পোস্টগুলি

ডিসেম্বর, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পৃথিবীর কেন্দ্রেও বইছে হাওয়া, আশ্চর্য আবিষ্কারে চাঞ্চল্য বিজ্ঞানী মহলে

ছবি
পৃথিবীর কেন্দ্রেও বইছে হাওয়া । ফাইল ও ছবি । হ্যালো বন্ধুরা   পৃথিবীর  উপর দিয়ে যেমন বাতাস বয়ে যায় ঠিক তেমনই পৃথিবীর অভ্যন্তরে কেন্দ্রের মধ্যেই বইছে বাতাস । এক নতুন গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা । সম্প্রতি আমেরিকায়  ভূগর্ভে দেড় হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ পথ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা । আর তখনই খোঁজ মিলেছে ওই বায়ুস্রোতের । ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে একটি এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি । সেখান থেকে জানা যাচ্ছে যে, মধ্য আমেরিকার পানামা খাল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের গালাপাগো দ্বীপপুঞ্জের নিচে পৃথিবীর কেন্দ্রীয় স্তরে ১৫০০ কিঃমিঃ ওই দীর্ঘ পথ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা । দেখা গিয়েছে ওই অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পৃথিবীর আভ্যন্তরীণ পদার্থ । গবেষণাপত্রটির প্রধান লেখক গবেষক ডেভিড বেকার্ট জানিয়েছেন । পৃথিবীর গভীরে যে আগ্নেয় পদার্থ তার সঙ্গে তুলনা করা যায় কোনও জীবের শরীরের। শরীল  কেটে গেলে যেমন রক্ত বাইরে বেরিয়ে আসে ।  ঠিক তেমনই  সেই ভাবেই লাভা পৃথিবীর ভূত্বকের উপরে বেরিয়ে আসে । এই গবেষণায় তাঁরা সন্ধান পেয়েছেন এমন এক ধরনের লাভার ...

Britain In Space: অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, ব্রিটেনের বহু দ্বীপেও হচ্ছে মহাকাশ বন্দর

ছবি
অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে, ব্রিটেনের বহু দ্বীপেও হচ্ছে মহাকাশ বন্দর। ফাইল ও ছবি । হ্যালো বন্ধুরা  পেটের দায়ে রকেটের উপর ভরসা বাড়াতে চলেছে ব্রিটেন । বিশেষ করে দু’টি দেশ  ইংল্যান্ড আর স্কটল্যান্ড । সঙ্গী হচ্ছে ব্রিটেনের ছোটখাটো কয়েকটি দ্বীপও । আগামী বছর থেকে শুরু হবে । টানা দু’বছর ধরে কোভিডের ঝড়ঝাপ্‌টা রুখতে বিভিন্ন সময়ে নানা পর্যায়ে লকডাউন চলায় ব্রিটেনের অর্থনীতি বেশ ধাক্কা খেয়েছে । গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন দ্রুত কমানোর লক্ষ্যে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পও বিপদের মুখে।  বহু মানুষ চাকরি খুইয়েছেন গত দু’বছরে । শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে । এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে রকেট উৎক্ষেপণ মহাকাশ গবেষণা ও ভ্রমণের নতুন নতুন ক্ষেত্র নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে  ব্রিটেনে। আগামী বছরই  প্রথম ব্রিটেনের মাটি থেকে কোনও উপগ্রহের উৎক্ষেপণ হতে চলেছে তা জানানো হয় । ব্রিটেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর । আগামী বছর থেকে রকেট ও উপগ্রহ উৎক্ষেপণ মহাকাশ গবেষণা ও ভ্রমণের নতুন নতুন ক্ষেত্র নির্বাচন নিয়ে জোরকদমে মাঠে নামছে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড...

Elon Musk: ইলন মাস্কের জন্য বিপদে চিনা মহাকাশ স্টেশন, নালিশ বেজিংয়ের

ছবি
ইলন মাস্ক অনুবাদের ফলাফ হ্যালো বন্ধুরা  ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে রাষ্ট্রপুঞ্জের দ্বারস্থ হল চিন । চিনের অভিযোগ করছে সম্প্রতি ইলন মাস্কের মালিকাধীন স্পেস এক্স সংস্থার উপগ্রহ গুলি চিনের মহাকাশ স্টেশনের খুব কাছে চলে আসে । ফলে সংঘর্ষ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিল । বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বেজিং । ইউনাইটেড নেশন্স অফিস ফর আউটার স্পেস অ্যাফেয়ার্স এর কাছে চিনের জমা দেওয়া হয়েছে । একটি নথি অনুসারে  ইলন মাস্কের স্পেস এক্স এরোস্পেস সংস্থার একটি বিভাগ স্টারলিংক ইন্টারনেট সার্ভিসের দু’টি উপগ্রহ ১ জুলাই এবং ২১ অক্টোবর চিনা মহাকাশ স্টেশনের খুব কাছাকাছি চলে আসে । চিনের নথি বলেছে ২০২১ সালের ১ জুলাই স্টারলিংক ১০৯৫ উপগ্রহটি চিনা মহাকাশ স্টেশনের কাছাকাছি চলে আসে । ফলে নিরাপত্তার কারণে চিনা স্পেস স্টেশন সেই দিন সন্ধ্যায় সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । এই নথিতে আরও বলা হয়েছে যে স্পেস এক্স সংস্থার স্টারলিংক২৩০৫ স্যাটেলাইটটিও ২১ অক্টোবর চিনের স্পেস স্টেশনের কাছাকাছি চলে আসে ।  কক্ষপথে থাকা মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন...

ICE On Mars: মঙ্গল গ্রহে পড়ল বরফ নতুন ছবি দিল নাসা, নাসার ছবিতে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানমহল

ছবি
মঙ্গল গ্রহে পড়ল বরফ নতুন ছবি দিল, নাসার ছবিতে উচ্ছ্বসিত বিজ্ঞানমহল হ্যালো বন্ধুরা  চলে এলাম মঙ্গল থেকে একটা অসাধারণ ছবি নিয়ে অবশ্যই নাসার নাসা তরফ থেকে । গত ১৭ই ডিসেম্বর ২০২১ পারসেভারেন্স রোভারে এর ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল আইস গ্রাউন । মানে বরফের মেঘ লাল গ্রহ মঙ্গলের আকাশে । আর তারপর সেই মেঘ থেকে ঝরে পরলো বড় মঙ্গলের একটি  ক্রেটারে । অসাধারণ সেই দৃশ্য ধরা পড়েছে নাসার মার্স অরসি নামক অরবিটারে । এটি প্রায় ১৫ বছর ধরে কাজ করছে মঙ্গলের আকাশে । সবথেকে মজার কথা এই যে কেটারটি আগেও একটি ছবি ধরা পড়েছিল । তবে সেটা মার্চ মাস নাগাদ এবং সেখানে এই বরফ দেখা যায়নি ।তবে এবার বরফ দেখা গেল । জানা যাচ্ছে যে, মঙ্গলে এরকম বরফের বৃষ্টি আগেও হয়েছে প্রতিনিয়ত হতে থাকে । কিন্তু এবার যেরকম ভাবে বৃষ্টিটা ধরা পড়েছে অরবিটারে ক্যামেরায় তা সত্যিই অসাধারণ । আপনারা নাসার দৌলতে সেই ছবি দেখতে পাচ্ছেন । এবং সত্যিই মনমুগ্ধকর এই ছবি । আর এই যে দেখতে পাচ্ছেন এই ক্রেটারটি দিকে একটু দেখতে পাচ্ছেন । সে ই ক্রেটারি গত মার্চেই ২০২১ এটিও কিন্তু মার্চ  অরসি নামক অরবিটালরে ও অরবি...

Blast In Space: এক লক্ষ বছরে সূর্য যে শক্তি উগরে দেয়, তেমনই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে ব্রহ্মাণ্ডে

ছবি
এক লক্ষ বছরে সূর্য যে শক্তি উগরে দেয় তেমনই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে ব্রহ্মাণ্ডে হ্যালো বন্ধুরা প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণ চাক্ষুষ করল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ।  সূর্য এক লক্ষ বছরে যে পরিমাণ শক্তি উদ্গীরণ করতে পারে । এক সেকেন্ডের ১০ ভাগের এক ভাগ সময়ে সেই শক্তিই বেরিয়ে এল বিস্ফোরণে ।  ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের ঠিকানা আকাশগঙ্গা ছায়াপথে হয়নি এই বিস্ফোরণ । হয়েছে আরও অনেক দূরের একটি ছায়াপথে। সেই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কেন অত অল্প সময়ে ওই বিপুল পরিমাণ শক্তির নির্গমন হল তার কারণও কিছুটা জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা । গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ।  গবেষকরা জানিয়েছেন এই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে একটি মৃত তারা থেকে । যার ওজন হতে পারে সূর্যের ভরের  ২০ বা ২৫ গুণ । মৃত্যুদশায় জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে এই ভরের তারারা চুপসে যেতে শুরু করে তার অন্দরে থাকা ভারী মৌলের অভিকর্ষজ বলের টানে । তখন হয় জন্ম নেয় ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর নয়তো খুব ঘন নিউট্রন নক্ষত্র । যে মৃত তারাটি থেকে এই প্রলয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে । আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা অ্যাটমস্ফিয়ার স্প...

খন্ড গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কাকে বলে

ছবি
খন্ড গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হ্যালো বন্ধুরা খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ জানতে হলে, আগে চন্দ্রগ্রহণ সম্পকে জানতে হবে । চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান । পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয় ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয় । চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া পড়ে । আইএসির একটি প্রশিক্ষণ পুস্তিকায় বলা হয়েছে, সূর্যগ্রহণ কেমন দেখা যাবে সেটা নির্ভর করছে যে দেখছে তার ভৌগলিক অবস্থানের ওপর । কিন্তু চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে ঘটে উল্টোটা ।পৃথিবীর যে কোন জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে । যদি গ্রহণের সময় চাঁদ দিগন্তের উপরে উঠে আসে । যে সূর্যগ্রহণে  গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায় নির্ভর করে যে দেখছে । তার ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী চন্দ্রগ্রহণে কিন্তু আপনি কোথায় আছেন সেটা বিবেচ্য হয় না । সব জায়গা থেকে গ্রহণের পর্যায় গুলো একই ভাবে দেখা যায় । চন্দ্রগ্রহণ আছে তিন প্ররকার যথাঃ ১। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ২। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ       ৩। পেনাম্ব্রা চন্দ্রগ্রহণ আজ আমরা জানবো খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ সম্পকে । খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ চাঁদেরও খণ্ডগ্রাস গ্রহ...

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ কখন দেখা যায়

ছবি
পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হ্যালো বন্ধুরা পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র মহাকাশে নিজ কক্ষ পথে অবিরত পরিভ্রমণ কালে  সূর্য চন্দ্র । এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে । অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থান কালে কিছু সময়ের জন্য । চন্দ্রের ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে । সাধারণত চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্য গ্রহণ পরিলক্ষিত হয় । পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিক সূর্যগ্রহণ, বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ । বা চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে । তখন তার প্রদক্ষিণ পথে কখনও কখনও চাঁদ এসে পড়ে । সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে । তখন তারা থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে । অন্যভাবে বললে বলা যায়  চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে । পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ঘটে যখন সূর্য পৃথিবী এবং চাঁদ এমন  একটি  অবস্থানে আসে । যখন চাঁদ সূর্যের আলোকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে দেয় । তখন কয়েক সেকেন্ডের জন্য বা কখনও কখনও এমনকি কয়েক মিনিটের জন্যও হয় । আকাশ এতই অন্ধকার হয়ে যায় যে মনে হয় সেটা রাতের আকাশ । নাসা জানিয়েছেন,...

Comet Leonard: নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল ধূমকেতু লিওনার্ড

ছবি
নাসার ক্যামেরায় ধরা পড়ল ধূমকেতু লিওনার্ড হ্যালো বন্ধুরা কমেট লিওনার্ড বা ধুমকেতু লিওন সম্পর্কে আপনাদেরকে আগেই জানিয়ে ছিলাম । এবার নাসার ক্যামেরা ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ধরা পড়ল সেই লিওনার্ড ধুমকেতু । এবং সেই ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন । সূর্যের দিকে এগিয়ে আস্তে আস্তে তার উত্তরোত্তর উজ্জ্বল হয়ে ওঠার কথা ছিল । কিন্তু নভেম্বরের শেষ দিকে তা হঠাৎ হয়ে পড়ে নিভু নিভু । হারিয়ে ফেলে প্রত্যাশিত উজ্জ্বল ফলে হতাশ হয়ে পড়েছিল অনেকেই । তবে আবার বোধহয় উজ্জ্বলো কিছুটা ফিরে পেয়েছে সেই আগন্তক । সূর্য প্রণাম করতে আসা সেই মহাজাগতিক আগন্তুককে । এরপর থেকে আকাশে শুক্র গ্রহের মানে যাকে আমরা শুকতারা বলে জানি ।  তার একটু বাদিক ঘেসে থাকা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে । তবে বলে রাখি যে ভারতে ও বাংলাদেশের আকাশ এতটাই কুয়াশাচ্ছন্ন খালি চোখে দেখা পাওয়া খুবই মুশকিল । সে মহাজাগতিক আগুন্তুক আদতেই এই ধুমকেতু ।যার নাম লিওনার্ড । জ্যোতির্বিজ্ঞানের খাতায়-কলমে তার নাম অবশ্য C/ 2021 A 1 । এই ধূমকেতুটি এই বছরের জানুয়ারিতে আবিষ্কার করেন মাউন্ট লেবন অবজারভেটরি জ্যোতির্বিজ্ঞানী লিওনার্ড । তাই ধূমকেতুটির ডাকন...

International Space Station: রোমের অ্যাম্ফিথিয়েটারের উপর দিয়ে কী ভাবে গেল মহাকাশ স্টেশন, দেখুন সেই ছবি

ছবি
রোমের অ্যাম্ফিথিয়েটারের উপর দিয়ে কী ভাবে যাচ্ছে মহাকাশ স্টেশন  দেখুন সেই ছবি হ্যালো বন্ধুরা ইটালির ঐতিহ্য প্রাচীন শহর রোম পৃথিবীর সঙ্গে জুড়ে দিল মহাকাশকে । পৃথিবীকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের প্রদক্ষিণ ধরা পড়ল ৪০০ কিলোমিটার নীচে । রোমের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহনকারী কলোসিয়ামের উপরে দিকে  । কক্ষপথ ধরে কী ভাবে কোন পথ ধরে প্রদক্ষিণ করছে মহাকাশ স্টেশন । তা থেকে ধরা পড়ল রোমের ফ্লাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটারের উপরে  দিকে  । নজরকাড়া সেই ছবি ও ভিডিয়ো তুলেছে রোমের জাদুঘর । পার্কো আর্কিওলজিকো দেল কলোসিয়ো এবং ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ প্রজেক্ট । যৌথ ভাবে গত ৬ এবং ৭ ডিসেম্বর । মহাকাশ স্টেশনের সেই প্রদক্ষিণপথের ছবি তোলার মূল দায়িত্বে ছিলেন ইটালির বিশিষ্ট জ্যোতি র্পদার্থবিজ্ঞানী গিয়ানলুকা মাসি । ইটালিতে প্রথম জাতীয় মহাকাশ দিবস পালন উপলক্ষে । মহাকাশ স্টেশনে এখন রয়েছেন সেখানে ১০ জন নভশ্চর । কেন তোলা হল এই ছবি ও ভিডিয়ো? জ্যোতির্বিজ্ঞানী গিয়ানলুকা মাসি বলেছেন আমরা ইতিহাসের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে সভ্যতার আধুনিকীকরণের সেরা নিদর্শনের মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছি । তাই বেছে নেওয়া হয়েছিল রো...

প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চরকে মহাকাশে পাঠাবে আমেরিকার ধনকুবেরের সংস্থা, Russia’s Woman Astronaut

ছবি
প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর হ্যালো বন্ধুরা  এই প্রথম কোনও মহিলাকে মহাকাশে পাঠাচ্ছেন রাশিয়া । প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর মহাকাশে যাবেন আমেরিকার ধনকুবের এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স-এর বানানো শক্তিশালী রকেটে চেপে । স্পেস এক্সের এর তরফে  জানানো হয়েছে আগামী বছরের মাঝামাঝি প্রথম রুশ মহিলা নভশ্চর আনা কিকিনা যাবেন মহাকাশে । তার জন্য রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস-এর সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে । ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে নিজেদের একটি অকেজো উপগ্রহকে ধ্বংস করতে গিয়ে দিন কয়েক আগে পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিপদ ডেকে এনেছিল রাশিয়া । ওই ঘটনার মহাকাশ আবর্জনা স্পেস ডেব্রি বা স্পেস জাঙ্ক এর বিশাল জমেছে পৃথিবীর কক্ষপথে । মমেঘ হাকাশ স্টেশন অন্যান্য উপগ্রহ ও মহাকাশযানের বিপদ বাড়িয়ে তোলার জন্য ইতিমধ্যেই রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করেছে আমেরিকা । কাউকে আগেভাগে না জানিয়ে রাশিয়ার ওই পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানোর বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে প্রকাশ্যে নিন্দা করেছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ও বিদেশ দফতর । আরও পড়ুন:  মহাকাশ স্টেশন কি? নিন্দা করেছেন নাসার প্রধান বিল নেলসনও । এই পরিস্থিতিতে এলন...

মহাকাশ স্টেশন কি?

ছবি
মহাকাশ স্টেশন  মানব জাতি বরাবরই অজানাকে জানার আগ্রহ অদম্য । আর এই অজানার পথে পাড়ি জমাতে মানুষ তৈরি করেছে নানা ধরনের যানবাহন । বিভিন্ন ধরনের জলোযানে চেপে মানুষ প্রথমবারের মতো নিজেদের বাসস্থানের পৃথিবী কে আবিষ্কার করেন । এরপর উড়োজাহাজ তৈরীর মাধ্যমে মানুষ পূরণ করেছে তার আজন্ম উড়ে বেড়ানোর স্বপ্ন । অবশেষে একসময় মানুষ পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে যায় মহাকাশে । আর বর্তমানে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নিয়মিত ভাবে মানুষ বসবাস করছে । মহাকাশ স্টেশন আজকে জানবো পৃথিবীর বাইরে মনুষ্য নির্মিত সবচেয়ে বড় স্থাপনা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সম্পর্কে । প্রতিটি যুগে মানব জাতির সবচেয়ে চৌকস ও সাহসী সন্তানেরা পাড়ি জমিয়েছে আবিষ্কারের নেশায় । ঠিক একইভাবে পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাশূন্যের বিপদসংকুল যাত্রা করতে দরকার হয়েছে মানব সভ্যতার সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি । বিজ্ঞান কে কাজে লাগিয়ে মানুষ মহাশূণে গড়ে তুলেছে এক অভূতপূর্ব ঘাঁটি । আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন হল এক বিশেষ ধরনের কৃত্রিম উপগ্রহ । যেখানে মানুষ বসবাস করতে পারে এটি ওজন বিহীন পৃথিবী । যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই হালকা যে শু...

চীনের মহাকাশ স্টেশন

ছবি
চীনের মহাকাশ স্টেশন হ্যালো বন্ধুরা চীন গতকালকে লংমার্চ  5 b  রকেটে করে একটি মডিউল কে মহাকাশ স্টেশনের কক্ষপথকে পাঠিয়ে দিয়েছে ।সেই মহাকাশ স্টেশন মানে চীনের টিয়ান হে বলে মহাকাশ স্টেশনটি সম্পর্কে আমি বিস্তারিত জানাতে চলেছি । টিয়ান হে মডিউলে রয়েছে নভচারীদের থাকার জন্য রয়েছে ঘর । চীনের উচেং উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে লংমার্চ 5 b নামের রকেটের মাধ্যমে মহাকাশ স্টেশন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে । গতকাল ভারতীয় সমাজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে । চীন আশা করছে তাদের নতুন মহাকাশ কেন্দ্র টি ২০২২ সালের মধ্যেই কাজ করতে শুরু করবে । তার মানে এটা ২০২১ চলছে এই এক বছরের মধ্যে কিন্তু তৈরি করে ফেলবে সম্পূর্ণ সিএনএস এর তরফ থেকে জানা গিয়েছে । মহাকাশে এখন একমাত্র একটি স্পেস স্টেশন আছে যেটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন নামে আমরা জানি । যেটা চীন কে ব্যবহার করতে দেয়া হয় না । তার কারণ একটি অভিযোগ আছে তাদের নামে তারা নাকি তথ্য চুরি করেছিল সেই জন্য তাদের বহিস্কৃত করা হয়েছিল । মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে চীন কার্যক্রম শুরু করেছে বেশ দেরিতে মাত্র ২০০৩ সালে । প্রথম চীন তার নভোচারী কে কক্...

স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীরা ওজনহীন কেন?

ছবি
হ্যালো বন্ধুরা  এই বৃত্তাকার গতির জন্য মহাশুন্যযানের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে ঐ উচ্চতায় g এর মানের সমান মানের আরো একটি ত্বরণ সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় g-g=0 হয়ে যায়। ফলে মহাশূন্যচারীরা মহাশুন্যযানের উপর কোন বল প্রয়োগ করেন না। ফলে নিজেকে ওজনহীন মনে করেন। স্পেস স্টেশনে মহাকাশচারীরা ওজনহীন স্পেস হচ্ছে একটা শুন্যস্থান। শুন্যস্থানে মহাকর্ষ তৈরি হতে পারে না । এজন্য নভোচারীরা ওজনহীন অনুভব করে।প্রথমে আমরা জানবো আমাদের প্রচলিত ধারণা যে পৃথিবী থেকে দূরে যাওয়ার ফলে ওজন শূন্য অবস্থা তৈরি হয় । তার জন্য মহাকাশে ভাসমান অবস্থা সৃষ্টি হয় এই ধারণা ভুল কেন । এ কথা ঠিক যে পৃথিবীতে যত দূরে যাওয়া হবে তার ওজন কম হবে । এবং সেটা দূরত্বের বর্গ অনুপাতে কমবে । তাই যদি কোনো বড় মহাজাগতিক বস্তু থেকে বহু বহু দূরে যাওয়া সম্ভব হয় তাহলে হয়তো ওজন শূন্য অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে ।  কিন্তু বাস্তবে এই মহাবিশ্বে এরকম কোন জায়গা নেই যেখানে কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণ বল নেই । স্পেস  স্টেশন যে উচ্চতায় অবস্থিত সেখানে ঠিক কতটা অভিকর্ষজ বল কাজ করে । আমাদের স্পেস স্টেশন ভূপৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি 350 কিঃমিঃ দূ...

কখনও উজ্জ্বল, কখনও নিভু-নিভু, ক্ষ্যাপাটে লিওনার্ডকে দেখা যাবে শুকতারার নীচে,Comet Leonard

ছবি
ক্ষ্যাপাটে লিওনার্ডকে শনিবার দেখা যাবে শুকতারার নীচে সূর্যের দিকে এগিয়ে আসতে আসতে তার উত্তরোত্তর উজ্জ্বল হয়ে ওঠারই কথা ছিল । কিন্তু নভেম্বরের শেষ দিকে তা হঠাৎই হয়ে পড়ে নিভু নিভু । হারিয়ে ফেলে প্রত্যাশিত ঔজ্জ্বল্য । ফলে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন অনেকেই । তবে আবার বোধহয় ঔজ্জ্বল্য কিছুটা ফিরে পেয়েছে সেই আগন্তুক । সূর্যপ্রণাম করতে আসা সেই মহাজাগতিক আগন্তুককে শনিবার সন্ধ্যার পর আকাশে শুক্রগ্রহের বা যাকে আমরা শুকতারা বলে জানি । একটু বাঁ দিক ঘেঁষে থাকা অবস্থায় দেখা যেতে পারে । কোনও টেলিস্কোপ বা দূরবিন ছাড়াই । খালি চোখে  জানিয়েছে নাসা  । সেই মহাজাগতিক আগন্তুক আদতে একটি ধূমকেতু । যার ডাক নাম লিওনার্ড । জ্যোতির্বিজ্ঞানের খাতায় কলমে তার নাম অবশ্য সি/২০২১ এ ওয়ান । এই ধূমকেতুটি এই বছরের জানুয়ারিতেই আবিষ্কার করেন মাউন্ট লেমন অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্রেগরি জে লিওনার্ড । তাই ধূমকেতুটির ডাকনাম দেওয়া হয়েছে তাঁরই নামে । নাসা জানিয়েছে  ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে এই আগন্তুককে আকাশে সূর্যোদয়ের সামান্য আগে দেখা গেলেও এ বার তাকে দেখা যাবে দক্ষিণ পশ্চিম আকাশে । সন্ধ্যা নেমে আসার পর  শুক্রের নীচ...

বাংলাদেশ থেকে নাসায় চাকরি

ছবি
নাসায় চাকরি করার জন্য বেশ যোগ্যতার প্রয়োজন নাসায় চাকরি করার জন্য বেশ যোগ্যতার প্রয়োজন । কারণ, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পরিচালনা  কক্ষপথে স্যাটেলাইট পাঠানো । মহাকাশ থেকে আবহাওয়ার নজরদারি  সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহের তথ্য উদ্ঘাটনে বিভিন্ন মহাকাশ মিশন পরিচালনাসহ নানা ধরনের কাজ করে নাসা । চাঁদ ও মঙ্গলে বসবাসের সম্ভাবনা সম্পর্কে ও করে গবেষণা । বিশ্বের গ্রহ, সৌরজগৎ এবং এর বাইরের জগতকে আরও ভালো করে বোঝার জন্য ক্রমাগত মিশন চালায় নাসা । যদি মহাকাশকে নিয়ে গবেষণা আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় কাজ করতে চান তাহলে নাসায় আপনার জন্য কাজের জায়গা রয়েছে ।মার্কিন ফেডারেল সরকারের অফিশিয়াল চাকরির ওয়েবসাইট ইউএস-এর সাইটে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত আছে । আপনি আগ্রহী হলে প্রোফাইল তৈরি করে বা না করেও নাসার শূন্যপদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন। খণ্ডকালীন  অস্থায়ী স্থায়ী  ইন্টার্নশিপ এবং ফেলোশিপের সুযোগ আছে নাসায় । যোগ্যতার মানদণ্ড এই সংস্থায় চাকরির জন্য নিজেকে প্রমাণ করতে হয় নানা দিক থেকে । প্রাথমিকভাবে শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে । আগ্রহী প্রার্থীকে বিজ্ঞান প্রযুক...

গভীরে নামতে হবে না মোটেই, ৩ ফুট খুঁড়লেই জল এখনও মঙ্গলে, জানাল এসা-র ফ্রেন্ড,Water On Mars

ছবি
৩ ফুট খুঁড়লেই জল এখনও মঙ্গলে, জানাল এসা-র ফ্রেন্ড হ্যালো বন্ধুরা হাত বাড়ালেই জল! লাল গ্রহে এখনও । বাড়ির পাতকুয়োর ও গভীরতা রাখতে হয় ২০/২৫ ফুট । অন্তত না হলে জল ওঠে না । দিনকয়েক পর টিউবওয়েলে জল ওঠে না বলে বসাতে হয় আরও গভীরে যাওয়ার নলকূপ । আর পৃথিবী থেকে ৩৩ কোটি ৯০ লক্ষ মাইল দূরে লাল গ্রহ মঙ্গলের বিশাল একটি এলাকায় তিন ফুট খুঁড়লেই জল মিলবে । এখনও জানাল ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এসা ও রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এর যৌথ ভাবে পাঠানো মঙ্গলযান । যার নাম এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার এ থাকা ফ্রেন্ড  যন্ত্র । যার আদত নাম ফাইন রেজোলিউশন এপিথার্মাল নিউট্রন ডিটেক্টর । সেই জল রয়েছে লাল গ্রহের ভ্যালেস মেরিনারিস নামে সুবিশাল একটি গিরিখাতে । যার ডাক নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন অব মার্স । সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা আইকারাস এ । এসা এর তরফে জানানো হয়েছে এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার এ থাকা ফ্রেন্ড  যন্ত্র যে সব ছবি ও তথ্যাদি পাঠিয়েছে । তা বিশ্লেষণ করে এ ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে । ৪ হাজার কিলোমিটার বা ২ হাজার ৪৮৫ মাইল এলাকা ...

মহাকাশে দৈত্যাকার রক্তচক্ষু! ৭০০ আলোকবর্ষ দূরে হেলিক্স নেবুলার ছবি পাঠাল নাসা, Giant Space Eye

ছবি
  মহাকাশে দৈত্যাকার রক্তচক্ষু জায়ান্ট স্পেস আই মহাকাশে দৈত্যাকার রক্তচক্ষু । ৭০০ আলোকবর্ষ দূরে হেলিক্স নেবুলার ছবি পাঠাল নাসা । দৈত্যাকার রক্তচক্ষু নাকি রাতের আঁধারে ফুটে থাকা কোনও অতিকায় বনফুল । যাই মনে হোক না কেন ছবি দেখলে চোখ আটকে থাকবে । বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই চাইবে না । যেমন কাটছে না নাসার বিজ্ঞানীদের । স্পিৎজার স্পেস টেলিস্কোপ এর পাঠানো এই ছবিতে চোখ আটকে রয়েছে তাদের ।৭০০ আলোকবর্ষ দূরে হেলিক্স নেবুলা ইনফ্রারেড বিকিরণ এর ফলে এই ছবি তৈরি হয়েছে ।  ছবিটি দেখে নাসার গবেষকরা মনে করছেন । সূর্যের মতো কোন নক্ষত্র বিবর্তনের একেবারে অন্তিম পর্যায়ে রয়েছে । একটি সাদা কেন্দ্রীয় অতিকায় বস্তুর চারপাশে ধুলো ও গ্যাসের আবরণ তৈরি হয়েছে । যার ব্যাস অন্তত দুই আলোকবর্ষ । ছবির মাঝের অংশটি লাল কেন? নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন মহাজাগতিক  ধুলোর কারণে ছবির মাঝের অংশটি লাল । তবে আরো ভাল করে জানতে গবেষণা চালাচ্ছেন নাসার বিজ্ঞানীরা । আর সেই ছবিটি আমি নিয়ে এলাম । সত্যি অদ্ভূত না তবে বলে রাখি এটা তো হিজরা টেলিস্কোপে কামাল  দেখাতে পাচ্ছেন ।  আগামী দিনে যেতে চলেছে জেমস ওয়েব স্প...

১ ঘণ্টায় বিশ্বপাড়ি দেবে চীনের নতুন বিমান, Hypersonic plane

ছবি
১ঘণ্টায় বিশ্বপাড়ি দেবে চীনের নতুন বিমান শব্দের চেয়ে ৫ গুণ বেশি গতিতেই ঘন্টায় ১২ হাজার মাইল পাড়ি দিতে সক্ষম এক বিমান তৈরি করেছে চীন । এতে করে ১০ জন যাত্রীকে নিয়ে বিশ্বের যেকোন প্রান্তে এক ঘণ্টায় পৌঁছতে সক্ষম ।  ১৪৮ ফুট বা ৪৫ মিটার লম্বা এই বিমানটি হবে বোয়িং ৭৩৭ এর চেয়ে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বড় ।  দুপাশে ডানা দেখে মনে হবে যেন ঘুড়ি আকাশে উড়ছে । এর সঙ্গে যুক্ত চীনা কর্মকর্তাদের আশা ২০৩৫ সালের মধ্যে আকাশে উড়বে এই বিমান । ২০৪৫ সালের মধ্যে এর ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১০০ যাত্রীতে । তবে কি উদ্দেশে এই বিমান তৈরি করা হচ্ছে সে সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি । মঙ্গল গ্রহ এবং চন্দ্র অভিযানের সঙ্গে জড়িত চীনের মহাকাশ বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় এই বিমানের আদিরূপ প্রকাশ করা হয়েছে । বিমানটি তৈরি করা হচ্ছে বোয়িং মান্তা এক্স ৪৭সি এর ডিজাইনে। এই প্রকল্পটি অনেক বেশি ব্যয়বহুল বলে ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তা পরিত্যক্ত ঘোষণা করে । আরও পড়ুন:  এরোপ্লেন কে আবিষ্কার করেন? নাসার হাইপারসোনিক প্রোগ্রামের সাবেক প্রকৌশলী মিং হান টাং।তিনিই টু স্টেজ ভেহিক্য...

Nasa Solar Probe: সূর্যকে ছুঁয়ে ফেলল নাসা,কাছের নক্ষত্রকে আরও কাছ থেকে জানার দরজা খুলে গেলো

ছবি
  সূর্যের কোরোনায় সৌরঝড়ের এই ছবি দিয়েই সাফল্যের ঘোষণা করেছে নাসা বিজ্ঞানীরা হ্যালো বন্ধুরা সূর্যকে ছুঁয়ে দেখল নাসা । পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র সূর্য । যার আলোয় দিনরাত শ্বাস নিয়ে পৃথিবী বাঁচছে ও তার সদর দরজা খুলে একেবারে উঠোনে ঢুকে পড়ল নাসা । কুড়িয়ে আনল নমুনা । মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম ঘটল । এই প্রথম পৃথিবীতে তৈরি কোনও মহাকাশযান তো বটেই, কোনও বস্তু ছুঁয়ে দেখল সূর্যকে । মঙ্গলবার আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই ঘোষণা করেছে ।যে উপগ্রহ চাঁদকে এতদিনে অনেকটাই চিনে ফেলা গিয়েছে । কাছের গ্রহ মঙ্গল সেখানেও এখন যাতায়াত করা যায় । এবার কাছের নক্ষত্রকে আরও কাছ থেকে জানার দরজা খুলল নাসা । নাসার এই কৃতিত্বে উৎসাহিত বিজ্ঞানীদের আশা এবার চাঁদ ও মঙ্গলের মতো সূর্যের ও রহস্য জানা যাবে ।সূর্যের বহিরাবরণ  যাকে কোরোনা বলা হয় তা ভেদ করে সূর্যের ভিতরে প্রবেশ করেছে নাসার সৌরতদন্ত যান পার্কার । এই কোরোনা কে চলতি কথায় সূর্যের উঠোন বলা যায় । মূল বাড়ি আর সদর দরজার মধ্যে যেমন একটা নিরাপদ দূরত্ব থাকে অনেকটা সেই রকম । তবে এই এলাকার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রবল চৌম্ব...

বিজ্ঞানীদের অবাক করে সন্তানের জন্ম দিল রোবট, জেনোবট কাজ করবে আমেরিকার সেনাবাহিনীতে।Xenobots

ছবি
  জেনোবট কাজ করবে আমেরিকার সেনাবাহিনীতে ছবি। ২০২০ সালের গোড়ায় এমন এক বিরল জীবনকে গবেষণাগারে তৈরি করেছিলেন আমেরিকার ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা । আফ্রিকার এক ধরনের ব্যাঙ মানে জ়েনোপাস লেভিস এর স্টেম কোষ ব্যবহার করে এটিকে তৈরি করা হয়েছিল। তাই তার থেকে তৈরি যন্ত্রটির নাম জ়েনোবট । বিজ্ঞানীদের কথা পৃথিবীর প্রথম জ্যান্ত রোবট । ১ মিলিমিটারের থেকেও ক্ষুদ্র যন্ত্রটি মানুষের শরীরের মধ্যে ঢুকে যেতে পারে । সে সেখানে নির্বিঘ্নে হেঁটে চলে সাঁতরে বেড়াতে পারে । বিনা খাবারে সপ্তাহের পর সপ্তাহ বাঁচতে পারেও । এবং মানবদেহের অন্দরে তার যাবতীয় কর্মকাণ্ডও চালিয়ে যেতে পারে । কোনও ভাবে জখম হলে নিজেই নিজের ক্ষত সারাতে পারে বিস্ময়ের তালিকা দীর্ঘ । ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাখ্যায় সম্পূর্ণ নতুন একটি জীবন । ২০২০ এসন      এর আবিষ্কারের প্রায় দু’বছরের বছরের মাথায় এ বার আরও একটি সুখবর দিলেন আমেরিকান বিজ্ঞানীরা । সম্প্রতি তাঁরা জানালেন জীবন্ত রোবটগুলি সন্তানের জন্মও দিতে পারে । সাম্প্রতিক গবেষণায় ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আমেরিকার আরও দুই বিশ্ববিদ্যালয় । টাফ্টস এবং...