পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

চীনোও এবার মহাকাশে পর্যটকদের নিয়ে যাবে, এলন মাস্ক-বেজোসদের মতো

ছবি
বেজোস-মাস্কদের মতো পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যাবে চিন। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আমেরিকার জেফ বেজোস বা এলন মাস্কদের মতোই মহাকাশ পর্যটনের দৌড়ে ঢুকতে চায় চিন সরকার। আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যটকদের মহাকাশের সফরে নিয়ে যাওয়াই চিনের লক্ষ্য।চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনের রিপোর্টে দাবি। পর্যটকদের মহাকাশে নিয়ে যেতে চায় চিন ২০২৫ সালের মধ্যে স্বল্প সময়ের জন্য মহাকাশে ঘোরাফেরার বন্দোবস্ত করতে চায় চীন সরকার। বেজিংয়ের রকেট সংস্থা সিএএস স্পেসের এক বিজ্ঞানী ইয়াং ইকিয়াং জানিয়েছেন যে, তিন ভাবে মহাকাশ সফরের কথা চিন্তা ভাবনা করছেন তাঁরা। যদিও সেগুলি কী কী, তা খোলসা করেননি তিনি। তবে বেজোসের ব্লু অরিজিন নামের সংস্থার মতোই পর্যটকদের পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় কারম্যান লাইনের কাছে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। ব্লু অরিজিনের হাত ধরে মহাকাশ পর্যটন ব্যবসার সামনের সারিতে রয়েছেন অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজোস। চলতি বছরে তাঁর সংস্থার তরফে পর্যটকদের তিন বার মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বেজোস ছাড়াও ব্রিটিশ ধনকুবের রিচার্ড ব্র্যানসনের সংস্থাও এই দৌড়ে নেমে পড়েছে। ব্র্যানসনের সংস্থা ভার্জিন গ্যালাকটিকের রকেট অবশ্য পর্...

গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিতে সক্ষম ডার্ট! পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসার এই মহাকাশযান

ছবি
নাসার মহাকাশযান  ডার্ট  এর ছবি। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মহাকাশে ঘুরতে থাকা বিশাল এক গ্রহাণুকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়েছে নাসার মহাকাশযান ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট, সংক্ষেপে ডার্ট। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা যে কোনও মহাজাগতিক বস্তুর হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে এই মহাকাশযানটি বানিয়েছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তার সফল পরীক্ষা হল মঙ্গলবার রাতে। ডার্ট ধাক্কা মারল বিশাল গ্রহাণুকে নাসার ডার্ট যে গ্রহাণুটিকে ধাক্কা মেরেছে তার নাম ডাইমরফোস। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে , প্রায় ৫২৫ ফুট চওড়া এই গ্রহাণু আকারে আস্ত একটি ফুটবল স্টেডিয়ামের মতো। মহাকাশে প্রায়ই এমন গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে। কখনও কখনও নীল গ্রহের একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায় সেগুলি। যে কোনও মুহূর্তে এই সব মহাজাগতিক বস্তু বিপদ ডেকে আনতে পারে। তা এড়াতেই ডার্ট বানিয়েছেন নাসার গবেষকরা। জানা গিয়েছে যে, এই ডাইমরফোস থেকে আপাত ভাবে পৃথিবীর কোনও বিপদের সম্ভাবনা ছিল না। তার উপর কেবল পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে ডার্ট। এটি পৃথিবী থেকে এক কোটি ১০ লক্ষ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। ডাইমরফোস প্রদক্ষিণ করছে ডিডাইমোস নামের আরও ...

৫৯ বছর পর পৃথিবীর অনেকটা কাছে এল বৃহস্পতি, এমনটা আর ১০৭ বছরে হবে না

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সর্বক্ষণ স্রেফ আকাশের দিকে চোখ রাখলেও বোধহয় সূক্ষ্ণ থেকে সূক্ষ্মতর মহাজাগতিক ঘটনার অনেক কিছুই অজানা থেকে যায়। তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের চোখ ফাঁকি দেওয়া এত সহজ নয়। মহালয়ার পর শরতের আকাশে যে একে অপরের সবচেয়ে কাছে চলে এসেছে পৃথিবী ও বৃহস্পতি তা ঠিক টের পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে  নাগাদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে এসেছে গুরুগ্রহ। মহাকাশে চোখ তাকালে দেখা যাবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেখা যাবে এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির আকার আয়তন বেশি হওয়ায় গতি কম। সূর্যকে একবার পাক খেতে সময় লাগে ১১ বছর। উপগ্রহের সংখ্যা ৫৩। বৃহস্পতি আর পৃথিবীর দূরত্ব ৫৯ কোটি ৬ লক্ষ ২৯ হাজার ২৪৮ কিলোমিটার। গুরুগ্রহকে রাতের আকাশে কিন্তু খালি চোখেই দেখা যায়। এবার তা আরও কাছ থেকে আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।এভাবে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর সঙ্গে একই অক্ষরেখায় আসাটা যথেষ্ট বিরল ঘটনা।  আরও পড়ুন:  দুই গ্রহে বেঁচে থাকতে পারবে মানুষ! পৃথিবী ছাড়াও অবাক করা দাবি বিজ্ঞানীদের ৫৯ বছর পর এমন দৃশ্যের সাক্ষী রইল মহাবিশ্ব। হিসেবনিকেশ করে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন য...

নেপচুনের আসল স্পষ্ট ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ, ৩০ বছর পর ধরা পড়ল বলয়ও

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  নেপচুনের এক গুচ্ছ ছবি তুলে পাঠাল নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। গত ৩০ বছরে সৌরজগতের শেষ গ্রহটির এত সুস্পষ্ট ও ঝকঝকে ছবি আর পাওয়া যায়নি। জেমস ওয়েবের তুলা এই নতুন ছবিগুলি নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই।  নেপচুনের আসল স্পষ্ট ছবি ধরা পড়ল বলয়ও পৃথিবী থেকে নেপচুনের দূরত্ব ৪৩০ কোটি কিলোমিটার। পুরু বরফের চাদরে মোড়া গ্রহটিতে নতুন করে আলোকপাত করেছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। টেলিস্কোপের ছবিগুলিতে নেপচুনের বলয়গুলি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠেছে। নেপচুনের বলয় সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ অনেক দিনের। কিন্তু উপযুক্ত প্রযুক্তির অভাবে এত দূরের গ্রহের চার দিকের বলয় ভাল ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।  আরও পড়ুন:  মঙ্গলগ্রহে একাই অভিযান চালাবে রাশিয়া, ঘোষণা করল রুশ স্পেস সেন্টার রসকমস ১৯৮৯ সালে নাসার ভয়েজার ২ মহাকাশযানের তোলা ছবিতে শেষ বার দেখা গিয়েছিল নেপচুনের বলয়। তার পর থেকে আর এই বলয়ের দেখা পাননি গবেষকরা। জেমস ওয়েবের ছবি ঘিরে তাই তাঁদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, তিন দশক আগে নেপচুনের বলয়ের যে ছবি দেখা গিয়েছিল তা ছিল খুবই অস্...

নীহারিকাপুঞ্জ ৮,০০০ আলোকবর্ষ দূরের, লবস্টার ছবি প্রকাশ্ ডার্ক এনার্জি ক্যামেরা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  লবস্টার নেবুলার একটি চোখধাঁ ধানো ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। জ্বলন্ত লাল একটা ছবি সেই ছবিটি তোলা হয়েছে ডার্ক এনার্জি ক্যামেরার মাধ্যমে। এই ক্যামেরা আসলে এমনই এক যন্ত্র । যা ডার্ক এনার্জির গোপনীয়তা পড়ার জন্য ডিজ়াইন করা হয়েছে।ঠিক যেন লেলিহান অগ্নিশিখা ১০৫ তলা লম্বা বিল্ডিংয়ে যদি আগুন ধরে যায়। তার লেলিহান শিখা যেমন হতে পারে তার থেকে কোনও অংশে কম তো নয়ই বরং কয়েক গুণ বেশি। লবস্টার নেবুলার একটি চোখধাঁধানো ছবি প্রকাশ্যে এসেছে।  নীহারিকাপুঞ্জ অর্থ কি জ্বলন্ত লাল একটা ছবি। সেই ছবিটি তোলা হয়েছে ডার্ক এনার্জি ক্যামেরার মাধ্যমে। এই ক্যামেরা আসলে এমনই এক যন্ত্র যা ডার্ক এনার্জির গোপনীয়তা পড়ার জন্য ডিজ়াইন করা হয়েছে। নেবুলা বা নীহারিকা হল ধূলিকণা এবং গ্যাস দিয়ে তৈরি নক্ষত্র গঠনকারী অঞ্চল। একটি নীহারিকা সাধারণত তারাদের মধ্যে শূন্যস্থানে পাওয়া যায়।ডার্ক এনার্জি ক্যামেরা হল চিলির সেরো টোলোলো ইন্টার আমেরিকান অবজারভেটরিতে ভিক্টর এম ব্লাঙ্কো টেলিস্কোপের উপরে মাউন্ট করা একটি যন্ত্র।  লাল চকচকে লবস্টার নেবুলার ছবি এটি ডার্ক এনার্জি সার্ভে প্রকল্পের অংশ যা অন্ধকার শক্...

প্রাণের সন্ধান মঙ্গলে পেল নাসার পারসিভারেন্স রোভার? বড় রহস্যের উন্মোচন করলেন বিজ্ঞানীরা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  প্রাচীন অতীতে মঙ্গলে যে একটি হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির সন্ধান মিলেছিল তা আগেই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সেই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে মঙ্গলে বেশ বড় বড় কিছু গর্তেরও সৃষ্টি হয়েছিল। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই গর্তে অনুসন্ধান চালানোর পর নাসার পারসিভারেন্স রোভারটি শেষমেশ জ্যাকপটের সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করছেন  নাসার  বিজ্ঞানীরা।  মঙ্গল গ্রহে এখন পর্যন্ত কি কি পাওয়া গেল মঙ্গলের ওই গর্ত থেকে জৈব উপাদানের খোঁজ মিলেছে। আর সেখান থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করছেন মঙ্গলে আসলে কী ধরনের প্রাণ ছিল।নাসার ওই এসইউভি সাইজ়ের রোভারটি পৃথিবীতে যে সব নুমনা পাঠিয়েছে তাতে এমনই কিছু উপাদানের সন্ধান মিলেছে। যা থেকে প্রাণের রহস্যের কিনারা করা যেতে পারে বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। খুব সম্প্রতি এই পারসিভারেন্স রোভারটি আরও কিছু অনন্য আবিষ্কার করেছে। মঙ্গল গ্রহের বহু নদী ও বদ্বীপ থেকে মোট চারটি নমুনা সংগৃহীত হয়েছে। যেখানে জীবনের সন্ধান মেলার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। পারসিভারেন্স প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট কেন ফার্লে বলছেন যে, বদ্বীপ তার বিভিন্ন পালল...

দুই গ্রহে বেঁচে থাকতে পারবে মানুষ! পৃথিবী ছাড়াও অবাক করা দাবি বিজ্ঞানীদের

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি গড়ে উঠেছে সভ্যতা। তবে এবার, পৃথিবী ছাড়াও অন্যান্য গ্রহগুলিতে প্রাণের সন্ধান রয়েছে কি না তা নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় লিপ্ত রয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এমনকি যদি কোনো গ্রহে জীবনধারণের পরিবেশ থাকে সেক্ষেত্রে সেখানে মানব সভ্যতা স্থাপনের বিষয়টিও ভাবনায় রেখেছেন তাঁরা।  এমতাবস্থায় বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, বর্তমানে তাঁরা এমন দু’টি এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার করেছেন। যেগুলিতে মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এক্সোপ্ল্যানেট আসলে ঠিক কি? এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, বিজ্ঞানের ভাষায় এক্সোপ্ল্যানেট শব্দটি ব্যবহার করা হয় সেই সব গ্রহের জন্য, যেগুলি আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থান করে অন্য কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। জেনে সেই দু’টি গ্রহ সম্পর্কে মূলত বিজ্ঞানীরা যে দু’টি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন সেগুলি আমাদের থেকে প্রায় ১০০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে যে, জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী লেটিশিয়া ডেলরেজ এই আবিষ্কারের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর দলটিতে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা অন্তর্ভুক্ত...

ধেয়ে আসছে গ্রহাণু! মহাকাশযান গিয়ে ধাক্কা দেবে গ্রহাণুর গায়ে উদ্যোগ নাসার

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  ধেয়ে আসছে এক জোড়া গ্রহাণু, মুখ ঘোরাতে মহাকাশযান পাঠিয়ে ধাক্কা দেওয়া হবে উদ্যোগ নাসার।এ যেন একেবারে কল্পবিজ্ঞানের পাতা থেকে উঠে আসা গল্প। মহাকাশ থেকে ধেয়ে আসছে গ্রহাণু। আর তার মুখ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশে পাঠানো হল একটি মহাকাশযান। সেই মহাকাশযান গিয়ে ধাক্কা দেবে গ্রহাণুর গায়ে। এমনই পরিকল্পনা আমেরিকার মহাকাশসংস্থা নাসার বিজ্ঞানীদের।  কিভাবে মুখ ঘোরাতে মহাকাশযান পাঠিয়ে ধাক্কা দেওয়া হবে বিজ্ঞানীদের একাংশের বলছেন যে, পৃথিবীর বুকে বিশাল এক গ্রহাণু এসে ধাক্কা মারার ফলেই চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায় ডাইনোসররা। তেমনই কোনও গ্রহাণু যদি ফের ধেয়ে আসে পৃথিবীর দিকে। তবে ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। তাই এই ধরনের ঘটনা আটকাতে বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। এই লক্ষ্যে ডবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা ডার্ট’ বলে একটি অভিযান শুরু করে নাসা। আরও পড়ুন:  ২০ বছর পর দেখা যাবে উল্কা ঝড়! এই মাসেই ক্ষয়-ক্ষতি আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাবে ডিডাইমস ও ডাইমরফিস নামের এক জোড়া গ্রহাণু। বিজ্ঞানীরা অঙ্ক কষে দেখেছেন দু’টি গ্রহাণুর কোনওটিরই পৃথিবীতে আছড়ে প...

চাঁদে তিন-তিনটে মিশন করবে চিন, নতুন খনিজ পাওয়ার লক্ষ্যে

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  যত দ্রুত সম্ভব চাঁদকে হাতের মুঠোয় এনে অন্বেষণ করতে চাইছে চিন। সেই উদ্দেশ্যেই শি জ়িনপিংয়ের দেশটি এখন চাং ই চন্দ্র কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী দশ বছরে তিনটি চাঁদের মিশন চালু করার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে। তবে এই মিশনগুলির পিছনে কিছু অন্য খেলাও রয়েছে। আসলে চাঁদে একটি নতুন খনিজ পাওয়ার পরে চিনের জাতীয় মহাকাশ প্রশাসনকে ভবিষ্যতে তিনটি মিশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। চন্দ্রাভিযান চিনের সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী যে, পরবর্তী দশকে চিন চাঁদে তিনটি কক্ষপথ চালু করতে চলেছে। এদিকে দ্য গ্লোবাল টাইমসের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে। তৃতীয় দেশ হিসেবে চিন একটি নতুন চন্দ্র খনিজ আবিষ্কার করে যাকে চেঞ্জসাইট ওয়াই বলা হয়।চিনের Chang’e-5 মিশনের নমুনাগুলি ২০২০ সালে পুনরুদ্ধার করে মূল্যায়ন করা হয়েছিল এবং খনিজটিও তার খুব একটা পরে আবিষ্কৃত হয়নি। খনিজটি হিলিয়াম-৩ সমৃদ্ধ। যা ভবিষ্যতে শক্তির উৎস হতে পারে। চীন চাঁদ মিশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের মধ্যে মহাকাশ প্রতিযোগিতা বেশ দ্রুত গতি পাচ্ছে এবং উভয় দেশই এখন চাঁদের দক্ষিণ মেরুর দিকে তাকিয়ে আছে। যেখানে চিন একটি গবেষণা ক...

টেলিস্কোপের ক্যামেরা কাছে গেলেই নাকি কমে যায় তাপমাত্রা! এমনি সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যময় এক এলাকার খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গেলেই নাকি অদ্ভুত ভাবে কমে আসে তাপমাত্রার পারদ। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এনএসও এর শক্তিশালী একটি সোলার টেলিস্কোপ এই তথ্য সংগ্রহ করেছে। সূর্যপৃষ্ঠে রহস্যে ঘেরা এক অঞ্চল জানা গিয়েছে যে, সূর্যের মধ্যেকার এই রহস্যে ঘেরা অঞ্চলটির নাম ক্রোমোস্ফিয়ার। এটি সৌর পরিমণ্ডলের একটি স্তর, যার সূচনা সূর্যপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার উঁচুতে। ১২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় এই স্তরের সর্বোচ্চ সীমা। ক্রোমোস্ফিয়ারের মধ্যে তাপমাত্রার তারতম্য রয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি যে, সাধারণত সূর্যের ক্রোমোস্ফিয়ারের নীচের দিকে তাপমাত্রা থাকে তিন হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর উপরের দিকের তাপমাত্রা থাকে ৭ হাজার ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।  কিন্তু এই স্তরের একটি বিশেষত্ব খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা জানিয়েছেন যে, সূর্যের এই বিশেষ স্তরটি থেকে দূরে সরে গেলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। যেখানে সূর্যের অন্যান্য স্তরগুলির ক্ষেত্রে ঘটে বিপরীত ঘটনা। সে সব স্তর থেকে সূর্যের কেন্দ্রের আরও কাছে গেলে তাপমাত্রা বাড়ে। দূরে গেলে গরম...

নতুন এলিয়েন বিশ্বের সন্ধান পেল নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আকর্ষণীয় একটি এলিয়েন বিশ্বকে উন্মোচিত করেছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। সে এমনই এক এলিয়েন দুনিয়া, যা শস্যের ঝাঁকে আবৃত এবং বালিকে প্রতিফলিত করে। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের MIRI এবং NIRSpec সেন্সরগুলি এই এলিয়েন দুনিয়াটি আবিষ্কার করেছে।  এলিয়েন দুনিয়া অদ্ভুত বালির মেঘ দ্বারা আবৃত  সাম্প্রতিকতম একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে যে, এই ধরনের এক্সোপ্ল্যানেটের সন্ধান প্রথমবার মিলল। বিজ্ঞানীরা একটি বাদামী বামনের চারপাশে সিলিকেট সমৃদ্ধ মেঘের ইঙ্গিত খুঁজে পেয়েছেন যা বৃহস্পতির তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বড়। VHS 1256 b হল কর্ভাস নক্ষত্রমণ্ডলের একটি বাদামী বামন যা পৃথিবী থেকে ৭২ আলোকবর্ষ দূরে এবং দুটি ক্ষুদ্র লাল বামন নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। যা সত্যিই চাঞ্চল্য ফেলে দেওয়ার মতো একটি বিষয়। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই অদ্ভুত এক্সোপ্ল্যানেটটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল এবং এর লালচে বর্ণের কারণে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা রীতিমতো বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন যে, কোনও ধরনের বায়ুমণ্ডল এই চকচকে লাল বর্ণের জন্য দায়ী হতে পারে। space.com এর রিপোর্ট অনুযায়ী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কো...

চিনে হঠাৎ আকাশে ভেসে উঠল রহস্যময় ভিন রঙের মেঘ

ছবি
ভিন রঙের মেঘর ছবি দেখা গেল চিনে। ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  আকাশে মেঘের খেলা প্রায়সময়ই দেখা যায়। কখনও ঘোড়ার আকার,আবার কখনও পাখি মত। কিন্তু শুধু আকারই নয় রঙও বদল করে মেঘ। একসঙ্গে অনেক রঙের মেঘ কখনও দেখেছেন কি? অদ্ভুত এই নির্দশনেরই সাক্ষী থেকেছে চিনের গুয়াংডং প্রদেশ। সেখানেই ভিন রঙের মেঘ নজরে এসেছে। এক নজরে দেখলে প্রথমে রামধনু বলে মনে করা হলেও এটি আসলে মেঘ। মেঘের এক তুলো পেজা উপরেই গোলাপি আকাশি আভার এই রেশ দেখা গিয়েছিল সেখানে। কোথায় দেখা গেল ভিন রঙের মেঘ জানা গিয়েছে যে, দক্ষিণ চিনের গুয়াংডং প্রদেশের পুনিং সিটিতে গত অগস্ট মাসের শেষভাগে এই রামধনুর মতো দেখতে মেঘ দেখা যায়। বাসিন্দারা কিউমুলাস মেঘটির ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই হইচই পড়ে যায়। রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায় সেই মেঘের ছবি। এখনও অবধি ১.৩ কোটিরও বেশি মানুষ ওই মেঘের ছবি দেখেছেন এবং ৫ লক্ষেরও বেশি লাইক পড়েছে।পাইলাস যাকে ক্যাপ ক্লাউড বা স্কার্ফ ক্লাউডও বলা হয় থাকে।আসলে তা হল কিউমুলাস বা কিউমুলোনিম্বাস মেঘের ঠিক উপরে তৈরি হওয়া মসৃণ মেঘের এক আস্তরণ। যেভাবে তৈরি হয় এই উজ্জ্বল মেঘের পুঞ্জ বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে, মূলত বায়...

মক্সি যন্ত্র দিয়ে এবার মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করছে নাসা, Mars Oxygen

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:  মঙ্গলে গিয়েও অক্সিজেন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে নাসার পাঠানো মক্সি যন্ত্র।তাহলে কি মানুষ এবার পাড়ি দিতে পারবে মঙ্গল গ্রহে। মঙ্গল অভিযানে যেতে পারবেন মহাকাশচারীরা! সম্প্রতি গবেষকরা তুলে ধরেছেন চাঞ্চল্যকর আবিষ্কার। সেই আবিষ্কারের উপর ভর করে অনায়াসে মঙ্গলে পাড়ি দিতে পারবেন মানুষ। নাসার মঙ্গল অভিযানও এবার সম্ভব হবে। মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করছে নাসার মক্সি যন্ত্র মঙ্গলে মক্সি যন্ত্র পাঠিয়ে গবেষকরা আশা করছেন যে, স্কেল আপ সংস্করণ একদিন মঙ্গলে মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে। একটি লাঞ্চ বক্সের আকারের যন্ত্রের সাহায্যে সফলভাবে মঙ্গল গ্রহে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারবে মানুষ। নাসার ওই মক্সি যন্ত্র মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করছে। সেটি কাজ করছে একেবারে একটি ছোট গাছের মতো। মক্সি যন্ত্র বিভিন্ন ঋতুতে মঙ্গলে অক্সিজেন তৈরি করতে সক্ষম নাসার পারসিভারেন্স রোভার মিশনের অংশ হিসেবে মক্সি মঙ্গলের পৃষ্ঠে নেমেছিল। তারপর একটি সমীক্ষায় গবেষকরা জানান যে, ২০২১ সালের শেষ নাগাদ মক্সি সাতটি পরীক্ষামূলক গবেষণায় অক্সিজেন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল।রাত ও দিন সহ বিভিন্ন বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতিতে এবং বিভিন্ন ঋতুতে ...

ভয়েজার-১ এর রহস্যময় ভুল সংকেতের সমস্যা সমাধান করল এবার নাসা

ছবি
ওয়েস্টার্ন ডেটা সায়েন্স:   এক দশক আগেই সূর্যের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল নাসার মহাকাশযান ভয়েজার-১ । বর্তমানে সেটি রয়েছে ইন্টারস্টেলার স্পেসে। মহাশূন্যের সেই সুদূর কোণ থেকেই সংকেত পাঠাচ্ছিল সেটি। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরেই লাগাতার ভুল তথ্য পাঠাচ্ছিল ভয়েজার-১।যার ফলে চিন্তিত হয়ে পড়ছিলেন বিজ্ঞানীরা। অবশেষে সেই সমস্যার সমাধান করতে সমর্থ হলেন তাঁরা। ভুল সংকেত ভয়েজার-১-এর সমস্যা মেটাল নাসা ভয়েজারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে অ্যাটিচিউড আর্টিকুলেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম তথা এএসিএসের উপরে। কিন্তু সেখান থেকেই বিকৃত তথ্য পৌঁছচ্ছিল পৃথিবীতে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, অনুসন্ধানকারী দল ওই বিকৃত তথ্যের উৎস সন্ধান করতে গিয়ে দেখেছে এএসিএস টেলিমেট্রি ডেটা পাঠাচ্ছিল এমন এক কম্পিউটার থেকে যেটি বহু দিন আগেই কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। ওই কম্পিউটারই তথ্যগুলিকে বিকৃত করে দিচ্ছিল। যার জন্য ভয়েজার-১-এর ভিতরে কি ঘটছে সে সম্পর্কে কিছুই জানা যাচ্ছিল না। আরও পড়ুন:  সৌরজগতের বাইরে মহাকাশযান ভয়েজার ১ রহস্যজনক আচরণ করছে অবশেষে সমস্যাটির সমাধান করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা এএসিএসকে নির্দেশ দিয়ে...

পর্তুগালে পৃথিবীর সবথেকে বড় ডাইনোসর কঙ্কালের অবশেষ মিলল

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এখনও পর্যন্ত সবথেকে বড় ডাইনোসরের জীবাশ্ম কঙ্কাল আবিষ্কার করলেন পর্তুগালের জীবাশ্মবিদরা। দেহাবশেষগুলিকে একটি সৌরোপড বলে মনে করা হচ্ছে। একটি তৃণভোজী ডাইনোসর যা ১২ মিটার বা 39 ফুট লম্বা এবং ২৫ মিটার দীর্ঘ। প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বছর আগে এরা পৃথিবীতে বিচরণ করত। পর্তুগালে কিভাবে পাওয়া গেল বিশ্বের সবথেকে বড় ডাইনোসর লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ফ্যাকাল্টি এবং জীবাশ্মবিদ এলিজ়াবেত মালাফাইয়া সোমবার সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেছেনন যে, এটি ইউরোপে সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় নমুনাগুলির মধ্যে একটি। চলতি বছরের অগস্টের শুরুতে মধ্য পর্তুগালের পম্বলের বাড়ির কাছে একটি বাগান থেকে পর্তুগিজ এবং স্প্যানিশ বিজ্ঞানীরা বিশালাকার ডাইনোসরের হাড়গুলি খুঁজে পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন:  বিড়ালের মত ডাইনোসরের কঙ্কাল পেল, আর্জেন্টিনার বিজ্ঞানীরা সংগ্রহ করা হাড়গুলির মধ্যে জীবাশ্মবিদরা প্রায় তিন মিটার লম্বা একটি পাঁজরের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মালাফাইয়া। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৭ সালে এই একই স্থানে জীবাশ্মের টুকরো প্রথম বার নজরে আসে...

ঝলসানো আবহাওয়া, আকাশে লাল মেঘ, এমনি এক নবীন গ্রহের সন্ধান মিলল

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এবার সৌরজগতের বাইরে পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৫৫ আলোকবর্ষ দূরের একটি গ্রহের ঝকঝকে ছবি তুলল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। এই প্রথম এমন ছবি উঠল যেখানে শুধু গ্রহ নয় তার আকাশে উড়ে বেড়ানো মেঘের ছবিও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আকাশে লাল ও ঝলসানো আবহাওয়া  গ্রহটির নাম যে গ্রহটির ছবি তোলা হয়েছে তার নাম হচ্ছে এইচআইপি ৬৫৪২৬বি। বয়সে পৃথিবীর কাছে নেহাৎই শিশু এই গ্রহ। পৃথিবীর বয়স যেখানে ৪৫০ কোটি বছর। সেখানে এইচআইপি ৬৫৪২৬বি স্রেফ ২ কোটি বছর আগে জন্মেছে। তবে বয়সে কাঁচা হলেও বহরে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতিকে টেক্কা দিতে পারে এই এক্সোপ্ল্যানেট বা সৌরজগতের বাইরের গ্রহ। আকারে বৃহস্পতির চেয়েও এটি প্রায় ১২ গুণ বড়।  তবে এই অনুপাত নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নন জেমস টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন যে, এইচআইপি ৬৫৪২৬বি অনুপাতে বৃহস্পতিবার ৬ গুণও হতে পারে।এর আগে এক্সোপ্ল্যানেট এর ছবি তোলা যায়নি তা নয়। বলতে গেলে এই গ্রহটিরও ছবি আগে তোলা হয়েছিল। কিন্তু সেই ছবি এমন পরিচ্ছন্ন বা ঝকঝকে ছিল না। মাটিতে রাখা টেলিস্কোপের সীমিত ক্ষমতায় যে কয়টি সৌরজগতে...

মহাকাশে এবার ধান চাষ করে সফল হল চিন, ভবিষ্যতে মহাকাশ স্টেশন থাকবে না খাবারের দুশ্চিন্তা

ছবি
ব ন্ধুরা চলে এলাম আপনাদের নতুন কিছু তথ্য দিতে,  এবার মহাকাশে ধান চাষ করে তাক লাগালেন চিনা মহাকাশচারীরা। তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে সফলভাবে ধানের চারা উৎপাদন করেছেন জ়িনপিংয়ের দেশের মহাকাশচারীরা।   মহাকাশে ধানের চাষ চায়না ডেইলিতে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে মহাকাশে টিকে থাকার জন্য মহাকাশচারীদের খাবারের সরবরাহ করতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন করল এই আবিষ্কার। এর আগে ধান চাষের পরীক্ষাগুলি মহাকাশে পরিচালিত হলেও এই প্রথম বার তিয়াংগং স্পেস স্টেশনে উদ্ভিদের সমগ্র জীবনচক্র তৈরি করার প্রচেষ্টা করা হল এবং তাতে সাফল্যও এল। প্রক্রিয়াটি একটি সম্পূর্ণ উদ্ভিদ থেকে নতুন বীজ উৎপন্ন করে শেষ হয়। গত ২৪ জুলাই চিন কক্ষপথে ওয়েন্টিয়ান স্পেস ল্যাবরেটরি চালু করেছিল। যাতে এটি চিনা মহাকাশ স্টেশনের তিয়ানহে কোর মডিউলের সঙ্গে ডক করে। স্পেস ল্যাবটি এখন পর্যন্ত দেশের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ভারী মহাকাশযান এর উচ্চতা ১৭.৯ মিটার বা ৫৮ ফুট এবং ওজন ২৩ মেট্রিক টন। আটটি পরীক্ষামূলক পেলোড বোর্ডে রয়েছে এতে যার মধ্যে একটি কেবলই ধান পরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। আরও পড়ুন:  মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, ...

আইনস্টাইন রিংয়ের অনবদ্য ছবি তুলে তাক লাগাল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ

ছবি
আইনস্টাইন রিংয়ের ছবি তুলে তাক লাগানো জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। সেই ছবিতে আইনস্টাইন রিং এতটাই নিখুঁত ভাবে ফুটে উঠেছে যা আগে দেখা যায়নি। আর তার কারণ হল এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজ়ারের হাতেরমহাজাগতিক দুনিয়ার একের পর এক অবিশ্বাস্যকর ছবি তুলে নিয়ে আসছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।   জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ আর সেই ছবিগুলির মাধ্যমে মহাবিশ্বের কিছু শ্বাসরুদ্ধকর দিক তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে স্পেস টেলিস্কোপটি। এবার আরও একটি বিরল ছবি তুলে নিয়ে এসেছে জেমস। সেই ছবিটি একটি আইনস্টাইন রিংয়ের। চিত্রটি তোলা হয়েছে স্পেস টেলিস্কোপের MIRI ডিটেক্টরের সাহায্যে। পাশাপাশি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের শক্তিশালী NIRCam ডিটেক্টর ব্যবহার করেও ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। আইনস্টাইন রিং আসলে কী? যখন একটি নক্ষত্র বা একটি গ্যালাক্সি থেকে আলো অন্য গ্যালাক্সি বা একটি বিশাল বস্তু পৃথিবীর দিকে যাওয়ার পথে অতিক্রম করে, সেই বিশেষ অবস্থাকে বলা হয় আইনস্টাইন রিং। যেহেতু বৃহৎ বস্তুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আলোকে বাঁকিয়ে দিতে পারে।তাই এটি মহাকর্ষীয় লেন্সিং তৈরি করে একটি রিংয়ের মতো প্রভাবের সৃষ্টি করে। যার ফলে গ্যালাক্সির আলো প্রায় নিখু...