পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি কি?

ছবি
  সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি প্রযুক্তি ও ব্যাখ্যা  প্রযুক্তি বলতে কোন একটি প্রজাতির বিভিন্ন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান প্রয়োগের ব্যবহারিক জ্ঞানকে বোঝায়। নিজের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে প্রজাতিটি কেমন খাপ খাওয়াতে পারছে এবং তাকে কিভাবে ব্যবহার করছে তাও নির্ধারণ করে প্রযুক্তি। মানব সমাজে প্রযুক্তি হল বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের একটি আবশ্যিক ফলাফল। প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে যেভাবে প্রভাবিত করে বন্ধুরা মৃত্যু এমন একটি সত্য যা কোনো মানুষই গ্রহণ করতে চায় না । এবং এর জন্যই মানুষ প্রতিনিয়ত মৃত্যু থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় তার উপায় খুঁজে চলেছে । আমাদের আজকের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান তারই ফলাফল কিন্তু মানুষ এই পর্যন্ত সন্তুষ্ট নয় । সে চায় সে যেন অনেকদিন বাঁচো এবং অমর হয় ।তো বন্ধুরা চলুন জেনে আসে এমন পাঁচটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে মানুষ এটি অর্জন করতে পারবে । সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি আধুনিক প্রযুক্তির তিনটি উদাহরণ হলো কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন। ১। Nanobost সেদিন দূরে নয় যেদিন মানুষের শরীরের ভেতর খাবারের মাধ্যমে  Nanorobot ঢোকানো হবে | এই রোবট গুলো আপনার শরীরে প্রবেশ করে আপনা...

৫৮০ বছরে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার, দেখা যাবে না আর এই শতাব্দীতে । Longest Lunar Eclipse

ছবি
খণ্ডগ্রাসে এমনটাই দেখতে হবে ব্লাড মুন এতটা সময় ধরে দেখা যায়নি গত ছয় শতাব্দীতেও । এতটা সময় ধরে আর দেখা যাবে না এই শতাব্দীতে । সময়ের নিরিখে সেই প্রায় বিরলতম  চন্দ্রগ্রহণ হবে শুক্রবার । মানে আগামীকাল ৯ নভেম্বর ২০২১ পূর্ণিমা দিনে । খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ।দেখা যাবে টানা তিন ঘন্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড । চাঁদের রং হয়ে যাবে প্রায় রক্তের মতো লাল । তাই তার নাম ব্লাড মুন বা বিভার মুন । এই শতাব্দীতে আর এতটা সময় ধরে খণ্ডগ্রাস এর ব্লাড মুন দেখা সম্ভব হবে না । এটাই এ বছরের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ চন্দ্রগ্রহণ । প্রথমটি হয়েছিল গত ২৬ মে এ বছরে সূর্যগ্রহণও হওয়ার কথা দুটি । একটি হয়ে গিয়েছে গত জানুয়ারিতে । দ্বিতীয় টি হবে ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে । ৫৮০ বছরে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাসে ব্লাডমুন আমেরিকার ইন্ডিয়ানায় বাটলার বিশ্ববিদ্যালয়ের হলকোম্ব অবজারভেটরি ও নাসা জানিয়েছে, ৫৮০ বছরের মধ্যে দীর্ঘতম খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুক্রবার দেখা যাবে চীন-জাপান উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং,মঙ্গোলিয়া পূর্ব এশিয়ায় । এছাড়া অস্ট্রেলিয়া উত্তর ইউরোপের উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় । প্রশান্ত মহাসাগর ও লাগোয়া দেশগ...

UFO: উড়ন্ত চাকি ভিন্‌গ্রহীদের যান? নাকি শত্রু দেশের নজরদারি? তদন্তে নামছে পেন্টাগন, Pentagon

ছবি
  UFO: উড়ন্ত চাকি ভিন্‌গ্রহীদের যান UFO: উড়ন্ত চাকি ভিন্‌গ্রহীদের যান ইউ এফ ও উড়ন্ত চাকি ভিনগ্রহীদের যান নাকি শত্রু দেশের নজরদারি । তদন্তে নামছে এবার পেন্টাগন এই নিয়ে একটি তথ্যমূলক পোষ্ট নিয়ে  আপনাদের সামনে  চলে এলাম ।  সেগুলো কি ভিনগ্রহীদের যান নাকি কোনো শত্রু দেশের সেনাবাহিনীর আকাশ থেকে গোপন নজরদারি । আইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট ইউ এফ ও অথবা উড়ন্ত চাকি নামে যাদের পরিচিতি  বিশ্বজুড়ে । সেগুলি কাদের বানানো কি দিয়ে বানানো সেইসব উড়ন্ত চাকি কোথা থেকে আসে সেগুলো কোথায় উধাও হয়ে যায় ।  তদন্তে নামছে পেন্টাগন Pentagon সেগুলো কি সত্যি সত্যি ভিনগ্রহীদের নাকি অন্য কোন দেশের সামরিক বাহিনী বা গোয়েন্দাদের । ইউ এফ ও নিয়ে এইসব কৌতুহল রহস্য রয়েছে গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে । সেই  রহস্যের জট খুলতে এবার কোমর বেঁধে নামছে আমেরিকা প্রতিরক্ষা দপ্তর । এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্তের জন্য পেন্টাগন নতুন একটি কার্যালয় খোলার কথা ঘোষণা করেছে বুধবার । যার নাম অবজেক্ট আইডেন্টিফিকেশন এন্ড ম্যানেজমেন্ট সিনক্রোনাইজেশন গ্রুপ । সংক্ষেপে এল আই এম এস জি  এর ...

আর সূর্যের ভরসায় নয়, শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা ।Nuclear Reactor on Moon

ছবি
Nuclear Reactor on Moon  নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর অন মুন । আর সূর্যের ভরসায় নয় শক্তির প্রয়োজনে চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা । চাঁদে এবার বসানো হবে পরমাণু চুল্লি । নভশ্চর থাকার ব্যবস্থা জন্য খনিজ উত্তোলন সহ নানা ধরনের কাজে শক্তির প্রয়োজন মেটাতে । চাঁদে প্রয়োজনীয় শক্তি জন্য আর সূর্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে চায়না ও নাসা । চায়না প্রেসিডেন্ট ও জো বাইডেনের সরকার ও । তাই চাঁদে পরমাণু চুল্লি বানানোর জন্য নাসার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার শক্তি দপ্তরের অধীনে থাকা আইডাহো ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ।সংক্ষেপে আই এন এল   সূর্যের ভরসায় নয় নাসার একটি সূত্র শুক্রবার এ খবর দিয়েছে আই এন এল আমেরিকা পরমাণু শক্তি সংক্রান্ত গবেষণার শীর্ষক গবেষণা গার । নাসা সূত্রের খবর এই দশকের শেষের দিকে চাঁদে সেই পরমাণু চুল্লি বসানোর কথা ভাবা হয়েছে ।চাঁদে  সফল হলে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ শক্তির প্রয়োজন মেটাতে সূর্যের উপর নির্ভরতা ছেড়ে লাল গ্রহ মঙ্গলেও পরমাণু চুল্লি বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমেরিকার ।  চাঁদে পরমাণু চুল্লি বসাবে নাসা  এই পদ্ধতি পৃথিবীতেও পারমাণবিক শক্তির অসামরি...

চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয়

ছবি
 হাই ফ্রেন্ডস আমাদের পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ । এই চাঁদ হলো একমাত্র যে কিনা রাতের আকাশে জ্বলজ্বল করে চলে । এই চাঁদ খুবই সুন্দর লাগে যখন পূর্নিমা রাতের এটি সমপূণ থালার মত লাগে । আমার  এটা ছোটবেলায় খুব মনে আছে যে মা আমাকে আদর করে বলতো আমার ছেলে দেখতে একদম তাদের মতো হয়েছে । আমার সাথে করবে জীবনে কখনো কখনো আমাদের সবারই মা আমাদের  চাঁদ সঙ্গে কম্পেয়ার করেছে । কিন্তু আপনি জানেন কি এই  চাঁদ যে  এত সুন্দর লাগে কিন্তু তার নিজের না । আসলে আমার ছোট থেকে জানি চাঁদের কোন নিজস্ব আলো নেই । চাঁদ সূর্যের আলোয় নিজেকে আলোকিত করে । চাঁদ দেখতে মোটেও সুন্দর নয় আসলে সূর্যের আলো পড়ার কারণে চাঁদকে সুন্দর দেখায় ।কারণ চাঁদের গায়ে অনেক গত আছে যেগুলি আমরা খালি চোখে দেখে বুঝতে পারি না । আমরা সবাই জানি সূর্যের আলোয় আলোকিত হয় কিন্তু এবার প্রশ্ন আসতে পারে তো চাঁদ-তা আকার পরিবর্তন করে কিভাবে এবং এর চাঁদ ডুবে যায় কোথায় ।  তো বন্ধুরা আজকের পোষ্টে আলোচনা করবো ।চাঁদের আকার কিভাবে পরিবর্তন হয় এবং কিভাবে চাঁদ সূর্য থেকে আলো নিয়ে নিজেকে আলোচিত করে । এ সমস্ত কিছু জানবো ...

গ্রহাণুর উপর হামলা চালাতে চায় নাসা পাঠাতে চলেছে মহাকাশযান মিশন ডার্ট

ছবি
 এস্টোরয়েড  এর উপর এবার সরাসরি হামলা করতে চলেছে নাসা । নাসা সেই আক্রমণ চালাবে মহাকাশে ভিন মূলুক থেকে পৃথিবীর দিকে অসম্ভব গতিতে ছুটে আসা গ্রহাণুর মানে এস্টোরয়েড পথ থেকে সরিয়ে দিতে । না হলে যে পরিত্রাণ নেই সভ্যতার এই মিশনটি কবে হবে জানিয়ে দেই । হতে চলেছে আগামী ২৪ শে নভেম্বর আর মাত্র ১০ দিনের মাথায় । গ্রহাণুকে সরাসরি আক্রমণের লক্ষ্য নিয়ে এই ২৪ শে নভেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেবে নাসার মহাকাশযান । গ্রহাণুর উপর হামলা ইলন মাস্ক এর সংস্থা স্পেসএক্স এর বানানো অন্নত শক্তিশালি ফ্যলকন ৯ রকেট চেপে । ক্যালিফোর্নিয়ার ভেন্ডেবার এয়ারপোর্ট স্টেশন  থেকেই হবে  আর মিশনটির নাম হচ্ছে dart । ডবল এস্টোরয়েড  রিডাইরেকশন টেষ্ট মিশন । নাসা জানিয়েছে  যে , এই যে dart মিশন অভিযানের মূলত দুটি লক্ষ্য রয়েছে ১। এক একটি মহাকাশযান ভয়ঙ্কর গতিবেগে এগিয়ে আছড়ে পড়বে একটি গ্রহাণু উপর । যে গতিতে গ্রহাণু গায়ে গিয়ে আছড়ে পড়বে নাসার মহাকাশযান তাহলে সেকেন্ডে সাড়ে ছয় কিলোমিটার একটু বেশিই । ওই গতিবেগে মহাকাশযানের আছড়ে পড়ার ফলে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণুর গতিবেগ ১ শ...

International Space Station: যে কোনও মুহূর্তে মৃত্যু বা জখম, শঙ্কায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা চারি ও ৭ নভশ্চর

ছবি
 ভয়ঙ্কর বিপদে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন । যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা যে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হতে পারে নভোচারীদের । বা্ সারা জীবনের জন্য তারা পঙ্গু হয়ে যেতে পারে । এই আশঙ্কায় এখন প্রহর গুনছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজাচারী সহ ৭ মহাকাশচারী । মহাকাশচারী ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে । মহাকাশে পৃথিবীর কক্ষপথের ভর শূন্য অবস্থায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে করতে হিউস্টনের মহাকাশ স্টেশনের অন্যতম সদস্য এই তথ্য জানিয়েছেন । সদস্য বলেছেন ওই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর পরই মহাকাশ স্টেশনে থাকা সাত মহাকাশচারী কে প্রতিমুহূর্তে নির্দেশ পাঠাতে শুরু করে হিউস্টনের মিশন কন্ট্রোলরুম । তাদের জানানো হয় মহাকাশ স্টেশনের কোন কোন অংশের হেড মানে দরজা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে রাখতে হবে । মহাকাশচারীদের আশ্রয় নিতে হবে কোন কোন জায়গায় ।  কোন বিপদের শঙ্কায় মহাকাশ স্টেশন ও মহাকাশচারীরা? গত সোমবার ১৫ নভেম্বর রাশিয়া চার-চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পৃথিবীর কক্ষপথের । কয়েক দশক ধরে থাকা একটি গোয়েন্দা উপগ্রহের যার নাম 1408 ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় । তার ফলে বড় ও মাঝারি আকারের প্রচুর টু...

ব্ল্যাক হোল কিভাবে তৈরি হয়

ছবি
মনরিল বলেন,'যখন কোনো সাধারণ বস্তু সংকুচিত হয়ে যথেষ্ট পরিমাণে ছোট হয়ে যায় তখন থেকে ব্ল্যাক হোলের সূচনা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যখন বড় বড় নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে যায় তখন তারা মহাকর্ষের মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদেরকে ধ্বংস করে ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি করে। হোল ছবি ব্লাকহোল যেভাবে সৃষ্টি হয় মহাকাশ খুবই রহস্যময় মহাকাশ সম্পর্কে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে এই মহাকাশের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তু হল ব্ল্যাক হল । বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা দিতে পারেননি । আজ আমরা কথা বলবো ব্ল্যাকহোলের ব্যাপারে । ব্ল্যাক হল হলো মহাকাশের সবচেয়ে ভারী বস্তুর ঘনত্ব বেশি তাই ব্ল্যাকহোলের একটি মটরদানার আকৃতির ভর আমাদের সূর্যের ভরের চেয়ে অনেকগুণ বেশী । একটি সম্পূর্ণ ব্ল্যাকহোলের ঘর আমাদের সূর্যের চেয়ে লক্ষ্য বা কোটি গুণ বেশি হতে পারে । তাহলে গ্র্যাভিটি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সবচেয়ে বেশি এই প্রচন্ড আকর্ষণ বলের জন্য সব জিনিসকে তার দিকে আকর্ষণ করে । আমরা সবাই জানি এই মহাবিশ্ব আলোর গতিবেগ সবচেয়ে বেশি এতই বেশি যে আলো এর মধ্যে থেকে ফিরে আসতে পারে না । তাই এটিকে কালো দেখায় এবং এটির নাম দেওয়া হয় ব...

জ্যোতির্বিজ্ঞান এর জনক কে?

ছবি
  জ্যোতির্বিজ্ঞান এর জনক বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতে আধুনিক যুগে প্রকৃতি বিজ্ঞানের এতো বিশাল অগ্রগতির পেছনে গ্যালিলিওর চেয়ে বেশি অবদান আর কেউ রাখতে পারেননি। তাঁকে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক এবং এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানের জনক হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। লুক স্কাইওয়াকার এবং হান সোলো-এর আগে তারা গ্যালাক্সিগুলির পূর্বের ডিফেন্ডারে ছিলেন । গ্যালিলিও টেলিস্কোপের পথপ্রদর্শক ছিলেন একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এবং ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টান তিনি । তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় এই ধারণাটিকে রক্ষা করতে কাটিয়েছিলেন যে সূর্য মহাবিশ্বের কেন্দ্রে ছিল তবে গির্জা । ১৬০০-এর দশকের গোড়ার দিকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে বাইবেল শিখিয়েছে । যে পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র। রোমান ইনকুইজিশন তার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিরুদ্ধে শাসন করেছিল । এবং গ্যালিলিও বাইবেল অধ্যয়নে সাহায্য করতে পারে বলে বিশ্বাস করতে ।অস্বীকার করেন এবং ১৬৩৩ সালে ৭০ বছর বয়সে তিনি বিশ্বাস করেন। তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গৃহবন্দী করা হয়েছিল ৯ বছর পরে গ্যালিলিও একজন প্রাথমিক খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদকে উদ্ধৃত করেছিলেন । যে ঈশ্বর তার...

এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন?

ছবি
  এরোপ্লেন এরোপ্লেন আবিষ্কার  প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ যখন পাখিদের আকাশে উড়তে দেখতো তখন তাদের ইচ্ছে হতো পাখিদের মতো আকাশে     ওড়া । কিন্তু আজ থেকে এক হাজার বছর আগে কেউ কখনো ভাবতেও পারেনি যে ভবিষ্যতের দিনে এরোপ্লেনে করে যাত্রা করা এতটা সহজ ও সুরক্ষিত হয়ে যাবে ।১৫ শতাব্দী থেকে বৈজ্ঞানিক ইঞ্জিনিয়াররা আকাশে উড়ন্ত পাখিদের দেখে তাদের উপর বিভিন্ন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেন ।  এবং আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেন আর তাদের এই স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য তারা নিজেদের পুরো জীবন আবিষ্কারের পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিলেন । তাদের মধ্যে কয়েকজন সফল হয়েছিলেন আবার কয়েকজন অসফল হয়েছিলেন । উড়োজাহাজ আবিষ্কারের কাহিনী অনেক বড় প্লেন এর মতো বারবার চালিয়ে দেখা যেত না । একবার আকাশে ওড়া নেই তা কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে ভেঙে পড়ে যেত আর সাথে সাথে তো তাই একটু করে বানিয়ে টেস্ট করা যেত না । একেবারে পারফেক্ট বানাতে হত সাধারণভাবে যে দুই ভাইকে এর আবিষ্কারক হিসেবে জানা যায় তাদের নাম হল  উরিভি  রাইট  এবং উইলবার রাইট ।  তবে এ ছাড়াও আরো অনেক ইঞ্জিনিয়াররা এরোপ্লেন বানানোর চেষ্টা কর...

গবেষণা সমস্যা কাকে বলে?

ছবি
গবেষণা সমস্যা কী? গবেষণা সমস্যা  হলো   (Research Problem) । যা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়, কাঠিন্য, বাধা, দ্বন্দ্ব, বিতর্ক, অর্জিত জ্ঞানের মধ্যে শূন্যতা ইত্যাদি যা লক্ষ্য করে গবেষণা পরিচালনা করা হয়। অর্থাৎ যে বিষয়ের নিয়ে গবেষণা করা হয় তাকে গবেষণা বলা হয়। গবেষণা সমস্যা  আপনি শিক্ষাগত হাব দেখছেন একটি গবেষণা সমস্যা একটি নির্দিষ্ট সমস্যা । অসুবিধা দ্বন্দ্ব বা জ্ঞানের ফাঁক যা আপনি আপনার গবেষণায় সমাধান করার লক্ষ্য রাখবেন । আপনি ব্যবহারিক সমস্যাগুলির সন্ধান করতে পারেন এবং এটি আমাদের তাত্ত্বিক সমস্যাগুলিকে পরিবর্তন করতে অবদান রাখছে । যা জ্ঞানের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মনে রাখবেন যে কিছু গবেষণা এই দুটি জিনিসই করবে কিন্তু সাধারণত গবেষণার সমস্যার ফোকাস থাকে । এক বা অন্য যে ধরনের গবেষণা সমস্যা আপনি চয়ন করেন তার উপর আপনার আগ্রহের বিস্তৃত বিষয়ের উপর নির্ভর করে আপনি যে ধরনের গবেষণা করতে চান । এই পোষ্টি আপনাকে সনাক্ত করতে সাহায্য করে এবং একটি গবেষণার প্রস্তাব বা ভূমিকা লেখার সময় একটি গবেষণা সমস্যা পরিমার্জন করুন ।  আপনাকে এটি একটি সমস্যার বিবৃতি তৈরি করতে হবে এবং বা গবেষণা প্রশ্ন প্র...

তারা খসা দেখলে কি হয়

ছবি
 আকাশ থেকে তারা খসে পরা বা তারার হাঁটার ঘটনাটা খুব স্বাভাবিক। আকাশে ছুটে চলা তারারা ছোট ছোট গ্রহাণু, ধুলিকণা, ছোট বড় শিলা-খণ্ড যেগুলো কোনো গ্রহ বা নক্ষত্র থেকে বিচ্যুত হয়েছে। ছোট শিলার খণ্ডগুলো সহজ স্বাভাবিকভাবেই মহাশূন্যে ভাসতে থাকে। তারা খসা তারা খসা মেঘমুক্ত আকাশের দিকে তাকালে অনেক আরবিন্দ মিটমিট করে জ্বলতে দেখা যায় এগুলোকে নক্ষত্র বলা হয় । আর যখন রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা কোন নক্ষত্র যেন এইমাত্র খসে পড়ল ।এই ঘটনাকে নক্ষত্র পতন বা তারা খসে পড়া বলে । ভাগ্য বদলাতে কিনা চাই প্রত্যেকটি মানুষ এই তার ভাগ্য বদলাতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে । তবে  বেশিরভাগ মানুষই বিশ্বাস করে যে কঠোর পরিশ্রম ছাড়া এমন কিছু জিনিস আছে যে ভাগ্য বদলে দিতে পারে । এবং তার মধ্যে একটি হলো তারাখসা শুটিং স্টার তাকে নিয়ে ব্যাপারটা কমবেশি আমরা সবাই জানি ।  এটা প্রচলিত আছে যে তারা খসা যাওয়ার সময় চোখ বন্ধ করেই যা চাওয়া যায় সেটা নাকি পাওয়া যায় । তবে শুধু বাংলাদেশেই নয় পৃথিবীর সমস্ত জায়গাতেই রাখার ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতার কথাটি প্রচলিত আছে । কিন্তু কেউ কি ...

বুধ গ্রহের আয়তন কত?

ছবি
সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট গ্রহ বুধ । পৃথিবীর ক্ষেত্রফল বুধের ক্ষেত্রফলের প্রায় ৭ গুণ। আয়তন: বুধের আয়তন ৬০৮২,৭২,০৮,৭৪২ ঘন কিলোমিটার। (৬০৮২ কোটি ৭২ লক্ষ ৮ হাজার ৭৪২ ঘন কিলোমিটার)। বুধ গ্রহ   সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ ভূত্বক আমাদের চাঁদের মত অসংখ্য খাদে পড়া এবং অভ্রতে ব্রো অসংখ্য পাহাড় আর সমতলভূমি আছে এই গ্রহে । নিজ অক্ষের ধীরগতিতে ঘুরলেও বার্ষিক গতি পেয়েছি দ্রুত মাত্র ৮৮ দিন এটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে । অর্থে ৮৮ দিনে এক বছর হয়, বুধ গ্রহ পৃথিবী থেকে সহজেই দেখা যায় কোন স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডল নেই নেই কোন প্রাকৃতিক উপগ্রহ ।পৃথিবীর তুলনায় বুধ গ্রহের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । সেখানে রাতের বেলায় তাপমাত্রা থাকে - ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের বেলায় কিছু নিরক্ষীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা থাকে ।৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বুধ গ্রহের সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান হল অর্থসহ এবং শীতলতম স্থান হল নিকটে অবস্থিত নিম্নভূমি । ৪৮০০ কিলোমিটার এবং ৪০% ২০০০ সালের নামকরণ করা হয়েছে । এবং এর জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ গ্রহণ করে বলে গ্রহের নাম রাখা হয়েছে । বুধ গ্রহ বুধ গ্রহের আয়...