পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

গ্যানিমিড কোন গ্রহের উপগ্রহ

ছবি
গ্যানিমিড উপগ্রহের ছবি। গ্যানিমিড প্রাকৃতিক উপগ্রহ গ্যানিমেডের গঠন গ্যানিমেডের আবিষ্কারের ও ইতিহাস গ্যানিমেডের আয়তন গ্যানিমেডের আকার ও আয়তনের ছবি। আরও পড়ুন:  কালপুরুষ তারামন্ডল কি? Orion constellation গ্যানিমেডের কক্ষপথ ও ঘূর্ণন বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  গ্যানিমেড বৃহস্পতির বৃহত্তম উপগ্রহ (তৃতীয় বৃহস্পতি) এবং সৌরজগতের বৃহত্তম ও সবচেয়ে ব্যাপক চাঁদ। সৌরজগতের নবম বৃহত্তম বস্তু এটি যথেষ্ট বায়ুমণ্ডল ছাড়াই বৃহত্তম। এটির ব্যাস ৫,২৬৮ কিলোমিটার (৩,২৭৩ মাইল) এবং বুধ গ্রহের চেয়ে ৮% বড়। যদিও বৃহদায়তন হিসাবে শুধুমাত্র ৪৫%। ধাতব কোরের অধিকারী। এটি সৌরজগতের যে কোনও শক্ত দেহের জড়তা গুণকের সর্বনিম্ন মুহূর্ত এবং এটি একমাত্র চাঁদ যার একটি চৌম্বকীয় ক্ষেত্র আছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতি থেকে বাহিরে দিকে এটি সপ্তম উপগ্রহ এবং গ্যালিলিয়ান চাঁদের তৃতীয়টি।যা অন্য গ্রহকে আবর্তনকারী বস্তু হিসাবে আবিষ্কৃত প্রথম দলের বস্তু।গ্যানিমেড বৃহস্পতিকে প্রায় সাত দিনের মধ্যে প্রদক্ষিণ করে এবং যথাক্রমে ইউরোপা এবং আইওয়ের সাথে চূড়ান্তভাবে ১: ২: ৪ কক্ষপথে অনুরণিত হয়। গ্যা...

কালপুরুষ তারামন্ডল কি? Orion constellation

ছবি
কালপুরুষ তারামন্ডল প্রতীকী ছবি। কালপুরুষ তারামণ্ডল বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  কালপুরুষ আকাশের সবচেয়ে পরিচিত তারামন্ডল হিসেবে গণ্য হতে পারে। এই মন্ডলটি খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়।শিকারী নামে সুপরিচিত এই মন্ডলের উল্লেখযোগ্য তারাগুলো মহাকাশের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করায় পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে একে দেখা যায়। উত্তর গোলার্ধে শীত শেষ সময় হতে বসন্তের প্রাথমিক সময় পর্যন্ত কালপুরুষ মন্ডলটি দেখা যায়। কালপুরুষ তারামণ্ডলের ইতিহাস কালপুরুষ তারামণ্ডলের বর্তমান আকৃতি আজ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ বছর পূর্বে গঠিত হয়েছিলো। পৃথিবীর সাপেক্ষে এর তারাগুলোর আপেক্ষিক গতি কম হওয়ার কারণে আজ থেকে আরও ১০ থেকে ২০ লক্ষ বছর পর্যন্ত কালপুরুষ তারামণ্ডলকে রাতের আকাশে দেখা যাবে। অর্থাৎ এটিই দৃশ্যমান মণ্ডলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় পর্যবেক্ষণযোগ্য থাকবে। আরও একটি সুবিধা হল এই মণ্ডলের আবির্ভাব মানব সভ্যতার সমসাময়িক কালে হয়েছে। সুমেরীয়রা কালপুরুষ তারামণ্ডলকে একটি জাহাজ হিসেবে কল্পনা করত। প্রাচীন চীনে এটি ছিল রাশিচক্রের ২৮ টি রাশির একটি যার প্রতীক ছিল Xiu। এই রাশিটি সেখানে শেন নামে পরিচিত ছিল য...

মহাকাশের সাজানো রত্ন, সাইকি ১৬ আশ্চর্য গ্রহাণুর উদ্দেশে পাড়ি দেবে নাসার যান

ছবি
আশ্চর্য গ্রহাণু সাইকি ১৬ ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশের বুকে রয়েছে এমন এক রত্নগুহা । যা বুঝি হার মানায় কুবেরের ভাণ্ডারকেও। এর নাম সাইকি ১৬। এই গ্রহাণুতে রয়েছে এমন সব ধাতু যার সম্মিলিত মূল্য নাকি পৃথিবীর সামগ্রিক অর্থনীতিকেও হার মানায়। জানা গিয়েছে যে, আগামী ১ আগস্ট ওই গ্রহাণুর উদ্দেশে রওনা দেবে নাসা ও স্পেসএক্স।মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ও ধনকুবের এলন মাস্কের সংস্থা মিলে এই অভিযান চালাবে। যে অভিযান ঘিরে এখন থেকেই জল্পনা কল্পনা তুঙ্গে।  বছর খানেক আগে প্রথম সন্ধান মিলেছিল মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝে অবস্থিত এই গ্রহাণুটির। নাসার হাবল মহাকাশ টেলিস্কোপে ধরা পড়েছিল সেটির ছবি। এরপর বিজ্ঞানীরা সেটিকে পর্যবেক্ষণ করে জানতে পারেন। যত ধাতু রয়েছে এই গ্রহাণুটিতে তার সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোয়াড্রিলিয়ন। আগেই বলা হয়েছে যে, তা হার মানায় পৃথিবীর মোট অর্থনীতিকেও। বিজ্ঞানীদের ধারণা করেন কোনও গ্রহের ভূত্বক ও আবরণের অবশিষ্টাংশ। সৌরজগৎ সৃষ্টির সময় একাধিক সংঘর্ষের ফলে এটির উৎপত্তি। এবার সেই গ্রহাণুর দিকেই চোখ বিজ্ঞানীদের। রত্নগুহা নিয়ে পরিকল্পনা স্বাভাবিক ভাবেই ...

সপ্তর্ষিমন্ডল কাকে বলে?

ছবি
সপ্তর্ষিমণ্ডল ও ধ্রুবতারা প্রতীকী ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সপ্তর্ষিমন্ডল /ˈɜːrsə ˈmeɪdʒər/ ইংরেজি Ursa Major বা Great Bear। দ্বিতীয় শতকের জ্যোতির্বিদ টলেমি কর্তৃক প্রণীত ৪৮টি তারামণ্ডলের একটি। আধুনিক কালে বর্ণিত ৮৮টি তারামণ্ডলের তালিকায়ও এটি তৃতীয় বৃৃহত্তম । এটিি সাতটি তারার সমন্বয়ে গঠিত নক্ষত্রমণ্ডল। উত্তরগোলার্ধ থেকে সারা বছরই এই তারামণ্ডলকে দেখা যায়। উপমহাদেশের জ্যোতির্বিদগণ সাত জন ঋষির নামে এই সাতটি তারার নামকরণ করেন তাই এই নক্ষত্রমণ্ডলটি সপ্তর্ষিমন্ডল নামে পরিচিত হয়। সাতজন ঋষির নাম যথা: ১। ক্রতু ২। পুলহ ৩।পুলস্ত্য ৪। অত্রি ৫। অঙ্গিরা ৬। বশিষ্ঠ ৭। মরীচি আরও পড়ুন:  সৌর ঝড় ২০২২ পৃথিবীতে প্রভাব পড়বে কতটা, নাসার সতর্কতা শুনলে চমকে যেতে হয় সপ্তর্ষিমন্ডলের নামকরণ এ মণ্ডলীর ইংরেজি নাম Ursa major বা দি গ্রেট বিয়ার (the Great Bear) -এর অর্থ বৃহৎ ভালুক। গ্রিকরা অনেকগুলি তারা নিয়ে তৈরি বৃহদাকার ভালুক এর মতো নক্ষত্রমণ্ডলকে Ursa Major বলে শনাক্ত করেছিলেন যেখানে ভারতীয় নক্ষত্রমন্ডলটির সবচেয়ে উজ্জ্বল সাতটি তারাই পর্যবেক্ষণ করেন যেগুলি প্রশ্নবোধক চি...

সৌর ঝড় ২০২২ পৃথিবীতে প্রভাব পড়বে কতটা, নাসার সতর্কতা শুনলে চমকে যেতে হয়

ছবি
সৌর ঝড় ২০২২ প্রতীকী ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  সম্প্রতি নাসা জানিয়েছে যে, আজ এক সৌর ঝড় আছড়ে পড়তে পারে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপর। এর ফলে পৃথিবীতে কী প্রভাব পড়তে পারে।তা নিয়েও স্পষ্ট জানিয়েছে নাসা।নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এর ফলে গ্রীষ্মের আকাশে আরও বেশি করে আলোকময়তা দেখা যেতে পারে। বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে, সোলার স্টর্ম যখন পৃথিবীর চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে প্রবেশ করছে তখন একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়। তড়িৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়। উচ্চ তরঙ্গের রেডিও সিগন্যালের আদান প্রদানও হতে পারে। সন্ধ্যাবেলায় এই ঝড় আছড়ে পড়বে, ফলে নিউজিল্যান্ড, তাসমানিয়া ও দক্ষিণ মেরুর কিছু অংশে এর জেরে উজ্জ্বল আলোকছটা দেখা যেতে পারে। আরও পড়ুন:  ৫০ বছরে এই প্রথম! সূর্যের এত স্পষ্ট ছবি আগে কখনও আসেনি ধন্যবাদ বন্ধুরা  ।  

৫০ বছরে এই প্রথম! সূর্যের এত স্পষ্ট ছবি আগে কখনও আসেনি

ছবি
এর আগে সূর্যের এত স্পষ্ট ছবি কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  গত ৫০ বছরে এই প্রথমবার। এর আগে সূর্যের এত স্পষ্ট ছবি কখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ইউরোপিয়ান সোলার অরবিটার সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল চলতি মাসে। আর তখনই ওই অরবিটার সূর্যের সবচেয়ে স্পষ্ট পরিষ্কার এবং ডিটেইলড ছবি প্রকাশ করেছে। আমাদের সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হল সূর্য। তার সাম্প্রতিক ছবি তৈরি হয়েছে ২৫টি ভিন্ন ছবি সংযুক্ত করে। গত ৭ মার্চ এই ২৫টি ছবি তোলা হয়েছিল। তারপর তা একত্রিত করে সূর্যের এই ডিটেইলড ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।  সূর্যের এত স্পষ্ট ছবি  এর আগে সূর্যের এত পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সমেত ছবি প্রকাশিত হয়নি। জানা গিয়েছে যে, সূর্যের এই ছবি তোলা হয়েছে এক্সট্রিম আলট্রা ভায়োলেট ইমেজার বা EUI- এর সাহায্যে। ইউরোপিয়ান যে স্পেসক্র্যাফট বা অরবিটার সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছেছিল সেখানেই ছিল এই এক্সট্রিম আলট্রা ভায়োলেট ইমেজার।ইউরোপিয়ান স্পেসক্র্যাফটে থাকা এক্সট্রিম আলট্রা ভায়োলেট ইমেজারের সাহায্যে সূর্যের ফুল ডিস্ক ছবি দেখা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ভালভাবে ক্যামেরাবন্দি হয়েছে সূর্যের বাইরের ...

শনি গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?

ছবি
 শনি গ্রহের উপগ্রহ অন্তত ৮২ টি ২৯ টির নামকরণ করা হয় নি প্রতীকী ছবি। শনি গ্রহের পরিচয় শনি ইংরেজি নাম হল (Saturn; স্যাটার্ন) সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ এবং বৃহস্পতির পরই সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি একটি গ্যাসীয় দৈত্য যার ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় নয় গুণ।শনি গ্রহের গড় ঘনত্ব অবশ্য পৃথিবীর গড় ঘনত্বের এক অষ্টমাংশ। কিন্তু এই গ্রহের বৃহত্তর আয়তনের জন্য এটি পৃথিবীর তুলনায় ৯৫ গুণ বেশি ভারী। শনির অভ্যন্তরীণ অংশটি সম্ভবত লোহা নিকেলের একটি কেন্দ্রস্থল ও পাথর (সিলিকন ও অক্সিজেন যৌগ) দ্বারা গঠিত। এই কেন্দ্রস্থলটিকে ঘিরে রয়েছে ধাতব হাইড্রোজেনের একটি গভীর স্তর । তরল হাইড্রোজেন ও তরল হিলিয়ামের একটি মধ্যবর্তী স্তর এবং সর্বোপরি একটি গ্যাসীয় বহিঃস্তর।  বায়ুমণ্ডলের উপরিতলে অ্যামোনিয়া কেলাসের উপস্থিতির জন্য শনি গ্রহের রং একটি ফিকে হলুদ। ধাতব হাইড্রোজেনের মধ্যে প্রবহমান তড়িৎ প্রবাহটিকে শনির গ্রহগত চৌম্বক ক্ষেত্রের উৎস মনে করা হয়। এই চৌম্বক ক্ষেত্রটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের তুলনায় দুর্বল হলেও শনির বৃহত্তর আকারের জন্য এটির চৌম্বক মুহুর্ত পৃথিবীর তুলনায় ৫৮০ ...

নিশ্বাসে বিষ! পৃথিবীর সবচেয়ে দূষিত প্রথম বাংলাদেশ

ছবি
বিশ্বের দূষিততম শহরগুলির মধ্যে প্রথম বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, পরপর দু’বছর বিশ্বের দূষিততম শহরের তকমা পেয়েছে দিল্লি । শুধু তাই নয়, গত বছরের তুলনায় এবার দিল্লির দূষণ বেড়েছে ১৪.৬ শতাংশ ।এবার দেখা গেল বিশ্বের সবচেয়ে  দূষিত দেশগুলির মধ্যে ভারতের স্থান পঞ্চমে। ভারতের চেয়েও দূষিত দেশের তকমা পেয়েছে আর মাত্র চারটি দেশ। যেগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। পৃথিবীর সবচেয়ে দূষিত প্রথম পাঁচ দেশ বিশ্বের দূষিততম শহরগুলির মধ্যে উপর দিকেই ছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এবার দেশের তালিকায় বাংলাদেশ পেল বিশ্বের দূষিততম দেশের তকমা। এছাড়াও দেশ ভিত্তিক দূষণের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ভারতের তুলনায় পরিস্থিতি খারাপ চাদ ও তাজিকিস্তানেরও। ভারতের পিছনে দশম স্থানে রয়েছে  নেপাল। তবে প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে শ্রীলঙ্কার দূষণ পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল। ৫৮ তম স্থানে রয়েছে দেশটি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দূষিত দেশের তকমা পেয়েছে নিউ ক্যালেডোনিয়া । এছাড়াও ইউএস ভার্জিন আইল্যান্ড, পুয়ের্তো রিকো, সাবা প্রভূতি দেশগুলি ভাল ফল করেছে। উল্লেখ্য...

মহাকাশে লেটুস পাতার ফলন ! ভাল রাখবে নভশ্চরদের হাড়ের গঠন

ছবি
বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশে শাকসবজির ফলন এর আগেও করেছেন বিজ্ঞানীরা।এবার নতুন এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, স্পেস লেটুস মহাকাশচারীদের হাড়ের গঠন সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে। যখন দীর্ঘ সময়ের জন্য নভশ্চররা মহাকাশে অভিযানে যাবে।তখন তাঁদের হাড়ের ক্ষয় রুখতে সাহায্য করবে এই স্পেস লেটুস। এমনিতেও লেটুসের খাদ্যগুণ অনেক। এবার সেই সমস্ত গুণাগুণ খেল দেখাবে মহাকাশেও।ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ডেভিস এর গবেষকরা লেটুসের একটি পরীক্ষামূলক স্ট্রেন পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন যে, যাঁরা অনেকদিন মহাকাশে থাকেন তাঁদের হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল করতে এই লেটুস পাতা সাহায্য করবে।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে মহাকাশে থাকাকালীন প্রতি মাসে নভশ্চরদের কিছু হাড়ের ভরের প্রায় ১ শতাংশ ক্ষয় হয়। মহাকাশের দিনের পর দিন থেকে গবেষণার কাজ করা সত্যিই কঠিন ব্যাপার। তাই মহাকাশে উড়ে যাওয়ার আগে নভশ্চরদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের অনেক ব্যাপারেই খুঁটিনাটি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।মহাকাশে অভিযানে যাওয়ার আগে কঠিন ট্রেনিং চলে নভশ্চরদের। নিজেদের ওজন কম রাখার জন্য রীতিমতো কসরৎ করতে হয় তাঁদের। তবে এমন ক...

চাঁদে যা অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে, তা প্রায় ৮ বিলিয়ন মানুষ কে এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন দেওয়া যাবে

ছবি
চাঁদে যা অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে, তা প্রায় ৮ বিলিয়ন মানুষ কে এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন দেওয়া যাবে ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  মহাকাশ বিষয়ক গবেষণা সবসময়েই অত্যন্ত রহস্যজনক এবং আকর্ষণীয়। বর্তমানে মহাকাশ সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের গবেষণাতেই মজেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের কাছে ক্রমশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহ নিয়ে নিত্যনতুন তথ্যও প্রকাশ্যে আসছে। আর এইসব গবেষণা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যেই অন্যতম ছিল চাঁদের অক্সিজেন সংক্রান্ত আলোচনা। চন্দ্রপৃষ্ঠে সবচেয়ে ভাল কোন পদ্ধতিতে অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব হবে। তা নিয়ে  এখন  পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন বৈজ্ঞানিকরা। এই গবেষণায় সমাধানও পাওয়া গিয়েছে। চাঁদের উপর যে পাথুরে আবরণ রয়েছে যাকে রেগোলিথ বলে।সেখানে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে। এই অক্সিজেন মানবকুলের বেঁচে থাকার জন্য কাজে লাগানো যেতে পারে। নতুন গবেষণায় বলা হচ্ছে যে, চাঁদের পৃষ্ঠদেশে যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন সঞ্চিত রয়েছে। এই পরিমাণ অক্সিজেন ৮ বিলিয়ন লোককে প্রায় এক লক্ষ বছর ধরে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে। তবে এই...

এই প্রথম বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোলের হার্টবিট রেকর্ড করলেন, মিলল বড় রহস্যের সমাধান!

ছবি
এই প্রথম বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোলের হার্টবিট রেকর্ড করলেন, মিলল বড় রহস্যের সমাধান প্রতীকী ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের হৃদস্পন্দনের ছবি তুললেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই ছবিই প্লাজ়মা জেটগুলির একটি বড় রহস্যের সমাধান করেছে। ব্ল্যাক হোলের এই হার্টবিট বা তার থেকে নির্গত আলোর ওঠানামা প্রায় ১৫ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। আর সেই পর্যবেক্ষণ থেকে উঠে এসেছে ব্ল্যাক হোলের খাওয়ানোর ধরন সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজ়নের বাইরে রয়েছে একটি কাঠামো যাকে বলা হয় করোনা ফর্মস। সেখানেই প্লাজ়মার শক্তিশালী জেটগুলি খুঁটি থেকে উৎক্ষেপণ শুরু করে। সয়েন্স অ্যালার্টের তরফে ব্যখ্যা করে বলা হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি করোনা থেকে উপাদানকে শূন্যে আলোর কাছাকাছি গতিতে ইন্টারস্টেলার স্পেস বা আন্তঃনাক্ষত্রিক স্থানে ঠেলে দেয়। এই প্রক্রিয়াটিকেই বলা হচ্ছে কৃষ্ণগহ্বরের হৃদস্পন্দন বা ব্ল্যাক হোলের হার্টবিট। ব্ল্যাক হোল কী ভাবে কাজ করে সেই সংক্রান্ত সব ধন্দ্বের সমাধান করে দিচ্ছে এই প্রক্রিয়া। হার্টবিট থেকে ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে নতুন অন্তর্দৃষ্টি কি? এর আগে...

নাসা নতুন ‘রিং নেবুলা’- র ছবি প্রকাশ করেছে, নীহারিকার চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ফুলের পাপড়ি

ছবি
নাসা নতুন ‘রিং নেবুলা’- র ছবি প্রকাশ করেছে, নীহারিকার চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ফুলের পাপড়ি ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা তাদের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে মাঝে মাঝেই বেশ কিছু বিস্ময়কর নীহারিকার ছবি শেয়ার করে। সম্প্রতি তারা এমন এক ছবি প্রকাশ করেছে যা দেখে একঝলকে মনে হবে মহাকাশের বুকে যেন কোনও মহাজাগতিক ফুল প্রস্ফুটিত হয়ছে (মহাজাগতিক ফুল ফুটেছে)। অপূর্ব শোভা সেই ফুলের। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, দেখতে ফুলের মতো লাগলেও আসলে তা একটি নীহারিকা। একে রিং নেবুলা বা বলয় নীহারিকা অ্যাখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  পৃথিবী থেকে প্রায় দু’হাজার আলোকবর্ষ দূরে এই নীহারিকার অবস্থান। লায়রা নক্ষত্রপুঞ্জে এই রিং নেবুলা দেখা গিয়েছে। যে ছবি ইনস্টাগ্রামে নাসা শেয়ার করেছে সেখানে নীহারিকার চারপাশে ফুলের পাপড়ির মতো বেশ কিছু অংশ দেখা গিয়েছে। নাসার স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যে এই ছবি তোলা হয়েছে। প্ল্যানেটারি নেবুলার চারপাশে হলো আকারে বিস্তৃত রয়েছে এই ফুলের পাপড়ির ন্যায় অংশ। নাসা জানিয়েছে যে, একটি মৃত নক্ষত্র থেকে নির্গত উপকরণ থেকে তৈরি হয়েছে ওই প্ল্যানেটারি নে...

পৃথিবীর মত রয়েছে আরও ৫০০০ 'পৃথিবী'! কোথায় জানেন?

ছবি
পৃথিবীর মত রয়েছে আরও ৫০০০ পৃথিবী প্রতীকী ছবি।  বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,আকাশের দিকে মুখ তুলে চাইলেই অধিকাংশ মানুষ সম্ভবত একটি কথাই সর্বাগ্রে ভাবেন যে, মানুষ কি এই মহাবিশ্বে সম্পূর্ণ একাকী না অন্য কিছু? জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বহুদিনের গবেষণায় মহাকাশের অনেক রহস্যভেদই করেছেন। আবিষ্কার করেছেন নানা গ্রহ গ্রহাণু ইত্যাদি।কিন্তু আমাদের সৌরজগতে বা তার বাইরে নিশ্চিত ভাবে প্রাণের কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে নাসা এক অসাধারণ কাজ করেছে। তারা এই বিপুল মহাবিশ্বে পৃথিবীর মতো অন্তত ৫০০০টি মহাজাগতিক বস্তু বা গ্রহ আবিষ্কার করেছে। সম্প্রতি তারা ৬৫টি নতুন গ্রহ আবিষ্কার করেছে। আর আগের করা আবিষ্কারের মোট সংখ্যা মিলিয়ে সেটা ৫০০০ য়ে এসে দাঁড়িয়েছে। এরকম কত গ্রহ গ্রহাণু মহাজাগতিক বস্তু তো থাকতে পারে মহাকাশে। তা নিয়ে মানবসভ্যতা কেন উদ্বেলিত হওয়ার কারণ আছে।  আরও পড়ুন:  বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেডে শব্দ ধরা পড়েছে জুনো মহাকাশযানে আবিষ্কৃত বস্তুগুলি পৃথিবী না হলেও এগুলিকে আর্থ-লাইক প্ল্যানেট তকমায় দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন আর্থ লাইক কারণ, বিজ্ঞানীদের অনুমান যে, এগুলিতে থাকতে পারে জল, অনুজীব,...

বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেডে শব্দ ধরা পড়েছে জুনো মহাকাশযানে

ছবি
বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেডে শব্দ ধরা পড়েছে জুনো মহাকাশযানে প্রতীকী ছবি ।  বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  চাঁদ হোক বা মঙ্গল গ্রহ কিংবা বৃহস্পতি পৃথিবীর বাইরের জগতটা কেমন তা অনুসন্ধানের নেশায় বহুদিন ধরেই মেতেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে বিজ্ঞানীদের মূল নজর রয়েছে চাঁদ এবং লালগ্রহে। তার পাশাপাশি বৃহস্পতি গ্রহেও চলছে অভিযান। বৃহস্পতিকে প্রদক্ষিণ করছে জুনো ।এই অভিযানের লক্ষ্য হল সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য জানা।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বৃহস্পতির চাঁদ গ্যানিমেড এর যে ছবি প্রকাশ হয়েছে সেই গ্যাস দৈত্য পৃষ্ঠতল সত্যিই অবিশ্বাস্য। তবে সবকিছুর মধ্যে নজর কেড়েছে বৃহস্পতির চাঁদ  গ্যানিমেড এর শব্দ। মহাকাশ সম্পর্কে যাঁরা আগ্রহী এই শব্দ শুনে চমকে গিয়েছেন তাঁরা। ইউটিউবে একটি অডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসার ।জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (জেপিএল) তরফে।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস ৫০ সেকন্ডের ওই অডিয়ো ট্র্য...

মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস

ছবি
মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস প্রতীকী ছবি। বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে, একাই মঙ্গলগ্রহে এক্সোমার্স অভিযান চালাবে রাশিয়া।সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে এই যৌথ মিশন আপাতভাবে স্থগিত করেছে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি । আর তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়ার স্পেস এজেন্সি রসকমস ।এবার মঙ্গলগ্রহে এককভাবেই এক্সোমার্স অভিযান চালাবে রাশিয়া। মূলত ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েই যৌথ এক্সোমার্স অভিযান স্থগিত করেছে ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি বা ইএসএ। এই এক্সোমার্স অভিযান চলতি বছরের শেষের দিকে ইউরোপের তৈরি রোভারকে লালগ্রহে পৌঁছনোর জন্য ব্যবহার করার কথা ছিল একটি রাশিয়ান রকেট।  তবে যৌথ অভিযান আপাতত স্থগিত হয়েছে। আর রাশিয়ার স্পেস এজেন্সির রসকমসের প্রধান দিমিত্রি রোগজিন জানিয়েছেন, আগামী দিনে মঙ্গলগ্রহে অভিযানের কাজকর্ম শুরু করভে তাঁর দেশে। এর থেকেই বোঝা গিয়েছে যে এককভাবেই মঙ্গলে এক্সোমার্স অভিযান চালাবে রাশিয়া।অন্যদিকে দিমিত্রি রোগজিন এর বক্তব্য অনুসারেই ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে যে, রাশিয়ার কোনও রোভারের প্রয়োজন হবে। কারণ রাশিয়ার কাছে যে ল্যান...

ধ্রুবতারা কাকে বলে? ধ্রুবতারা চেনার উপায় কি

ছবি
পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত ছবি। ধ্রুবতারা বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  ইংরেজি পোল স্টার (Pole star)। পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত। এই তারাটি পৃথিবীর অক্ষের উপর ঘূর্ণনের সাথে প্রায় সামাঞ্জস্যপূর্ণভাবে আবর্তিত হয়। প্রাচীন কালে দিক নির্ণয় যন্ত্র আবিস্কারের পূর্বে সমূদ্রে জাহাজ চালাবার সময় নাবিকরা এই তারার অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করতো। সপ্তর্ষী মন্ডল এর প্রথম দুটি তারা পুলহ এবং ক্রতু কে সরলরেখায় বাড়ালে সেটি এ তারাটিকে নির্দেশ করে। এটি লঘু সপ্তর্ষী মন্ডলে দেখা যায়।রাত বাড়ার সাথে সাথে আকাশের  সকল  তারা  দৃশ্যমান ও তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে । কিন্তু শুধুমাত্র ধ্রুবতারাই মোটামুটি একই স্থানে অবস্থান করে থাকে ।  এটি আকাশের একমাত্র তারা, যেটিকে এ অঞ্চল হতে বছরের যে কোন সময়েই ঠিক এক জায়গায় দেখা যায়।পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ধ্রুবতারাকে সারাবছরই আকাশের উত্তরে নির্দিষ্ট স্থানে দেখা যায়। আরও পড়ুন:  কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুম কম হয় ধ্রুবতারা চেনার উপায় দিক নির্ণয়...

কোন ভিটামিনের অভাবে ঘুম কম হয়

ছবি
শরীরে যে উপদানের অভাব হলেই রাতের ঘুম কেড়ে নেয় প্রতীকী ছবি।  বন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  শরীরের জন্য পটাশিয়াম অত্যন্ত জরুরি একটি খনিজ। যা নার্ভের বিভিন্ন কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে৷ একই সঙ্গে মাংস পেশীর মধ্যে একটা সামঞ্জস্য বজায় রাখে এবং শরীরে তরল পদার্থের সমতাও বজায় রাখে৷তবে পটাশিয়ামের সব থেকে জরুরি কাজ হলো হৃৎস্পন্দনে সাহায্য করা। যখন শরীরে পটাশিয়ামের অত্যন্ত পরিমাণে অভাব হয়ে থাকে, তখন ডাক্তারি পরিভাষায় তাকে হাইপো কালেমিয়া বলে। তবে এই পরিস্থিতি তখনই উৎপন্ন হয় যখন কোনো ব্যক্তির শরীরের পটাশিয়ামের স্তর ৩.৬ মিলিমোলস প্রতি লিটারের কম হয়ে যায়। বেশ কিছু সময়েই লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাশিয়াম না থাকার জন্য শরীরে পটাশিয়ামের অভাব দেখতে পাওয়া যায়। এর ফলে বমিবমি ভাব বা ডায়রিয়াও হতে পারে। পটাশিয়ামের অভাবে শরীরে আরও বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে।আধুনিক গবেষণায় এই বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে যে, শরীরে পটাশিয়ামের অভাব হলে দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। এর ফলে ঘুমকে প্রভাবিত করে। ক্রমেই বাড়তে থাকে অনিন্দ্রা।  আরও পড়...