পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অন্তহীন ব্ল্যাক হোলে মিশছে ছায়াপথ, অভূত ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
অন্তহীন ব্ল্যাক হোলে মিশছে ছায়াপথ এই ছবিটি তুলেছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে অপারেশন শুরু করে এ যাবৎকালের সবথেকে শক্তিশালী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। তারপর থেকে মহাজাগতিক দুনিয়ার একের পর চিত্তাকর্ষক ছবি তুলে দেখিয়েছে টেলিস্কোপটি। আর সেই ছবিগুলি মহাকাশ সম্পর্কে আমাদের অতুলনীয় দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে। এবার অত্যাধুনিক স্পেস টেলিস্কোপটি একটি বিরল লাল কোয়াসারের চারপাশে মিশে যাওয়া গ্যালাক্সির ক্লাস্টারের ছবি তুলেছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তরফে জানানো হয়েছে যে, এই ছবিটি বিলিয়ন বিলিয়ন বছর আগে গ্যালাক্সিগুলি কীভাবে আধুনিক মহাবিশ্বে একত্রিত হয়েছিল। তা পর্যবেক্ষণ করার একটি অভূতপূর্ব সুযোগ প্রদান করে।আমরা মনে করি এই সিস্টেমে নাটকীয় কিছু ঘটতে চলেছে। ছায়াপথটি তার জীবদ্দশায় এই নিখুঁত মুহুর্তে রয়েছে। কয়েক বিলিয়ন বছরে রূপান্তরিত হতে চলেছে এবং তখন সম্পূর্ণ আলাদা ।দেখাবে অধ্যয়নের সহ লেখক আন্দ্রে ভেনার একটি প্রেস বিবৃতিতে বলেছেন। গবেষণাটি দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে রয়েছে এবং arXiv-এ উপলব্ধ। ওয়েব টেলিস্কোপের ডেটা কিভাবে পাওয়...

উল্কাপাতে ফলে মঙ্গলে বেরোয় বরফ ও মহাসাগর ছিল! এমনি দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
মঙ্গলে উল্কাপাতে বেরোয় বরফ,মহাসাগরও ছিল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এই গ্রহে আজও উল্কাপাতের ক্ষত থেকে চুঁইয়ে পড়ে বরফখণ্ড ।নীরবে শুকিয়ে যায় মহাসাগর।কাব্য নয় বাস্তব। পৃথিবী নয় মঙ্গল দুটো লাইনই সত্যি বলছে বিজ্ঞানীকরা । ২০১৮ সালে নাসার যে, ইনসাইট ল্যান্ডার মঙ্গলে গিয়েছিল এত দিনে তার আয়ু ফুরোচ্ছে। কিন্তু ইতিহাস তৈরি করে দিয়ে যাচ্ছে ইনসাইট।  উল্কাপাতে বেরোয় বরফ মঙ্গলে নাসার বিজ্ঞানী ব্রুস ব্যানার্ট বলেছেন যে, আমরা এখন জানি মঙ্গলের উপরিতল কতটা পুরু ও গভীরের কাঠামোটা কেমন।এ ছাড়া মঙ্গলের বুকে ১৩১৮টি কম্পনের অস্তিত্ব ধরে ফেলে ইনসাইট ।নিশ্চিত জানিয়েছে যে, লাল গ্রহেও ভূমিকম্প হয়।গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে মঙ্গলে দু’টি জোরালো কম্পন টের পেয়েছিল ইনসাইট। সায়েন্স পত্রিকায় প্রকাশিত দু’টি গবেষণাপত্র বলছে যে, ওই কম্পনের কারণ ছিল উল্কাপাত।  মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করা মার্স রিকনিস্যান্স অরবাইটারের ক্যামেরায় ধরা তা পড়েছে। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর আছড়ে পড়া উল্কাটির আঘাতে মঙ্গলের বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে বরফ। বোল্ডারের আকারের সেই বরফ পড়ে রয়েছে উল্কার তৈরি করা গহ্বরের কিনারায়। মেরু অঞ্চ...

হাসছে মহাকাশে গনগনে সূর্য! গ্রহণের পর হঠাৎ পরিবর্তন, এর প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতে

ছবি
হঠাৎ পরিবর্তন সূর্যের ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাশূন্যের ঘুটঘুটে অন্ধকারকে গনগনে হলুদ সূর্য। হঠাৎ তার গায়ে ফুটে উঠল কালো রঙের চোখ মুখ। নাসার সোলার ডায়নামিক দিয়ে সেই দৃশ্য ফুটে উঠতেই ছবি উঠল। কিন্তু দেখা গেল সূর্যের চোখ মুখ মিলিয়ে যাচ্ছে না। বরং তা একই ভাবে রয়ে গিয়েছে মহাশূন্যে একখানা জ্বলন্ত স্মাইলি ইমোজি র মতো। গ্রহণের পর হঠাৎ পরিবর্তন সূর্যের  মঙ্গলবার ছিল আংশিক সূর্যগ্রহণ। তার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই সূর্যের এই পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সূর্যের হাসিমুখের ছবিটি নাসা তুলেছে স্থানীয় সময় ৯টা ৩৭ মিনিটে। তার পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভোরে ছবিটি টুইটারে শেয়ার করে নাসা। তবে বেশ মজাচ্ছলেই ছবির বিবরণে নাসা লিখেছে। সে চিজ হাসিমুখে ছবি তোলার জন্য বিদেশে এমন বলা দস্তুর। তার পর সূর্যের হাসিমুখের ব্যাখ্যাও দিয়েছে নাসা।  তারা লিখেছে যে, নাসার সোলার ডায়নামিক মানমন্দির সূর্যের হাসিমুখের এই ছবিখানা তুলেছে। যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ফাঁকে ধরা পড়েছে কলঙ্ক।যদিও চাঁদের কলঙ্কের সঙ্গে সূর্যের এই কলঙ্কের মিল নেই কোনও। নাসা জানিয়েছে যে, এই কালো ছোপকে বলা হয় করোনাল হোলস। প্রবল গ...

নাসার বিশেষ যন্ত্র মহাকাশ থেকে মিথেনের বিশ্বব্যাপী নির্গমন সনাক্ত করল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সম্প্রতি মহাকাশ থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস মিথেনের বিশ্বব্যাপী নির্গমন সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে নাসার একটি যন্ত্র। অরবিটাল যন্ত্রটি বায়ুবাহিত ধূলিকণা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আরও ভাল ভাবে বোঝার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।  এই ডিভাইসটিকে ইমেজিং স্পেকট্রোমিটার বলা হয়। সারা বিশ্বে ৫০ টিরও বেশি মিথেন  সুপার এমিটার’ সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে মধ্য এশিয়া মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ পশ্চিম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এটি জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্থাপন করা হয়েছিল। মিথেনের অতি-নিঃসরণকারীকে চিহ্নিত করল ডিভাইসটি কীভাবে? যন্ত্রটি মিথেনের হটস্পট সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য সন্ধানের চেষ্টা করছে। তবে রয়টার্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, এগুলি গ্যাস ফেসিলিটি এবং ল্যান্ডফিলগুলিতে আবিষ্কৃত হয়েছে। স্পেকট্রোমিটারটি পৃথিবীর মরুভূমি এবং অন্যান্য শুষ্ক অঞ্চল থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রস্ফুটিত ধূলিকণার খনিজ গঠন সনাক্ত করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। এটি  সেই অঞ্চলে পৃষ্ঠের মাটি থেকে প্রতিফলিত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিমাপ করে। নাসার আর্থ সারফেস মিনারেল ডাস্ট ই...

গিলবার্ট রোবট মাছ! প্লাস্টিক গিলে জল শুদ্ধ করবে এমনি দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
গিলবার্ট রোবট মাছ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  দেখতে ঠিক মাছের মতো। জলে ছেড়ে দিলে সাঁতরাতেও পারে নির্ভুল। তবে এই মাছ জ্যান্ত নয়। যন্ত্র দিয়ে তৈরি শরীর। ইংল্যান্ডের সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক ছাত্র মাছটি বানিয়েছেন জলকে প্লাস্টিককণার দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে। গিলবার্ট রোবট মাছ কিভাবে কাজ করে প্লাস্টিকের অত্যন্ত ছোট ছোট কণা যার আর এক নাম মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্রমেই চিন্তা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যবিদদের। এই প্লাস্টিক কণা আকারে এতটাই ছোট যে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জল খাওয়ার সময় চোখে পড়ে না।এভাবে  জলবাহী হয়ে শরীরে ঢুকে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এই প্লাস্টিক। সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি যন্ত্র মাছ জলকে এই প্লাস্টিক কণা মুক্ত করতে পারবে বলে দাবি করেছেন তাঁর স্রষ্টা। আরও পড়ুন:  কি হবে যদি সমুদ্রের জল শুকিয়ে যায়? মাইক্রোপ্লাস্টিক খালি চোখে তা চট করে দেখা সম্ভব নয়। এক একটি মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার ব্যাস হতে পারে বড়জোর ০.২ ইঞ্চি বা ৫ মিলিমিটার।যন্ত্র দিয়ে তৈরি রোবট মাছ সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করবে। জলে ছেড়ে দিলে ওই মাইক্রোপ্লাস্টিককে গিলে নিয়ে শুদ্ধ জল পেট থেকে ছেঁকে বের করবে এই রো...

সত্যিই কি এলিয়েন আছে? আকাশে দৃশ্যমান UFO রহস্যভেদ নতুন দল গঠন নাসার

ছবি
বার বার দেখা যাচ্ছে UFO। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই দলটি প্রায় নয় মাস ধরে গবেষণা করবে যা শুরু হবে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই। কেন বার বার দেখা যাচ্ছে UFO অজানা উড়ন্ত বস্তু ইউএফও মানবজাতির কাছে সবসময়ই রহস্যের বিষয়। যে রহস্যের সমাধান আজও অধরা রয়ে গিয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিভিন্ন আকার আকৃতির বস্তু দেখার রিপোর্ট আসতে থাকে আমাদের কাছে। যেগুলিকে এলিয়েন বা কখনও ইউএফও বলে দাবি করা হয়। কিন্তু কোথা থেকে তারা আসে আর কোথায়ই বা তারা যায়।তাদের উৎস সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর আজও আমাদের কাছে অজানা। আরও পড়ুন:  মহাকাশে দুই গ্যালাক্সি যুদ্ধ, বিরল সেই ছবি তুলে দেখাল নাসার টেলিস্কোপ গবেষণা দলটি বলছেন যে,  সিভিল স্পেস প্রোগ্রাম অ্যারোনটিক্স রিসার্চ এবং স্পেস রিসার্চের জন্য দায়ী আমেরিকার স্বাধীন সংস্থা নাসা এখন একটি ১৬ সদস্যের দল তৈরি করেছে। যারা এই কয়েক দশকের এলিয়েন বা ইউএফও সংক্রান্ত পুরনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করবে। এই গবেষণা দলটি ...

নক্ষত্রদের মধ্যে ধুলো জমলে কি হয়? পিলার্স অফ ক্রিয়েশন এর ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

ছবি
পিলার্স অফ ক্রিয়েশন এর ছবি । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ফের একটি অভাবনীয় ছবি তুলে বিশ্ববাসীর সামনে হাজির করল নাসার শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। জমকালো, অত্যন্ত বিস্তারিত ল্যান্ডস্কেপটিকে আইকনিক পিলার্স অফ ক্রিয়েশন বা সৃষ্টির স্তম্ভ বলা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এটি আসলে ঠিক কী আন্তঃনাক্ষত্রিক ধুলো এবং গ্যাস দিয়ে তৈরি তিনটি লুমিং টাওয়ারের একটি ভিস্তা।  পিলার্স অফ ক্রিয়েশন যা মাঝে মাঝে কাছাকাছি ইনফ্রারেড আলোতে আধা স্বচ্ছ দেখায়। ছবিটি এই স্তম্ভগুলির চারপাশে আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূলিকণার উপস্থিতি এবং ঘনত্বকে তুলে ধরে।আইকনিক সৃষ্টিটি বিশাল ঈগল নেবুলার মধ্যে সেট করা হয়েছে। যা ৬,৫০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।নাসার হাবল টেলিস্কোপ প্রথম ১৯৯৫ সালে সৃষ্টির স্তম্ভগুলি ক্যাপচার করেছিল এবং ২০১৪ সালে এটি পুনর্বিবেচনা করেছিল। নাসা সম্প্রতি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে যে, নবগঠিত তারকারা এই ছবিতে সিন স্টিলার। যখন গ্যাস এবং ধূলিকণার স্তম্ভের মধ্যে পর্যাপ্ত ভরের গিঁট তৈরি হয়। তখন তারা তাদের নিজস্ব অভিকর্ষের অধীনে ভেঙে পড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয় এবং অবশেষে নতুন তারা তৈরি করে।কিছু স...

মহাকাশ ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আলো পৌঁছতে ১.৯ বিলিয়ন বছর লাগল

ছবি
সর্বকালের সবশ্রেষ্ঠ শক্তিশালী বিস্ফোরণ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে এখনও পর্যন্ত সবথেকে উজ্জ্বল বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে গেল গত ৯ অক্টোবর। এই বিস্ফোরণটি টেলিস্কোপ দ্বারা রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করা হচ্ছে। নাসার তরফে বলা হচ্ছে যে, এটি গামা রশ্মি বিস্ফোরণ বা জিআরবি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।  মহাকাশ শক্তিশালী বিস্ফোরণ বিজ্ঞানীদের মতে, এটি GRB 221009A। বিশ্বের বেশ কয়েকটি টেলিস্কোপ এই বিস্ফোরণের পরের ঘটনা চাক্ষুষ করেছে।অসাধারণ দীর্ঘ GRB 221009A এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে উজ্জ্বল গামা রশ্মি। বলেছেন ব্রেন্ডন ও কনর ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড এবং ওয়াশিংটন ডিসির জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরাল ছাত্র। এই বিস্ফোরণ এখনও পর্যন্ত সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। তিনি যোগ করলেন যে, যেহেতু এই বিস্ফোরণগুলি খুব উজ্জ্বল এবং কাছাকাছি হয়েছে। আমরা মনে করি এদের সম্পর্কে ব্ল্যাক হোল গঠন থেকে ডার্ক ম্যাটার মডেলগুলি পরীক্ষা করা পর্যন্ত এই বিস্ফোরণগুলি সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন উন্মোচন করার বিষয়ে শতাব্দীর সেরা সুযোগ।বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন...

মঙ্গলে ছিল প্রাণ! জলবায়ু পরিবর্তন না হলে মানুষের বসবাসযোগ্য দ্বিতীয় গ্রহ হত, নতুন গবেষণা

ছবি
প্রাণ ছিল মঙ্গলে । ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে মানুষ বাস করতে এক সময়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে লালগ্রহ আর মানুষের বসবাসযোগ্য নয়। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। নতুন তত্ত্বটি নেচার জার্নালে প্রকাশিত একটি জলবায়ু মডেলিং সংক্রান্ত অধ্যয়নকে অনুসরণ করে।যা কয়েকশো কোটি বছর আগে মঙ্গলে বসবাসকারী জীবাণুগুলির অধ্যয়ন করেছিল।  আর সেই সময় লাল গ্রহে আমাদের পৃথিবীর মতোই জীবন বেঁচে থাকার অনুকূল বায়ুমণ্ডল ছিল।এটা বিশ্বাস করা হয় যে, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পরিবর্তনের কারণে সেখানে অণুজীবনের জীবন শেষ হয় সর্বপ্রথম। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব এবং মঙ্গলে তা শেষ হওয়ার মূল কারণ হল।দুটি গ্রহের গ্যাস গঠন এবং সূর্য থেকে তাদের দূরত্বের পার্থক্য। যেহেতু মঙ্গল গ্রহ সূর্য থেকে অনেক দূরে সেখানে যে প্রাণের সন্ধান মিলেছে তা বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল যা তাপমাত্রাকে বাঁচিয়ে রাখে। কিন্তু জীবাণুরা নিজেরাই তাদের গ্রহকে ধ্বংস করেছে। ডেইলি স্টারের খবর অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহের প্রাচীন অণুজীব হাইড্রোজেন গ্রহণ করত এবং মিথেন উৎপন্ন করত। ধী...

বিশ্বে প্রথম চাঁদের চারপাশে ঘুরবেন টিটো! ইলন মাস্কের স্টারশিপে চড়ে

ছবি
টিটো ও তার স্ত্রী ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  বিশ্বের প্রথম মহাকাশ পর্যটক এবার ইলন মাস্কের স্টারশিপে চড়ে চাঁদের চারপাশে ঘুরবেন। ২১ বছর আগে ৮২ বছর বয়সী ডেনিস টিটো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে খুব ছোট্ট করে ভ্রমণ করেছিলেন। এবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের চারপাশে চরকিপাক খাবেন।আর একটি অ্যাডভেঞ্চারের জন্য সাইন আপ করলেন বিশ্বের প্রথম মহাকাশ পর্যটক। এবার চাঁদের চারপাশে চরকিপাক খাবেন টিটো ও তার স্ত্রী ছোট্ট এই ট্রিপ যেন তাঁর স্পেস ট্যুরের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।২১ বছর পর সেই স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। টিটোর সপ্তাহব্যাপী মুনশট তাঁকে চাঁদের দূরবর্তী ২০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি নিয়ে আসবে। টিটো শুধু একা নন তার সঙ্গে থাকবেন তাঁর স্ত্রী আকিকো সহ মোট ১০ জন। চাঁদের চারপাশে যাত্রার জন্য তাঁরা সকলেই মোটা টাকা খরচ করতে ইচ্ছুক।তবে টিটো সহজ সত্যটি আগেভাগেই অনুধাবন করতে পেরেছেন।  তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, স্টারশিপের জন্য মহাকাশে পৌঁছনোর প্রথম প্রচেষ্টার আগে এখনও অনেক পরীক্ষা এবং উন্নয়ন বাকি রয়েছে। মিশনের জন্য যদি এতটা ছোটাছুটি না করতে হত তাহলে আমি একটি রকিং চেয়ারে বসে থাকতে পারতাম। কোনও ভাল ব...

ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে নাকি এলিয়েন! এমনি তথ্য মঙ্গল গ্রহ নিয়ে

ছবি
নাসার  ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নাসার প্রকৌশলীরা যখন এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি উড়িয়েছিল তখন সেই সময় তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন। নাসার হেলিকপ্টারের পা ধরে রেখেছে এলিয়েন প্রাণের সন্ধানে মঙ্গলে গিয়েছে নাসার পার্সিভারেন্স রোভার এবং ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার জেজ়োরে ক্রেটার। এর মধ্যেই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে ঘিরে একটি চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। গত সেপ্টেম্বরে নাসার বিজ্ঞানীরা এই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারকে। সেটি হল ইনজেনুইটির ৩৩ তম ফ্লাইট। আর ঠিক এই সময়েই নাসার ইঞ্জিনিয়াররা রহস্যমস একটি জিনিস দেখতে পান। এ প্রসঙ্গে একটা বিষয় জেনে রাখা ভাল যে, মঙ্গল গ্রহে অবতরণের জন্য এই ছোট হেলিকপ্টারটির ৪টি পা রয়েছে। তাঁরা এর পায়ের সঙ্গে একটি রহস্যময় বস্তুকে ঝুলতে দেখেছিলেন। জিনিসটি অনেকটাই সুতোর মতো দেখাচ্ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ওই বস্তুটিকে এলিয়েন আখ্যা দিয়েছেন।একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন যে, এলিয়েন তার পায়ের নীচে একটি সুতো বেঁধে রেখে ও...

চাঁদের জন্ম থিয়া ধাক্কায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই! নতুন তথ্য উঠে এল গবেষণায়

ছবি
থিয়া ধাক্কায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চাঁদের জন্ম ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় নতুন তথ্য উঠে এল বিজ্ঞানীদের হাতে। গবেষকদের দাবি করছেন যে, পৃথিবীর এই উপগ্রহটি তৈরি হতে শতাব্দীর পর শতাব্দী সময় লাগেনি। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চাঁদের সৃষ্টি হয়েছিল।চাঁদের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে পূর্বেও বহু গবেষণা হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী ভাবে এই উপগ্রহ তৈরি হয়েছে তার খুঁটিনাটি তথ্য অনেকাংশেই রহস্যে মোড়া। সম্প্রতি একটি গবেষণায় চাঁদের উৎস সম্পর্কে নতুন তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। থিয়া ধাক্কায় চাঁদের জন্ম ব্রিটেনের ডারহ্যাম ইউনিভার্সিটির অধীন ইনস্টিটিউট ফর কম্পিউটেশনাল কসমোলজির এক দল গবেষক জানিয়েছেন যে, চাঁদের সৃষ্টি হয়েছিল মাত্র কয়েক ঘণ্টায়। তাঁরা দাবি করেন, পৃথিবীর সঙ্গে থিয়া নামের এক মহাজাগতিক বস্তুর ধাক্কার পরপরই চাঁদের সৃষ্টি হয়। থিয়ার আকার প্রায় মঙ্গল গ্রহের সমান।পৃথিবীর সঙ্গে থিয়ার সংঘর্ষ ছিল তীব্র। ডারহ্যাম ইউনিভার্সিটির গবেষকরা কৃত্রিম ভাবে মডেল হিসাবে অতীতের সেই মহাজাগতিক ঘটনার পুনর্নিমাণ করে দেখিয়েছেন।  তাতে দেখা গিয়েছে যে, তীব্র সংঘর্ষে পৃথিবী এবং থিয়া থেকে ছিটক...

নক্ষত্রকে গিলে নিল আর এক নক্ষত্র! এমনি বিরল ঘটনার হদিস পেলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
নক্ষত্রকে গিলে নিল আর এক নক্ষত্র ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এক নক্ষত্রের গ্রাসে নিশ্চিহ্ন আর এক নক্ষত্র। মহাকাশে ঘুরতে ঘুরতে সঙ্গী তারাটিকে গিলে নিল আর এক তারা। বিরল মহাজাগতিক ঘটনার হদিস পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।মহাকাশ গবেষকরা জানিয়েছেন যে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে পৃথিবী থেকে ৩ হাজার আলোকবর্ষ দূরে ঘূর্ণায়মাণ এক নক্ষত্র যুগল সম্প্রতি পরস্পরের সঙ্গে প্রায় এক হয়ে গিয়েছে।  নক্ষত্র যুগলের ঘর ভাঙল একটি তারা অপরটিকে কার্যত গিলে নিয়েছে। ফলে সেখানে যুগ্ম তারার অস্তিত্ব আর নেই বললেই চলে। এমন ঘটনা মহাকাশে বেশ বিরল বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। মহাকাশে এমন একাধিক জোড়া নক্ষত্রের অস্তিত্ব রয়েছে। তারা একে অপরকে কেন্দ্র করে মৃদু গতিতে পাক খায়। বিজ্ঞানীরা তাদের নক্ষত্র দম্পতি কিংবা বাইনারি স্টার ও বলে থাকেন। আলোচ্য নক্ষত্র যুগল ‘ক্যাটাক্লিসমিস ভ্যারিয়েবল’ শ্রেণির অন্তর্গত।  তাদের পরস্পরকে প্রদক্ষিণের গতিও তুলনামূলক বেশি। মাত্র ৫১ মিনিটে পরস্পরের চার দিকে এক পাক সম্পন্ন করে এই দুই তারা। পৃথিবী থেকে তাদের ঔজ্জ্বল্যের হ্রাস বৃদ্ধিও লক্ষ্য করা যেত প্রায়ই।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, হাজার হাজার বছর ধরে এই দুই...

মহাকাশে দুই গ্যালাক্সি যুদ্ধ, বিরল সেই ছবি তুলে দেখাল নাসার টেলিস্কোপ

ছবি
দু’টি ছায়াপথের  যুদ্ধ বিরল দৃশ্য সেই ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে পাশাপাশি দু’টি ছায়াপথের বা গ্যালাক্সি ছবি ধরা পড়ল নাসার হাব্‌ল টেলিস্কোপে। বিজ্ঞানীদের দাবি যে, গ্যালাক্সি দু’টি পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ করছে। মহাকাশের গহীনে তৈরি হয়েছে সেই যুদ্ধের পটভূমি।নাসার তরফে জানানো হয়েছে যে, হাব্‌ল টেলিস্কোপে যে জোড়া ছায়াপথের ছবি দেখা গিয়েছে।  মহাকাশে দু’টি ছায়াপথের যুদ্ধ তাদের নাম এআরপি-ম্যাডোর ৬০৮-৩৩৩। ছবিতে তাদের পাশাপাশি ভাসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু আদতে তাদের মধ্যে সংঘর্ষের তোড়জোড় চলছে দাবি বিজ্ঞানীদের।হাব্‌ল টেলিস্কোপের ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, দু’টি ছায়াপথই চক্রাকার। তাদের আশপাশে ছোট বড় অসংখ্য নক্ষত্র ও অন্য মহাজাগতিক উপাদান ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। নাসা জানিয়েছে, এই দুই গ্যালাক্সির মধ্যে মহাকর্ষজ বল ক্রিয়াশীল। আরও পড়ুন:  নেপচুনের আসল স্পষ্ট ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ, ৩০ বছর পর ধরা পড়ল বলয়ও তারা একে অপরকে আকর্ষণ করছে। হাব্‌ল এর অ্যাডভান্সড ক্যামেরা ফর সার্ভেস সেই ছবিই তুলে এনেছে। নাসার তরফে এই বিশেষ ছায়াপথ দুটির উপর আগামী দিনেও নজর রাখা হবে ...

চাঁদের মাটিতে প্রচুর সোডিয়াম পেল ইসরো! তথ্য চন্দ্রযান-২’র

ছবি
ইসরোর চন্দ্রযান-২ ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  চাঁদের মাটিকে কী আছে আর কী নেই, সেই উত্তর যথাযথভাবে পেতেই যুগের পর যুগ ধরে গবেষণা চলছে। মৌল পদার্থ আদৌ আছে কি না, থাকলে সেসব কোন জাতের পদার্থ। সেটাই গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে। আর সম্প্রতি সেই গবেষণা কাজে নয়া মাত্রা যোগ করল চন্দ্রযান-২। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের রাসায়নিক গঠন নিয়ে অন্যভাবে ভাবতে হচ্ছে।  চন্দ্রপৃষ্ঠের সোডিয়ামের ম্যাপিং করল চন্দ্রযান-২ চন্দ্রযান-২’র স্পেকট্রোমিটারে ধরা পড়েছে যে, চাঁদের মাটিতে সোডিয়ামের প্রাচুর্য রয়েছে। অর্থাৎ নুনের ভাগ বেশি। তবে সোডিয়াম কি চাঁদের নিজস্ব খনিজ নাকি তা সৌরঝড়ের দাপটে চাঁদের মাটিতে এসে পড়েছে। তা বোঝার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চন্দ্রযান-২ অভিযান খুব একটা সাফল্যের মুখ দেখেনি। চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের চূড়ান্ত মুহূর্তের আগে তা গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে ল্যান্ডার বিক্রম ভেঙে পড়ে।  তবে ল্যান্ডার ভেঙে পড়লেও অরবিটার এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ অক্ষত।বিশেষত হাই রেজোলিউশন ক্যামেরা দারুণ কাজ করছে বলে জানতে পেরেছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেই চন্দ্রপৃষ্ঠের খুঁটিনাটি ছবি পাঠাচ্ছে...

নাসার জুনো বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপার প্রথম ছবি শেয়ার করেছে, কেমন সেই ছবি?

ছবি
বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপার প্রথম আসল ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স: নাসার জুনো মহাকাশযান বৃহস্পতির চাঁদ, ইউরোপার হাই-রেজোলিউশনের ছবি ক্যাপচার করতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রথম ইউরোপার এমন হাই-রেজ়োলিউশন ছবি উঠল। যা চাঁদের ভাঙা বরফের ভূত্বকের একটি বিশদ আভাস প্রদান করে। সম্প্রতি Phys.org-এর প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে এমনই তথ্য জানা গিয়েছে। জুনো বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপার কেমন ছবি তুলল ছবিটি চাঁদের একটি নির্দিষ্ট অংশের যা প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বাই ২০০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে। চিত্রটিতে খাঁজ এবং শিলাগুলির একটি ক্রিসক্রসড নেটওয়ার্কে আবদ্ধ অঞ্চল দেখা গিয়েছে। ছবিটির উপরের ডানদিকে ও কেন্দ্রের নীচে গাঢ় দাগ রয়েছে।কেন্দ্রের ঠিক নীচে ডানদিকে মিউজিক্যাল নোটের মতো একটি সারফেস ফিচার রয়েছে। যা ৬৭ কিলোমিটার বাই ৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ। চিত্রটিতে দৃশ্যমান ক্ষুদ্র সাদা চশমাগুলি চাঁদ জুড়ে একাধিক বিকিরণ এমন পরিবেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী উচ্চ শক্তি কণার ইঙ্গিত দেয়। এটি জুনোর স্টেলার রেফারেন্স ইউনিট ব্যবহার করে ধারণ করা হয়েছিল।একটি স্টার ক্যামেরা যা মহাকাশযানের অভিযোজনে সহায়তা করে। ২৯ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪১২ কিলোমিটার দূরত্...

নারী স্বাধীনতার নয়া ধাপ, ২০২৩ এ নারী নভোচারীকে মহাকাশে পাঠাবে সৌদি আরব

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশযুদ্ধে রাশিয়া ও আমেরিকার একচেটিয়া আধিপত্যকে খর্ব করতে মরিয়া চিন। সেই সঙ্গে এই তালিকায় নিজেদের স্থানও উজ্জ্বল করতে চাইছে আরব দেশগুলিও। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলের কক্ষপথে সফলভাবে প্রবেশ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মহাকাশযান।  কবে সৌদি আরব মহিলা নভোচারীকে মহাকাশে পাঠাবে এবার সৌদি আরবও জানিয়ে দিল যে, তাদের মহাকাশ অভিযানের কথা। ২০৩০ সালেই মহাকাশে অভিযান করতে চাইছে তারা। আর সেখানে পুরুষ মহাকাশচারীদের সঙ্গে এক মহিলাকেও মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।সৌদি স্পেস কমিশনের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, ২০৩০ সালের মহাকাশ অভিযানের দিকে তাকিয়ে এই স্পেস প্রোগ্রামের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সব ঠিক থাকলে মানব সভ্যতার উন্নতির লক্ষ্যে মহাকাশে মানুষ পাঠানো হবে।  তাঁদের মধ্যে থাকবেন একজন মহিলা মহাকাশচারীও। রক্ষণশীল আরব দেশের তরফে এমন ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।সাত মাস ধরে ৩০ কোটি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মহাকাশযান আমাল। ওই ঘটনায় দেশের সর্বত্র আলোড়ন পড়ে যায়। পৃথিব...

উজ্জ্বল নক্ষত্রের আশপাশেই লুকিয়ে রয়েছে অশরীরি তাঁরা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  তার পর একটি বিস্ফোরণ হয়ে মৃত্যু হয় তারার।তারা নয় তাঁরা। রাতের আকাশে ঝকঝক নক্ষত্রদেরও তো মৃত্যু হয়। সেই সব মৃত তারাদের নিয়েই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে একটি রিপোর্ট। জানা গিয়েছে যে, ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গায় ভরে রয়েছে এই সব মৃত তারায়।  তাদের সংখ্যা এতটাই বেশি যে, প্রতিটি জীবিত তারার ১০০ আলোক বর্ষের মধ্যেই পাওয়া যাবে অন্তত একটি অশরীরি তারাকে। যেমন সূর্যের সবচেয়ে কাছের মৃত তারাটির দূরত্ব ৬৫ আলোকবর্ষ। মহাকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলিরই স্থায়িত্ব হয় সবচেয়ে কম। তারা তাদের ভিতরের হাইড্রোজেন ১০ লক্ষ বছরের মধ্যেই শেষ করে ফেলে। তার পর একটি বিস্ফোরণ হয়ে মৃত্যু হয় তারার। শেষে থেকে যায় শুধু মূল অংশটুকু। হয় জৌলুসহীন বস্তু হয়ে নয়তো আশপাশের সবকিছু গিলে খাওয়া কৃষ্ণ গহ্বর হয়ে।  আরও পড়ুন:  টেলিস্কোপের ক্যামেরা কাছে গেলেই নাকি কমে যায় তাপমাত্রা! এমনি সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল কিন্তু সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে যে, ছয়াপথ থেকে এই মৃত তারারাও ছিটকে যাচ্ছে কখনও সখনও। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি হারিয়ে তারা বেরিয়ে যাচ্ছে ছায়াপথের আগল ছেড়ে। ঘটনাটিকে মজাচ্ছলে কবর খান...

Wi-fi speed: ওয়াইফাই রাউটার হবে এখন রকেট, গতি বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায়

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   নানা কারণে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়। ইন্টারনেট ডাউন বা স্লো হয়ে গেলে কী ধরনের সমস্যা বা বিরক্তি হয় তা আমরা সবাই জানি। ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের নিত্যনৈমিত্তিক যত কাজ রয়েছে তার সবই কোনো না কোনো সময় শ্লথগতির ইন্টারনেটের কবলে পড়েছে। হোক সেটি ইউটিউবের ছোট কোনো ভিডিও কিংবা স্কাইপে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ কোনো সাক্ষাৎকার। ওয়াইফাই রাউটারের গতি বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায়  ইন্টারনেটের এ ধরনের আচরণের পেছনে বহুবিধ কারণ থাকতে পারে। তবে অনেক সময়ই দেখা যায় যে, মূলত রাউটারের কারণে ইন্টারনেটের গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে। চলুন জেনে নেয়া যাক রাউটারের গতি বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায়। ১। পরিষেবা নির্বাচন কানেকশন নেয়ার আগে ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারী এবং বিভিন্ন প্ল্যান সম্পর্কে খোঁজ খবর করুন। প্রতিবেশীদের থেকে জেনে নিন আপনি যে অঞ্চলে থাকেন সেখানে কোন সংস্থা সবচেয়ে ভালো পরিষেবা। এমন একটি সংস্থা থেকে লাইন বেছেনিতে যা অন্তত ১০ এমবিপিএস পার সেকেন্ড গতির ওপরে স্পিড দেয়। ২। রিস্টার্ট এবং রিবুট রাউটারের গতিবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এটি অত্যন্ত প্রচলিত একটি পন্থা। টেক বিশেষজ্ঞরাও একদম ...