পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মঙ্গলে সবুজ বালির চিহ্ন, সন্ধান দিল নাসার রোভার

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গল এতদিন শুধু লাল গ্রহ বলে পরিচিত হয়ে এসেছে। কিন্তু শুধু লাল নয়, এবার সবুজেরও সন্ধান মিলল লাল গ্রহে। মঙ্গলে পাঠানো নাসার রোভার ক্রাফটে সবুজ বালির চিহ্ন পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।   মঙ্গল আর শুধু লাল গ্রহ নয় নাসার এই পারসিভারেন্স রোভারে নতুন আবিষ্কারটি তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। এই আবিষ্কার দেখিয়েছে মঙ্গলে সবুজের অস্তিত্বও রয়েছে।লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আবিষ্কার! নাসার রোভারের পাঠানো ডেটা বিশ্লেষণ করে পারডিউ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানতে পেরেছেন।যে মঙ্গল পৃষ্ঠে বেশ কিছু সবুজ এলাকা রয়েছে। আবিষ্কার হয়েছে অলিভিনের দানা সেগুলিই লাল গ্রহ মঙ্গলে সবুজ বালি আকারে দেখা গিয়েছে।  মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তরে যখন নাসার পারসিভারেন্স রোভারের জেজেরো ক্রেটার পৌঁছেছিল, তখন বিজ্ঞানীরা মনে করেছিলেন সেখানে বেশ কিছু লাল খনিজ খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু তার বদলে কিছু অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার হল।নয়া তথ্য বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে, এটা সত্য যে মঙ্গল গ্রহে তরল জল, বায়ু, এমনকী চৌম্বক ক্ষেত্র ছিল পৃথিবীর মতোই। তার ফলে রোভার মঙ্গলের গর্তে হানা দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি আগ্নেয়...

চাঁদে যাচ্ছে মানুষ, আর্টেমিস-১ মিশনে যে নভশ্চর

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  অ্যাপোলো মিশন বন্ধ হয়েছে প্রায় ৫০ বছর আগে। তার পর থেকে চাঁদের দিক থেকে সরে মঙ্গলের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল নাসা। দীর্ঘ দিন পর ফের চাঁদে মানুষ পাঠানোর চেষ্টা চালাচ্ছে নাসা। তারই অঙ্গ হিসাবে ঐতিহাসিক আর্টেমিস-১ মিশন শুরু করা হয়েছে।  আর্টেমিস-১ মিশনে চাঁদে যাবে মানুষ কেনেডি লঞ্চ প্যাড থেকে এই মিশন লঞ্চের কথা ছিল। কিন্তু আচমকায় তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। উৎক্ষেপনের নির্দিষ্ট সময়ের ৪০ মিনিট আগে স্থগিত রাখা হয় এই মিশনের লঞ্চ।পৃথিবীর ইতিহাসে সবথেকে শক্তিশালী রকেট হচ্ছে আর্টেমিস-১। এই রকেটে করে এক সঙ্গে ৪ জন নভশ্চরকে চাঁদে নিয়ে যেতে সক্ষম। যদিও প্রথম বার লঞ্চের কোনও মানুষে চাঁদে পাঠানো হবে না আর্টেমিস-১-এর মাধ্যমে।  কিন্তু নভশ্চর সাজে সজ্জিত একটি ম্যানিকুইনকে পাঠানো হবে ওই রকেটের মাধ্যমে। ত্বরণ কম্পনের তথ্য সংগ্রহের জন্যই নভশ্চর সদৃশ ওই নভশ্চর পাঠানো হবে। সেই ম্যানিকুইনের নাম দেওয়া হয়েছে কমান্ড্যার মুনকিন কাম্পোস।ওরিয়ন ভাইব্রেশন টেস্টের জন্য ব্যবহার করা হবে মুনকিনকে। এই ম্যানিকুইন কম্যান্ডারের চেয়ারেই বসে থাকবে। রটেক যখন লঞ্চ করা হবে তখন...

এই প্রথম এক গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল নাসা! সৌরজগতের বাইরে সাতশো আলোকবর্ষ দূরে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সৌরজগতের বাইরেও কার্বন ডাই অক্সাইড খুঁজে পেল এবার নাসা। তাদের জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বাইরে একটি গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইডের সন্ধান পেয়েছে। সৌরজগতের বাইরে কার্বন ডাই অক্সাইড  জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ এই মুহূর্তে পৃথিবী থেকে পনেরো লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সূর্যের সংসারের বাইরে যে গ্রহটির মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব মিলেছে, তার নাম দেওয়া হয়েছে ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি। এই গ্রহের মধ্যে নানাবিধ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব সাতশো আলোকবর্ষ।ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি’ আকারে শনি গ্রহের সমান।  এই গ্রহের তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নিজের নক্ষত্রের চারপাশে গ্রহটি মাত্র চার দিনে (পৃথিবীর হিসেব) এক বার ঘুরে আসে। ২০১১ সালে এই গ্রহের অস্তিত্বের কথা প্রথম জানতে পারেন বিজ্ঞানীরা। এক দশক পর সেখানে মিলল কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ।সৌরজগতের বাইরে যে সব গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে নাসা মনে করে তার একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।  ডব্লিউএএসপি-৩৯ বি গ্রহে কি কি রয়েছে পাঁচ হাজার গ...

টলটলে জল পৃথিবীর মতো গ্রহ খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  পৃথিবীর বাইরে অন্য গ্রহে কি প্রাণ আছে? মহাশূন্যে তাক করা টেলিস্কোপের কোটরে চোখ রেখে নিরন্তর এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের সেই সন্ধানের পথে সম্ভবত এসে গেছে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। টিওআই-১৪৫২বি সুপার আর্থ মহাকাশে অবিকল পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কানাডার মনট্রিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন একটি আন্তর্জাতিক গবেষকদল এই বিশেষ গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এই গ্রহের নাম রেখেছেন টিওআই-১৪৫২বি বা সুপার আর্থ।আমাদের পৃথিবী থেকে এই গ্রহটি ১০০ আলোকবর্ষ দূরে। সুপার আর্থ পৃথিবীর চেয়ে পাঁচ গুণ বড়।  বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, সুপার আর্থ এর মধ্যে রয়েছে এক বিশাল সমুদ্র। সমগ্র গ্রহের ৩০ শতাংশ জুড়ে সে সমুদ্রের বিস্তৃতি তাতে টলমল করে জল। সারা পৃথিবীতে যত জল আছে। তা সুপার আর্থ এর মাত্র এক শতাংশ ভরের সমান।সুপার আর্থ এর এক বছর হয় মাত্র ১১ দিনে। কারণ একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করতে এর ১১ দিন সময় লাগে। এই নক্ষত্রটি বেশ ছোট এবং গ্রহটির অনেক কাছে রয়েছে।দুইয়ের মধ্যে দূরত্ব সূর্য শুক্র দূরত্বের সমান।  সূর্যের চেয়ে এই...

মঙ্গলের কোথায় জল রয়েছে, তার মানচিত্র প্রকাশ করল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বিজ্ঞানীরা প্রাথমিক ভাবে ভেবেছিলেন মঙ্গল গ্রহে শুধুমাত্র কয়েক ধরনের কাদামাটি খনিজ তৈরি হয়েছিল ।তবে নতুন মানচিত্র অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে জীবন সহায়ক মঙ্গল গ্রহে জল ছিল বহু দিন ধরে এই কথা শুনে এসেছি আমরা।   মানচিত্রে দেখা গেল মঙ্গলের কোথায় জল রয়েছে  মহাকাশ বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে তার প্রমাণও দিয়েছেন। তবে এবার হাতেনাতে এমন প্রমাণ মিলেছে। যার সন্ধানে বহুদিন ধরেই ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। বিলিয়ন বিলিয়ন বছরের বিবর্তনে লালগ্রহ থেকে জল হারিয়ে গিয়েছিল এবং আজ তার পৃষ্ঠে জলের কোনও চিহ্ন মাত্র নেই। এখন চাঁদের যে অংশে জল ছিল তার মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। কেমিক্যাল এবং স্পেকট্রাল বিশ্লেষণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, লাল গ্রহে একসময় প্রবাহিত নদী এবং হ্রদ ছিল। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি এখন এক ধাপ এগিয়ে মঙ্গল গ্রহের প্রথম জলের মানচিত্র প্রকাশ করেছে। যেখানে ভবিষ্যতে মানুষ অবতরণ করতে পারে এমন সম্ভাব্য অবস্থানগুলিও দেখা গিয়েছে। মানচিত্রগুলি বিশদভাবে সেই সব খনিজ সঞ্চয়গুলি দেখিয়েছে। যা গত দশকের গবেষণা এবং পর্যবেক্ষণে লেখা হয়েছিল বিভিন্ন গবেষণাপত্রে...

বৃহস্পতি গ্রহের আসল ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ, এরকম বৃহস্পতি আগে দেখেনি মানুষ

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  বৃহস্পতি আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।এই বৃহস্পতি গ্রহের অনেক কিছুই এখনো আমাদের কাছে অজানা। কিন্তু ধীরে ধীরে এ গ্রহের অনেক অজানা তথ্য আমাদের সামনে আসতে শুরু করেছে।  বৃহস্পতি আসল ছবি যা মানুষ দেখেনি এর কৃতিত্ব যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের। বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও নবতম টেলিস্কোপ এটি। টেলিস্কোপটি এবার সামনে এনেছে এক চোখধাঁধানো ছবি। খবর দ্য গার্ডিয়ান এর।সম্প্রতি এ টেলিস্কোপে তোলা বৃহস্পতি গ্রহের বেশ কিছু ছবি উন্মুক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। ওই ছবিতে বৃহস্পতি গ্রহটির অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেছে।গবেষকেরা বলা হচ্ছে, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ গত জুলাই মাসে বৃহস্পতি গ্রহের অভূতপূর্ব দৃশ্য ধারণ করে।  এ ছবিতে গ্রহটির মেরুপ্রভা (নর্দান ও সাউদার্ন লাইটস) ও ঘূর্ণমান মেরু কুয়াশা দৃষ্টিগোচর হয়। এর বাইরে গ্রহটির ছোট বড় অনেক ঝড়ের দৃশ্যের পাশাপাশি পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলার মতো বৃহস্পতির বিশাল লাল বিন্দু গ্রেট রেড স্পট স্পষ্টভাবে দেখা যায়। একটি ছবিতে বৃহস্পতির চারপাশে প্রায় বিবর্ণ একটি বলয়ের পাশাপাশি দুটি ক্ষুদ্র চাঁদও...

পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গিলে খেতে আসছে সূর্য! ধ্বংসের বার্তা দিলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  যে গনগনে ফুল ফুটন্ত আগুনের গোলায় ভরপুর প্রাণশক্তি, যে নক্ষত্রের জন্য প্রাণবন্ত এই পৃথিবী, সেই প্রাণদায়ী সূর্যই কিন্তু পৃথিবীকে গিলে খেতে আসছে! শুনে অবাক হচ্ছেন তো? কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে আসছে তেমনই আশঙ্কার কথা। সূর্য এবার পৃথিবী সহ তিন গ্রহকে গ্রাস করবে  নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের জটিল থিওরি প্রয়োগ করে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তাঁরা। তা অবশ্য সাধারণ মানুষের বোধের বাইরে নয়। ব্যাখ্যায় বরং পরে আসা যাক। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালের রিপোর্ট দেখে কিন্তু চিন্তায় মাথায় হাত সকলের। তবে কি পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন। সেই উত্তরও দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সূর্য তো বিপুল হাইড্রোজেনের ভাণ্ডার। যা তার জীবনীশক্তি, জ্বালানিশক্তি।  তাই তো আগুনের বিশাল বলয় হয়ে ধিকিধিকি তাপ ছড়ায় মহাবিশ্বে। আর সেই তাপশক্তি আর আলোকশক্তি থেকেই পৃথিবীতে প্রাণের স্ফূরণ। রুক্ষ মাটিতে সবুজের ছোঁয়া হৃদস্পন্দনের ধুকপুকানি। কিন্তু সব রসদই তো ফুরোয় একদিন। সেভাবেই সূর্যের অভ্যন্তরের জ্বালানি হাইড্রোজেনে ভাঁড়ার...

জোড়া ব্ল্যাকহোল পৃথিবী খুব কাছে পেল বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যেই অনেক কিছু জানি।তবে ব্ল্যাক হোল আমাদের পৃথিবীর খুব কাছাকাছি নেই। পৃথিবী থেকে ৮৯ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে পাওয়া গেল জোড়া ব্ল্যাকহোল ছবি। পৃথিবী থেকে কত দূরে পাওয়া গেল  জোড়া ব্ল্যাকহোল   তবে এবার পৃথিবীর খুব কাছাকাছি ধরা পড়লো এক জোড়া  ব্ল্যাকহোল।যা দেখে সত্যিই অবাক বিজ্ঞানীরা আর পৃথিবীর কাছাকাছি বলতে কত দূরে, রয়েছে ৮৯ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে। সেই গ্যালাক্সিতে কিন্তু জুম করে দেখা গেল ব্ল্যাকহোল দুটি। যদিও ব্ল্যাকহোলের রং এখানে ডিজিটাল আইস করে সাদা দেখানো হয়েছে যাতে বোঝা যায় । আরও পড়ুন:  রহস্যময় দুটি গ্রহ, বৃষ্টি হলে জল নয় বদলে রয়েছে পাথর আর এই যে,  গ্যালাক্সি তার নাম হচ্ছে এন জি সি ৭৭২৭। এই গ্যালাক্সি হচ্ছে গিয়ে পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা জোড়া ব্ল্যাকহোল এ ধারণ করে রয়েছে। এবং সেই ছবি কিন্তু আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। যে একই ফ্রেমে দুটি ব্ল্যাকহোল আবারও বলছি এটি ডিজিটাল আইস করে এটিকে হোয়াইট করা হয়েছে। তবে এ দুটি হচ্ছে ব্ল্যাকহোল। আর ভিডিও ছবি পোস্ট করেছে space.com এবং আরও একটি কোম্পানি...

বিড়ালের মত ডাইনোসরের কঙ্কাল পেল, আর্জেন্টিনার বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  আর্জেন্তিনায় একটি বিশেষ প্রজাতির ডাইনোসরের সন্ধান মিলেছে । যাদের পিঠে ধারালো বর্ম রয়েছে এবং তারা দু'পায়ে হাঁটে। তাদের আকার কিছুটা বিড়ালের মতো। বিড়ালের আকারের ডাইনোসরের কঙ্কাল উদ্ধার রয়েছে,পিঠে ধারালো বর্ম। ডাইনোসরের উদ্ভব ঘটে কোন মহাকালে ডাইনোসর সম্পর্কে আমরা প্রায় সকলেই অল্প বিস্তর পরিচিত। তাহলে আপনি নিশ্চয়ই স্টেগোসরাসের সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু এবার স্টেগোসরাসের মতোই এক অদ্ভুত ধরনের ডাইনোসরের সন্ধান মিলল। দৈত্যাকার এই ডাইনোসরগুলির পিঠে রয়েছে ধারালো অংশ এবং লম্বা সূক্ষ্ম লেজ রয়েছে। সম্প্রতি গবেষকরা আর্জেন্টিনার রিও নিগ্রো প্রদেশের একটি বাঁধের কাছে খনন করে স্টেগোসরাসের পরিবারের একটি ডাইনোসরের আংশিক কঙ্কাল আবিষ্কার করেছিলেন।  জীবাশ্মগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে, স্টেগোসরাসের মতো এই ডাইনোসরেরও শরীরে ধারালো কাঁটা রয়েছে।পরবর্তীতে এই বিশেষ প্রজাতির ডাইনোসরের নাম রাখা হয় জাকাপিল কানিউকুরা। তবে এরা স্টেগোসরাসের অনেক আগে থেকে বেঁচে ছিল এবং এদের অনেক স্বাতন্ত্র্যসূচক বৈশিষ্ট্য ছিল যা মূল স্টেগোসরাস থেকে বেশ আলাদা। উদাহরণস্বরূপ, জাকাপিল...

মঙ্গল গ্রহে আপনার ভয়েস কেমন হবে? পৃথিবী থেকে শোনার সুযোগ করে দিল নাসা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মঙ্গলে আপনার গলার আওয়াজ আপনার কানে কীভাবে ঠেকবে, কেমন শোনাবে, তা এবার শোনার সুযোগ করে দিল নাসা। কীভাবে এই অসাধ্যসাধন বাড়িতে বসেই করবেন তা জানবো আজ। কীভাবে মঙ্গল গ্রহে আপনার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে যেভাবে আপনার কণ্ঠস্বর যদি মহাকাশের অন্যান্য গ্রহে শোনা যায় তাহলে তা কেমন লাগবে ভেবে দেখেছেন কখনও! নাসা এবার এমনই একটি প্রোগ্রাম ডেভেলপ করেছে। যার দ্বারা মঙ্গল গ্রহে আপনার কণ্ঠস্বর কেমন শুনিয়েছে তা পৃথিবীতে বসে আপনি জানতে পারবেন। সেই ডেটা সংগ্রহ করবে নাসার পারসিভারেন্স রোভার। যা মঙ্গলে আপনার শব্দের রেপ্লিকেট করবে। পাশাপাশি স্পেস এজেন্সিটির কাছে রয়েছে একটি অনলাইন টুল যার মাধ্যমে মানুষ নিজের বাড়িতে বসেই মঙ্গল গ্রহে তাঁদের শব্দের অনুকরণও করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে নাসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে সাউন্ড অফ মার্স সেকশন থেকে ইউ অন মার্স ট্যাবটি নেভিগেট করতে হবে। তারপর ক্লিক করে কিছুক্ষণ হোল্ড করার পর আপনার ভয়েসটি রেকর্ড করতে পারবেন। কাজটা সঠিক ভাবে করতে পারলেই অডিও ফাইলটি ডাউনলোড করুন এবং মঙ্গলে আপনার শব্দ কীরকম শোনাল তা শুনে দেখুন।নাসার তরফ...

মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, অন্ধকারে গাছ জম্মিয়ে রেকর্ড গড়লেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  রাতের অন্ধকারে গাছ জন্মানোর অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষের সাহায্যে সূর্যের আলো ছাড়াই গাছের জন্ম দিতে পেরেছেন তারা। যা মঙ্গলেও ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভাবে কার্যকরী হতে পারে। কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষেই এবার জন্ম নিল গাছ। সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে গাছপালা বৃদ্ধি করেছেন তাঁরা। আর সেই প্রক্রিয়াই ভবিষ্যতে তাঁদের বড় দিশা দেখাতে চলেছে। এই পদ্ধতি একদিকে পৃথিবীতে গাছ জন্মানোর এক অন্য উপায়ের দিশা যেমন দেখিয়েছে। তেমনই আবার মঙ্গলগ্রহেও কীভাবে ফসল ফলানো যায়, তারও একটা সমাধানসূত্র বের করে দিয়েছে।বিজ্ঞানীদের এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার ফুড জার্নালে।  সেখানেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, কীভাবে বিজ্ঞানীরা দুই ধাপের রাসায়নিক পদ্ধতির শরণাপন্ন হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড, বিদ্যুৎ এবং জলকে অ্যাসিটেটে রূপান্তর করেছেন। যা ভিনিগারের প্রধান উপাদানের একটি রূপ।কাজটা হয়ে যাওয়ার পরই খাদ্য উৎপাদনকারী জীবগুলি অন্ধকারে বৃদ্ধি পেতে অ্যাসিটেট গ্রহণ করে। ঠিক যেমনটা সৌরশক্তি প্রবেশ করলে হয়।বিজ্ঞ...

গ্যালাক্সির এক মহা সংঘর্ষ? ৫০ কোটি বছরে সঙ্গম সম্পূর্ণ হয়ে, একটি উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সি তৈরি হবে

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মার্কিন টেলিস্কোপ থেকে নেওয়া মহাকাশের একটি নতুন ছবিতে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত দুটি ছায়াপথ দেখা গিয়েছে। এই ছায়াপথগুলি এখন থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর পর একে অপরের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভাবে মিশে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।  দুটি গ্যালাক্সির সংঘর্ষ  শুধু তাই নয়, তার থেকেও বড় কথা হল যে, তাদের সংঘর্ষ আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ের ভবিষ্যতও বলে দিতে পারে। হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়ার চূড়ায় জেমিনি নর্থ টেলিস্কোপ এই সর্পিল ছায়াপথগুলিকে প্রায় ৬০ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে দেখেছে। এই জোড়া গ্যালাক্সি, NGC 4567 এবং NGC 4568, কে বাটারফ্লাই গ্যালাক্সিও বলা হয়। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে তারা একে অপরের দিকে টানতে থাকে এবং তাদের সঙ্গমও শুরু হয়। সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবর অনুযায়ী ৫০০ মিলিয়ন বছরে এই দুটি গ্যালাক্সির সঙ্গম সম্পন্ন হবে এবং তারা একসঙ্গে মিলিত হয়ে একটি নতুন উপবৃত্তাকার গ্যালাক্সি তৈরি করবে। দুটি ছায়াপথের কেন্দ্র বর্তমান প্রাথমিক পর্যায়ে একে অপরের থেকে ২০০০০ আলোকবর্ষের দূরত্বে অবস্থিত। আশ্চর্য হওয়ার মতো বিষয়টি হল ...

মহাকাশের আবর্জনা ভবিষ্যতে পৃথিবীর মানুষের কত বড় ক্ষতি করতে চলেছে?

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশে সৃষ্ট আবর্জনায় পৃথিবীর প্রভাবিত হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।গত কয়েক বছরে মহাকাশ থেকে কিছু জিনিস পড়ে যাওয়ার কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে। পৃথিবীতে পড়ে থাকা মহাকাশের আবর্জনা মানুষের বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে এবং মানুষ মারা যেতে পারে।  মহাকাশের বর্জ্য মহাকাশের আবর্জনা আমাদের কত বড় ক্ষতি করবে এ কারণেই দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে কঠোর নিয়ম প্রণয়নের দাবি রয়ছে। যাতে এ ধরনের বিমান হুমকি থেকে বিশ্বকে রক্ষা করা যায়। মহাকাশে জমা হওয়া এই আবর্জনাটি পৃথিবী থেকে পাঠানো স্যাটেলাইট এবং মহাকাশ মিশনের একটি ভাঙা অংশ বা ক্ষতিগ্রস্ত উপগ্রহ। এ ধরনের জিনিসগুলো বিমানের জন্যও বড় হুমকি হতে পারে।মহাকাশ থেকে পড়া জিনিসের গতি খুব বেশি। এই গতি এতটাই বেশি যে যেখানে এই টুকরোগুলো পড়ে সেখানে কয়েক ফুট গভীর গর্ত।  এই আবর্জনা যদি কোনো ভবন যানবাহন বা ব্যক্তির ওপর পড়ে তাহলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। এ কারণেই গত বেশ কয়েক বছর ধরেই এদিক দিয়ে আলোচনা চলছে । যে জায়গার অপচয় যেন কোনোভাবে কম হয়।মহাকাশের বর্জ্য শত শতবার পৃথিবী...

মহাকাশে মহাপৃথিবী খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, এই মহাবিশ্বে মানুষ কি আমরা একা? পৃথিবী কি একমাত্র গ্রহ, তাতে রয়েছে প্রাণ? এই প্রশ্নের উত্তর সেই কবে থেকে খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেজন্য কেবল সৌরজগত নয় এমনকী ছায়াপথের বাইরে অন্যত্রও চোখ রেখেছেন তাঁরা। আর এভাবে খুঁজতে খুঁজতেই এবার খোঁজ মিলল এক মহাপৃথিবীর ।  নতুন পৃথিবী ৫০৮বি ৩৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । পৃথিবীর দোসরের খোঁজ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৭ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত রস ৫০৮বি গ্রহটিকে ঘিরে আগ্রহ তুঙ্গে। মনে করা হচ্ছে যে, পৃথিবীর দোসর হতে পারে এই গ্রহটি।অর্থাৎ জলের অস্তিত্ব থাকতেই পারে এখানে। ফলে তা বসবাসের যোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। জানা গিয়েছে যে, এই গ্রহটি পাক খাচ্ছে যে নক্ষত্রকে, সেটি একটি লাল বামন। সেটির সঙ্গে গ্রহটির যা দূরত্ব তা থেকে মনে করা হচ্ছে এই গ্রহে জল থাকতেই পারে। তবে সমস্যা হল যে, গ্রহটি পাক খেতে খেতে অনেক সময়ই সেই অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও গ্রহটিতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে, এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:   পৃথিবীতে ৪৫ বছর আগে সংকেত পাঠিয়েছিল এলিয়েনরা! রহস্যজনক তথ্য এল ...

নয়টি গ্রহের নাম কি কি?

ছবি
গ্রহ কয়টি ও কী কী সৌরজগতের গ্রহের সংখ্যা আটটি। আর গ্রহগুলোর সূর্যকে ঘিরে রাখে। গ্রহ গুলো হলঃ- ১। পৃথিবী । ২। শনি ।  ৩। মঙ্গল । ৪। বুধ। ৫। বৃহস্পতি । ৬। শুক্র । ৭। ইউরেনাস এবং  ৮। নেপচুন। গ্রহের আবার উপগ্রহ রয়েছে। সৌরজগতের গ্রহ কয়টি সৌরজগতে গ্রহ ৯টি। যেমনঃ- ১। পৃথিবী । ২। শনি ।  ৩। মঙ্গল । ৪। বুধ। ৫। বৃহস্পতি । ৬। শুক্র । ৭। ইউরেনাস ।   ৮। নেপচুন এবং  ৯। সূর্য । সৌরজগতের মোট উপগ্রহ কয়টি সৌর জগতের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৪০ টি প্রাকৃতিক উপগ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৬২ টি উপগ্রহ গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। ৪ টি উপগ্রহ ঘূর্ণায়মান আছে বামন গ্রহ-কে কেন্দ্র করে।  সৌরজগতের মোট গ্রহ কয়টি বর্তমানে সৌরজগতের আবিষ্কৃত গ্রহের সংখ্যা আটটি। সেগুলো হচ্ছে যেমন বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। আগে প্লুটোকে গ্রহের মধ্যে ধরা হলেও পরে ২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের বিজ্ঞানীরা বামন গ্রহ তকমা দিয়ে গ্রহের তালিকা থেকে প্লুটোকে বাদ দেন। এখনো অনেকেই সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ হিসেবে প্লুটোকেই বোঝান। অবশ্য ব্রিটি...

বিগ ব্যাং থিওরি ও কুরআন

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ইসলাম এবং বিজ্ঞান বলতে বুঝানো হয় ইসলাম ধর্ম ও তার অনুগামী মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্পর্ককে । বিগ ব্যাং ও কুরআন ছবি।   ইসলাম ও বিজ্ঞান মুসলিম পণ্ডিতেরা কোরআনে বর্ণিত বিষয়গুলির সাথে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি মতবাদ তৈরি করেছেন। কোরআন মুসলমানদের প্রকৃতি অধ্যয়নের এবং সত্যের তদন্ত করার জন্য উৎসাহ দেয়। মুসলিমরা প্রায়ই সূরা আল-বাকারা থেকে ২৩৫ আয়াত উদ্ধৃত করেন । তিনি তোমাকে তাই শিখিয়েছেন যা তুমি জানতে না। তাদের মতামত এটাই সমর্থন করে যে কুুুরআন নতুন জ্ঞান অর্জনের জন্য উৎসাহ প্রদান করে। কিছু মুসলিম লেখকদের মতে, বিজ্ঞান অধ্যয়ন তওহীদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। মধ্যযুগীয় মুসলিম সভ্যতার বিজ্ঞানীরা যেমন ইবনে আল-হায়থাম আধুনিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনেক অবদান রেখেছিলেন।এই সত্য আজ মুসলিম বিশ্বে পালিত হয়।একই সময়ে মুসলিম বিশ্বের অনেক অংশে বৈজ্ঞানিক সাক্ষরতার অভাব সম্পর্কে উদ্বেগ উত্থাপিত হয়েছে।কিছু মুসলিম লেখক দাবি করেছেন যে কুরআন বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণীমূলক বিবৃতি তৈরি করেছে যা পরে বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্...

পৃথিবীর ঘূর্ণন দ্রুত গতিতে বাড়ছে, ছোট হচ্ছে রাত-দিন

ছবি
পৃথিবীর আহ্নিক এবং বার্ষিক গতি  ছবি। ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে পৃথিবী। সৃষ্টির সূচনা থেকেই এ কথা সর্বজনবিদিত যে, পৃথিবীর দু’টি গতি। আহ্নিক এবং বার্ষিক। আহ্নিক গতির ফলে দিন-রাত হয়। সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা।  অর্থাৎ একদিন। কিন্তু গত ২৯ জুলাই শুক্রবার এই নিয়মের ব‌্যতিক্রম ঘটেছিল। ২৯ জুলাই ছিল পৃথিবী নিজের চারপাশে এক পাক ঘুরে আসতে তথাকথিত ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়নি। নিয়েছিল একটুখানি কম সময়।  পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কত পরিসংখ‌্যানগতভাবে বললে অন্তত ১.৫৯ মিলিসেকেন্ড কম। আর তাতেই তৈরি হয়েছে নতুন রেকর্ড। পৃথিবী নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙে গড়েছে ক্ষুদ্রতম দিনের (Shortest Day) রেকর্ড। গত শুক্রবার, ২৯ জুলাই ছিল সেই ক্ষুদ্রতম দিন।কিন্তু এর কারণ কী? উত্তর, পৃথিবীর গতি। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, সম্প্রতি নিজের গতি বাড়িয়ে চলেছে পৃথিবী। বলাই বাহুল‌্য প্রদক্ষিণের গতি। ইতিপূর্বে ক্ষুদ্রতম দিনের রেকর্ড ছিল ২০২০ সালের ১৯ জুলাই-এর দখলে (১৯৬০ সালের পর)। ২৯ জুলাই ছিল পৃথিবীর আহ্নিক গতি সম্পূর্ণ হতে সময় লেগেছিল ২৪ ঘণ্টা থেকে ১.৪৭ মিলিসেকেন্ড কম।  আরও পড়ুন: ...