলবায়ু ছিল।পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির জিওসায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক এবং সম্প্রতি গবেষণার প্রধান লেখক বেঞ্জামিন কার্ডেনাস বলেছেন। এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসাবে যা অবিলম্বে মনে আসে তা হল এই আকারের একটি সমুদ্রের অস্তিত্ব মানে জীবনের জন্য উচ্চতর সম্ভাবনা। জিওফিজি...