পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মহাকাশে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব!আমেরিকাকে নয়, চীনকে কাছে টানতে চান পুতিন

ছবি
মহাকাশে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে মহাকাশেও । আগেই মার্কিন মহাকাশ নজরদারি সংস্থার তরফে সমীক্ষায় জানানো হয়েছিল যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে অন্যান্য দেশের নজরদারি উপগ্রহগুলিকে অকেজো করার ছক কষছেন পুতিন। এবার রাশিয়া স্পেস এজেন্সি সূত্রেই খবর মহাকাশে সমস্ত যৌথ প্রজেক্ট থেকে আমেরিকাকে বাদ দেওয়ার কথা ভাবছে পুতিন সরকার। আরও উল্লেখযোগ্য যে, সেসব প্রজেক্টে এবার চিনকে কাছে টানতে চায় রাশিয়া। অর্থাৎ মার্কিন বিরোধী অবস্থান আরও মজবুত করার দিকেই ঝুঁকছে মস্কো। আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের একাধিক কাজকর্ম যৌথভাবে করে আমেরিকার নাসা ও রাশিয়ার  রসকসমস। এই মুহূর্তে দুই রুশ মহাকাশচারী স্পেস স্টেশনে রয়েছেন। শুক্র গ্রহ অভিযানে একসঙ্গে কাজ করার কথা ছিল রাশিয়া ও ইউক্রেনের। প্রকল্পের নাম ভানেরা-ডি । নাসা এবং রসকসমস,দুই সংস্থা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে বলে ঠিক ছিল এতদিন। কিন্তু যুদ্ধ এক নিমেষেই সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে। এখন আমেরিকার সঙ্গে যৌথভাবে কোনও কাজ এগোনো না পসন্দ রাশিয়ার। রসকসমস সূত্রে খবর যে, রুশ মহাকাশবিজ্ঞানীরা একাই শুক্র নিয়ে...

যুক্তরাষ্ট্রের নাসা কর্তৃক মঙ্গল গ্রহে পাঠানো মহাকাশ যানের নাম

ছবি
কিউরিওসিটি রোভার ২০১২ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গল গ্রহে নাসার প্রেরিত চতুর্থ রোবটযান ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, কিউরিওসিটি রোভার ২০১২ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গল গ্রহে নাসার প্রেরিত চতুর্থ রোবটযান। মঙ্গল গবেষণার ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত ২০১২ নাসার বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। রোবটযানটির ওজন প্রায় ১ টন। এই প্রথম নাসা এত বেশি ওজনের যান কোনো গ্রহে সফলভাবে নামাতে সক্ষম হয়েছে। মিশনের বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, মঙ্গল গ্রহে এপর্যন্ত যত অনুসন্ধানী যান পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ১ টন ওজনের এই কিউরিওসিটিই সবচেয়ে উন্নত। কিউরিওসিটি গ্রিনিচ মান সময় সোমবার ভোর পাঁচটা ৩২ মিনিটে মঙ্গল গ্রহের একটি পর্বতের জ্বালামুখের ভেতরে নামে। এবং পরে মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করে। কিউরিওসিটি পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সময় নিয়েছে নয় মাস। এটি ২০১১ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে যাত্রা শুরু করে। এবং ৫৭ কোটি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছায়। এ রোবটকে বলা হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ জৈব গবেষণাগার। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মঙ্গল নামে লোহিত গ্রহটির বিশাল আকৃতির আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ গেইলের ভূতত্ত্ব সম্পর্কে জানা। রোবটটি এ...

এবার মঙ্গলে ফুল ফোটাল নাসার রোভার

ছবি
লাল গ্রহের বুকে সদ্য আবিষ্কৃত এই পদার্থটির নাম দেওয়া হয়েছে ব্ল্যাকথর্ন সল্ট ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, ফুল ফুটল লাল গ্র হ  রু‌খুসুখু মঙ্গলে।ফোটাল মঙ্গলের বুকে ঘুরে বেড়ানো নাসার রোভার কিউরিওসিটি।গত সপ্তাহে মঙ্গলের বুকে বহু দূর থেকে সেই ছবি তুলেছে কিউরিওসিটি রোভারের ক্যামেরা।আদ্যোপান্ত ফুলের মতো দেখতে সেই বস্তুটি কোনও জৈব পদার্থ কি না। তা নিয়েও সংশয় আপাতত দূর হয়নি বিজ্ঞানীদের। তবে নাসার রোভার বহু দূর থেকে তোলা সেই ছবি খতিয়ে দেখে জানিয়েছে। মঙ্গলে থাকা কোনও খনিজ পদার্থই চেহারায় ফুল হয়ে উঠতে পারে লাল গ্রহের বুকে। তা কোনও একটি খনিজ পদার্থের না হয়ে এমন ধরনের কয়েকটি পদার্থের মিশ্রণও হতে পারে। যা আকারে ত্রিমাত্রিক কেলাসের মতো। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাদের বলা হয় ডায়াজেনেটিক ক্রিস্টাল ক্লাস্টার। বিজ্ঞানীদের কারও কারও ধারণা যে, মঙ্গলে তো বহু কোটি বছর আগে তরল জলের স্রোত বইতই। ছিল বড় বড় নদীনালা এমনকি জলপ্রপাতও। সেই জলের ভিতরে থাকা পদার্থই নীচে থিতিয়ে পড়ে হয়তো হয়েছিল এমন কিছু খনিজ পদার্থ। এই ফুলও তেমনই কয়েকটি খনিজ পদার্থের মিশ্রণ হতে পারে। আরও পড়ুন:  ভারত, আমেরিকা বা ইউরোপে মহাকাশ স্টেশন ভেঙে পড়...

ভারত, আমেরিকা বা ইউরোপে মহাকাশ স্টেশন ভেঙে পড়তে পারে: হুমকি রাশিয়ার

ছবি
ভারত, আমেরিকা বা ইউরোপে মহাকাশ স্টেশন ভেঙে পড়তে পারে ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, ইউক্রেন সমস্যার জেরে আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ভবিষ্যত। জোরালো প্রশ্ন উঠে গেল তার নিরাপত্তা নিয়ে।রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এর তরফে জানানো হল যে, পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশ স্টেশনকে ধরে রাখার ব্যাপারে তারা আর সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে না। সে ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাকাশ স্টেশন যদি হুড়মুড়িয়ে এসে পড়ে পৃথিবীতে । তার কোনও দায় নিতে রাজি নয় রাশিয়া। রসকসমস এর ডিরেক্টর জেনারেল দিমিত্রি রোগোজিন তাঁর টুইটে লিখেছেন যে, ভারতের উপরেও পড়তে পারে। চিনেও অথবা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কক্ষপথ থেকে বেরিয়ে এসে হুড়মুড়িয়ে আমেরিকা বা ইউরোপের উপরেও পড়তে পারে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। আমাদের সঙ্গে যদি অন্য দেশগুলি না সহযোগিতা করে ইউক্রেন ইস্যুতে তা হলে পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশ স্টেশনকে বাঁচাবে কে। আমরাও আর মহাকাশ স্টেশনকে কক্ষপথে ধরে রাখার জন্য কোনও সাহায্য করব না। রোগোজিন এও লিখেছেন যে. সে ক্ষেত্রে ৫০০ টন ওজনের মহাকাশ স্টেশন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কক্ষচ্যূত হয়ে আমেরিকা বা ইউরোপের উপর এসে পড়তেই পারে। এমনকি ...

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মহাকাশ স্টেশনের ভবিষ্যত কি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে?

ছবি
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ভবিষ্যত ছবি। হ্যালো বন্ধুরা,  ইউক্রেনে ও রাশিয়ার সেনা অভিযানের ছাপ কি মহাকাশেও প্রভাব পড়তে চলেছে? এই যুদ্ধের জেরে কি মহাকাশে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণার সকল কাজকর্ম। রেষারেষির ছাপ কি পড়বে আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়ার মহাকাশ চুক্তিগুলিতেও? মহাকাশ বিজ্ঞানী মহলে এখন এই প্রাসঙ্গিক প্রশ্নগুলিই ঘুরপাক খাচ্ছে। কারণ, ইতিমধ্যেই উন্নত শক্তিশালী দেশগুলির জোট জি-৭ ইউক্রেনে রাশিয়ার এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা করেছে।  এই জোটে আমেরিকা সহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ রয়েছে যারা বহু দিন ধরেই নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে মহাকাশ গবেষণায়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তিনি ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। যদিও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সহ মহাকাশে বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়ণে ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি রয়েছে রাশিয়ার।  আরও কয়েকটি চুক্তি হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেও আমেরিকার পর যদি আর কোনও দেশের কোনও আলাদা মডিউল থাকে তা হলে সেটি রাশিয়ারই। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে এই সেই কর্মসূ...

মহাকাশে ৩টি গ্যালাক্সির সংযোগস্থল, প্রকাশ্যে বিস্ময়কর সেই ছবি

ছবি
 এই তিনটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের সংযোগের  সেই ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, প্রায় তিন দশক ধরে মহাবিশ্বের অসংখ্য রহস্যজনক বিষয় পর্যবেক্ষণ করেছে হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ। মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা এবং ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সি ইএসএ এর  যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছিল হাবাল স্পেস টেলিস্কোপের অভিযান। সম্প্রতি এই স্পেস টেলিস্কোপ মহাকাশে তিনটি ছায়াপথের সংযোগস্থল খুঁজে পেয়েছে। জানা গেছে যে, পৃথিবী থেকে এর অবস্থান ৬৮১ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। ক্যান্সার নক্ষত্রপুঞ্জে রয়েছে এর অবস্থান। ইনস্টাগ্রামে ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সির তরফ থেকে এই ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এই তিনটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের সংযোগকে বলা হচ্ছে গ্যালাকটিক ট্রায়ো। এদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ফলে উক্ত ছবিতে নক্ষত্র গঠনের অশান্ত পর্যায় এবং জোয়ারের বিকৃতি দেখা গেছে। ছবির একদম কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ধুলার একটি পুরু আস্তরণ। তবে এই তিন ছায়াপথের সংযোগস্থলের বাইরের অংশ দিয়ে পিছনের একটি ছায়াপথ থেকে আসা আলোও বিচ্ছুরিত হচ্ছে।মহাকাশে অন্যান্য ছায়াপথেরও যে অস্তিত্ব রয়েছে এই প্রসঙ্গে প্রথম সন্ধান দিয়েছিল হাবাল স্পেস টেলিস্কোপ। মাঝে মাঝে বিভিন্ন ছায়াপথে অদ্ভু...

সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছাবে নাসার মহাকাশযান,দেখা যাবে পৃথিবী থেকেও

ছবি
সূর্য থেকে মাত্র ৮৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৫২৩ কিলোমিটার দূরত্বে থাকবে পার্কার সোলার প্রোব ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, এত কাছে এর আগে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। সূর্যের ঝলসানি সইতে পারা যাবে না বলে। সেই সূর্যেরই সবচেয়ে কাছে পৌঁছবে সভ্যতা । সূর্য থেকে মাত্র ৮৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৫২৩ কিলোমিটার দূরত্বে থেকে এই সৌরমণ্ডলের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করবে নাসার মহাকাশযান পার্কার সোলার প্রোব। সূর্য থেকে পৃথিবী রয়েছে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে। কয়েক মাস আগে নাসার এই মহাকাশযানটিই প্রথম ছুঁয়েছিল সূর্যকে। প্রবেশ করেছিল সূর্যের বায়ুমণ্ডল বা সোলার করোনায়। সেটাই ছিল কোনও মহাকাশযানের সূর্যের বায়ুমণ্ডলে প্রথম প্রবেশ। সূর্যের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা সূর্যের পিঠের চেয়ে দশ লক্ষ গুণ বেশি। পিঠের তাপমাত্রা যেখানে মেরেকেটে ছয় হাজার ডিগ্রি কেলভিন সেখানে সূর্যের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ১০ লক্ষ ডিগ্রি কেলভিন। আরও পড়ুন:  চাঁদে দুটি বড় কাঁচের গোলক কোথা থেকে এলো?কৌতূহলে বিজ্ঞানীরা নাসা জানিয়েছে যে, সূর্যের সবচেয়ে কাছে পৌঁছনোর সময় পার্কার সোলার প্রোবের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৩ হাজার ৫৯২ কিলোমিটার। ওই সময় নাসার মহাকাশযান থাকবে সূর্যের যে দিকটি পৃ...

চাঁদে দুটি বড় কাঁচের গোলক কোথা থেকে এলো?কৌতূহলে বিজ্ঞানীরা

ছবি
দু’টি কাচের গোলককে পড়ে থাকতে দেখা গেল চাঁদের বুকে ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, এবার  কাচের গোলক মিলল চাঁদে। একটি নয় দু’টি কাচের গোলককে পড়ে থাকতে দেখা গেল চাঁদের বুকে। শুকনো খরখরে ধূসর রঙের ধুলোর উপরে মার্বেলের মতো। দু’টি গোলকই খুব স্বচ্ছ চাঁদের যে, পিঠটি পৃথিবী থেকে দেখা যায় না সেই দিকেই পড়ে রয়েছে কাচের গোলকদু’টি।চিনের পাঠানো ইয়ুতু-২ রোভারের চোখে ধরা পড়ল চাঁদের বুকে ছড়িয়ে থাকা কাচের গোলকদু’টি। আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা সায়েন্স বুলেটিন-এ।তবে সেই অত্যন্ত স্বচ্ছ গোলকদু’টি ঠিক কী কী পদার্থে তৈরি তা বুঝে ওঠা এখনও সম্ভব হয়নি চিনা রোভারের। তবে কাচের এই দু’টি গোলক থেকে চাঁদের ইতিহাস জানা সম্ভব হতে পারে বলে বিশ্বাস জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। চাঁদের বুকে রাশি রাশি ধুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচুর সিলিকেট। যা ভূপৃষ্ঠেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। বিশেষ করে মরুভূমিতে প্রচুর পরিমাণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় এমন ধরনের পদার্থ। সেগুলি চিকচিক করে মরুভূমিতে চাঁদের বুকেও কাচের দু’টি গোলককে তেমনই চিকচিক করতে দেখেছে চিনা রোভার। বহু দুর থেকে বিজ্ঞানীদের অনুমান, এই গোলকদু’টিও...

চাঁদের মাটিতে চিনা রকেট আছড়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দিল বেজিং

ছবি
 ২০১৪ সালে লঞ্চ হওয়া চিনের চাঙ্গে ৫-টিওয়ান এর বুস্টার ছবি। হ্যালো বন্ধুরা, আর মাত্র দিন কয়েকের অপেক্ষা। আগামী ৪ মার্চ চাঁদের প্রত্যন্ত এলাকায় আছড়ে পড়বে একটি রকেট। এমন আশঙ্কা আগে থেকেই প্রকাশ করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, ওই রকেট চিনের । ২০১৪ সালে লঞ্চ হওয়া চিনের চাঙ্গে ৫-টিওয়ান এর বুস্টার। কিন্তু বিজ্ঞানীদের এই দাবি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে বেজিং। তাদের সাফ কথা যে, রকেট চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়তে চলেছে সেটা তাদের নয়। চিনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার চন্দ্রাভিযান কর্মসূচির অংশ হিসাবে মহাকাশে যাত্রা করেছিল  চাঙ্গে ৫-টিওয়ান। আরও স্পষ্ট করে বললে যে, বেজিংয়ের লুনার এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্র‌াম এর অংশ নয়।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে একথা জানানো হয়েছে।প্রথমে বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল যে,চাঁদে আছড়ে পড়ে যে রকেট ধ্বংস হতে চলেছে। তা আদপে স্পেস এক্সের  রকেটেরই একটি অংশ। মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় স্পেসজাংক বা মহাকাশের বর্জ্য। সাত বছর আগে রকেটটি পাড়ি দিয়েছিল মহাকাশে। অভিযান শেষে সেই মহাকাশেই তাকে বিসর্জন দেওয়া হয়েছিল।জানা গিয়েছে। ২০১৪ সালে চিনের ওই মহাকাশযানটি উৎ...

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিপদে কারন সূর্যের তাপে মার্চে সম্প্রচারে বিঘ্ন

ছবি
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ছবি। হ্যালো বন্ধুরা,  মহাকাশে সৌর তাপের ব্যতিচারের কারণে, আগামী ৭ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন কিছু সময় ধরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সম্প্রচার কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন হতে পারে।বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর  কাজে যুক্ত  পরিচালনার  বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পান লিমিটেড বিএসসিএল এ তথ্য জানিয়েছে। ৭ মার্চ সকাল ৯টা ৫৪ মিনিট থেকে ৭  মিনিট।৮ মার্চ ৯টা ৫২ মিনিট থেকে ১০ মিনিট। ৯ মার্চ ৯টা ৫১ মিনিট থেকে ১২ মিনিট। ১০ মার্চ ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৪  মিনিট। ১১ মার্চ ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১৩ মিনিট। ১২ মার্চ ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১২ মিনিট। ১৩ মার্চ ৯টা ৫১ মিনিট থেকে ১০ মিনিট এবং ১৪ মার্চ ৯টা ৫৩ মিনিট থেকে ৬ মিনিট বিঘ্ন ঘটতে পারে। আরও পড়ুন:  মহাবিশ্বের বৃহত্তম গ্যালাক্সির সন্ধান, সূর্যের চেয়ে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন গুণ বড় আরও পড়ুন:  উড়তে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রিক বিমান বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর কোম্পানী লিমিটেড বিএসসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি  জানান। এটি প্রাকৃতিক কারণে এই সাময়িক বিঘ্ন ঘটে থাকে।দে...

মহাবিশ্বের বৃহত্তম গ্যালাক্সির সন্ধান, সূর্যের চেয়ে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন গুণ বড়

ছবি
এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ছবি। হ্যালো বন্ধুরা মিলল মহাবিশ্বের বৃহত্তম ছায়াপথের খোঁজ, সূর্যের চেয়ে প্রায় ২৪০ বিলিয়ন গুণ বড় ।এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।এই মহাবিশ্বের কতটুকুই বা আমরা জানি? আর তাই আবিষ্কার গবেষণারও কোনও অন্ত নেই। আর সেই লম্বা তালিকায় যোগ হল এক উল্লেখযোগ্য বিষয়। এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত বৃহত্তম ছায়াপথের খোঁজ দিলেন গবেষকরা। সূর্যের চেয়ে এটি প্রায় ২৪০ বিলিয়ন গুণ বড়।ছায়াপথের নাম অ্যালসিওনিয়াস। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এই আবিষ্কারের ফলে বিশালাকার রেডিও গ্যালাক্সির সম্পর্কে আরও জানা যাবে। তার পাশাপাশি মহাকাশে ভেসে থাকা আন্তঃগ্যালাকটিক মাধ্যম সম্পর্কেও নতুন দিশা বের হতে পারে। আরও পড়ুন:  দীর্ঘ মহাকাশযাত্রায় নভশ্চরদের মস্তিষ্ক বদলে যায় আকারে ও কাজকর্মে আরও পড়ুন:  আকাশগঙ্গা এর কাছে বিন্দুর মতো! আলোর গতিতে পেরোতে সময় নেয় ১০০০ কোটি বছর নাসার ওয়াইড-ফিল্ড ইনফ্রারেড সার্ভে এক্সপ্লোরার স্যাটেলাইট অবজারভেটরি এবং ইউরোপের লো ফ্রিকোয়েন্সি অ্যারে LOFAR-র ডেটা ব্যবহার করে অ্যালসি...

দীর্ঘ মহাকাশযাত্রায় নভশ্চরদের মস্তিষ্ক বদলে যায় আকারে ও কাজকর্মে

ছবি
মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের আকার ও তাদের কাজকর্মও বদলে যায় ছবি।  হ্যালো বন্ধুরা  মহাকাশে অনেক দিন কাটালে নভশ্চরদের মস্তিষ্ক আর আগের মতো থাকে না। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের আকার ও তাদের কাজকর্মও বদলে যায়। যা পৃথিবীতে ফিরে আসার অনেক পরেও আর আগের অবস্থায় ফিরে যায় না। পৃথিবীতে ফিরে আসার পর তাঁরা নানা ধরনের স্নায়বিক রোগের শিকার হন যা আমৃত্যু থেকে যায়। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ও রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এর বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এ কথা জানিয়েছে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউরাল সার্কিটস এ।আগের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে।দীর্ঘ দিন মহাকাশে কাটিয়ে ফিরে পৃথিবীতে ফিরে আসার পর মহাকাশচারীদের মাংসপেশি ও হাড়ে নানা ধরনের সমস্যা হয়েছে। পেশি ও হাড়ের ক্ষয় হয়েছে দ্রুত হারে। সেই ক্ষয় রোখা যায়নি। তাকে আগের অবস্থায় ফেরানোও সম্ভব হয়নি।এ বারের গবেষণা জানাল যে,দীর্ঘ দিনের মহাকাশযাত্রায় বদলে যায় মহাকাশচারীদের মস্তিষ্কের আকার ও কাজকর্মও। পৃথিবীতে ফিরে আসার পর তাঁরা নানা ধরনের স্নায়বিক রোগের শিকার হন। যা আমৃত্যু থেকে যায়। আরও পড়ুন:  ...

তিন চাঁদওয়ালা গ্রহাণুর প্রথম খোঁজ মিলল

ছবি
তিনটি চাঁদের গ্রহাণুর হদিশ এর আগে মেলেনি এই প্রথম খোঁজ মিলল ইলেক্ট্রা গ্রহাণু ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  মাত্র একটা নয়। দু’টো নয়। তিনটি চাঁদওয়ালা একটি গ্রহাণুর হদিশ মিলল এই প্রথম।গ্রহাণুটির নাম ১৩০ ইলেক্ট্রা। সংক্ষেপে- ইলেক্ট্রা।তাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স’-এ। এখনও পর্যন্ত যে ১১ লক্ষ গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে বেশির ভাগেরই হয় কোনও চাঁদ নেই। বা বড় জোর দু’টি চাঁদ রয়েছে। দেড়শোর কিছু বেশি গ্রহাণুর চাঁদ রয়েছে একটি। তবে  তিনটি চাঁদের গ্রহাণুর হদিশ এর আগে মেলেনি এই প্রথম খোঁজ মিলল ইলেক্ট্রা গ্রহাণু। আরও পড়ুন:  আলোর গতিতে ছুটবে নাসার মহাকাশযান নতুন আবিষ্কারে উল্লসিত বিজ্ঞানীরা ইলেক্ট্রা গ্রহাণুটি রয়েছে মঙ্গল ও বৃহস্পতির মত মাঝখানে থাকা গ্রহাণুপুঞ্জে। তার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব প্রায় ২৬০ কিলোমিটার বা ১৬০ মাইল। এটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৮৭৩ সালে। কিন্তু তার যে তিনটি চাঁ...

আলোর গতিতে ছুটবে নাসার মহাকাশযান নতুন আবিষ্কারে উল্লসিত বিজ্ঞানীরা

ছবি
আলোর ঠেলায় এই ভাবেই ছুটবে মহাকাশযান ছবি। হ্যালো বন্ধুরা   এ বার হয়তো আলোর পালে ভর করে ছোটা যাবে মহাকাশে। ভাবনার বাইরে থাকা দূরত্বকে এ বার হয়তো কাছে এনে দেবে আলো। যেখানে পৌঁছনো কোনও মানুষের আয়ুষ্কালে একেবারেই অসম্ভব তাকে সম্ভব করে তুলবে আলোই।সে দিন হয়তো আর খুব দূরে নেই যখন প্রায় আলোর গতিতে ছোটা সম্ভব হবে মহাকাশে। আলোর জোগানো শক্তিতে এক কি দু’দশকের মধ্যেই হয়তো ছোঁয়া যাবে মাত্র চার আলোকবর্ষ দূরে থাকা প্রতিবেশী নক্ষত্রমণ্ডল প্রক্সিমা সেনটাওরিকে। যেখানে পৌঁছতে এখনকার মহাকাশযানগুলির সময় লাগত ৪০ হাজার বছর। ৪০ হাজার বছর ধরে পাড়ি দিয়ে ব্রহ্মাণ্ডে যে দূরত্বে পৌঁছত হয়। তাকে আরও তাড়াতাড়ি একটি মানুষের আয়ুষ্কালেই কাছে পেতে গত কয়েক শতাব্দী ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মহাকাশবিজ্ঞানী ও মহাকাশ প্রষুক্তিবিদরা।কিন্তু তাঁদের এত দিনের সেই নিরলস সাধনার ফলপ্রসূ হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আলোই। আলোর ধর্ম হল আলোর কণার প্রায় ভরশূন্যতা। অথচ আলোর গতিতে ছুটতে পারলে কী রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হতে পারত। পৌঁছনো যেত ভাবনার থেকে বাইরে থাকা এই ব্রহ্মাণ্ডের অজানা অচেনা জগতে। কল্পনাতীত দূরত্বে থাকা সেই সব জগত...

ডাইনোসর ছিল যাদের জলখাবার,এমন দৈত্যাকার কুমিরের সন্ধান পাওয়া গেছে

ছবি
সারকোসুকাস  প্রাগৈতিহাসিক সেই জগতের একমাত্র শাসক তারাই ছিল ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  সে ছিল এক অন্য পৃথিবী। থেকে থেকে এই নীল গ্রহের মাটি কেঁপে উঠত অতিকায় ডাইনোসরদের  পদভারে। কিন্তু প্রাগৈতিহাসিক সেই জগতের একমাত্র শাসক কি তারাই ছিল। না  বিশালাকার প্রাণীদের সেই জমানায় এমন প্রাণীও ছিল, যাদের কাছে ডাইনোরা ছিল স্রেফ জলখাবার, এমনই দাবি গবেষকদের। মিলেছে এমনই এক আশ্চর্য প্রাণীর দেহাবশেষ। যার পেটের মধ্যে রয়ে গিয়েছে একটি আস্ত ডাইনোসর। সেই প্রাণীটি ছিল আজকের কুমিরদেরই  পূর্বপুরুষ। সারকোসুকাস রাক্ষুসে কুমির যদিও ধারে ভারে তাদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে তারা। নাম সারকোসুকাস ।কেমন ছিল এই রাক্ষুসে কুমিররা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে, আজকের কুমিরদের চেয়ে কয়েকগুণ ভারী এবং বিশালাকার ছিল এরা। মোটামুটি সাড়ে ৯ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াত। সারকোসুকাসের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৩১ ফুট। দেহের ওজন ছিল সাড়ে তিন হাজার কেজিরও বেশি। চোয়ালের উপরের পাটিতে ছিল ৩৫টি দাঁত। আর নিচের পাটিতে ৩১টি। মোট  দাঁত  ছিল  ৬৬টি দাঁতে মুহূর্তে শিকারকে চিবিয়ে খেতে । খুব ভয়ংকর  ছিল  এই রাক্ষুসে...

আরেকটি মহাকাশ স্টেশন, তিয়ানগাং, এই বছর পৃথিবীর কক্ষপথে উৎক্ষেপণ করা হবে

ছবি
মহাকাশ স্টেশনটি দেখতে হবে ইংরেজি ‘টি’ বর্ণের মতো ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  আরও একটি মহাকাশ স্টেশন এ বছরেই। পৃথিবীর কক্ষপথে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মতো তা বহু দেশের সহযোগিতায় বানানো নয় অবশ্য। নতুন মহাকাশ স্টেশনটি বানাচ্ছে চিন। নাম তার তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশন। চিনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বৃহস্পতিবার এই খবর দিয়েছে। জানিয়েছে যে, চিনা মহাকাশ স্টেশনে থাকবে তিনটি মডিউল বা অংশ। যা এ বছরেই ধাপে ধাপে ছ’টি অভিযানে পাঠানো হবে কক্ষপথে। মহাকাশ স্টেশনটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে তিনটি মডিউলের মধ্যেএকটিতে হবে । গবেষণা নানা ধরনের পরীক্ষানিরীক্ষা করে। এই মডিউলের নাম ওয়েনতিয়ান। আরও পড়ুন:  ফেসবুকের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপেও যুক্ত হচ্ছে এই আকর্ষণীয় ফিচার সবকয়টি মডিউলই পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হবে অত্যন্ত শক্তিশালী  লং মার্চ-৫বি রকেটে চাপিয়ে। মহাকাশ স্টেশনটি দেখতে হবে ইংরেজি ‘টি’ বর্ণের মতো। চিনা মহাকাশ স্টেশনের তিনটি মডিউলের মধ্যে দু’টির ওজন ২০ হাজার কিলোগ্রাম বা ৪৪ হাজার ১০০ পাউন্ড করে হবে।  আরও পড়ুন:...

ফেসবুকের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপেও যুক্ত হচ্ছে এই আকর্ষণীয় ফিচার

ছবি
হোয়াটসঅ্যাপেও একইভাবে রাখা যাবে কভার ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  একের পর এক আকর্ষণীয় ফিচার এনে ইউজারদের রীতিমতো চমকে দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। জনপ্রিয় এই অ্যাপে তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে মাঝে প্রশ্ন উঠলেও সেসব বিতর্ক আপাতত অতীত। রেসের ঘোড়ার মতোই অন্য সব মেসেজিং অ্যাপকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এবার নাকি আরও একটি ফিচার যুক্ত হতে চলেছে এই অ্যাপে। কী সেই ফিচার? জানা গিয়েছে যে, ফেসবুকে প্রোফাইলে যেমন কভার ছবি সেট করা যায় । হোয়াটসঅ্যাপেও একইভাবে রাখা যাবে কভার ছবি। ইতিমধ্যেই নাকি ফিচারটি নিয়ে কাজও শুরু করে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। তবে এটি প্রথমে ভাবা হচ্ছে বিজনেস অ্যাকাউন্টের জন্য। অর্থাৎ কার্যক্ষেত্রে যে সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। তাতেই কভার ছবি সেট করা যাবে। আরও পড়ুন:  আমেরিকা ১০০ বছরে যতটা বেড়েছে, ৩০ বছরে জলস্তর ততটা বাড়বে হোয়াটসঅ্যাপের ক্যাটালগকে আরও আকর্ষণীয় করতেই এমন ভাবনা। অর্থাৎ কোনো সংস্থা কভারে নিজের কোম্পানির নাম লোগো ইত্যাদি ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। এই ফিচার যুক্ত হলে বিজনেস অ্যাকাউন্টের সেটিংসও খানিকটা বদলে যাবে বলেই একটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে জানা গিয়েছে।তবে ...

আমেরিকা ১০০ বছরে যতটা বেড়েছে, ৩০ বছরে জলস্তর ততটা বাড়বে

ছবি
আমেরিকার পূর্ব উপকূলে জলস্তর উঠে আসবে ২ ফুট বা তারও বেশি ছবি হ্যালো বন্ধুরা  গত ১০০ বছরে যতটা উঠেছিল তার সমান তো বটেই তার চেয়েও বেশি উপরে উঠে আসতে পারে মহাসাগরের জলস্তর। আগামী ৩০ বছরে আমেরিকার পূর্ব ও পশ্চিম, দু’টি উপকূলেই। উষ্ণায়ন ও দ্রুত হারে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমেরিকার লাগোয়া প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের জলস্তর ২০৫০ সালের মধ্যে অন্তত এক ফুট বা তার কিছু বেশি উপরে উঠে আসবে পশ্চিম উপকূলে। পূর্ব উপকূলে তা উঠে আসবে দু’ফুট বা তারও বেশি। তার ফলে রৌদ্রজ্জ্বল দিনেও ঘনঘন বানভাসি হবে আমেরিকার দু’টি উপকূলের বহু শহর। উষ্ণায়নের ফলে দু’টি সুবিশাল মহাসাগর লাগোয়া আমেরিকার ভবিষ্যতে কতটা কালো রঙের দিন ঘনিয়ে আসতে চলেছে। তা জরিপ করতে গিয়ে সে দেশের ন্যাশনাল ওশ্‌নিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নোয়া  ১১১ পাতার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।বলা হয়েছে যে, বিশেষ করে আমেরিকার দুটি স্টেট লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের বেশ কিছু এলাকার বিপদ সবচেয়ে বেশি। ওই দুটি স্টেটের লাগোয়া মহাসাগরের জলস্তর এক ফুট বা তারও বেশি উপরে উঠে আসতে চলেছে আগামী ৩০ বছরে। আমেরি...

চাঁদে কী আঘাত হানতে যাচ্ছে, কত বড় গর্ত তৈরি হবে, তা নিয়ে কৌতূহল বিজ্ঞানীদের

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা  চাঁদে কী আছড়ে পড়তে চলছে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্য, কোনও বড় গ্রহাণু, নাকি বিশাল কোনও উল্কাপিণ্ড, নাকি সৌরমণ্ডলের বাইরে থেকে আসা কোনও মহাজাগতিক আগন্তুক।বিশ্বের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মহল এখন এই কৌতূহলেই আলোড়িত। যা-ই আছড়ে পড়ুক না কেন, তার অভিঘাত কতটা হবে, চাঁদের বুকে সেই অভিঘাতে তৈরি হবে কতটা বড় গহ্বর, সেই গহ্বরের অতলে নজর ফেলে আগামী দিনে চাঁদের পিঠের নীচে লুকিয়ে থাকা খনিজের খোঁজ মিলবে এই সাতসতেরো প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। তবে যা-ই আছড়ে পড়ুক না কেন তার অভিঘাতে যে বিশাল একটি গহ্বর চাঁদের বুকে তৈরি হতে চলেছে । তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই বিজ্ঞানীদের। তাই ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো-র চাঁদের কক্ষপথে পাঠানো চন্দ্রযান-১ কে বেঙ্গালুরুর গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ইতিমধ্যেই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। চাঁদের বুকে কোনও কিছুর আছড়ে পড়ার ঘটনার উপর নজর রাখতে। আছড়ে পড়ার পর তার অভিঘাতে চাঁদের বুকে কতটা বড় গহ্বর তৈরি হয় সেটাও জরিপ করতে।  একই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে চাঁদের কক্ষপথে থাকা নাসার লুনার রিকনাইস্যান্স অরবিটার এলআরও কেও।চাঁদের বুকে যে দিনপনেরোর মধ্যে খুব বড় কিছু আ...

৪৬ বছর পর চালু হচ্ছে দিল্লি টু লন্ডন সরাসরি বাস রুট

ছবি
এবার চালু হচ্ছে দিল্লি টু লন্ডন সরাসরি বাস রুট ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  বিমানে করে নয় এবার রাস্তা ধরেই দিল্লি থেকে সরাসরি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পৌঁছানো যাবে। হরিয়ানার একটি সংস্থার আওতায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরেই এই সেবা চালু হতে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যেমে ৭০ দিনে দিল্লি থেকে ২০ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে মিয়ানমার, রাশিয়া, জার্মানিসহ মোট ১৫টি দেশ অতিক্রম করে লন্ডনে পৌঁছাবে বাসটি।তবে এবারই প্রথম নয়। এর আগেও দিল্লি থেকে বাসে করে লন্ডনে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল। ১৯৫৭ সালে ব্রিটেনের একটি সংস্থা কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে লন্ডন পর্যন্ত বাস সেবা চালু করেছিল। কিন্তু কয়েক বছর পর বাসটি একটি দুর্ঘটনার মুখে পড়লে সেই পরিসেবা বন্ধ করে দেয়া হয়।পরে অন্য একটি বিদেশি সংস্থা সিডনি থেকে ভারত হয়ে লন্ডন পর্যন্ত দোতলা বাস চালু করে।১৯৭৬ পর্যন্ত সেই বাস রুট সচল থাকলেও ইরানের রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েনের জেরে সেই পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। আরও পড়ুন:  ভারতে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগানে হিজাবি তরুণী কে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে তবে এবার প্রায় ৪৬ বছর পর ফের চালু হতে যাচ্ছে এই সে...

ভারতে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগানে হিজাবি তরুণী কে নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে!

ছবি
ভারতীয় শিক্ষার্থী মুসকান খানকে ঘিরে ভারতজুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড় ছবি। হ্যালো বন্ধুরা গেরুয়া উত্তরীয় পরা একদল উদ্যত তরুণের সামনে নির্ভিক ‘আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দেয়া সেই ভারতীয় শিক্ষার্থী মুসকান খানকে ঘিরে ভারতজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। বিষয়টি বর্তমানে ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। তবে এই তরুণীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা গুজব। বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে লাখ লাখ ভিউ কমেন্ট ও শেয়ার হচ্ছে এসব ভুয়া তথ্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজের তথ্য বলছে যে, আল্লাহু আকবার স্লোগান দেয়ার জন্য মুসকানকে সালমান খান ও আমির খান ৩ কোটি রুপি উপহার দিয়েছেন। এছাড়া তুরস্কের সরকারও মুসকানকে ২ কোটি রুপি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বলে এসব ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে। আরও পড়ুন:  ইসরো রকেট উৎক্ষেপণ, ৩ টি উপগ্রহ পাঠাল ভারত আরও পড়ুন:  চিনি কিভাবে তৈরি হয়? তবে এ খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং গুজব বলে নিশ্চিত করেছে জি নিউজ। সেই সাথে খবরের সত্যতা যাচাই সংস্থাকারী সংস্থা ফ্যাক্টলি এই খবর ভুয়ো বলে ঘোষণা করেছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মুসকানকে কেউ কোনো টাকা দেয়নি। এই খবর পুরোটাই রটনা।...

ইসরো রকেট উৎক্ষেপণ, ৩ টি উপগ্রহ পাঠাল ভারত

ছবি
মহাকাশে তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে  পাড়ি দিল ইন্ডিয়ান স্পেস ইসরো ছবি। হ্যালো বন্ধুরা  বছরের শুরুতেই মহাকাশে রকেট পাঠাল ইসরো। সোমবার ভোরে মহাকাশে তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে পাড়ি দিল ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের ইসরো। পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল  PSLV-C52। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এই রকেটের মাধ্যমে EOS-04, INSPIRE-1 এবং ভারত-ভুটান যৌথ উদ্যোগে তৈরি টেকনোলজি ডেমনস্ট্রেটর স্যাটেলাইট INS-2B নামে তিনটি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে। যেগুলি মূলত আয়নমণ্ডলের গতিশীলতা এবং সৌরমণ্ডলের তাপমাত্রা নিয়ে গবেষণা চালাবে।পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এদিন ভোর ৪টে ২৯ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে কৃত্রিম উপগ্রহগুলির সফল উক্ষেপণ করে ইসরো । লঞ্চ ভেহিকলটির ওজন ১ হাজার ৭১০ কেজি। EOS-04 একটি রেডার ইমেজিং উপগ্রহ। কৃষি, সবুজায়ন, বৃক্ষরোপণ, মাটির আর্দ্রতা, জলের অনুসন্ধান এবং বন্যার রূপরেখা নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করতে মহাকাশ থেকে ছবি তুলে পাঠাবে সেটি। অন্য দিকে  INSPPIRE-1 উপগ্রহটি তৈরি করেছেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ স্পেস সায়েন্স অ্যাণ্ড টেকনোলজি (IIST...