পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কাঁচ কিভাবে তৈরি হয়?

ছবি
কারখানায় গ্লাস কীভাবে তৈরি হয় ছবি।  ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স: আমরা অনেকে জানিনা  কাঁচ কিভাবে তৈরি হয়।কাঁচ হলো বহুবিধ ব্যবহারিক প্রযুক্তিগত এবং আলংকারিক প্রয়োগসমৃদ্ধ অ-স্ফটিক স্বচ্ছ নিরাকার কঠিন বস্তু। কাঁচে জানালা, টেবিল সামগ্রী, আলোকবিজ্ঞান ইত্যাদি ক্ষেত্রে কাঁচের ব্যবহার রয়েছে। সাধারণত গলিত অবস্থা থেকে দ্রুত শীতলীকরণের মাধ্যমে কাঁচ তৈরি করা হয়। তবে আগ্নেয়গিরির কাচ মূলত প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়।  কাঁচ কি প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় কাচের সর্বাধিক পরিচিত এবং প্রাচীনতম প্রকারভেদ হলো বালির প্রাথমিক উপাদান সিলিকা বা সিলিকন ডাই অক্সাইড ও কোয়ার্টজ ভিত্তিক সিলিকেট কাচ। প্রায় ৭০% সিলিকা সমন্বিত সোডা লাইম কাঁচ হলো মোট উৎপাদিত কাঁচের প্রায় ৯০%।আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ব্যবহারের জন্য কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রায়শই সিলিকা মুক্ত কাঁচে বিদ্যমান থাকে।কাঁচ শব্দটি প্রায়শই কেবল এইধরনের উপাদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন, পানির গ্লাস এবং চশমা সাধারণত সিলিকেট ভিত্তিক কাচ দিয়েই তৈরি হয় বলে এগুলোকে কেবল উপাদানটির নামে কাচ/গ্লাস ডাকা হয়।ভঙ্গুর হলেও সিলিকেট গ্লাস অত্...

মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা?

ছবি
মঙ্গল গ্রহে মাকড়সা,গিজ়ার,ডিমের পোচ ও বরফের দেখা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সৌরজগতে পৃথিবীর সবথেকে কাছের গ্রহ মঙ্গল। আর তাই মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সম্ভাবনা খুঁজতে বহু বছর ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। মঙ্গলে জল আছে কিনা থাকলেও কী অবস্থায় আছে, জলবায়ু কীভাবে পরিবর্তন হয় সেসব নিয়ে বিস্তর গবেষণা চালাচ্ছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা।  মঙ্গল গ্রহে বরফের দেখা তাঁদের পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছে যে , মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর চেয়েও ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার পরিস্থিতিও কঠিন। সাধারণত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। এই তাপমাত্রা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে রাশিয়ার কাছাকাছি আর্কটিক অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায় তাও সেটা শীতকালে। মঙ্গল গ্রহ সূর্যের থেকে অনেক দূরে। তাই সূর্যের তাপ কম পৌঁছায়। মঙ্গল গ্রহের একটি পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে যার মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে ৯৫ শতাংশ।  মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর তুলনায় ১০০ গুণ পাতলা। এরকম নানা কারণে মঙ্গল গ্রহের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের এত নীচে থাকে। কখনও কখনও তাপমাত্রা মাইনাস ১২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও পৌঁছে যায়।নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (JP...

মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ ফোবোস ও ডেইমোস ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলের দুইটি উপগ্রহ আছে। মঙ্গল গ্রহের পৃথিবীর তুলনায় ছোট দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে। এগুলি হলো যথাঃ ১।ফোবোস ২। ডিমোস।উপগ্রহ দুটি মঙ্গলের নিকটবর্তী কক্ষপথে আবর্তনশীল। গ্রহাণু আটকে পড়ার তত্ত্বটি বহুল প্রচলিত তবে তাদের উৎপত্তি এখনো অনিশচ্তি। উপগ্রহ ফোবোস ও ডেইমোস এর তথ্যঃ ফোবোসের ব্যাস প্রায় ২২ কিলোমিটার (১৪ মা) এবং ডিমোসের ব্যাস ২২ কিলোমিটার (১৪ মা)। ফোবোস ও ডেইমোস। দুইটি চাঁদের মধ্যে ফোবোস বৃহত্তম এবং এর কক্ষপথ মঙ্গলের নিকটতম । ফোবোস নামকরনটি করা হয়েছে গ্রীক ভয়ের (phobia) দেবতা phobos এর নামে। phobos হল ares(মঙ্গল) ও Aphrodite(বুধ) এর সন্তান।একে মঙ্গলের ভয় নামেও ডাকা হয়।ফোবোস এর অতি অল্প ভরের কারনে এটি গোলাকার আকৃতি পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। যে কারনে এই উপগ্রহটি অনিয়মিত আকৃতির।  আরও পড়ুন:  মঙ্গল গ্রহের তাপমাত্রা কত? এর গড় ব্যাসার্ধ মাত্র ১১ কিলোমিটার। এটি মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৩৭০০ মাইল দূর থেকে লাল গ্রহকে প্রদক্ষিণ করছে। উচ্চতা হিসেবে সৌরজগতে কোন গ্রহের নিকটতম উপগ্রহ এটি। ফোবোস প্রতি ৭ ঘণ্টা...

মঙ্গল গ্রহের তাপমাত্রা কত?

ছবি
মঙ্গল গ্রহের ঠান্ডা কেমন? ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ঠান্ডা। সাধারণত সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।এই তাপমাত্রা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে রাশিয়ার কাছাকাছি আর্কটিক অঞ্চলে পাওয়া যায় তাও আবার শীতকালে। মঙ্গল গ্রহের কি সবসময় একই তাপমাত্রা থাকে কিনা?  উত্তর হল মঙ্গল গ্রহ সূর্যের থেকে অনেক দূরে।  তাই সূর্যের তাপ কম পৌঁছায় যার কারনে মঙ্গল গ্রহের একটি পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে যার মধ্যে ৯৫% কার্বন ডাই অক্সাইড। নানা কারণে মঙ্গলের তাপমাত্রা কম থাকে। কখনও কখনও এই তাপমাত্রা মাইনাস ১২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির মতে, পৃথিবীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অ্যান্টার্কটিকায় মাইনাস 88 ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেকর্ড করা হয়েছে।  পৃথিবীর বুকে পারদ এর চেয়ে বেশি নিচে নামেনি। শুধু তাই নয় মঙ্গলে গ্রীষ্মকালও পৃথিবীতে শীতের শুরুর মতো আবহাওয়া থাকে।মঙ্গলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। যেখানে পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  মঙ্গল গ্রহের এত ঠান্ডা কেন?   মঙ্গল...

এবার ইলন মাস্ক সিইও পদ ছাড়ার ঘোষণা করলেন টুইটারের

ছবি
ইলন মাস্কের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  অনলাইন জরিপের জনরায় মেনে অবশেষে টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বা সিইও পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন ইলন মাস্ক। সাথে অবশ্য শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। কেন ইলন মাস্ক সিইও পদ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন গতকাল মঙ্গলবার এক টুইটবার্তায় ইলন মাস্ক বলেছেন যে, যোগ্য কাউকে বিকল্প হিসেবে পেলেই কেবল ছাড়বেন প্রধান নির্বাহীর পদ। একইসাথে টিপ্পনী কাটেন একমাত্র বোকারাই এ দায়িত্বভার গ্রহণে রাজি হবেন। আরও পড়ুন:  প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন? অব্যাহতি ইস্যুতে চলতি সপ্তাহেই একটি অনলাইন জরিপের আয়োজন করেন এই ধনকুবের। যাতে ৫৮ শতাংশের মতো ব্যবহারকারী সিইও পদ থেকে ইলন মাস্কের পদত্যাগ দাবি করেন। সংখ্যায় যা এক কোটির বেশি।গেলো অক্টোবরে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কিনে নেন ইলন মাস্ক। আরও পড়ুন:  সমুদ্রপৃষ্ঠে এলিয়েনদের রাস্তা’র সন্ধান, গবেষকমহলে গভীর চিন্তা এরপরই বিনা নোটিশে অর্ধেক কর্মী ছাঁটাই করেন। কাজের ক্ষেত্রেও আরোপ করেন কঠোর বিধিমালা। গেলো সপ্তাহে ছয় সংবাদকর্মীকে নিষিদ্ধ করার পর তিনি জাতিসংঘ ইইউ এর তোপের মুখে পরেন। সম...

সমুদ্রপৃষ্ঠে এলিয়েনদের রাস্তা’র সন্ধান, গবেষকমহলে গভীর চিন্তা

ছবি
সমুদ্রপৃষ্ঠে এলিয়েনদের রাস্তা’র ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সমুদ্র থেকে ৩০০০ মিটার নীচে হলদে ইটের রাস্তা'র সন্ধান মিলেছিল। আটলান্টিসের কাছে এই রাস্তা খুঁজে পেয়েছিলেন ইউরাল ফেডারেল ইউনিভার্সিটি (ইউআরএফইউ) এবং ইউনিভার্সিটি অফ টিউবিনজেন (জার্মানি) এর গবেষকরা। এলিয়েনদের হলদে ইটের রাস্তা’র সন্ধান পেল বিজ্ঞানীরা  আধুনিক যুগে বোধহয় সেই আলোচনাই বহু বিজ্ঞানপ্রেমীদের সবথেকে সেরা পাসটাইম! যদিও বিষয়টি বৈজ্ঞানিক মহলের কাছে বিবেচনার জন্য অত্যন্তই গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য আসতে থাকে। যেখানে দাবি করা হয় ভিনগ্রহীদের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য। কখনও কখনও তা কারও কাছে হাস্যকর ঠেকে। কখনও আবার কেউ তার সিরিয়াস ব্যাখ্যা খুঁজতেও বসে যান। তবে সিরিয়াস হোক বা হোক সে হাস্যকর যা রটে তার কিছুটা তো বটে।  এবার এক অদ্ভুত রঙের ইটের সন্ধান মিলল। যা নিয়ে বিজ্ঞানীমহলে রীতিমতো হইহই রব পড়ে গিয়েছে।অনুসন্ধানকারী ভেসেল নটিলাস জলতলের এই অদ্ভুত হলদে রঙের রাস্তায় সর্বপ্রথম ধাক্কা খেয়েছিল। ওই জাহাজটি প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের ঠিক উত্তরে একটি গভীর সি রিজ অন্বেষণ করছিল। ...

মৃত্যুর আগে মঙ্গল থেকে নাসা কে শেষ ছবি পাঠাল ইনসাইট ল্যান্ডার

ছবি
মৃত্যুর আগে যে ছবি পাঠাল ইনসাইট ল্যান্ডার। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ইনসাইট নামের একটি রোভার মঙ্গলে পাঠায়। ওই রোবট মহাকাশযানটি পাঠানোর উদ্দেশ্য ছিল লাল গ্রহ মঙ্গলে ভূমিকম্প হয় কি না। হলে সেই কম্পনের তীব্রতা কতটা? মূলত এই দুইটি তথ্য় জোগাড় করার কাজেই এতদিন ব্য়স্ত ছিল ইনসাইট।  ইনসাইট ল্যান্ডার মৃত্যুর আগে কি কি ছবি পাঠিয়েছিল প্রায় ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে মঙ্গলে নিজের কর্তব্য পালনের পর অকেজো হয়ে পড়ল ল্যান্ডার ইনসাইট নামের ওই রোবট।সম্প্রতি ইনসাইট থেকে পাঠানো একটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেছে নাসা। ছবির সূত্রে নাসা জানিয়েছে যে, মঙ্গলে জীবনযাপন শেষ হয়েছে ইনসাইটের। ১৯ নভেম্বর নাসার শেয়ার করা সেই ছবিতেই ধরা পড়েছে মঙ্গলের শেষ চিত্র। ইনসাইটের পাঠানো মঙ্গলের ছবির সঙ্গে টুইটে একটি ছোট্ট বাক্য জুড়ে দিয়েছে নাসা।আমার জন্য চিন্তা করো না।  লেখাটির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে লাল গ্রহের মাটিতে পড়ে রয়েছে ল্যান্ডার ইনসাইট। ইনসাইটের আয়ুষ্কাল ফুরিয়ে আসছে সেই আভাস নভেম্বরেই দিয়েছিল নাসা। প্রতিষ্ঠানটি তখন জানায় যে, সম...

জীবনদায়ী জল কি বাড়ছে পৃথিবীর উষ্ণতা? ২০ বসছরের গবেষণায় মগ্ন NASA

ছবি
 নাসা  গবেষণা  প্রথমবারের মতো ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি নাসার উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বিশ্বের মহাসাগর হ্রদ এবং নদীগুলির সমীক্ষা করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রায় ১৭০ মাইল বা ২৭৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে ভ্যানডেনবার্গ ইউএস স্পেস ফোর্স বেস থেকে SWOT (Surface Water and Ocean Topography) কে পৃথিবীর কক্ষপথে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল স্যাটেলাইটটি।  জল কি পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়াতে পারে যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হয় এসইউভি আকারের স্যাটেলাইটটি কয়েক মাসের মধ্যে গবেষণার তথ্য তৈরি করে পাঠাতে শুরু করবে।এই মিশনের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হল সমুদ্র ও মহাসাগরগুলি কীভাবে বায়ুমণ্ডলীয় তাপ এবং কার্বন ডাই অক্সাইডকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শোষণ করে তা অন্বেষণ করা। উল্লেখ্য যে, ওই পদ্ধতি প্রাকৃতিকভাবে বিশ্বের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে হ্রাস করতে সহায়তা করে।  আরও পড়ুন:  মক্সি যন্ত্র দিয়ে এবার মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করছে নাসা, Mars Oxygen গ্রিনহাউস...

মেঘে যদি ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে? এমনি ছবি তুলে দেখাল বুড়ো হাবল

ছবি
মেঘে ধুলো জমে তাহলে কেমন লাগে সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাজাগতিক বিস্ময়ের ছবি একের পর এক তুলেই চলেছে ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নাসার শক্তিশালী টেলিস্কোপ। এবার তারা ফের গোটা বিশ্বকে হতবাক করে দিল চোখ আটকে যাওয়ার মত ছবি পাঠিয়ে। মেঘে ধুলো জমলে কি হয় নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ হাবল বিশ্বকে মাঝে মাঝেই অনেক চমক দেয়। হাবলের তোলা শত শত আলোকবর্ষ দূরের দৃশ্য সাধারণ মানুষকে অবাক করে। নাসার সেই হাবল এবার ফের একটা চমক দিল। সম্প্রতি নাসা তাদের ইনস্টাগ্রাম পেজে ইন্টারস্টেলার ধুলো এবং মেঘের একটি ছবি শেয়ার করেছে। যা ক্যাপচার করা হয়েছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে।চকচকে ধূলিকণাগুলি তারার সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েকটি রঙের সংমিশ্রণ। যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪,৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।  আরও পড়ুন:  রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ অর্থাৎ ৪ হাজার ৩৫০ বছর আগে যে মহাজাগতিক ঘটনা ওই স্থানে ঘটেছিল তা এখন দেখতে পাচ্ছেন বিশ্ববাসী। এছাড়াও নাসার শেয়ার করা ছবিতে হাজার হাজার নক্ষত্রের সংগ্রহ দেখা যাচ্ছে।এই সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে প্রচ...

জলজগতের সন্ধান 218 আলোকবর্ষ দূরে! এই প্রথম মানুষের বসবাসযোগ্য অন্য গ্রহ?

ছবি
মানুষের বসবাসযোগ্য অন্য গ্রহগুলোও এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যে ২১৮ আলোকবর্ষ দূরে সৌরজগতের বাইরে 8টি নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন তাঁরা। এদের মধ্যে দু'টির গঠন আর বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর সঙ্গে অনেকটাই মিলেছে বলে দাবি করেছে সেই বিজ্ঞানী দল।জলের জগতের সন্ধান। একটি নয় দু’টি সৌরজগতের বাইরে মানুষের বসবাসের উপযোগী পরিবেশসমৃদ্ধ গ্রহের খোঁজে বহুদিন আগে থেকেই গবেষণা চালাচ্ছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা।  নাসার গবেষণা জানাচ্ছে যে, এই দুই গ্রহ জলে ভর্তি। এর আগে গবেষকরা যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ দিয়েও এমন কোনও গ্রহের অস্তিত্ব নিশ্চিত করতে পারেননি। মহাবিশ্বে এমন গ্রহের অস্তিত্ব এতদিন তাত্ত্বিক ধারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। দূরবীক্ষণযন্ত্র বা টেলিস্কোপের সাহায্যে রাতের আকাশে অনুজ্জ্বল অনেক বিন্দু দেখা গেলেও সেগুলোর সবই যে গ্রহ তা নয়। এ জন্যই সেগুলোর ব্যাপারে আরও স্পষ্টভাবে জানা জরুরি। মানুষের বসবাসযোগ্য কেপলার-138C এবং কেপলার-138D সংক্রান্ত তথ্যঃ এই সৌরজগতের বাইরে নতুন দু’টি গ্রহের প্রথমটির নাম কেপলার-138C৷ এটি পৃথিবী থেকে ৪৭০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। নিজের...

সাইপ্রাসে সেই চাঁদের পাথরের প্রদর্শনী! যা ৫০ বছর আগে মানুষের হাত ধরে পৃথিবীতে এসেছিল

ছবি
চাঁদের সেই ৫০ বছর আগে পাথরের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ১৯ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে অ্যাপেলো ১৭ মিশন সেরে পৃথিবীর মাটিতে ফেরেন ৩ মহাকাশচারী। ওই মিশনে সংগ্রহ একটি চাঁদের পাথর উপহার হিসেবে সাইপ্রাসকে দিয়েছিল আমেরিকা। সাইপ্রাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।  চাঁদের ৫০ বছর আগে পাথরের প্রদর্শনী অ্যাপেলো ১৭ অভিযানের পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে মহার্ঘ পাথর ফেরানো হল সাইপ্রাসে। এই ঘটনায় স্বভাবতই খুশি সাইপ্রাস প্রশাসন ও সেদেশের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।গত বৃহস্পতিবার সাইপ্রাসে একটি মহাকাশ বিজ্ঞান বিষয়ক প্রদর্শনী হয়েছে। সেখানে ছিল ভিনগ্রহের সেই পাথর। যার ওজন ১.১ গ্রাম। ১৯৭২ সালের ১৯ ডিসেম্বর যা অ্যাপেলো ১৭ মিশনের মহাকাশচারীদের সঙ্গে পৃথিবীর মাটিতে পৌঁছেছিল।  পরবর্তীকালে সাইপ্রাস তা উপহার পেলেও মহার্ঘ পাথর হাতছাড়া হয় রাজনৈতিক তথা সামাজিক অস্থিরতায়। সেই পর্ব উগ্রপন্থীরা সাইপ্রাসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হত্যা করেছিল। এই পরিস্থিতি নাসায় আনা হয় চাঁদের পাথরটিকে। অর্ধশতক পর সম্প্রতি তা ফেরানো হয়েছে সাইপ্রাসে।মহার্ঘ পাথর ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সাইপ্রাসের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা...

সেক্সে ভয়! নাসা মঙ্গলে কেন মহিলাদেরই পাঠাতে চাইছে?

ছবি
যে কারণে মঙ্গলে মহিলা পাঠাতে চাইছে নাসা। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিজ্ঞানীরা এখন আর চন্দ্রাভিযানেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাইছেন না। আর্টেমিস ১ মিশন সফল হওয়ার পর মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর চিন্তাভাবনা করছে নাসা। সবদিক ঠিক থাকলে ৫০ বছর পর মঙ্গলে মানুষ পাঠাবে স্পেস স্টেশনটি। আর সেই মিশনে চাঁদে মহিলাদের পাঠাতে চলেছেন নাসা।  মঙ্গলে কেন মহিলাদেরই পাঠাতে চাইছে নাসা মার্কিন মহাকাশ সংস্থাটি চাইছে যে, ৫০ বছর পর মঙ্গল মিশনে মহিলা ক্রু মেম্বারকেই পাঠাতে। কিন্তু কেন সেই প্রশ্নও উঠছে। তবে হালফিলে নাসা এমনতর ঘোষণা করলেও। মঙ্গলে মহিলা পাঠানোর নাসার এহেন পরিকল্পনা অনেক দিন আগে থেকেই চলে আসছে। একাধিক প্রতিবেদন থেকে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু কী কারণে এত বছর পর মঙ্গল মিশনে মহিলাদের পাঠাতে চাইছে নাসা। নাসা আগেই জানিয়েছিল যে, আর্টেমিস ১ মিশন যাতে কোনও ক্রু মেম্বার পাঠানো হয়নি। সেই মিশনটি সফল হলেই আর্টেমিস ২ মিশনের জন্য কাজ শুরু করা হবে। এই মিশনেই মঙ্গলে মহিলা পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে নাসা। এখন আর্টেমিস ১ মিশন যখন সফল হয়েছে। জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে আর্টেমিস ২ মিশন নিয়ে।২০১৭ সালে একটি সমাবেশে ব্রিটিশ মহাকাশচা...

প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি উল্কাপিণ্ড পড়বে পৃথিবীতে এই ডিসেম্বরে, এর নাম জেমিনিড আপনিও দেখতে পাবেন?

ছবি
জেমিনিড উল্কা ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একে তো বছর শেষ তার উপরে আবার পৃথিবীতে ১২০ উল্কাপিণ্ড পড়ে । তাছাড়াও এই ডিসেম্বরই এমন এক মাস যে, সময় মহাকাশেও একাধিক ঘটনা ঘটে থাকে। তেমনই এক ঘটনা হল উল্কার বৃষ্টি, যা এই ডিসেম্বরেই সবথেকে বেশি লক্ষ্য করা যায়। মহাকাশের পরিভাষায় এর নাম জেমিনিড। বছরের সেরা উল্কাবৃষ্টি বা জেমিনিড প্রতি বছরই ডিসেম্বর মাসে আকাশকে গ্রাস করে থাকে। খুব অল্প সময়ের জন্য সক্রিয় থাকে এটি যা ডিসেম্বর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে।  উল্কাবৃষ্টির এহেন দর্শনীয় আলো দেখতে একজনকে মিথুন তারামণ্ডলের জেমিনিড দিকে তাকাতে হবে। আর সেই কারণেই এই উল্কাবৃষ্টির নাম জেমিনিড। জানা গিয়েছে যে, চলতি বছরে ১৪-১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় ১২০ টি করে উল্কাপিণ্ড আকাশ থেকে পড়বে।তবে এবার জেমিনিদের এই অভূতপূর্ব দৃশ্যে হস্তক্ষেপ করবে চাঁদ। মাঝরাতে বা তার আগে চাঁদের আলো এই অভূতপূর্ব দৃশ্যকে মুছে ফেলতে পারে।  উল্কাবৃষ্টির জন্য চাঁদের এমনতর প্রভাব প্রাণঘাতী হতে পারে। তবে জেমিনিডদেরও চাঁদের আলোর সঙ্গে লড়াই করার যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে। তাই উল্কার ঝরনা আপনি যে পৃথিবীতে বসে চাক্ষুষ করতে পারব...

রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ

ছবি
রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী ছবি । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  পৃথিবী থেকে বহুদূরে ঝকঝক করছে রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। সেই ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠাল হাবল টেলিস্কোপ। সম্প্রতি নাসা সেই ছবি সামনে এনেছে। যা ঘিরে কৌতূহল দেখা দিয়েছে মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে। নাসা একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সেই রহস্যময় নক্ষত্রমণ্ডলী। যা দেখতে গোলাকার। নক্ষত্রমণ্ডলী হল বহু নক্ষত্রের সমাহার। হাবল টেলিস্কোপের তোলা এই নক্ষত্রমণ্ডলীটি ব্যতিক্রমী। কারণ এটি গোলাকার। এর মধ্যে হাজার হাজার তারা ঘন ভাবে সজ্জিত রয়েছে। লাল এবং নীল ফিল্টার ব্যবহার করে ওই নক্ষত্রমণ্ডলীটির দু’টি ছবি তুলেছে হাবল টেলিস্কোপ।  আরও পড়ুন:  ব্রহ্মাণ্ড আর কত বৃদ্ধি পাবে? না ফের চুপসে যেতে শুরু করবে যাতে ওই নক্ষত্রমণ্ডলী থকে বেরিয়ে আসা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য পর্যালোচনা করে সেটা সম্পর্কে আরও নানা তথ্য পাওয়া যায়।নাসা তার বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে যে, অন্তত ১০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছে ওই গোলাকার নক্ষত্রমণ্ডলী। মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির কাছাকাছি অবস্থিত লার্জ ম্যাগেলানিক ক্লাউড নামে খর্বকার গ্যালাক্সি। সেখানেই রয়েছে...

ব্রহ্মাণ্ড আর কত বৃদ্ধি পাবে? না ফের চুপসে যেতে শুরু করবে

ছবি
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাবিশ্বের উদ্ভব প্রায় ১৩৮০ কোটি বছর আগে। তখন থেকেই ক্রমশ বাড়ছে ব্রহ্মাণ্ড যেমন বাড়ে মানবশিশু। আবার ব্যাপারটা বেলুনে ক্রমশ হাওয়া ভরার সঙ্গেও তুলনীয়। আদি পর্বের সেই কথা অনেকেরই জানা।বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ভবিষ্যৎ তাহলে কী? বৃদ্ধির সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে সে কি ফের চুপসে যেতে শুরু করবে কী? এমনি বিষয় নিয়ে চলছে গবেষনা। ফের চুপসে যাওয়ার ইঙ্গিত এখনও নেই ব্রহ্মাণ্ডের বৃদ্ধির তুরীয় অবস্থা থেকে ব্রহ্মাণ্ডের ত্রমসঙ্কোচনের আভাস আছে স্টিফেন হকিং-এর বিখ্যাত বই আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’-এ। হকিং নিশ্চিত করে সঙ্কোচনের কথা বলেননি সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। তাই মহাবিশ্বের ভবিতব্য রহস্যই রয়ে গিয়েছে।জাতীয় মহাকাশ বিজ্ঞান বক্তৃতামালায় ন্যাশনাল স্পেস সায়েন্স সিমপোজ়িয়াম সেই রহস্যের কিনারা করার চেষ্টা করলেন পুণের ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজ়িক্স-এর অধিকর্তা সোমক রায়চৌধুরী।  প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরোজ়িও হলে তিনি বলেন যে, ব্রহ্মাণ্ড ফের চুপসে যাবে এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। বরং উন্নত মানের যেসব টেলিস্কোপ মহাকাশে...

চাঁদে জমি কি কেনা যায়? মহাকাশের আইন কী বলছে?

ছবি
চাঁদের জমির ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নক্ষত্র হিসেবে সূর্যকে বাদ দিলে পৃথিবী থেকে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান মহাকাশের উপগ্রহ হল চাঁদ। সেই চাঁদে এখনও পর্যন্ত পতাকা উত্তোলন করে আসতে পেরেছে বিশ্বের মাত্র দুটি দেশ। একটি চিন এবং অপরটি আমেরিকা। কিন্তু পতাকা রেখে আসা মানেই কি চাঁদ সে দেশের হয়ে গেল! ওই দুই দেশের পতাকা উড়ছে মানেই কি চাঁদকে তাদের সম্পত্তি মনে করতে পারে? তাদের দুই দেশেরই কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে জানাযায় যে, চাঁদকে নিজেদের দেশের সম্পত্তি বলে মনে করেন না ।  চাঁদে যদি কারও জমি থাকে তাহলেই কি তার মালিকানার দাবিদার হতে পারবে? ১৯৫৭ সালের অক্টোবরে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্বের প্রথম স্যাটেলাইট স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণ করেছিল। সেই উৎক্ষেপণই মহাকাশে সম্ভাবনার একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছিল। তবে সেই সম্ভাবনার কিছুটা অংশ জুড়ে যদি বৈজ্ঞানিক দিক থেকে থাকে বাকি অংশটা জুড়ে ছিল আইনি জটিলতা। তার প্রায় এক দশক পরে গ্লোবাল কমিউনিটি মহাকাশ সংক্রান্ত প্রথম আইনি দলিল আউটার স্পেস চুক্তির খসড়া তৈরি করে। সেই চুক্তিই আজ মহাকাশ আইনের সবচেয়ে প্রভাবশালী অংশ হিসেবে রয়ে গিয়েছে। কিন্তু তা কার্যকর ...

চাঁদের চারপাশে ঘূরে বাড়ি ফিরছে Orion, কোথায় ছিটকে পড়ে আর কখন

ছবি
আর্টেমিস-১ ওরিয়ন ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  গত ১৬ নভেম্বর পৃথিবী থেকে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিল নাসার আর্টেমিস-১ ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট। বৃহস্পতিবার পৃথিবীতে ফিরে আসতে চাঁদের কক্ষপথ ছেড়েছে নাসার এই আধুনিক প্রজন্মের মহাকাশযানটি। গত ২৫ নভেম্বর আর্টেমিস ১ চাঁদের চারপাশে দূরবর্তী বিপরীতমুখী অবস্থানে ছিল। ইতিমধ্যেই নাসা তাদের পেসের মাধ্যমে এই ভেহিকলের বিভিন্ন সিস্টেম স্থাপন করেছে। কারণ মহাকাশ সংস্থাটি এই মিশন সফল করতে উদগ্রীব। যার জন্য আরও অতিরিক্ত একাধিক পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে নাসা।  আর্টেমিস-১ ওরিয়ন পৃথিবীতে কখন কোথায় ছিটকে পড়ে আগামী ১১ ডিসেম্বর ক্যাপসুলটি সমুদ্রে ছিটকে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।এখন এই মিশন যদি সত্যিই সফল হয়। তাহলে ক্রু সমেত আর্টেমিস ১১ ফ্লাইট চাঁদের উদ্দেশ্যে পাঠাবে নাসা। ২০২৪ সালের প্রথম দিকেই সেই ফ্লাইটটি পৃথিবীতে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে স্পেস সংস্থাটি। এই মিশনেই কয়েক বছর পর নাসা চাঁদে অবতরণের জন্য মহাকাশচারীদের পাঠাবে। যাঁদের মধ্যে একজন মহিলাও থাকবে বলে জানা গিয়েছে।  আরও পড়ুন:  মহাকাশে প্রজনন কি সম্ভব? বাঁদর ও মাছ পাঠিয়ে পরীক...

মঙ্গল গ্রহে 1,000 ফুট পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল, চাঞ্চল্যকর তথ্য এল গবেষণায়

ছবি
মঙ্গল গ্রহে জল। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে যে, ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গল গ্রহে ৩০০ মিটার বা প্রায় ১০০০ ফুট পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল।কোপেনহাগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মঙ্গলে সমুদ্রের উপস্থিতি সংক্রান্ত এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছিল। মঙ্গল মানেই যেন রুক্ষ্ম একটা ছবি ভেসে ওঠে আমাদের চোখের সামনে। সৌরজগতের লাল গ্রহে মরিচা পড়া লোহার কাঠামোর জন্য বিখ্যাত।  মঙ্গল গ্রহে সত্যি সমুদ্র ছিল আমেরিকান স্পেস এজেন্সি জানাচ্ছে যে. মঙ্গলের গড় তাপমাত্রা মাইনাস ৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। যা হিমাঙ্কের তাপমাত্রার চেয়েও অনেক কম। গ্রহটির বায়ুমণ্ডল খুব পাতলা এবং খুব ঠান্ডা হওয়ার কারণে বরফ ছাড়া আর কোনও আকারে জলের অস্তিত্ব নেই। তবে একটি নতুন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে মঙ্গল গ্রহে ৩০০ মিটার পর্যন্ত গভীর সমুদ্র ছিল।  সেন্টার ফর স্টার অ্যান্ড প্ল্যানেট ফরমেশনের প্রফেসর মার্টিন বিজ়ারো একটি প্রেজ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন যে, সেই সময় মঙ্গল গ্রহে বরফে ভরপুর গ্রহাণু দিয়ে বোমাবর্ষণ করা হয়। এই কাণ্ড গ্রহের বিবর্তনের প্রথম ১০০ মিলিয়ন বছরে ঘটেছিল। আর একটি আক...

ব্ল্যাক হোল 8.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্রকে হত্যা করেছিল, যার আলো এখন পৃথিবীতে এসে পৌঁছল

ছবি
.5 বিলিয়ন বছর আগে উজ্জ্বল নক্ষত্র ও ব্ল্যাক হোল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মহাকাশে রহস্যজনক একটি উজ্জ্বল আলো দেখতে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। পরে জানা যায় যে, এই আলো একটি নক্ষত্র থেকে আসছিল। যা সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ব্ল্যাক হোল এই নক্ষত্রটিকে টুকরো টুকরো করে ফেলেছিল। আর এখন বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। পৃথিবী থেকে ৮.৫ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে এই ঘটনাটি ঘটেছিল।  সেই সময় মহাবিশ্ব তার বর্তমান বয়সের মাত্র এক তৃতীয়াংশ ছিল। এই নক্ষত্রটি ৮.৫   বিলিয়ন বিলিয়ন বছর আগে ভেঙে গিয়েছিল। যা চূর্ণ বিচূর্ণ আলোর আকারে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেখতে পান বিজ্ঞানীরা।এই উজ্জ্বল আলোকে বিজ্ঞানীরা AT ২০২২cmc নাম দিয়েছেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির পালোমার অবজ়ারভেটরি দ্বারা প্রথম দেখা গিয়েছিল এই উজ্জ্বল আলোক।  ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারা যখন কোনও নক্ষত্র ছিন্ন হয়ে যায় তখন সেটি একটি জোয়ার ভাটা বিঘ্নিত ঘটনা হিসেবে পরিচিত হয়। মহাকাশে এগুলিকে ভায়োলেন্সের ঘটনা বলা হয়। যা জ...